Showing posts with label Trick. Show all posts
Showing posts with label Trick. Show all posts

Sunday, September 27, 2020

ডট কম ডোমেইন মাত্র ৮৪ টাকায়ঃ সবচেয়ে কমদামে ডট কম ডোমেইন।

ডট কম ডোমেইন মাত্র ৮৪ টাকায়ঃ সবচেয়ে কমদামে ডট কম ডোমেইন।

ডট কম ডোমেইন মাত্র ৮৪ টাকায়ঃ সবচেয়ে কমদামে ডট কম ডোমেইন। 

dot com domain offer 2020-2021


হ্যালো ফ্রেন্ডস, আশা করি সকলে ভালো আছেন।

আজকে আমি দেখাবো কিভাবে সবচেয়ে কমদামে একটি ডট কম ডোমেইন নিবেন।
ডোমেইনটি নিতে আপনার মোট ৮৪ টাকা খরচ হবে। 


তো চলুন দেখে নিই কিভাবে সবচেয়ে কমদামে একটি ডট কম ডোমেইন নিবেন। 


স্টেপ ১। প্রথমে এই in.godaddy.com যান। নিচে গিয়ে ছবির দেখানো যায়গায় Usd বানিয়ে দিন।




স্টেপ ২। আপনার কাঙ্খিত ডোমেইন নাম লিখে সার্চ করুন।


স্টেপ ৩। এরপর Add to cart এ ক্লিক করুন।



স্টেপ ৪। এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন।  ডোমেইন year এ 1 year সিলেক্ট করে দিন। 



স্টেপ ৫। ডোমেইনের নিচে যদি কোন কিছু লিখা থাকে ওইগুলা সব ডিলেট করে দিন। 

এরপর নিচের মত Continue to cart এ ক্লিক করুন।



স্টেপ ৬। এরপর নিচের পেইজের মত দেখতে পাবেন। এমন না আসলে একটু অপেক্ষা করুন চবার Sign up করতে যাবেন না। 



স্টেপ ৭। এরপর নিচের মত দুই জায়গায় No thanks সিলেক্ট করে দিন। 



স্টেপ ৮। এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন। 

এরপর Have a promo code লিখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৯। GDD99COM1 প্রোমো কোডটি দিন। Apply এ ক্লিক করুন।

ব্যাস হয়ে গেল। 



স্টেপ ১০। এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন। দেখুন আগে কত ডলার ছিল আর এখন কত ডলার হয়েছে।



স্টেপ ১১। Check out লেখায় ক্লিক করুন।


স্টেপ ১২। ইমেইল পাসওয়ার্ড দিয়ে Create account এ ক্লিক করুন। 



এরপরে যা যা করতে হয় অগুলো আপনারা নিজেরাই পাবেন আশা করি।


এরপরও যদি না পারেন তাহলে যোগাযোগ করতে ভুলবেন না।

এছাড়া যে জায়গায় আটকে পড়বেন সাথে সাথে আমাদের জানাবেন।


এভাবেই আপনি খুব অল্প টাকায় একটি ডট কম ডোমেইন পেয়ে যাবেন।

বাংলাদেশে ডলারের দাম পরিবর্তনশীল তবে ৮০-৮০ টাকা প্রতি ডলার লেনদেন হয়।


এখন অনেকেই প্রশ্ন করেন,  ভাই Godday নাকি কিছুদিন পর ডোমেইন ডিজেবল করে দেয়?


কথাটির কিছুটা সত্যতা রয়েছে। 

একটা কথা মনে রাখবেন কেন কোম্পানিই চায় না তাদের মার্কেট নষ্ট হোক।

আমাদের বাঙালিদের মধ্যে কিছু লোভি মানুষের জন্য এইরকম  হয়ে থাকে।

তারা এক ক্রেডিট কার্ড বা পেপাল দিয়ে ১০০-৫০০ ডোমেইন কিনে বেশি দামে বিক্রি করে। এ বিষয়টি নিশ্চয়ই এ কোম্পানি ভালোভাবে নিবে না। একারণে এদের ডোমেইন সাসপেন্ড হয়ে যায়।

এছাড়া অনেকে দেখা যায় ডোমেইন নিয়ে অনেক অবৈধ সাইট তৈরী করে। যেমনঃ জুয়া, টরেন্ট মুভি, ১৮+ সাইট এসব। এসব ক্ষেত্রে ১০০% ডোমেইন সাসপেন্ড হয়ে যায়।

এখন আপনি যদি নিজের জন্য এবং ভালো ব্লগিং এর উদ্দেশ্যে ডোমেইন নেন তাহলে নির্ধিদায় নিতে পারেন। আপনার কাজের কোন সমস্যা হবে না।


তো এই ছিল আজকের জন্য। 


কোন সমস্যা থাকলে জানাতে ভুলবেন না। 


ধন্যবাদ।

★★★
মানুষের মুখমন্ডলের ছবি কীভাবে আঁকবেন:

আপনি কি ৪ বছরের বাচ্চাদের মতো আঁকছেন? 
যাই হোক,
এটা কোন ব্যাপার না। এই কোর্সের শেষে আপনি একটি সম্পূর্ণ ফটোরিয়ালিকাল প্রতিকৃতি আঁকতে সক্ষম হবেন। 
মাথার কাঠামো, এর অনুপাতগুলি, দৃষ্টিকোণটি কীভাবে আঁকতে হবে এবং কীভাবে একটি শক্ত থ্রিডি চেহারা পেতে আপনার অঙ্কনকে শেড করবেন।

সে সম্পর্কে আপনারও দৃঢ় ধারণা থাকতে হবে। এছাড়াও আপনি কীভাবে মুখের ভাবগুলি, বিভিন্ন আবেগ বা অনুভূতি চিত্রিত করতে হয় তা শিখবেন। 

আপনি কী আঁকতে সক্ষম তা দেখে  আপনার বন্ধুরা এবং পরিবার বিস্মিত হবে। 
আমার সাথে কিছু মজা করুন এবং এই কোর্সটি এখনই শুরু করুন।

আপনি ৪ বছরের বাচ্চাদের মতো প্রতিকৃতি আঁকেন? সমস্যা নেই. আপনি কয়েক দিনের মধ্যে এটি বেশ দ্রুত পরিবর্তন করতে পারবেন।

ধাপে ধাপে কীভাবে প্রতিকৃতি বা ছবি আঁকবেন তা আমি আপনাকে দেখাব। 

এই অনলাইন ছবি অঙ্কন কোর্সের শেষে আপনার অঙ্কন দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি একটি পেন্সিল দিয়ে একটি বাস্তবসম্মত প্রতিকৃতি আঁকতে সক্ষম হবেন।

আপনার একটি দৃঢ় ধারণা তৈরী হবে।

★ মাথার গঠন

★ মাথার অনুপাত

★ কীভাবে দৃষ্টিকোণে মুখ আঁকবেন

★ কীভাবে বিভিন্ন মুখের বৈশিষ্ট্যগুলি আঁকবেন (চোখ, নাক, কান এবং মুখ)

★ এবং কীভাবে আপনার অঙ্কনকে শেড করবেন গভীরতা তৈরি করতে এবং একটি দৃঢ় 3D চেহারা পাবেন।

এছাড়াও আপনি মুখের ভাবগুলি, বিভিন্ন আবেগ বা অনুভূতিগুলি কীভাবে চিত্রিত করতে হয় তা শিখবেন।

আগের অঙ্কন জ্ঞান বা বিশেষ অঙ্কন সরঞ্জামের প্রয়োজন নেই।

আমি প্রোক্রেট অঙ্কন এবং পেইন্টিং অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে অ্যাপল পেন্সিল দিয়ে আইপ্যাডে আঁকছি, তবে আপনি একটি সাধারণ অনুলিপি কাগজ, একটি পেন্সিল এবং একটি ইরেজারটি  দিয়েই কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। 

আপনি যদি আমার নির্দেশাবলী অনুসরণ করেন এবং এই কোর্সটি সহ অঙ্কন অনুশীলনগুলি করেন তবে আপনার বন্ধুরা এবং পরিবার শীঘ্রই অবাক হয়ে যাবেন যে আপনি কীরকম আকর্ষণীশ ছবি আঁকতে সক্ষম।

সো চলুন কিছু মজার সময় কাটানো যাক। 
এখনই এই প্রতিকৃতি অঙ্কন কোর্সে ভর্তি হন।

এই কোর্সটি কার জন্য:

১. শিক্ষার্থীরা "কীভাবে মুখমন্ডলের ছবি আঁকবেন" শেখার বিষয়ে আগ্রহী

এই কোর্সে আপনি কী শিখবেন:

<> যে কোনও কোণ থেকে কীভাবে মাথা বা মুখমণ্ডল আঁকবেন

<> চোখ, নাক, কান, মুখ আঁকুন

<> বাস্তব প্রতিকৃতি অঙ্কন করতে পারবেন। 

<> মুখের ভাবগুলি [ হাসি, কান্না, কষ্ট ] আকতে পারবেন। 
ধন্যবাদ 

Wednesday, September 23, 2020

ফ্রিতে কিভাবে ভিসা কার্ড নেওয়া যায়?

ফ্রিতে কিভাবে ভিসা কার্ড নেওয়া যায়?

ফ্রিতে ভিসা কার্ড নিয়ে নিন!

হ্যালো ফ্রেন্ডস। আশা করি সকলে ভালো আছেন। 

আজকে আমরা দেখব কিভাবে একটি ফ্রি ভিসা কার্ড পাবেন। হ্যা ঠিকই পড়েছেন একদম ফ্রিতে একটি ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন সেটা দেখাবো।


যারা ভিসা কার্ড কি জানেন না তারা পোস্টটি পড়ে নিন।


ভিসা কার্ড সবার কাছেই খুবই দরকারী একটি জিনিস। তবে আমাদের দেশে এটা পাওয়ার জন্য অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।

আমার দেখানো স্টেপগুলো অবলম্বন করলে আপনিও ফ্রীতে একটি ভিসা কার্ড পেয়ে যাবেন।

যা দিয়ে অনলাইন কেটাকাটা,পেমেন্ট সব কিছু করতে পারবেন।


এটি যেহেতু এত গুরুত্বপূর্ণ তাই আপনি নিশ্চই দেশের কোন ব্যাংক থেকে এটি ফ্রিতে নিতে পারবেন না। ভিসা কার্ড ফ্রিতে নেওয়ার একমাত্র উপায় হলো ইন্টারনেট। ফ্রিতে ভিসা কার্ড নেওয়ার জন্য আমরা ইন্টারনেটের সহায়তা নিব। 

ইন্টারনেট কিভাবে ফ্রিতে ভিসা কার্ড দিবে?


ইন্টারনেটে এমন অনেক কোম্পানি আছে  যারা মাঝে মধ্যে ফ্রী কার্ড দেওয়ার অফার করে। আমরা এরকমই একটি কোম্পানিকে কাজে লাগিয়ে ফ্রি একটি ভিসা কার্ড নিয়ে নিব। 


চলুন শুরু করা যাকঃ


স্টেপ ১. প্রথমে এই সাইটে যান।


স্টেপ ২. আপনার সাইটটি ডেস্কটপ মোড অন করল নিন।



স্টেপ ৩. এরপর নিচের মত একটি পেইজ পাবেন। ডানপাশে উপরের দিকে দেখেন লেখা আছে সাইন আপ। সাইন আপ লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৪. এরপর নিচের মত একটি পেইজ আসবে।  

ফর্মটি পূরণ করুন। নাম,মেইল,পাসওয়ার্ড দিবেন।

পরে টিক মার্ক দিয়ে দিন। এরপর রেজিস্ট্রার লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৫. তারপর নিচের ছবির মত একটি পেইজ পাবেন। সেখানে তীর চিহ্ন দিয়ে দেখিয়েছি, Order New Card লেখায় ক্লিক করুন। 

এছাড়াও আপনি অন্যভাবে কাজটি করতে পারেন। আপনি যে মেইলটি দিয়েছিলেন সেটি ওপেন করুন দেখবেন। একটি মেইল গেছে। সেখানে get new card লেখায় ক্লিক করলেও একই রকম হবে।



স্টেপ ৬. এরপর নিচের মত একটি পেইজ পাবেন। সেখানে Get Now লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৭. আপনি কার্ডটি নিতে পেরেছেন Congratulations!


স্টেপ ৮. এখন আপনাকে কার্ডটি একটিভ করতে হবে। 

কার্ডটি একটিভ করার জন্য আপনাকে কিছু ডলার ডিপোজিট করতে হবে। 

ভয় পাবেন না। আপনার কেন টাকাই কেটে নিবে না। এটি আপনার মেইন ব্যালেন্সে থাকবে। আপনি চাইলে একটিভ করার সাথে সাথে ডলার ব্যবহার করে ফেলতে পারবেন কেন সমস্যা নেই। এটি শুধুমাত্র কার্ডটি একটিভ করার জন্য করতে হবে। 


স্টেপ ৯. ডিপোজিট করার জন্য আপনি বিটকয়েন, লাইটকয়েন, পারফেক্ট মানি, মাস্টার কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। 

বিটকয়েনে পেমেন্ট করাই সহজ। আপনি শুধু ওখান থেকে এড্রেসটি কপি করুন এবং আপনার একাউন্ট থেকে সেন্ড করে দিন। 

বিটকয়েনে পেমেন্ট করতে হলে আপনাকে মিনিমাম ১১ ডলার ডিপোজিট করতে হবে। 



এই সাইট থেকে আপনি চাইলে আরে দুটি প্লেন নিতে পারেন। ৫ ডলার এবং ১২ ডলারের আরো দুটি প্ল্যান আছে। যেগুলে আপনাকে আরো অনেক ভালে সুবিধা প্রধান করবে। 


এই সাইট কি বিশ্বস্ত? 

ইন্টারনেটে কোন কিছু সম্পর্কে গ্যারান্টি দিয়ে কিছু বলা যায় না। তবে এ সাইটটি অনেক দিন ধরেই মাঠে আছে। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো আপনি ত আর এখানে ১০০০ ডলার ডিপোজিট করতে যাচ্ছেন না। কিছু পরিমাণ পেমেন্ট করবেন তাহলেই আর কোন ভয় থাকবে না। আপনি ডোমেইন কিনতে চান তাহলে এরকম কার্ড ব্যবহার করতে পারেন,কারণ আপনি খুব বেশি পরিমাণ টাকা পেমেন্ট করবেন না।


আমি রিকমেন্ড করবো বেশি টাকা ডিপোজিট করবেন না, কম টাকাই করেন। এটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।


কোন সমস্যা থাকলে জানাতে ভুলবেন না। 

ভালো থাকবেন। এরকম আরো ইন্টারেস্টিং টপিক সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।


ধন্যবাদ।

Sunday, September 20, 2020

মাস্টার কার্ড কি: কীভাবে মাস্টার কার্ড পাবেন? [Updated 2020]

মাস্টার কার্ড কি: কীভাবে মাস্টার কার্ড পাবেন? [Updated 2020]

মাস্টার কার্ড কি: কীভাবে মাস্টার কার্ড পাবেন? [Updated 2020]

মাস্টার কার্ড কি?


আমরা সবাই একটি নাম প্রায় সব জায়গাতেই শুনতে পাই তা হলো মাস্টার কার্ড। আপনাদের অনেকের মনে হয়ত প্রশ্নও জেগেছে মাস্টার কার্ড কি? এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন।

আবার অনেকেই হয়ত মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয় তা জানেন না। যদি আপনি না জেনে থাকেন মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয় তাহলে এ পোস্টটি আপনার জন্যই। 


আগে জেনে নি মাস্টার কার্ড কি?


মাস্টার কার্ড হলো একটি ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি। যারা সারাবিশ্বে ইন্টারন্যাশনাল লেনদেন সুবিধা প্রদান করে থাকে। তারা মানুষের দেনদেনকে সহজ করতে মাস্টার কার্ড নামের একটি সেবা চালু করেছে। এর মাধ্যমে আপনি সকল ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে পারবেন।  


আপনি যদি কোন বিদেশি কোম্পানি থেকে ডোমেইন হোস্টিং কিনতে চান বা Aliexpress, Alibaba থেকে কোন প্রোডাক্ট কিনতে চান তাহলে আপনাকে ডলার পেমেন্ট করতে হবে।

এখানে অবশ্যই আপনি বিকাশ,রকেট ব্যবহার করতে পারবেন না। এজন্য আপনার ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি লাগবে। আপনার এমন কোন মাধ্যমের সহায়তা নিতে হবে যারা ইন্টারন্যাশনালি পেমেন্ট সুবিধা প্রদান করে থাকে। এখানে কাজে আসে মাস্টার কার্ড।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন মাস্টার কার্ড কি?


এখন বলি মাস্টার কার্ড কিভাবে পাবেন?


ইন্টারনেটে অনেকে আর্টিকেলে দেখে থাকবেন তারা বলেছে বাংলাদেশের লোকাল ব্যাংকগুলো থেকে মাস্টার কার্ড নিতে হলে আপনাকে কোটিপতি হতে হবে।

তবে একটা কথা জেনে রাখুন এসব পুরোনো প্রবাদ এখন আর চলে না। মাস্টার কার্ড অন্যতম প্রয়োজনীয় একটি কার্ড। তাই বাংলাদেশের প্রায় সকল ব্যাংকই এখন এটি প্রদান করে থাকে।

এজন্য আপনাকে কোটিপতি হতে হবে না।


বাংলাদেশের লোকাল ব্যাংকগুলো(EbL, জনতা,সোনালি আরো আছে) দুই ধরনের কার্ড দিয়ে থাকে।

একটি হলো লোকাল মাস্টার আরেকটি হলো ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড।


লোকাল মাস্টার কার্ড দিয়ে আপনি যদি শুধু দেশের অভ্যন্তরেই লেনদেন করতে পারবেন। এগুলো ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি সাপোর্ট করে না।


আপনি ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল কার্ডটি নিতে হবে।

এটি আপনাকে ডলার পেমেন্ট করার সুবিধা দিবে। এর মাধ্যমে যেকোন ধরনের অনলাইন কেনাকাটা করতে পারবেন।


আরো পড়ুনঃ★যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মানুষ কি ডাইনোসরের মত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

★ গেম অফ থ্রোনস নিয়ে বিষ্ময়কর কিছু তথ্য।

ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। 

★ ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ হলে যাবে।

★ ম্যাজিক মাশরুম পর্যবেক্ষণ করলো বিজ্ঞানীরা।


দেশে থেকেই মাস্টার কার্ড নেওয়ার জন্য কি করবেন?
বা মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয়?


চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে মাস্টার কার্ড নিবেনঃ


১. মাস্টার কার্ড নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই লোকাল কেন ব্যাংকে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে আপনার চাহিদা জানাতে হবে। তারাই সকল ধাপ বলে দিবে।

 প্রথমে আপনাকে একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে।

এজন্য লাগবে NID কার্ড, ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। আপনি যদি ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি যুক্ত মাস্টার কার্ড নিতে চান,মানে এমন কার্ড নিতে চান যা দিয়ে অনলাইনে সকল কেনাকাটা করবেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই একটি ভিসা করতে হবে।

আপনার যদি ভিসা না থাকে তাহলে কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল কার্ড পাবেন না।

ভিসা জমা দিলেই তারা একটি আপনাকে ডলার ইনডোজ করে দিবে।


এখন আপনি চাইলে অনলাইনেও মাস্টার কার্ড অর্ডার করতে পারেন। 


চলুন দেখি কিভাবে অনলাইনে মাস্টার কার্ড অর্ডার করবেন? 
বা অনলাইনে কিভাবে মাস্টারকার্ড পাবেন?


অনলাইনে এমন অনেক সাইট আছে যারা মাস্টার কার্ড দিয়ে থাকে। তবে সবাই কিন্তু আমাদের দেশে সার্ভিস দিবে না। আপনি অনলাইনে মাস্টার কার্ড অর্ডার করলেও একটি প্লাসটিক কার্ড পেতে চাইবেন। 


তাই এত হাবিজাবি সাইট না বলে একটা সাইট বলছি। যারাই শুধুমাত্র বাংলাদেশে কার্ড দিয়ে থাকে। আর কোন কোম্পানি বাংলাদেশে কার্ড পাঠায় না।


এটি হচ্ছে পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড।


পেওনিয়ার হলো একটি ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি যারা বিশ্বব্যাপি মাস্টার কার্ড প্রদান করে থাকে।

যেকেউ চাইলে শর্ত পূরণের মাধ্যমে তাদের কার্ডটি নিতে পারে। তারা বিশ্বস্ততার সাথে সারাবিশ্বে সেবা দিয়ে আসছে। 


এ কার্ডটি নেওয়ার জন্য যেসব জিনিাগুলো লাগবে।

১. ব্যাংকের হিসাব নম্বর (যেকোন লোকাল ব্যাংক)

১. NiD card

২. ১০০ ডলার ডেপোজিট।


ভয় পাবেন না, ১০০ ডলার ডিপোজিট মানে এই না যে এ কার্ডের জন্য আপনার ১০০ ডলার খরচ করতে হবে। এ ১০০ ডলার আপনার একাউন্টে থাকবে। এবং কার্ড অর্ডার করা হয়ে গেলেই আপনি টাকা তুলে ফেলতে পারবেন। বা এই টাকা দিয়েই অনলাইনে কেনাকাটা শুরু করে দিতে পারবেন। 

১০০ ডলার ডিপোজিট শুধুমাত্র কার্ডটি সচল লরা বা পাওয়ার জন্য।


এখন আপনি কিভাবে ১০০ ডলার ডিপোজিট করবেন?

এজন্য আপনি যদি কোন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে থাকেন সেখান থেকে পেমেন্ট সরাসরি পেওনিয়ার একাউন্টে নিলেই হয়ে যাবে। অথবা যারা অনলাইনে কাজ করে তাদের সহায়তাও নিতে পারেন। তারা আপনার একাউন্টে ১০০ ডলার ডিপোজিট করে দিবে আপনি তাদের ১০০ ডলার সমমূল্যের টাকা দিয়ে দিবে।

আপনার ত লস নাই। টাকা ত থাকবেই।


চলুন দেখে নেই পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড কিভাবে নিবেন?
বা পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয়?


১. মাস্টার কার্ড পাওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে Payoneer ওয়েবসাইটে গিয়ে নতুন একাউন্ট খুলতে হবে।

একাউন্ট খুলার জন্য একটি ইমেইল লাগবে।


২৷ একাউন্ট খুলা হয়ে গেলে,একাউন্টে লগইন করে ডিপোজিট করবেন।


৩। পরবর্তীতে কার্ড অর্ডার করে আপনার ঠিকানা দিবেন। কার্ডটি আপনার নিকটস্থ পোস্ট অফিসে আসবে। কার্ডটি আসতে ১-২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। নিয়মিত পোস্ট অফিসে যোগাযোগ রাখবেন।


পৃথিবী দিন দিন আপডেট হচ্ছে। এখন কেনাকাটা আর এক শহরে সীমাবদ্ধ নেই। দেশ ছাড়িয়ে বাইরের দেশের প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রোডাক্ট কেনার প্রয়োজন হয়। মাস্টার কার্ড হয়ে উঠেছে আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গি।


বিষয়গুলে আপনার কাছে জটিল মনে হলে ইউটিউবে ভিডিও দেখতে পারেন। অনেক ভিডিও আছে।


ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য।

Saturday, September 19, 2020

ভিসা কার্ড কি: ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন?

ভিসা কার্ড কি: ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন?

ভিসা কার্ড কি: ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন?

ভিসা কার্ড কি? কিভাবে পাবেন?




আমরা সবাই কমবেশি ভিসা কার্ড জিনিসটির নাম শুনেছি। আপনাদের অনেকের মনে প্রশ্নও জেগেছে ভিসা কার্ড কি এবং এটি কিভাবে পেতে পারি। আজকে আমরা জানব ভিসা কার্ড কি এবং ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন।

চলুন শুরু করা যাক।

ভিসা কার্ড কি?

ভিসা কার্ড হলো বহু আধুনিক সুবিধাযুক্ত একটি ডিজিটাল কার্ড বা একাউন্ট। 

ভিসা কার্ডের মাধ্যমে আপনি দেশ বিদেশে যেকোন জায়গায় পেমেন্ট করতে পারবেন। 

যেমন ধরুনঃ আপনি ডোমেইন, হোস্টিং কিনবেন বা Aliexpress থেকে কোন প্রডোক্ট কিনবেন। 

কেনার জন্য অবশ্যই আপনাকে টাকা পেমেন্ট করতে হবে। এখানে অবশ্যই আপনি  বিল পরিশোধ করার জন্য বিকাশ, নগদ ব্যবহার করতে পারবেন না। 

এখানে আপনার ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি লাগবে। তো আপনাকে এসব ক্ষেত্রে পেমেন্ট সুবিধা দিবে ভিসা কার্ড। 

ভিসা কার্ডের মাধ্যমে আপনি সহজেই এসব জায়গায় পেমেন্ট করে আপনার প্রোডাক্টটি নিতে পারবেন।


তবে এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ভিসা কার্ড দুই প্রকার হয়। যথাঃ লোকাল ও ইন্টারন্যাশনাল। 
আপনি যদি শুধু লোকাল ভিসা কার্ডটি নেন তাহলে কিন্তু কোন ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে পারবেন না। 
এটি শুধু দেশের অভ্যন্তরে চলবে।
দেশের বাইরে পেমেন্ট করতে আপনাকে ডোয়েল কারেন্সি কার্ড নিতে হবে। যেখানে আপনাকে ডলার ইনডোজ করে দেওয়া হবে।

এখানে জেনে রাখুন ভিসা (Visa) একটি ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির নাম। যারা বিশ্বের সব দেশে ওইসব দেশের ব্যাংকগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে একধরনের কার্ড প্রদান করে থাকে।

অনেকেই প্রশ্ন করেন ভিসা কার্ড আর ক্রেডিট কার্ড কি এক জিনিস?

না, দুটি আলাদা। 

ক্রেডিট কার্ডের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন ক্রেডিট কার্ড দিয়ে আপনি ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে পারবেন না এবং ATM ছাড়া টাকা তুলতে পারবেন না। 

এক্ষেত্রে ভিসা কার্ড আপনাকে উভয় সুবিধাই প্রদান করবে। 

ভিসা কার্ডের মাধ্যমে আপনি সকল ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে পারবেন এবং যেকোন এটিএম বুথ টাকা তুলতে পারবেন। 


ভিসা কার্ড ব্যবহার করা কি নিরাপদ? 

হ্যা, ভিসা কার্ড ব্যবহার করা ১০০% নিরাপদ। এ কোম্পানি বিশ্বস্ততার সাথে সারাবিশ্বে সেবা দিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

এবার আসল কথা আসি,

ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন? 

ভিসা কার্ড পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই কোন লোকাল ব্যাংকের (ইসলামি ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, EBL ব্যাং ইত্যাদি) কাছে যেতে হবে। তারা আপনাকে ভিসি কার্ডটি প্রদান করবে।


ভিসা কার্ড নেওয়ার জন্য যা যা লাগবেঃ


১. পাসপোর্ট ( যদি কার্ডটি ইন্টারন্যাশনালি ব্যবহার করতে চান তাহলে অবশ্যই পাসপোর্ট লাগবে। পাসপোর্ট না থাকলে আপনি ইন্টারন্যাশনাল কার্ডটি পাবেন না।)

পাসপোর্ট না থাকলে আপনি লোকাল কার্ডটি নিতে পারেন একজন্য শুধু NID হলেই চলবে।


২. ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।


আপনি কোন লোকাল ব্যাংকে গেলেই তারা আপনাকে কার্ড দিয়ে দিবে।

আরো পড়ুনঃ★যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মানুষ কি ডাইনোসরের মত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

★ গেম অফ থ্রোনস নিয়ে বিষ্ময়কর কিছু তথ্য।

ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। 

★ ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ হলে যাবে।

★ ম্যাজিক মাশরুম পর্যবেক্ষণ করলো বিজ্ঞানীরা।


এখন আপনি ইচ্ছে করলে অনলাইন থেকেও কার্ড নিতে পারেন।

এজন্য সেই কার্ডটা প্লাসটিক কেন কার্ড হবে না। সেটা হবে ভার্চুয়াল কার্ড। ওই কার্ডও সেমভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। অনলাইনে নিলে একটি সুবিধা হলো আপনি অনেকগুলো কারেন্সি ব্যবহার করতে পারবেন। যেমনঃ ডলার,ইউরো,রোবেল ইত্যাদি।


অনলাইন থেকে কিভাবে ভিসা কার্ড নিবেন এ বিষয়ে অন্য একটি আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করব।


আবারে বলছি আপনি যদি অনলাইনে দেশের বাইরে পেমেন্ট বা কেনাকাটা করার জন্য ভিসা কার্ড নিতে চান তাহলে আপনার অবশ্যই পাসপোর্ট  লাগবে।