Thursday, September 24, 2020

কিভাবে একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ পেইজ বানাবেন তা দেখে নিন।

কিভাবে একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ পেইজ বানাবেন তা দেখে নিন।

কিভাবে একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ পেইজ বানাবেন তা দেখে নিন।



আপনার ব্লগ সাইট বা যেকোন সাইটেই সাইটম্যাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসইও তে সাইটম্যাপের গুরুত্ব অনেক।


আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সকলে ভালো আছে। 


আজকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে কথা বলবো, তা হলো কিভাবে সাইটম্যাপ যোগ করতে হয় বা কিভাবে সাইটম্যাপ পেইজ বানাতে হয়।


প্রথমেই বলে নেই, আজকে আপনি যে পদ্ধতিটি দেখতে যাচ্ছেব,এটিই হলো সাইটম্যাপ তৈরীর জন্য সবচেয়ে বেস্ট পদ্ধতি। কারণ আজকে আমরা একটি একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ যুক্ত করা পেইজ তৈরী করব। 

হ্যা, ঠিকই সকল কিছু অটোমেটিকলি এই পেইজে শো হবে আপনার কেন চিন্তা করতে হবে না।


তো চলুন শুরু করা যাক।


সাইটম্যাপ জিনিসটি আসলে কি এটা অনেকেই খুব ভালো মতই জানেন। 

যারা একদম নতুন তাদের জন্য হালকা করে একটু বলি।

সাইটম্যাপ হলো একটি সূচীপত্রের মত। 

আমরা আমাদের পাঠ্যবইয়ের শুরুতে যেরকম টেবিল অফ কন্টেন্ট বা সূচী দেখি না,ঠিক ওইরকমই হলো সাইটম্যাপ।

এটি হলো আপনার সাইটের একটি ম্যাপ।

কোন জায়গায় কি পোস্ট আছে, কি নতুন পোস্ট আছে,কতগুলো পোস্ট আছে সাইটে এখানে সব দেখাবে।

এখন গুগল বটগুলো যখন আপনার সাইটে আসবে তখন সে প্রথমে খুজবে সাইটম্যাপ কই।

সাইটম্যাপ পেইজ পেলে সে ওখান থেকেই ডাটা তৈরী গুগলে ইনডেক্স করবে।


তাহলে বুঝতেই পারছেন এটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ। 


এখন দেখাবো কিভাবে তেরী করবেন সাইটম্যাপ পেইজটি?


স্টেপ ১. প্রথমে আমপনার ব্লগার একাউন্টে লগইন করুন।


স্টেপ ২. এরপর আপনার সাইট সিলেক্ট করুন। 


স্টেপ ৩. এখন পেইজ অনশনে ক্লিক করুন।



স্টেপ ৪. New Page এ ক্লিক করুন।



স্টেপ ৫. পেইজ টাইটেল দিন Sitemap



স্টেপ ৬. টাইটেলের নিচে দেখুন নিচের মত পাবেন, সেখান থেকে Html view সিলেক্ট করুন।



এবার শুধু একটি কোড এড করবেন।

আর কোন কিছু করতে হবে না।

এখন নিচের এই কোডটি কপি করুনঃ

এই লিংকে

স্টেপ ৭. এবার পেইজটি পাবলিশ করুন। আর কিছু করতে হবে না। পাবলিশ হয়ে গেলে। নিচের স্টেপগুলো ফলো করুন।


পেইজটি পাবলিশ করা হয়ে গলেই কিন্তু সেটি আপনার সাইটে দেখাবে না। এর জন্য পেইজটিকে টিক মার্ক দিয়ে অন করে নিতে হবে লেআউট থেকে।


এটা কিভাবে করবেন দেখা যাকঃ


১. প্রথমে মেনু থেকে লেআউটে ক্লিক করুন।


২. এরপর লেআউটের মধ্যে কোথায় Pages লেখা আছে খুজুন। 


৩. লেআউট থেকে Pages লেখায় ক্লিক করুন।


৪. এরপর নিচের মত দেখতে পাবেন। 



৫. এখন বামপাশে দেখেন আপনার সাইটের সব পেইজ নাম দেওয়া আছে। আপনি যে পেইজটি শো করাবেন ওইটার ওপর টিক মার্ক দিন।

এক্ষেত্রে হবে Sitemap.

টিক মার্ক দিয়ে Save এ ক্লিক করুন।



Congratulations আপনি সফলভাবে পেইজটি এড করতে পেরেছেন। 


এখন আপনার সাইটটি ভিসিট করুন, দেখবেন Sitemap পেইজ শো করবে।


ধন্যবাদ। 

কেন সমস্যা হলে আমাদের জানাতে ভুলবেন না।

Wednesday, September 23, 2020

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং কিভাবে করতে হয় এবং লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিকঃ [Updated 2020]

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং কিভাবে করতে হয় এবং লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিকঃ [Updated 2020]

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং কিভাবে করতে হয় এবং লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিকঃ


ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং হলো এসইও এর হাই  স্ত্রেন্থ ব্যাকলিংকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এসইও এর ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। 

এ এসইও টেকনিকটি এখনো খুবই জনপ্রিয়। 


আপনারা যারা এসইও এর সাথে জড়িত অথবা রিয়েল লাইফেও এর ইনফোগ্রাফিক এর বিভিন্ন উদাহরণ দেখে থাকেন। তবে আমরা অনেকেই জানি না এটার নাম কি।


তো প্রথমেই আমাদের জানতে হবে ইনফোগ্রাফিক জিনিসটি আসলে কি?


বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত বা ডাটার একটি চিত্রগত উপস্থাপনকেই বলা হয় ইনফোগ্রাফিক। 

যেমন আমরা প্রায়ই দেখে থাকি বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা, বা পয়েন্টগুলো একটি ছবির মধ্যে লিখে প্রকাশ করে। সত্যি বলতে কি এটাই হচ্ছে ইনফোগ্রাফিক। 

তাই বলাই যায়, কোন তথ্য বা পয়েন্ট ছবি আকারে ডিজাইন করে উপস্থাপন করাই হলো ইনফোগ্রাফিক। 


এখন অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন ভাই এত লিংক বিল্ডিং পদ্ধতি থাকতে এটা কেন করতে যাব, কে আবার গ্রাফিকস ডিজাইন করতে যাবে?


ট্রাস্ট মি ব্রো, এটা অনেক আশাজনক একটি লিংক বিল্ডিং পদ্ধতি। কারণ ইন্টারনেটে এমন অনেক অনেক হাই ডোমেইন অথোরিটি যুক্ত সাইট আছে, যেগুলোতে আপনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ইনফোগ্রাফিক সাবমিট করতে পারবেন। 

এতে করে কি হবে?

এতে আপনি ট্রাফিক ও পাবেন এবং অধিকাংশ ইনফোগ্রাফিক সাইটে ইনফোগ্রাফিক সাবমিট করার সাথে সাথে আপনার নিজের সাইট দেওয়ার সুযোগ প্রদান করে থাকে। 

তো এতে করে আপনি ট্রাফিকও পেলেন সাথে একটি হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পেলেন। 

এবং এর আরো একটি ফলাফল আছে, তা হলো আপনার ইনফোগ্রাফিক যদি খুব ভালো হয় তাহলে মানুষ সেটি শেয়ার করবে। 

এবং অধিকাংশ মানুষই কে এটি বানিয়েছে সেটি লিখে দিবে তাই এতে আপনার লিংকটিও শেয়ার হচ্ছে ট্রাফিক ও আসছে।

মূলত একারণেই এটি এত জনপ্রিয় একটি লিংক বিল্ডিং পদ্ধতি। 

এখন ত বুঝতে পারছেন এটি কেন এত প্রয়োজনীয়। 


এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন ভাই আমি ত গ্রাফিকস ডিজাইন জানি না তাহলে আমি এটা ডিজাইন করবো কেমনে?


ভাইয়া, এটা করতে আপনার একজন প্রফেশনাল গ্রাফিকস ডিজাইন জানতে হবে এমনটা নয়। আপনি ইউটিউবে কয়েকটি ভিডিও দেখলে নিজেই ইনফোগ্রাফিক বানাতে পারবেন। 

তবে এখানে একটি কথা আছে, আপনি যেহেতু এক্সপার্ট না তাই স্বভাবতই আপনার ডিজাইনও তেমন হাই কোয়ালিটি হবে না।

তাহলে আপনিই বলুন ত, আপনার ডিজাইনই যদি ভালো আকর্ষণীয় না হয় তাহলে কে আপনার ইনফোগ্রাফিক শেয়ার করতে যাবে বা দেখতে চাইবে?

তাই আপনাকে অবশ্যই একজন এক্সপার্টের সহায়তা নিতে হবে। 

এক্ষেত্রে আপনি মার্কেটপ্লেসে দেখতে পারেন। আপনি ফাইবারে গিয়ে ইনফোগ্রাফিক লিখে সার্চ করলেই অনেক গিগ পাবেন। 

আপনি ২০-৫০ ডলার দিয়ে ভালো মানের একটি ইনফোগ্রাফিক তৈরী করে নিতে পারেন।

এখানে আপনি এমন গিগও পাবেন যেগুলোতে মাত্র ৫-১০ ডলারে ইনফোগ্রাফিক করার অফার দিবে, সেগুলো আবার নিতে যাবেন না তাহলে পস্তাবেন। ওগুলা খুবই বেসিক লেভেলের ডিজাইন  হবে। 

আমাদের রিকমেন্ডেশন হলো নতুন হলে ২০-৪০ ডলার দিয়ে তৈরী করুন।

এছাড়া আমাদের দেশের অনেক গ্রাফিকস ডিজাইনার আছে। যাদের দিয়ে ৫০০-১০০০ টাকা দিয়েই অনেক ভালো মানের ইনফোগ্রাফিক তৈরী করে নিতে পারবেন।


এখন কথা হলো আপনি কোন টপিকের উপর ইনফোগ্রাফিক তৈরী করবেন?

বা ইনফোগ্রাফিক তৈরীর টপিকস পাবেন কি করে?


ইনফোগ্রাফিক তৈরীর জন্য আপনাকে অবশ্যই বর্তমানে যে টপিকসটি ট্রেন্ডিং চলতেছে সেটি নিয়ে কাজ করতে হবে। 

এখন কোন বিষয়টি ট্রেন্ডিং আছে এটা জানার জন্য আমরা এই সাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করবো।

এই সাইটে যেকোন টপিক সার্চ করে দেখতে পারেন, এখানে লক্ষ লক্ষ টপিকস আছে। এই সাইটটির অন্যতম একটি সুবিধা হলো এখান থেকে আপনি জানতে পারবেন এই টপিকটির উপর জনগণের রেসপন্স কেমন, কিরকম শেয়ার হচ্ছে সোশাল মিডিয়াগুলোতে।

এমনকি কোন কোন ব্যাক্তি বা প্রোফাইল থেকে এটি শেয়ার হচ্ছে তাও দেখতে পারবেন।


এখন বলতে পারেন এসব ইনফোগ্রাফিক আমি কোথায় সাবমিট করবো?


ইন্টারনেটে হাজার হাজার ইনফোগ্রাফিক সাবমিট সাইট রয়েছে। আপনি একটু সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। 

আপনি গুগলে এইটা লিখে সার্চ করবেন "Best info-graphic submit website working in 2020"


সার্চ রেজাল্ট থেকে যেকোন একটি ওয়েবসাইটে গিয়েই দেখে নিতে পারবেন কোন কোন সাইট এখনো কাজ করছে।

ইনফোগ্রাফিক সাবমিট কিভাবে করবেন?

ইনফোগ্রাফিক সাবমিট করা খুবই সহজ। আপনাকে প্রথমে একটি ইনফোগ্রাফিক তৈরী করতে হবে।

তারপর সেটি আপানার সাইটে আপলোড করে এর লিংকটি কপি করে নিবেন। এরপর কোন ইনফোগ্রাফিক সাইটে গিয়ে সাবমিটে ইনফোগ্রাফিকে ক্লিক করবেন।

এরপর নাম, ইমেইল, আপনার তৈরী করা ওই ইনফোগ্রাফিক লিংকটি দিবেন।

নিচে কারটেসিতে আপনার সাইট লিংক দিবেন।

ব্যাস হয়ে গেল। ওইসব সাইটের এডমিনরা চেক করেই আপনার ইনফোগ্রাফিকটি পাবলিশ করে দিবে। 

এখানে জেনে রাখুন আপনার ইনফোগ্রাফিকটির পাবলিশ হলে অবশ্যই এর সাথে আপনার সাইট যুক্ত করবে তারা।

তো পেয়ে গেলেন একটি হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক। 


ইনফোগ্রাফিক সাবমিট করে লিংক বিল্ডিং অন্যতম জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। 

আপনার তৈরীকৃত ইনফোগ্রাফিক কিভাবে মানুষের কাছে সহজে পৌছে দিবেন সেটা নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখব।


তো এই ছিল ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর খুটিনাটি সব কিছু।


ধন্যবাদ। 

ভালো থাকবেন। 

ফ্রিতে কিভাবে ভিসা কার্ড নেওয়া যায়?

ফ্রিতে কিভাবে ভিসা কার্ড নেওয়া যায়?

ফ্রিতে ভিসা কার্ড নিয়ে নিন!

হ্যালো ফ্রেন্ডস। আশা করি সকলে ভালো আছেন। 

আজকে আমরা দেখব কিভাবে একটি ফ্রি ভিসা কার্ড পাবেন। হ্যা ঠিকই পড়েছেন একদম ফ্রিতে একটি ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন সেটা দেখাবো।


যারা ভিসা কার্ড কি জানেন না তারা পোস্টটি পড়ে নিন।


ভিসা কার্ড সবার কাছেই খুবই দরকারী একটি জিনিস। তবে আমাদের দেশে এটা পাওয়ার জন্য অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।

আমার দেখানো স্টেপগুলো অবলম্বন করলে আপনিও ফ্রীতে একটি ভিসা কার্ড পেয়ে যাবেন।

যা দিয়ে অনলাইন কেটাকাটা,পেমেন্ট সব কিছু করতে পারবেন।


এটি যেহেতু এত গুরুত্বপূর্ণ তাই আপনি নিশ্চই দেশের কোন ব্যাংক থেকে এটি ফ্রিতে নিতে পারবেন না। ভিসা কার্ড ফ্রিতে নেওয়ার একমাত্র উপায় হলো ইন্টারনেট। ফ্রিতে ভিসা কার্ড নেওয়ার জন্য আমরা ইন্টারনেটের সহায়তা নিব। 

ইন্টারনেট কিভাবে ফ্রিতে ভিসা কার্ড দিবে?


ইন্টারনেটে এমন অনেক কোম্পানি আছে  যারা মাঝে মধ্যে ফ্রী কার্ড দেওয়ার অফার করে। আমরা এরকমই একটি কোম্পানিকে কাজে লাগিয়ে ফ্রি একটি ভিসা কার্ড নিয়ে নিব। 


চলুন শুরু করা যাকঃ


স্টেপ ১. প্রথমে এই সাইটে যান।


স্টেপ ২. আপনার সাইটটি ডেস্কটপ মোড অন করল নিন।



স্টেপ ৩. এরপর নিচের মত একটি পেইজ পাবেন। ডানপাশে উপরের দিকে দেখেন লেখা আছে সাইন আপ। সাইন আপ লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৪. এরপর নিচের মত একটি পেইজ আসবে।  

ফর্মটি পূরণ করুন। নাম,মেইল,পাসওয়ার্ড দিবেন।

পরে টিক মার্ক দিয়ে দিন। এরপর রেজিস্ট্রার লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৫. তারপর নিচের ছবির মত একটি পেইজ পাবেন। সেখানে তীর চিহ্ন দিয়ে দেখিয়েছি, Order New Card লেখায় ক্লিক করুন। 

এছাড়াও আপনি অন্যভাবে কাজটি করতে পারেন। আপনি যে মেইলটি দিয়েছিলেন সেটি ওপেন করুন দেখবেন। একটি মেইল গেছে। সেখানে get new card লেখায় ক্লিক করলেও একই রকম হবে।



স্টেপ ৬. এরপর নিচের মত একটি পেইজ পাবেন। সেখানে Get Now লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৭. আপনি কার্ডটি নিতে পেরেছেন Congratulations!


স্টেপ ৮. এখন আপনাকে কার্ডটি একটিভ করতে হবে। 

কার্ডটি একটিভ করার জন্য আপনাকে কিছু ডলার ডিপোজিট করতে হবে। 

ভয় পাবেন না। আপনার কেন টাকাই কেটে নিবে না। এটি আপনার মেইন ব্যালেন্সে থাকবে। আপনি চাইলে একটিভ করার সাথে সাথে ডলার ব্যবহার করে ফেলতে পারবেন কেন সমস্যা নেই। এটি শুধুমাত্র কার্ডটি একটিভ করার জন্য করতে হবে। 


স্টেপ ৯. ডিপোজিট করার জন্য আপনি বিটকয়েন, লাইটকয়েন, পারফেক্ট মানি, মাস্টার কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। 

বিটকয়েনে পেমেন্ট করাই সহজ। আপনি শুধু ওখান থেকে এড্রেসটি কপি করুন এবং আপনার একাউন্ট থেকে সেন্ড করে দিন। 

বিটকয়েনে পেমেন্ট করতে হলে আপনাকে মিনিমাম ১১ ডলার ডিপোজিট করতে হবে। 



এই সাইট থেকে আপনি চাইলে আরে দুটি প্লেন নিতে পারেন। ৫ ডলার এবং ১২ ডলারের আরো দুটি প্ল্যান আছে। যেগুলে আপনাকে আরো অনেক ভালে সুবিধা প্রধান করবে। 


এই সাইট কি বিশ্বস্ত? 

ইন্টারনেটে কোন কিছু সম্পর্কে গ্যারান্টি দিয়ে কিছু বলা যায় না। তবে এ সাইটটি অনেক দিন ধরেই মাঠে আছে। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো আপনি ত আর এখানে ১০০০ ডলার ডিপোজিট করতে যাচ্ছেন না। কিছু পরিমাণ পেমেন্ট করবেন তাহলেই আর কোন ভয় থাকবে না। আপনি ডোমেইন কিনতে চান তাহলে এরকম কার্ড ব্যবহার করতে পারেন,কারণ আপনি খুব বেশি পরিমাণ টাকা পেমেন্ট করবেন না।


আমি রিকমেন্ড করবো বেশি টাকা ডিপোজিট করবেন না, কম টাকাই করেন। এটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।


কোন সমস্যা থাকলে জানাতে ভুলবেন না। 

ভালো থাকবেন। এরকম আরো ইন্টারেস্টিং টপিক সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।


ধন্যবাদ।

Tuesday, September 22, 2020

২৪ ঘন্টায় ১ মিলিয়ন কমেন্ট করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রতিবাদঃ

২৪ ঘন্টায় ১ মিলিয়ন কমেন্ট করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রতিবাদঃ

 

করোনা মহামারির কারণে স্থগিত হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে আগামী ২৪ তারিখ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। নভেম্বরে পরীক্ষা নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে শিক্ষামন্ত্রণালয়। 

কিন্তু শিক্ষার্থীরা এ মহামারীর মধ্যে পরীক্ষা দিতে নারাজ। সামনে শীতকালে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন দেশের স্বাস্থ্যবিদগণ। 

শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন তাহলে এ অবস্থায় এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ের সিদ্ধান্ত কেন?

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দেশের করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা দিবে না তারা।


করোনার মধ্যে এইচএসসি যাতে না নেওয়া হয় এজন্য দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্দোলন করছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। 

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘন্টায় #NoHSCduringcorona হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করে ১ মিলিয়ন কমেন্ট সম্পন্ন করেছে তারা।

যা Guinness Book of World Records এ নতুন রেকর্ড হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।


শিক্ষার্থীরা মনে করছে তাদের এ কার্যক্রম শিক্ষামন্ত্রণালয়কে যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে ভাবতে বাধ্য করবে।

আর্টিকেল রাইটিং সম্পর্কে মানুষের করা কমন ১৫ টি প্রশ্ন?

আর্টিকেল রাইটিং সম্পর্কে মানুষের করা কমন ১৫ টি প্রশ্ন?

আর্টিকেল রাইটিং সম্পর্কে মানুষের করা কমন ১৫ টি প্রশ্ন?

Article writing tips bangla 2021


আর্টিকেল রাইটিং নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু জানতে চায়। মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন থাকে। প্রায় প্রতিটি রাইটারের মনেই এমন কিছু প্রশ্ন জাগে।

চলুন আজকে এরকম কিছু প্রশ্ন ও উত্তর দেখে নেই।


১. আর্টিকেল লেখার সময় আমার আসল নাম ব্যবহার করা কি ভাল?

অবশ্যই! এই সেক্টরে একজন দক্ষ ব্যাক্তি হিসাবে আপনার নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আপনি অবশ্যই চাইবেন আপনার পাঠকরা আপনার লেখা পড়ে খুশি হওয়ার পর আপনার নামটি মনে রাখুক।


২. আমি কীভাবে আর্টিকেল একটি সিরিজ আকারে জমা  দিতে পারি?

যদি আপনি প্রায়শই সিরিজ আকারে আর্টিকেল তৈরি করেন, তবে প্রতিটি আর্টিকেলকে সর্বদা স্বতন্ত্র আর্টিকেল হিসাবে একা রাখা উচিত। 

আপনি এই সিরিজের অন্যান্য আর্টিকেলগুলো উল্লেখ করতে পারেন, তবে আপনার আর্টিকেলটি কেন বিশ্রীভাবে শুরু বা শেষ হচ্ছে তা ভেবে পাঠকরা যেন তাদের মাথা চুলকাতে শুরু না করে আবার।


৩. একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা গ্রহণযোগ্য?

আর্টিকেল জমা দেওয়ার সাইটে একটির বেশি অ্যাকাউন্ট তৈরি করার কোনও কারণ নেই। 

বিকল্প লেখকের নাম যুক্ত করার জন্য একটি জায়গা থাকবে যাতে আপনি অন্য লেখকদের মধ্যে থেকে আপনার আর্টিকেলগুলো আলাদা রাখতে পারেন। 

একাধিক একাউন্ট থাকা আপনার আসল লক্ষ বা উদ্দেশ্যকে নষ্ট করে। 


৪. আমার প্রোফাইলের সাথে কি আমার কোন ছবি যোগ করা দরকার?

আপনার প্রকাশিত প্রতিটি আর্টিকেলে আপনার লেখকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, তাই আমরা আপনার অ্যাকাউন্টে নিজের ছবি যুক্ত করে আপনার মুখ বা নামটি উন্নত করার পরামর্শ দিচ্ছি। আপনার একটি ছবি আপনাকে মানুষের সামনে পরিচিত করে তুলতে পারে।

বিশ্বকে দেখিয়ে দিন আপনি কে এবং আপনি আপনার আর্টিকেলটি সবার সাথে ভাগ করে নিতে কতটা আনন্দিত!


৫. আমি কি আর্টিকেলে অন্য কোন পেইজ বা সাইটের লিংক যুক্ত করতে পারি?


আপনি আপনার পাঠকদের সব খুটিনাটি বিষয় জানাতে চাইবেন। তাই একটি আর্টিকেলে কখনো সবকিছু নিয়ে আলেচনা করা যায় না। তো আপনি চাইলে আপনার পাঠকদের ভালো কোন পেইজ বা সাইটে রেফার করতে পারেন যেখানে ওই বিষয়টি সম্পর্কে ভালো আলোচনা করা হয়েছে।


৬. যেকোন আর্টিকেলকে কত শব্দের মধ্যে হতে হয়?


আসলে এরকম কোন বাধ্যবাধকতা নেই। তবে আপনি যদি একটি বিষয়ে ১০০-২০০ শব্দের মধ্যে কোন আর্টিকেল লিখেন তবে সেখানে কিন্তু আপনার পাঠককে সবকিছু জানাতে পারবেন না। আপনার পাঠক সুম্পূর্ন ধারনা পাচ্ছে না বিষয়টি সম্পর্কে। 

আবার আপনি এমন আর্টিকেল লিখলেন যেটা পড়তে পড়তে সারাদিন চলে যাবে সেটাও পাঠকগণ পড়বে না। সেটা যতই কোয়ালিটি আর্টিকেল হোক না কারো এত ধৈর্য নেই।

এক্ষেত্রে আপনি আপনার আর্টিকেলকে খুব ছোটও করবেন আবার খুব বড়ও করবেন না।

এক্ষেত্রে আপনি ৫০০-৭০০ শব্দের মধ্যে রাখতে পারেন।

এটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।


৭. আমি কি আমার আর্টিকেলের সাথে ছবি যুক্ত করতে পারি?

আপনি যদি আপনার নিবন্ধের সাথে কোন চিত্র অন্তর্ভুক্ত করতে চান, তবে আর্টিকেলে ছবি যুক্ত করার পরিবর্তে একটি লিঙ্কে চিত্রটি উপস্থাপন করুন। 

আপনি আপনার পাঠককে যে লিংকে পাঠাচ্ছেন সেখানে যেন আবার কোয়ালিটি থাকে।

আমরা কোনও পৃষ্ঠাতে ছবি বা গ্রাফের সাথে কঠোরভাবে লিঙ্ক করার পরামর্শ দিই না। এটিকে আসল বিষয়বস্তু না করে বোনাস উপাদান হিসেবে তৈরি করুন।


৮. আমার কি আমার আর্টিকেলে বিভিন্ন কিওয়ার্ড  ব্যবহার করা উচিত?


আপনার আর্টিকেলে অত্যাধিক কীওয়ার্ড বা অনুরূপ কীওয়ার্ডের ভিন্নতা থাকা উচিত নয়। 

কারণ সেগুলো পাঠকদের জন্য বিভ্রান্তিকর হতে পারে। অতিরিক্ত কীওয়ার্ডের প্রকরণের ফলে আপনার আর্টিকেলটি কীওয়ার্ড-ঘন হয়ে উঠতে পারে। 

যেটা অনেকের কাছেই বিরক্তির লাগবে।


৯. আমি কি কোন আর্টিকেল স্পিনার ব্যবহার করে বানানো কনটেন্ট সাবমিট করতে পারবো?


কোনভাবেই না! এগুলো কোনভাবেই আসল না, এগুলোর ব্যাকরণ খুব খারাপভাবে থাকে এবং একজন বিশেষজ্ঞ লেখক হিসাবে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে দিতে পারে। 

কোনও ধরণের সফ্টওয়্যার ব্যবহার করবেন না যা আপনার জন্য কনটেন্ট তৈরি করে দিবে। 


১০. আমার আর্টিকেলে কয়টি লিঙ্ক যুক্ত করা উচিত?


থাম্বের একটি সাধারণ নিয়ম হিসাবে, আপনার আর্টিকেলে ২ টি নিজস্ব-পরিবেশনকারী যুক্ত করতে পারবেন। এই লিঙ্কগুলির জন্য সেরা স্থানটি আপনার রিসোর্স বক্সে রয়েছে। 

একটি স্ব-পরিবেশন লিঙ্কটি এমন একটি ওয়েবসাইট হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় যা আপনার নিজের মালিকানাধীন, নিয়ন্ত্রণ করা বা এতে নিযুক্ত আগ্রহ রয়েছে।


১১. আমি কি কোন এফিলিয়েট লিংক যুক্ত করতে পারি?


আপনি যদি আপনার আর্টিকেলে কোন এফিলিয়েট লিংক যুক্ত করতে চান তাহলে অবশ্যই সেটিকে টপ লেভেলের ডোমেইন থাকতে হবে এবং এফিলিয়েট সাইটটির মালিক আপনাকে হতে হবে।

যদি আপনার লিঙ্কটিতে এলোমেলো অনুমোদিত কোড এবং নম্বর থাকে তবে এটি অনেক পাঠককে সরিয়ে ফেলবে। এতে করে আপনার ইমেজ আরো নষ্ট হবে।


১২. আমি কি আমার আর্টিকেলল নিজেকে প্রচার করতে পারি?


আপনি যদি আপনার আর্টিকেলের বডিতে কোন প্রচারমূলক সামগ্রী বা লেখা যুক্ত করেন, আপনি আপনার পরিষেবাদি সরবরাহ করতে খুব দ্রুত করছেন। 

এটি অনেকাংশেই আপনার পাঠককে জোর করা হবে।

আপনার পাঠকদের আপনাকে খুজে বের করার সুযোগ দিন।


১৩. আমি আমার রিসোর্স বক্সে কোন ধরণের তথ্য সরবরাহ করব?

আপনার আর্টিকেলের রিসোর্স বক্সটি আপনার নিজের সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ যুক্ত করার জায়গা। এটিতে আপনার কোম্পানির নাম, যোগাযোগের বিশদ এবং আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্কগুলি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে যা আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে।


১৪. আমি একাধিক সাইটে একই কনটেন্ট প্রকাশ করতে পারি?


অবশ্যই! আমরা আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট এবং একাধিক আর্টিকেল জমা দেওয়ার সাইটগুলিতে আপনার কনটেন্ট ব্যবহার করতে উৎসাহিত করি। যাইহোক, আপনার লেখকের নাম মেলা প্রয়োজন এবং আর্টিকেলের সাথে স্পষ্টভাবে সংযুক্ত করা উচিত।


১৫. আমি কীভাবে আমার আর্টিকেলগুলোর পর্যালোচনা পেতে পারি?

আপনার জমা দেওয়া আর্টিকেলটি খসড়া হওয়া উচিত, ত্রুটিমুক্ত এবং 100% ইউনিক কনটেন্ট হতে হবে। তবে আপনি যদি দ্রুত অনুমোদনের সময়ের নিশ্চয়তা নিতে চান তবে আপনার আর্টিকেলগুলল লাইনের সামনে রাখার জন্য আপনি প্রিমিয়াম সদস্যতা কিনতে পারেন।


আজকে আমরা অনেককিছুই জানলাম। আশা করি আপনাদের অনেক ভুল ধারণ ভেঙ্গেছে।

কোন সমস্যা থাকলে আমাদের জানাতে পারেন।

ধন্যবাদ


Monday, September 21, 2020

কিভাবে আপনার জন্য সেরা ফোনটি সিলেক্ট করবেন?

কিভাবে আপনার জন্য সেরা ফোনটি সিলেক্ট করবেন?

কিভাবে আপনার জন্য সেরা ফোনটি সিলেক্ট করবেন?


বর্তমানে মোবাইল ফোন হয়ে গেছে আমাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধু। মোবাইল ছাড়া এখন আর কাউকে পাওয়া যায় না। এর অবশ্য কারণও রয়েছে। 

আমাদের পড়াশোনা, হিসাব-নিকাশ, চলাচল, বিভিন্ন তথ্য জানা এক কথায় আমাদের জীবনকে আরো সহজ করে দিয়েছে মোবাইল ফোন। আস্তে আস্তে এটি আমাদের জীবনেরই একটি অংশ হয়ে যাচ্ছে। 


আমরা প্রায় সবাই মোবাইল ফোন কেনার সময় অনেক চিন্তায় পড়ে যাই, কারণ মোবাইল কিনতে গেলে দেখা যায় সবগুলোই পছন্দ হয়। 

কোনটি যে আমার জন্য উপযুক্ত বা কোনটি আমি ব্যবহার করব এটা সিলেক্ট করতে অনেক চিন্তায়  পড়ে যায় অনেকে।


আজকে আমরা দেখব কিভাবে আপনি নিজের জন্য বেস্ট ফোনটি নিবেন?
বা কিভাবে বুঝবেন কোনটি আপনার জন্য বেস্ট ফোন হবে?


১. নিজের মনকে ফলো করুনঃ মোবাইলটি আপনার একান্ত ব্যক্তিগত হবে। আপনি নিজে মোবাইলটি ব্যবহার করবেন। তাই আপনার নিজের কেমন ফোন দরকার সেটা আপনাকে ছাড়া আর কেউ ভালো জানে না। 

তাই নিজের মনকে বুঝুন। নিজের মনকে প্রশ্ন করুন আসলেই আমার কি দরকার? আমার কোন ফোনটির প্রতি টান অনুভব হচ্ছে? 


২. আপনার প্রয়োজনীয়তা বুঝুনঃ আপনি যে ফোনটি নিবেন সেটি দিয়ে কি কাজ করবেন? কতঘন্টা সময় ব্যায় করবেন?  আপনি কি গেম খেলবেন?  নাকি শুধু নেট ব্রাউজিং করবেন?

এককথায় আপনার নিজের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী মোবাইল নিন।

আরো পড়ুনঃ★যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মানুষ কি ডাইনোসরের মত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

★ গেম অফ থ্রোনস নিয়ে বিষ্ময়কর কিছু তথ্য।

ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। 

★ ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ হলে যাবে।

★ ম্যাজিক মাশরুম পর্যবেক্ষণ করলো বিজ্ঞানীরা।


৩. প্রসেসরঃ আপনি যদি একজন গেমার হন বা মোবাইল দিয়ে গেম খেলবেন ভাবছেন তাহলে অবশ্যই ফোনের প্রসেসর দেখে ফোন নি। 

গেমার হলে আপনার সর্বপ্রথম ফোনের প্রসেসর দেখতে হবে। কারণ প্রসেসর লো হলে গেম খেলে মজা পাবেন না।

আবার আপনি শুধু বিনোদনের জন্য ফোনটি নিচ্ছেন তো আপনি ফোনের ভিডিও পারফরম্যান্স দেখে নিন,ক্যামেরা দেখে নিন।

৪. বাজেটঃ মোবাইল কেনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনার নিজের বাজেট। এখন আপনার বাজেট যদি কম

হয় তাহলে তো আর আপনি আইফোন নিতে পারবেন না তাইন?

তাই নিজের বাজেট খেয়াল রাখুন, বাজেট অনুযায়ী মোবাইল খুজুন। লক্ষ করুন আপনার বাজের মধ্যে কোন কোম্পানির ফোনটি সবচেয়ে বেশি ফিচারযুক্ত। যে কোম্পানির ফোনটি আপনার চাহিদা পূরণ করতে পারবে সেটিই নিন। 


৫. নেটওয়ার্কঃ এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেপ। অনেক ফোন আছে যেগুলো হয়ত ৩জি সাপোর্টেট। তবে এখন তো সব জায়গায় হচ্ছে ফোরজি। 

তো আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না আপনার ফোনটি ব্যাকডেটেট হোক। তো আপনি যে বছরেরই ফোনটি কিনেন সবসময় খোজন নিয়ে নিবেন এখন কোন নেটওয়ার্ক চলছে।


৬. ব্যাটারিঃ একটি ফোন কিনলে আপনার অবশ্যই  ব্যাটারি ব্যাকআপ কতটুকু দেয় এটা জেনে নিতে হবে।

একটা কথা জেনে রাখুন আপনার ফোনে যদি চার্জই না থাকে বা কম থাকে তাহলে আপনার ফোন যতই ভালো হোক না কেন মজা পাবেন না।

তাই অবশ্যই ব্যাটারি ব্যাকআপ সম্পর্কে খোজ নিবেন।


৭. ডিসপ্লেঃ ফোন কিনার আগে অবশ্যই ডিসপ্লে খুব ভালো করে দেখবেন। কারণ অনেক বেশি দামের ফোনেও অনেক সময় ভালো ডিসপ্লে থাকে। 

ডিসপ্লে ভালো না থাকলে কিন্তু কোন শান্তি পাবেন না। চাই হোক আপনি গেমের জন্যই নেন বা বিনোদন বা নেট ব্রাউজিং এর জন্য নেন।


পরিশেষে বলি ফোন কিনার সময় শুধু ব্রেন্ড খুজবেন না তাহলে ধরা খাবেন। 

কারণ ভালো ব্রেন্ডের ফোনগুলোই গোপনে কিছু একটা দূর্বপ্রতা লাগিয়ে দেয়। যেমন অনেক কোম্পানির ফেন পাবেন যেগুলায় পিছনের ফিঙ্গার প্রিন্ট আছে তারপরও আপনি এগুলা দিয়ে ছবি তুলতে পারবেন না। তো এ বিষয়গুলো অবশ্যই জিজ্ঞেস করে নিবেন।


পারসোনালি একটি উপদেশ দেই, যে ফোনটিই কিনেন না কেন ইউটিউবে এর পারফরম্যান্স দেখে নিন,দীর্ঘদিন যারা ব্যবহার করছে তাদের রিভিউ দেখে নিন।

Thanks


★★★★★


আমি প্রচুর ব্যবহারকারীদের অভিযোগ করতে দেখছি যে তাদের এই দক্ষতাগুলি অনুশীলনের জন্য বাস্তব জীবনের প্রকল্প নেই।


সুতরাং আমি এই দ্রুত ৯০ মিনিটের প্রকল্পটি তৈরি করেছি যেখানে আপনি দুটি বড় বাস্তব জীবনের অ্যাপ্লিকেশনগুলির মধ্যে একটি সংযোগ তৈরি করে আপনার পাইথন দক্ষতা ব্যবহার করতে পারেন।


আমরা শেষ এফএম এর সাথে শীর্ষস্থানীয় ট্রেন্ডিংয়ের গানগুলি ব্যবহার করব এবং তারপরে স্পটফাইমে একটি প্লেলিস্ট তৈরি করব এবং এটিকে নতুন প্লেলিস্টে যুক্ত করব।


আমি জানি আপনি হয়ত ভাবছেন আপনাকে অনেক অনেক লাইন কোড লিখতে হবে তবে ভয় পাবেন না আমি বলছি মাত্র ৭০ লাইনের মত কোডেই আমরা কাজগুলো করে ফেলব। তাও সেগুলো বেসিক ডিক্লেয়ারেশন হবে।


তাহলে আপনি এখানে কি শিখবেন? আচ্ছা আমাকে এটা ভেঙে বলতে দিন।


★ পাইথনের সাথে কীভাবে REST এপিআই ব্যবহার করবেন তা শিখবেন।


★ কীভাবে আরইএসটি এবং পাইথন ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনগুলির সাথে সংযোগ স্থাপন করতে হয় তা শিখবেন। 


★ কীভাবে JSON এর প্রতিক্রিয়াগুলি ডিকোড করতে হয় এবং পড়তে হয় এবং সেগুলির মাধ্যমে পার্স করুন।


★ কীভাবে স্পটিফাইয়ের REST এপিআই ব্যবহার করবেন।


★ আপনার বাস্তব ওয়ার্ল্ড অ্যাপ্লিকেশনটিতে কীভাবে ডেটা পরিবর্তন করা যায়।


★ এবং শেষ কিন্তু ইজারা নয় আপনি নিজের জীবনবৃত্তান্তে দেখানোর জন্য একটি দুর্দান্ত প্রকল্পের সাথে শেষ করবেন।


কেবল এটিই নয়, আমি আরও বেশি কার্যকারিতা যুক্ত করার এবং এটিকে আরও ইন্টারেক্টিভ এবং মজাদার করার জন্য কাজ করছি।


এটি কেবল শুরু, আমরা এইভাবে প্রচুর পরিমাণে কাজ করতে পারি।



ভাইকিংস টিভি সিরিজের সেরা কিছু চরিত্র

ভাইকিংস টিভি সিরিজের সেরা কিছু চরিত্র

 ভাইকিংস টিভি সিরিজের আমার কাছে সেরা চরিত্র

vikings review bangla


ভাইকিংস হলো একটি হলিউড টিভি সিরিজ। যা ২০১৩ সালে প্রথম রিলিস হয়। ভাইকিংস টিভি সিরিজটি রিলিজ হওয়ার সাথে সাথে চরম জনপ্রিয় হয়ে উঠে। 


ভাইকিংস টিভি সিরিজটির সেরা ১০ টি চরিত্র বর্ণনা করবো।


১. রেগনার লথব্রোকঃ 

ভাইকিংস টিভি সিরিজটির সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র হলো রেগনার। 

এক কথায় ভাইকিংস টিভি সিরিজটিই জনপ্রিয়তা পেয়েছে ওনার জন্য। রেগনারের কথা বলার ভঙ্গি, আর ফাইটিং স্কিল মুগ্ধ করেছিল দর্শকদের। 

রেগনার লথব্রোক একজন আগ্রাসী, ভাইকিংস। যে সবসময় বিশ্বাস করত তাদের বসবাস করা অঞ্চল উত্তর ব্যাতীতও আরো অনেক দেশ রয়েছে।

সে সবসময় সাগর পাড়ি দিয়ে পশ্চিমে যেতে চাইত।

কিন্তু তার কাজে বাগরা দিত তাদের কিং। যেকিনা কখনো বিশ্বাস করত না পশ্চিমে কিছু আছে বলে।

তাই নিজের জাহাজগুলো এ যাত্রায় ইনভেস্ট করতে রাজি ছিল না সে।

কিন্তু রেগনার তার স্বপ্নকে মনে প্রাণে বিশ্বাস কর। এডভেঞ্চারের আশায় সে গোপেন একটি নৌকা বানায়।

এরপর তার অনুগন কয়েকজনকে নিয়ে পাড়ি দেয় পশ্চিমে। রেগনার সফলভাবে পশ্চিমে পৌছাতে পারে। এখান থেকেই শুরু হয় রেগনারের যাত্রা। যা তাকে ইংল্যান্ড,পেরিস পর্যন্ত নিয়ে যায়। 

পশ্চিমে ইংল্যান্ড আবিষ্কারের পর রেগনারের খেতি সারা উত্তরে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর একের পর এক সফল অভিযান চালায় সে।

ভাইকিংস টিভি সিরিজের দর্শকরা কখনো চায় নি কিং রেগনার হারিয়ে যাক। কিং রেগনারের মৃত্যুর পর ভাইকিংস টিভি সিরিজ অনেকটাই থেমে যায়।

এরপর টিভি সিরিজটির মোর ঘোরায় রেগনারের ছেলে বিয়ার্ন আয়রন সাইড।  


২. বিয়ার্ন আয়রনসাইডঃ

ভাইকিংস টিভি সিরিজের আমার দ্বিতীয় প্রিয় চরিত্র হলো বিয়ার্ন। নিজের পিতার মতই সাহসি, আগ্রাসী বিয়ার্ন হয়ে ওঠে অন্যতম সেরা ভাইকিংস।

সে তার পিতাকেও ছাড়িয়ে যায় এবং আবিষ্কার করে আরববিশ্ব।

তার এ আবিষ্কার এবং যুদ্ধের দক্ষতা তাকে খুব জনপ্রিয় করে তোলে।

লোকেরা তাকে বিয়ার্ন আয়রনসাইড উপাধি দেয়।

বিয়ার্ন চরিত্রটি খুবই শক্তিশালী একটি চরিত্র হিসেবে থেকে যায় শেষ পর্যন্ত।


৩. লাগাথাঃ ভাইকিংস টিভি সিরিজের সবচেয়ে শক্তিশালী মহিলা চরিত্র হলো লগাথা। 

এমনকি সিরিজ দুনিয়ায়তেও অন্যতম সেরা চরিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয় লাগাথাকে।

লাগাথা হলো রেগনার লথব্রোকের প্রথম স্ত্রী এবং বিয়ার্নের মা।

লাগাথাকে পৃথিবীর সেরা সিল্ড মেকার বলা হয়। 

তার জীবনে সবসময় লড়াই করে যায় সে।

অন্যতম শক্তিশালী একটি চরিত্র। 


৪. অার্থেস্টোনঃ দা প্রিস্ট নামে পরিচিত। রেগনারের সফলতার অন্যতম কান্ডারি হলো অার্থেস্টোন। 

রেগনার লথব্রোক তার প্রথম পশ্চিম অভিজানের সময় তাকে ধরে নিয়ে আসে দাস হিসেবে। পরবর্তীতে তাকে স্বাধীন করে দেয়। 

কিন্তু আর্থেস্টোন সারাজীবন রেগনারের অনুগত থাকে। রেগনার তাকে খুব ভালোবাসত। 

অার্থেস্টোনই রেগনারকে বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে জানায়। 


৫. রোলোঃ রেগনার লথব্রোকের ভাই হলো রোলো।

 একজন সাহসী,শক্তিশালী, আগ্রাসী ভাইকিংস।

ভাইকিংস টিভি সিরিজের অন্যতম সেরা যোদ্ধা। 

তবে সেই ভাইকিংস টিভি সিরিজের অন্যতম ঘৃণ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। 

যার বিশ্বাসঘাতকতার জন্য অনেককিছুই উলট পালট হয়ে যায়। 


আরো পড়ুনঃ★যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মানুষ কি ডাইনোসরের মত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

★ গেম অফ থ্রোনস নিয়ে বিষ্ময়কর কিছু তথ্য।

ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। 

★ ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ হলে যাবে।

★ ম্যাজিক মাশরুম পর্যবেক্ষণ করলো বিজ্ঞানীরা।


৬. ফ্লোকিঃ ফ্লোকি দা বোর্ড বিল্ডার নামে পরিচিত। 

অত্যন্ত ধর্মপ্রিয়,একজন ইঞ্জিনিয়ার হলো ফ্লোকি।

যে বোর্ড বানানোর জন্য বিখ্যাত। রেগনারের প্রথম বোর্ডটিও সেই বানায়।

 তারা বানানো বোর্ডগুলো গতি ও ডিজাইনের দিক সবচেয়ে সেরা হয়। 

ফ্লোকির অসাধারণ বুদ্ধি ছিল,সে প্রকৃতিতে কাজে লাগাতে পারত। 


৭. আইভারঃ একজন পঙ্গু। আইভার দা বোনলেস নামে পরিচিত। রেগনারের ছেলেদের মধ্যে সবচেয়ে  বেশি হিংস্র হলো আইভার। 

অনেকে তাকে পাগল ও বলে। ভাইকিংস টিভি সিরিজের সবচেয়ে ঘৃণিত চরিত্র হলো আইভার। তার জন্যই মূলত উত্তরে সিভিল ওয়্যার শুরু হয়ে যায়।

তবে শেষপর্যন্ত সেই বেচে থাকে।


৮.  উবারঃ রেগনারের দ্বিতীয় ঘরের বড় ছেলে উবার। একদম পিতার মত দেখতে। বুদ্ধি শক্তিও যদ্ধে পারদর্শী।

ভাইকিংস টিভি সিরিজটি পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় একটি টিভি সিরিজ। এ সিরিজ আপনাকে অন্য এক ধরনের ফিলিংস দিবে। 

আপনি যদি একজন ব্যাটেল বা যুদ্ধ নিয়ে মুভি দেখতে পছন্দ করেন তাহলে এ সিরিজটি আপনার অবশ্যই দেখা উচিত। কারণ এখানে আপনি যা পাবেন সবই এক্সট্রিম লেভেলের।

ধন্যবাদ।              

Sunday, September 20, 2020

মাস্টার কার্ড কি: কীভাবে মাস্টার কার্ড পাবেন? [Updated 2020]

মাস্টার কার্ড কি: কীভাবে মাস্টার কার্ড পাবেন? [Updated 2020]

মাস্টার কার্ড কি: কীভাবে মাস্টার কার্ড পাবেন? [Updated 2020]

মাস্টার কার্ড কি?


আমরা সবাই একটি নাম প্রায় সব জায়গাতেই শুনতে পাই তা হলো মাস্টার কার্ড। আপনাদের অনেকের মনে হয়ত প্রশ্নও জেগেছে মাস্টার কার্ড কি? এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন।

আবার অনেকেই হয়ত মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয় তা জানেন না। যদি আপনি না জেনে থাকেন মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয় তাহলে এ পোস্টটি আপনার জন্যই। 


আগে জেনে নি মাস্টার কার্ড কি?


মাস্টার কার্ড হলো একটি ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি। যারা সারাবিশ্বে ইন্টারন্যাশনাল লেনদেন সুবিধা প্রদান করে থাকে। তারা মানুষের দেনদেনকে সহজ করতে মাস্টার কার্ড নামের একটি সেবা চালু করেছে। এর মাধ্যমে আপনি সকল ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে পারবেন।  


আপনি যদি কোন বিদেশি কোম্পানি থেকে ডোমেইন হোস্টিং কিনতে চান বা Aliexpress, Alibaba থেকে কোন প্রোডাক্ট কিনতে চান তাহলে আপনাকে ডলার পেমেন্ট করতে হবে।

এখানে অবশ্যই আপনি বিকাশ,রকেট ব্যবহার করতে পারবেন না। এজন্য আপনার ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি লাগবে। আপনার এমন কোন মাধ্যমের সহায়তা নিতে হবে যারা ইন্টারন্যাশনালি পেমেন্ট সুবিধা প্রদান করে থাকে। এখানে কাজে আসে মাস্টার কার্ড।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন মাস্টার কার্ড কি?


এখন বলি মাস্টার কার্ড কিভাবে পাবেন?


ইন্টারনেটে অনেকে আর্টিকেলে দেখে থাকবেন তারা বলেছে বাংলাদেশের লোকাল ব্যাংকগুলো থেকে মাস্টার কার্ড নিতে হলে আপনাকে কোটিপতি হতে হবে।

তবে একটা কথা জেনে রাখুন এসব পুরোনো প্রবাদ এখন আর চলে না। মাস্টার কার্ড অন্যতম প্রয়োজনীয় একটি কার্ড। তাই বাংলাদেশের প্রায় সকল ব্যাংকই এখন এটি প্রদান করে থাকে।

এজন্য আপনাকে কোটিপতি হতে হবে না।


বাংলাদেশের লোকাল ব্যাংকগুলো(EbL, জনতা,সোনালি আরো আছে) দুই ধরনের কার্ড দিয়ে থাকে।

একটি হলো লোকাল মাস্টার আরেকটি হলো ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড।


লোকাল মাস্টার কার্ড দিয়ে আপনি যদি শুধু দেশের অভ্যন্তরেই লেনদেন করতে পারবেন। এগুলো ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি সাপোর্ট করে না।


আপনি ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল কার্ডটি নিতে হবে।

এটি আপনাকে ডলার পেমেন্ট করার সুবিধা দিবে। এর মাধ্যমে যেকোন ধরনের অনলাইন কেনাকাটা করতে পারবেন।


আরো পড়ুনঃ★যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মানুষ কি ডাইনোসরের মত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

★ গেম অফ থ্রোনস নিয়ে বিষ্ময়কর কিছু তথ্য।

ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। 

★ ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ হলে যাবে।

★ ম্যাজিক মাশরুম পর্যবেক্ষণ করলো বিজ্ঞানীরা।


দেশে থেকেই মাস্টার কার্ড নেওয়ার জন্য কি করবেন?
বা মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয়?


চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে মাস্টার কার্ড নিবেনঃ


১. মাস্টার কার্ড নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই লোকাল কেন ব্যাংকে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে আপনার চাহিদা জানাতে হবে। তারাই সকল ধাপ বলে দিবে।

 প্রথমে আপনাকে একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে।

এজন্য লাগবে NID কার্ড, ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। আপনি যদি ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি যুক্ত মাস্টার কার্ড নিতে চান,মানে এমন কার্ড নিতে চান যা দিয়ে অনলাইনে সকল কেনাকাটা করবেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই একটি ভিসা করতে হবে।

আপনার যদি ভিসা না থাকে তাহলে কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল কার্ড পাবেন না।

ভিসা জমা দিলেই তারা একটি আপনাকে ডলার ইনডোজ করে দিবে।


এখন আপনি চাইলে অনলাইনেও মাস্টার কার্ড অর্ডার করতে পারেন। 


চলুন দেখি কিভাবে অনলাইনে মাস্টার কার্ড অর্ডার করবেন? 
বা অনলাইনে কিভাবে মাস্টারকার্ড পাবেন?


অনলাইনে এমন অনেক সাইট আছে যারা মাস্টার কার্ড দিয়ে থাকে। তবে সবাই কিন্তু আমাদের দেশে সার্ভিস দিবে না। আপনি অনলাইনে মাস্টার কার্ড অর্ডার করলেও একটি প্লাসটিক কার্ড পেতে চাইবেন। 


তাই এত হাবিজাবি সাইট না বলে একটা সাইট বলছি। যারাই শুধুমাত্র বাংলাদেশে কার্ড দিয়ে থাকে। আর কোন কোম্পানি বাংলাদেশে কার্ড পাঠায় না।


এটি হচ্ছে পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড।


পেওনিয়ার হলো একটি ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি যারা বিশ্বব্যাপি মাস্টার কার্ড প্রদান করে থাকে।

যেকেউ চাইলে শর্ত পূরণের মাধ্যমে তাদের কার্ডটি নিতে পারে। তারা বিশ্বস্ততার সাথে সারাবিশ্বে সেবা দিয়ে আসছে। 


এ কার্ডটি নেওয়ার জন্য যেসব জিনিাগুলো লাগবে।

১. ব্যাংকের হিসাব নম্বর (যেকোন লোকাল ব্যাংক)

১. NiD card

২. ১০০ ডলার ডেপোজিট।


ভয় পাবেন না, ১০০ ডলার ডিপোজিট মানে এই না যে এ কার্ডের জন্য আপনার ১০০ ডলার খরচ করতে হবে। এ ১০০ ডলার আপনার একাউন্টে থাকবে। এবং কার্ড অর্ডার করা হয়ে গেলেই আপনি টাকা তুলে ফেলতে পারবেন। বা এই টাকা দিয়েই অনলাইনে কেনাকাটা শুরু করে দিতে পারবেন। 

১০০ ডলার ডিপোজিট শুধুমাত্র কার্ডটি সচল লরা বা পাওয়ার জন্য।


এখন আপনি কিভাবে ১০০ ডলার ডিপোজিট করবেন?

এজন্য আপনি যদি কোন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে থাকেন সেখান থেকে পেমেন্ট সরাসরি পেওনিয়ার একাউন্টে নিলেই হয়ে যাবে। অথবা যারা অনলাইনে কাজ করে তাদের সহায়তাও নিতে পারেন। তারা আপনার একাউন্টে ১০০ ডলার ডিপোজিট করে দিবে আপনি তাদের ১০০ ডলার সমমূল্যের টাকা দিয়ে দিবে।

আপনার ত লস নাই। টাকা ত থাকবেই।


চলুন দেখে নেই পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড কিভাবে নিবেন?
বা পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয়?


১. মাস্টার কার্ড পাওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে Payoneer ওয়েবসাইটে গিয়ে নতুন একাউন্ট খুলতে হবে।

একাউন্ট খুলার জন্য একটি ইমেইল লাগবে।


২৷ একাউন্ট খুলা হয়ে গেলে,একাউন্টে লগইন করে ডিপোজিট করবেন।


৩। পরবর্তীতে কার্ড অর্ডার করে আপনার ঠিকানা দিবেন। কার্ডটি আপনার নিকটস্থ পোস্ট অফিসে আসবে। কার্ডটি আসতে ১-২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। নিয়মিত পোস্ট অফিসে যোগাযোগ রাখবেন।


পৃথিবী দিন দিন আপডেট হচ্ছে। এখন কেনাকাটা আর এক শহরে সীমাবদ্ধ নেই। দেশ ছাড়িয়ে বাইরের দেশের প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রোডাক্ট কেনার প্রয়োজন হয়। মাস্টার কার্ড হয়ে উঠেছে আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গি।


বিষয়গুলে আপনার কাছে জটিল মনে হলে ইউটিউবে ভিডিও দেখতে পারেন। অনেক ভিডিও আছে।


ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য।

Saturday, September 19, 2020

ভিসা কার্ড কি: ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন?

ভিসা কার্ড কি: ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন?

ভিসা কার্ড কি: ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন?

ভিসা কার্ড কি? কিভাবে পাবেন?




আমরা সবাই কমবেশি ভিসা কার্ড জিনিসটির নাম শুনেছি। আপনাদের অনেকের মনে প্রশ্নও জেগেছে ভিসা কার্ড কি এবং এটি কিভাবে পেতে পারি। আজকে আমরা জানব ভিসা কার্ড কি এবং ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন।

চলুন শুরু করা যাক।

ভিসা কার্ড কি?

ভিসা কার্ড হলো বহু আধুনিক সুবিধাযুক্ত একটি ডিজিটাল কার্ড বা একাউন্ট। 

ভিসা কার্ডের মাধ্যমে আপনি দেশ বিদেশে যেকোন জায়গায় পেমেন্ট করতে পারবেন। 

যেমন ধরুনঃ আপনি ডোমেইন, হোস্টিং কিনবেন বা Aliexpress থেকে কোন প্রডোক্ট কিনবেন। 

কেনার জন্য অবশ্যই আপনাকে টাকা পেমেন্ট করতে হবে। এখানে অবশ্যই আপনি  বিল পরিশোধ করার জন্য বিকাশ, নগদ ব্যবহার করতে পারবেন না। 

এখানে আপনার ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি লাগবে। তো আপনাকে এসব ক্ষেত্রে পেমেন্ট সুবিধা দিবে ভিসা কার্ড। 

ভিসা কার্ডের মাধ্যমে আপনি সহজেই এসব জায়গায় পেমেন্ট করে আপনার প্রোডাক্টটি নিতে পারবেন।


তবে এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ভিসা কার্ড দুই প্রকার হয়। যথাঃ লোকাল ও ইন্টারন্যাশনাল। 
আপনি যদি শুধু লোকাল ভিসা কার্ডটি নেন তাহলে কিন্তু কোন ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে পারবেন না। 
এটি শুধু দেশের অভ্যন্তরে চলবে।
দেশের বাইরে পেমেন্ট করতে আপনাকে ডোয়েল কারেন্সি কার্ড নিতে হবে। যেখানে আপনাকে ডলার ইনডোজ করে দেওয়া হবে।

এখানে জেনে রাখুন ভিসা (Visa) একটি ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির নাম। যারা বিশ্বের সব দেশে ওইসব দেশের ব্যাংকগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে একধরনের কার্ড প্রদান করে থাকে।

অনেকেই প্রশ্ন করেন ভিসা কার্ড আর ক্রেডিট কার্ড কি এক জিনিস?

না, দুটি আলাদা। 

ক্রেডিট কার্ডের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন ক্রেডিট কার্ড দিয়ে আপনি ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে পারবেন না এবং ATM ছাড়া টাকা তুলতে পারবেন না। 

এক্ষেত্রে ভিসা কার্ড আপনাকে উভয় সুবিধাই প্রদান করবে। 

ভিসা কার্ডের মাধ্যমে আপনি সকল ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে পারবেন এবং যেকোন এটিএম বুথ টাকা তুলতে পারবেন। 


ভিসা কার্ড ব্যবহার করা কি নিরাপদ? 

হ্যা, ভিসা কার্ড ব্যবহার করা ১০০% নিরাপদ। এ কোম্পানি বিশ্বস্ততার সাথে সারাবিশ্বে সেবা দিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

এবার আসল কথা আসি,

ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন? 

ভিসা কার্ড পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই কোন লোকাল ব্যাংকের (ইসলামি ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, EBL ব্যাং ইত্যাদি) কাছে যেতে হবে। তারা আপনাকে ভিসি কার্ডটি প্রদান করবে।


ভিসা কার্ড নেওয়ার জন্য যা যা লাগবেঃ


১. পাসপোর্ট ( যদি কার্ডটি ইন্টারন্যাশনালি ব্যবহার করতে চান তাহলে অবশ্যই পাসপোর্ট লাগবে। পাসপোর্ট না থাকলে আপনি ইন্টারন্যাশনাল কার্ডটি পাবেন না।)

পাসপোর্ট না থাকলে আপনি লোকাল কার্ডটি নিতে পারেন একজন্য শুধু NID হলেই চলবে।


২. ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।


আপনি কোন লোকাল ব্যাংকে গেলেই তারা আপনাকে কার্ড দিয়ে দিবে।

আরো পড়ুনঃ★যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মানুষ কি ডাইনোসরের মত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

★ গেম অফ থ্রোনস নিয়ে বিষ্ময়কর কিছু তথ্য।

ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। 

★ ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ হলে যাবে।

★ ম্যাজিক মাশরুম পর্যবেক্ষণ করলো বিজ্ঞানীরা।


এখন আপনি ইচ্ছে করলে অনলাইন থেকেও কার্ড নিতে পারেন।

এজন্য সেই কার্ডটা প্লাসটিক কেন কার্ড হবে না। সেটা হবে ভার্চুয়াল কার্ড। ওই কার্ডও সেমভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। অনলাইনে নিলে একটি সুবিধা হলো আপনি অনেকগুলো কারেন্সি ব্যবহার করতে পারবেন। যেমনঃ ডলার,ইউরো,রোবেল ইত্যাদি।


অনলাইন থেকে কিভাবে ভিসা কার্ড নিবেন এ বিষয়ে অন্য একটি আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করব।


আবারে বলছি আপনি যদি অনলাইনে দেশের বাইরে পেমেন্ট বা কেনাকাটা করার জন্য ভিসা কার্ড নিতে চান তাহলে আপনার অবশ্যই পাসপোর্ট  লাগবে। 

Friday, September 18, 2020

ভবিষ্যৎ থাকবে ন্যানোটেকনেজির  হাতে!

ভবিষ্যৎ থাকবে ন্যানোটেকনেজির হাতে!

S.I Topic Name Details Date
1 Technology Nano Technology full details 18 September 2020
ন্যানোটেকনোলজি


ভবিষ্যৎ থাকবে ন্যানোটেকনেজির  হাতে!
আমরা হয়তো ধারণাও করতে পারবো না যে, আমাদের চোখ দেখতে পারে না এমন জিনিস পুরো পৃথিবী জুড়ে আছে। 
আর এই বিশ্বকে বলা হয় অাণুবীক্ষণিক বিশ্ব। 

এই আণুবীক্ষণিক বিশ্ব খুবই আকর্ষনীয় এবং মজাদার। সম্ভাবনার দুয়ার খুলে রাখা আছে এই আণুবীক্ষণিক বিশ্বে। 


বর্তমান সময় টেকনোলজির সময়। 

প্রতিনিয়তই কোনো না কোনো টেকনোলজি আমাদের হাতে আসছে।


এবার আসল কথায় আসা যাক।


ন্যানোটেকনোলজি আসলে কি?

ন্যানোটেকনোলজির সঙ্গা এভাবে দেওয়া যেতে পারে যে, ন্যানোটেকনোলজি বা ন্যানোপ্রযুক্তি হলো অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরীর জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।  

সংক্ষেপে একে ন্যানোটেক বলা হয় ।


আমেরিকার পদার্থ বিজ্ঞানী রিচার্ড ফেম্যান ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর "There’s plenty of room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানোটেকনলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।


১০০ ন্যানোমিটার থেকে ছোট পার্টিকেলে এই ন্যানোটেকনোলজি কাজ করে। 

যদিও ন্যানোটেকনোলজি ক্ষুদ্র আকারের পার্টিকেলের উপর কাজ করে কিন্তু ন্যানোটেকনোলজি দ্বারা তৈরিকৃত জিনিসের ক্ষমতা অনেক বেশি। 


ন্যানোটেক দ্বারা তৈরিকৃত জিনিসগুলো আকারে ছোট, ওজনে হালকা, দামে তুলনামূলক সস্তা হয়। 


ন্যানােটেকনলজি খুব ছােট্ট আকারের হয়ে থাকে , অর্থাৎ একটি মাত্রায় ১০০ ন্যানােমিটার থেকেও ছােট । 

আরও সহজ ভাবে বলে গেলে , ন্যানােমিটার থেকেও ছােট টেকনােলজিকে ন্যানােটেকনলজি বলে। 


ন্যানোটেকনলজি পদার্থকে আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করবার বিদ্যা।


আসলে এই ন্যানো কি?

একটি উদাহরণ দিলে ভালো হবে। আমরা যে কলম দিয়ে লিখি বা দাগ দেই।

আপনি কি জানেন আমরা কলম দিয়ে যে দাগ দেই তার প্রস্হ প্রায় মিলিয়ন ন্যানোমিটার?

তাহলে চিন্তা করুন ন্যানোটেকনোলজি কত ক্ষুদ্র পরিসরে কাজ করে। 

ন্যানো হলো পরিমাপের একক। 

এক মিটারের এক কোটি ভাগের এক ভাগকে বলা হয় এক ন্যানোমিটার। 

আর ন্যানোটেকনোলজি হলো বিজ্ঞানের অতি ক্ষুদ্র স্তরে একটা কিছু তৈরি করা। 

ভবিষ্যতে আমাদের এই পৃথিবী হতে যাচ্ছে ন্যানোটেকনোলজির রাজত্ব।

ন্যানোটেক কেন গুরুত্বপূর্ণ?


আমরা সকলেই জানি পৃথিবীর সব কিছু, মানুষ, গাছপালা,পরিবেশ,মহাকাশ সবকিছুই পরমাণু দিয়ে তৈরী। 

এই যে আমরা সুস্বাদু খাবার খাচ্ছি, সুন্দর প্রকৃতি দেখছি এগুলো সবই বাস্তবে কণা মাত্র। 

সবকিছুর মূলে রয়েছে কোটি কোটি পরমাণু। 

কিন্তু পরমাণু এত ছোট যা খালি চোখে দেখা যায় না। 


ন্যানো টেকনোলজিকে বাস্তবে রুপায়িত করা সম্ভব হয়েছে আইবিএমের তৈরী করা STM (Scanning Tunneling Microscope) যন্ত্রটির আবিষ্কারের ফলেই। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮০ সালে।


এই যন্ত্রটি এতই শক্তিশালী যে এটি দিয়ে অণুর গঠন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। 


এ যন্ত্রে একটি  ছোটখাটো পিঁপড়া দেখতে মনে হবে একটি বিশাল আকারের ডাইনোসরের মত।

বড় কথা হলো এই ন্যানোটেকনোজিতেই পদার্থের সবকিছু  বদলে দেওয়া সম্ভব। 

ভবিষ্যতে বিজ্ঞান আমাদের পৃথিবীকে নতুন আকার দিতে পারে এ ন্যানোটেকনোলজি দিয়েই। 

এটা অসম্ভব কিছু না। 

কারণ আমাদের বিজ্ঞান যেভাবে এগাচ্ছে তাতে এটা আশা করা যেতেই পারে।

ন্যানোটেক এর মাধ্যমে আমাদের জীবন কেমন হবে?

ন্যানোটেকনোজির মূল লক্ষই হচ্ছে মানুষের জীবনকে আরো সহজ করে তোলা।

সত্যি বলতে কি ন্যানোটেকনোলজি ইতিমধ্যেই আমাদের জীবনকে আরও সহজ করে দিয়েছে। 

কিভাবে? 

যেমনঃ 

ক.

মেডিসিন ( সুস্থ কোষগুলোকে কোনোপ্রকার ক্ষতি না করেই ক্যান্সার কোষকে হত্যা করে থাকে), 


খ.

কম্পিউটারিং (সুপার AI ব্যবহার করে কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরী করা হয়েছে)


গ.

যোগাযোগে ও মহাকাশযাত্রার অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে।


ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া লক্ষ করা যায়। 


i. উপর থেকে নিচে বা Top to Bottom

ii. নিচ থেকে উপরে বা Bottom to Top.


Top to Bottom বা উপর থেকে নিচ পদ্ধতিতে যেকোন জিনিসকে আরো ছোট আকার দেওয়া হয়। 

আর Bottom to Top হলো এর সম্পূর্ণ উল্টো অর্থাৎ ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্র আকারের জিনিস দিয়ে আরো বড় আকারের জিনিস তৈরি করা। 

আমরা বর্তমানে Top to Bottom প্রযুক্তিতে আছি।

ন্যানোটেকনোলজি মাধ্যমে অনেক কিছুই বদলে ফেলা সম্ভব। যেমনঃ যেকোন পদার্থের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক, বিদ্যুৎ ও চৌম্বক পরিবাহিকতা, রাসায়নিক বিক্রিয়াসহ অনেক কিছু। 

ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে পানিকে আর্সেনিক মুক্ত করা সম্ভব এবং সমুদ্রের লবণাক্ত পানি যেগুলা পানযোগ্য নয় সেগুলোর লবণাক্ততা দূর করে পানযোগ্য করা সম্ভব। 

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন,ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে সুপেয় পানির খুব অভাব দেখা দিবে। 

মানুষের প্রতিনিয়ত দূষণের  ফলে নদী নালা সব দূষিত হয়ে যাবে,পানির স্তর একেবারেই নিচে নেমে যাবে।

মানুষের মধ্যে দেখা দিবে নানা রোগবালাই।


ধারণা করা হচ্ছে  আমাদের খাদ্যাভাস বদলে দিবে এই ন্যানোটেক। 

খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে আরোও স্বাস্থ্যসম্মত করবে এই ন্যানোটেকনোলজি। 

 

আমি যদি বলি আমরা ন্যানোটেকনোজির ব্যবহার শুরু করেছি  অনেক আগে থেকেই, তাহলে কি আপনি বিশ্বাস করবেন?


একটু ভাবুন ত, আমরা যখন প্রথম কম্পিউটার আবিষ্কার করি তখন এর আকার কত বড় ছিল?

তখন কি কেউ চিন্তা করতে পেরেছিল একদিন এই কম্পিউটার মানুষের পকেটে থাকবে?

আপনি জানলে আরো অবাক হবেন যে, আগে ওই বিশাল কম্পিউটার দিয়ে সামান্য কিছু হিসাব করা যেত।


আমাদের প্রযুক্তিকে আরে শক্তিশালী ও ছোট করেছে এই ন্যানোটেকনোলজি।

আমাদের কম্পিউটারের যে প্রসেসর আছে সেটা হলো ন্যানোটেকনোলজির সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান।


ন্যানোটেকেনোলজির কারনে একটি কম্পিউটারের প্রসেসরে  প্রায় দুই বিলিয়ন ট্রানজিস্টর সহজেই এঁটে যায়। ভাবুন তাহলে আমরা কত দ্রুত আগাচ্ছি।


চলুন দেখি ন্যানোটেকনোলজির সুবিধাগুলো কি কিঃ


১. দূষিত বা লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণে ন্যানোম্যাটেরিয়ালসমুহ ব্যবহার করা যায়।


২. মেটাল অক্সাইড ন্যানো ওয়ারসমূহকে ক্যামিকাল সেন্সর হিসেবে ব্যবহার করা যায়।


৩. সেলফ অ্যাসেম্বম্লিং ক্ষমতা সম্পন্ন। 


৪. ইলেকট্রনিক বায়োসেন্সরসমূহের ফেব্রিকেশন করা যায়।


৫. পণ্যের ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ স্থায়িত্ব প্রদান করে।


ন্যানোপ্রযুক্তির অনেক ক্ষতিকর দিকও রেয়েছে।


১। ন্যানোটেকনোলজি হচ্ছে নতুন। তাই এর বর্তমানে গবেষণা ও প্রয়োগ অনেক ব্যয় সাপেক্ষ।

 

২।  এ প্রযুক্তির বহুল ব্যবহারের ফলে অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়বে।


৩। অনেক ন্যানোপ্রোডাক্ট মানুষের মস্তিষ্ক ও ফুসফুসের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। 


৪। ন্যানেপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মারাত্মক যুদ্ধাস্ত্র তৈরী করা সম্ভব বিধায় যুদ্ধক্ষেত্রে আরো ভয়াবহার আশঙ্কা করা হচ্ছে।


৫। ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যবহার অন্যান্য প্রাণীর জন্য মারাত্মক হতে পারে।


৬। এখানে কোন ভুল হলে তা মারাত্মক ক্ষতি করে ফেলতে পারে।



সুতরাং বলাই যায়, ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে রাজত্ব করবে ন্যানোটেকনোলজি।


Thursday, September 17, 2020

Too good at goodbye লিরিক্স

Too good at goodbye লিরিক্স

S.I Topic Name Details Date
1 Songs Lyrics Too Good At goodbye Lyrics 17 September 2020


তুমি অবশ্যই ভাবছো যে আমি বোকা,


তুমি অবশ্যই ভাবছো যে আমি গাধা,


তুমি অবশ্যই ভাবছো যে আমি এটির জন্য নতুন,


তবে আমি এই সব আগেও দেখেছি,


আমি তোমাকে কখনই আমার কাছে যেতে দেব না,


যদিও তুমি আমার কাছে সব,


'যতবারই আমি খুলি, এটি ব্যথা দেয়,


তাই আমি কখনই তোমার খুব কাছে আসব না,


এমনকি যখন আমি তোমার সব,


যদিওবা তুমি আমাকে ছেড়ে যাও এবং এমনকি আমাকে ময়লায় ফেলে যাও,


তবে যতবার তুমি আমাকে আঘাত করবে, ততই আমি কাঁদব এবং যতবার তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে, 


তত দ্রুত এই অশ্রুগুলি শুকিয়ে যাবে এবং যতবার তুমি বাইরে বেরিয়ে যাও, ততবার আমি তোমাকে কম ভালবাসি, বাবু, আমরা কোনও সুযোগে দাঁড়াচ্ছি না, 


এটি দুঃখজনক হলেও সত্য। 


আমি বিদায় নিতে খুব ভাল (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


আমি বিদায় খুব ভাল (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


আমি জানি তুমি আমাকে হৃদয়হীন ভাবছো, 


আমি জানি তুমি আমাকে ঠান্ডা ভাবছো,


আমি শুধু আমার নিরীহতা রক্ষা করছি,


আমি শুধু আমার আত্মাকে রক্ষা করছি,


আমি তোমাকে কখনই আমার কাছে যেতে দেব না,


যদিও তুমি আমার কাছে সবচেয়ে বেশি মূল্যবান,


'যতবার আমি খুলি, এটি ব্যথা দেয়,


তাই আমি কখনই তোমাকে আমার খুব কাছে আসতে দিবনা,


তাই আমি কখনই তোমার খুব কাছে আসব না,


এমনকি যখন আমি তোমার সব,


যদিওবা তুমি আমাকে ছেড়ে যাও এবং এমনকি আমাকে ময়লায় ফেলে যাও,


তবে যতবার তুমি আমাকে আঘাত করবে, 


ততই আমি কাঁদব এবং যতবার তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে, 


তত দ্রুত এই অশ্রুগুলি শুকিয়ে যাবে এবং যতবার তুমি বাইরে বেরিয়ে যাও,


ততবার আমি তোমাকে কম ভালবাসি, বাবু, আমরা কোনও সুযোগে দাঁড়াচ্ছি না, 


এটি দুঃখজনক হলেও সত্য।  


আমি বিদায় নিতে খুব ভাল (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


আমি বিদায় খুব ভাল (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল)


তুমি আমাকে কাঁদতে দেখবে এমন কোনও উপায় নেই (কোনওভাবেই তুমি আমাকে কাঁদতে দেখবে না) 


আমি বিদায় খুব ভাল (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


না না, না, না, না, না (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


না না না না না, না, না (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল আছি) (কোনওভাবেই আপনি আমাকে কাঁদতে দেখবেন না) (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


'যতবার তুমি আমাকে আঘাত করো, কারণ আমি কাঁদছি তত কম এবং যতবার তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে, 


তত দ্রুত এই অশ্রুগুলি শুকিয়ে যাবে এবং যতবার তুমি বাইরে বেরিয়ে যাও, 


আমি তোমাকে তত কম ভালবাসি, 

বাবু আমরা কোনও সুযোগে দাঁড়াচ্ছি না, 


এটি দুঃখজনক হলেও সত্য আমি বিদায় খুব ভাল।


★★★


Monday, September 14, 2020

ইনফিনিক্স স্মার্ট ২ প্রো মোবাইলের রিভিউ।

ইনফিনিক্স স্মার্ট ২ প্রো মোবাইলের রিভিউ।

আপনার ফোন কেনার বাজেট যদি ৮০০০ হয় তাহলে আপনার জন্য এই পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

Best phone in 8000 taka


কারণ এ পোস্টে এমন একটি মোবাইল ফেন নিয়ে আজকে কথা বলবো যার ফিচারগুলো দেখলে আপনি চমকে উঠবেন।

তো চলুন শুরু করা যাক।


ইনফিনিক্স মোবাইল ব্র্যান্ডের নাম হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কম বাজেটে সর্বাধুনিক ফিচার দেওয়ার জন্য যারা বিখ্যাত।


আমাদের আজকের ফোনটি হলো Infinix Smart 2 pro. যার বর্তমান বাজার মূল্য ৮,০০০ টাকা।


এখন কথা হলো এ মোবাইল ছাড়াও ত আরো অনেক ফোন বাজারে রয়েছে তাহলে ওগুলা নিয়ে কথা বলছি না কেন। 

কারণ আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এ ফোনটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করেছি।



স্বভাবতই একটি ডিভাইস দীর্ঘদিন চালালে এর ভালো, খারাপ দিক সহজেই ধরে ফেলা যায়।


চলুন এর ব্যাসিক ফিচারসমূহ দেখে আছিঃ

S.I Topic Name Details Date
1 Mobile Review Infinix Smart 2 Pro 14 September 2020
2 Android 8.1 Oreo
3 Network 4G,3G 2G
4 Bettery 3050Mah
5 Display 1440*720
6 Camera Back 13+2M Front 8M
7 CPU 1.5Ghz
8 GPU 570Mhz
9 Ram 2GB
9 Rom 16GB
10 Sensor Fingerprint Facelock
10 Video 720p




দীর্ঘদিন ফোনটি ব্যবহার করে যে সমস্যাটা পেয়েছি তা হলো ব্যাটারি ব্যাকআপ। এর ব্যাটারি ব্যাকআপ আসলেই কম। একবার চার্জ দিলে ৩ ঘন্টা ব্যাকাপ দেয়।এছাড়া আর একটি সমস্যা হলো এর আপডেট আসা। প্রতিমাসে আপডেট আসায় দেখা যায় অনেক আপডেটে ফোন স্লো করে দেয়।

এছাড়া এ ফোনের আর কোন সমস্যা নেই।
ব্যবহার করে খুব মজা পাবেন।    
ওয়াইম্যাক্স সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন

ওয়াইম্যাক্স সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন

S.I Topic Name Details Date
1 প্রযুক্তি Wimax সম্পর্কে আলোচনা 14 September 2020


Wimax সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট কোনটি?


তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির সাথে আমাদের ইন্টারনেটের গতি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ১-১০০ এমবিবিএস পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি পাওয়া যায়। 

বর্তমান সময়েরর সর্বাধুনিক উচ্চগতির ইন্টারনেট সার্ভিস হলো ওয়াইম্যাক্স(WiMAX)। এটি ১০-৬০ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে থাকে। 

ওয়াইম্যক্স এর পূর্ণ রুপ হলোঃ Worldwide Interoperability for Microwave access। এটি প্রচলিত তারযুক্ত প্রযুক্তির চেয়ে আলাদা,কারণ এর ইন্টারনেট সুবিধা পেতে কেন তারের প্রয়োজন হয় না। এটি একটি তারবিহীন প্রযুক্তি। 

ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার ডেটা আদান প্রদান ছাড়াও পৃথিবীর যেকোন দেশে কথা কম খরচে কথা বলা যায়। ওয়াইম্যাক্স সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। 

যথাঃ
i. Fixed Wimax
ii. Mobile wimax

ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে অনেকবেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বহুদূর এলাকা পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা পেয়ে থাকে।প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে ব্রডব্যান্ড সেবা কল্পনাও যেত না সেখানে ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়া হচ্ছে।। 

বিশেষ করে উচু নিচু পাহাড়ি এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা সম্ভব না সেখানে ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে খুব সহজে ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। 

Metropoliton Area Network টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহার করা হয়। 

ওয়াইম্যাক্স পদ্ধতিতে মূলত দুটি অংশ রয়েছে।

১. বেজ স্টেশনঃ 

এটি ইনডোর ও আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। বেজ স্টেশনগুলো একটি ওয়াইম্যাক্স হাবের সাথে যুক্ত থেকে নেটওয়ার্ক তৈরী করে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদান করে।

২. ওয়াইম্যাক্স রিসিভারঃ 

এর সঙ্গে একটি এন্টেনা থাকে এবং একে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করে দিতে হয়। এটির ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক কভারেজ এরিয়া ১০-৬০ কি.মি. পর্যন্ত হতে পারে। এর ফলে খুব অল্প সংখ্যক টাওয়ার স্থাপন করে বহুদূর পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

ওয়াইম্যাক্স এর কিছু বৈশিষ্ট্য জেনে নেওয়া যাকঃ

১। ওয়াইম্যাক্স 2-66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।

২। ডেটা স্থানান্তরের গতি ৮০ Mbps পর্যন্ত।

৩।কার্যকর এরিয়া ১০-৬০ কি.মি. পর্যন্ত।

৪। শক্তিশালী এনক্রিপশন থাকায় ডেটা নিরাপত্তা বেশি।

৫। ওয়াইম্যাক্স এর স্ট্যাডার্ড হলো IEEE 802.16। 

ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে কি কি সার্ভিস পাওয়া যায়?

১।ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটেকল(Voip)

২। ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন (Iptv)

৩। ওয়াইফাই এর হটস্পট। 

৪। মোবাইল টেলিফোন সার্ভিস।

৫। মোবাইল ইমার্জেন্সি রেসপন্স সার্ভিস।

৬। ফাইবার অপটিক ক্যাবলের বিকল্প পন্থা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

ওয়াইম্যাক্স এর সুবিধাঃ

১. একক একটি বেজ স্টেশনের মাধ্যমে হাজার হাজার ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেট সেবা দোওয়া যায়।

২. তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করা যায়। 

৩. এই নেটওয়ার্ক বাস্তবায়নে সময় খুব কম লাগে।

৪. প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সেবা দেওয়া যায়।

৫. ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে ওয়াইফাই হটস্পটে ইন্টারনেট সেবা দেওয়া যায়।

৬. নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান।

৭. বহনযোগ্য সংযোগ প্রদান করা যায়। 

৮. অন্যান্য নেটওয়ার্কের তুলনায় খরচ কম।

ওয়াইম্যাক্সের কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে।যা নিম্নরুপঃ

১। একই টাওয়ার অধিনে অনেক ব্যবহারকারী একই সাথে ইন্টারনেট ব্যবহার করায় ট্রাফিক সমস্যা দেখা দেয় এবং ব্যান্ডউইথ কমে যায়।

২। অধিক দূরত্বে সংযোগ প্রদানের জন্য লাইন অফ সাইটের প্রয়োজন হয়।

৩। ডেটা রেট ধীরগতি হয়ে যায়।

৪। খারাপ অাবহাওয়া যেমন ঝড় বৃষ্টির কারণে সিগন্যাল সমস্যা হয়।

৫। অন্যান্য ওয়ারলেস যন্ত্রপাতি বাধার সৃষ্টি করে।

৬। বেশি বিদ্যুৎের প্রয়োজন হয়।
৭। বাস্তবায়ন ও পরিচালনা ব্যয়বহুল।