Showing posts with label Tips and tricks. Show all posts
Showing posts with label Tips and tricks. Show all posts

Friday, October 30, 2020

Oggy কার্টুনের সত্য ঘটনা। Real Story of Oggy cartoon

Oggy কার্টুনের সত্য ঘটনা। Real Story of Oggy cartoon

Oggy কার্টুনের সত্য ঘটনা। Real Story of Oggy cartoon


হ্যালো বন্ধুরা।

আশা করি সকলে ভালো আছেন।


আজকে আমরা খুবই ইন্টারেস্টিং একটি কার্টুনের সত্য ঘটনা সম্পর্কে জানব।


আমরা সকলেই Oggy and the cockroaches কার্টুনের নাম শুনেছি।

খুবই মজার একটি কার্টুন ছিল এটি।


কিন্তু আমরা অনেকেই হয়ত জানি না এই কার্টুনটি আসলে সত্যি ঘটনার উপর নির্মিত।


হ্যা ঠিকই শুনেছেন। 

ওগি কার্টুনের একটি রিয়েল স্টোরি রয়েছে।


তো চলুন জানি কি সেই ঘটনা।


ঘটনাটি এরকম ১৯০০ সালের দিকে ফ্রান্সের একটি ছেলে নাম রাফেল স্কুল শেষে বাড়ির দিকে ফিরছিল।

রাফেল অনেক ধণী পরিবারের ছেলে ছিল।

হঠাৎ রাফেল রাস্তার পাশে একটি বক্স দেখতে পায়।

সে বক্সটির কাছে গিয়ে দেখে সেটার ভিতর রয়েছে দুটি বিড়াল ছানা।

ছানাদুটি খুবই অদ্ভুত ছিল।

এদের একটি ছিল গাঢ় নীল বর্ণের এবং আরেকটি ছিল গাঢ় সবুজ বর্ণের।

বিড়ালের বাচ্চাদুটি খাবারের জন্য মেও মেও করছিল।

সেখানে অনেক লোক ছিল কিন্তু কেউ এদের সাহায্য করেনি।

রাফেলের খুব মায়া হয় এবং সে বিড়াল ছানাদুটিকে তার বাসায় নিয়ে আসে।

রাফেলের মা বাবা বিড়াল ছানা দুটিকে বাসায় রাখতে দিতে চায় নি।

তবে রাফেলের জোরাজোরিতে তারা রাখতে দেয়।


এরপর রাফেল নীল রংয়ের বিড়ালটির নাম রাখে ওগী এবং সবুজটির নাম রাখে জ্যাক।

বিড়াল ছানা দুটি একে অপরের থেকে অনেক আলাদা ছিল।

যেমম অগি ছিল অলস। শুধু ঘুমাত। 

আরামে থাকত সবসময়।

আর জ্যাক ছিল খুবই উগ্র। 

জ্যাক সারাদিন বাইরে বাইরে ঘুরত আর অন্য বিড়ালদের সাথে মারামারি করত।

রাফেলদের বাসায় পাশের বাসাতেই ছিল আরেকটি কুকুর। যেটির সাথে অগির খুব ঝগড়া লাগত। এবং অগির ক্ষেত্রে সবচেয়ে অদ্ভুত একটি বিষয় ছিল অগী বিড়াল হওয়া সত্ত্বেও ইদুরকে খুবই ভয় পেত।

এবং তেলােপোকাকে খুবই ঘৃনা করত। সে সবসময় এদের পিছু নিত।

এটা দেখে রাফেল খুুশি হয়। সে বাজারে গিয়ে কয়েকটি তেলাপোকা খেলনা কিনে নিয়ে আসে।

রাফেলের সেরকম কোন বন্ধু ছিল না।

সে সবসময় অগির সাথেই থাকত।

আর অগি ওই খেলনা তেলাপোকাগুলোর সাথে মারামারি করত।

এসব দেখে রাফেল খুবই মজা পেত।

এগুলা দেখতে দেখতে রাফেল নিজের মনের মধ্যে কিছু গল্প লিখে ফেলেছিল। অগি কি করত, কিভাবে মজা নিত এসব কাহিনি সে ডায়রিতে লিখে রাখত।

রাফেল তাদের মা বাবাকেও এ গল্পগুলে শোনাত।

তার মা-বাবা ও এ গল্পগুলো শুনত আর হাসত।

কারণ গল্পগুলো খুবই ফানি ছিল।

তো এভাবেই চলছিল রাফেলের সুখের দিনগুলো।


কিন্তু রাফেল জানত তার জীবনে সামনে একটি অন্ধকার রয়েছে।

প্রতিদিনের মত রাফেল ওগির সাথে খেলাধুলা করতেছিল।

খেলতে খেলতে রাফেল ভুল করে তেলাপেকার খেলনাগুলোকে রাস্তার দিকে ছুড়ে মারে।

ওগি তেলাপেকাগুলেকে ধরতে রাস্তায় চলে যায়।

রাস্তা দিয়ে ওইসমসয় আসছিল একটি বড় ট্রাক।

ট্রাইভার অগিকে খেয়াল করেনা। অগির উপর দিয়েই চালিয়ে দেয়।

এরপর ওগি ওইখানেই মারা যায়।

এ ঘটনার পর রাফেল খুবই কষ্ট পায় এবং মর্মাহত হয়ে পড়ে।

এমনকি সে অসুস্থ ও হয়ে যায়।

রাফেলকে অনেক ডাক্তার দেখানো হয়, অনেক খেলনা কিনে দেওয়া হয়। এমনকি নতুন বিড়ালও এনে দেওয়া হয়।

কিন্তু রাফেলের অবস্থার কোন পরিবর্তন হয় না।

কারণ রাফেল কখনো ওগিকে ভুলতে পারে নি।

রাফেল নিজেকে অগির মৃত্যুর জন্য দায়ি মনে করত।

তো বন্ধুরা রাফেল এ মানসিক কষ্ট আর নিতে পারছিল না।

তাই সে একদিন রাস্তার মাঝে চলে গিয়ে ট্রাকের নিচে প্রাণ দিয়ে দেয়।

এবং এ গল্পটি ফ্রান্সে অনেক পরিচিত হয়ে যায়।

অনেক মিডিয়ায় সংবাদটি প্রকাশ করা হয়।

একটি বিড়ালের জন্য একটি ছেলের আত্মহত্যা। 

অনেক নিউজ পেপারের লোকেরা তার মা-বাবার কাছে আসত।

রাফেলের মা-বাবা রাফেলের বলা গল্পগুলো তাদের শোনাত।

এরপর এ গল্পটি ফ্রান্সে আরো বিখ্যাত হতে শুরু করে।

গল্পটি এত বিখ্যাত হওয়ার জন্য জিলাম এবং অনান্য কোম্পানিরা এর উপর কার্টুন তৈরী করে।

এবং তারা সফলও হয়।

কারণ অগি তখন ফ্রান্সের সকল শিশুদের পছন্দের জিনিস ছিল।


এবং আস্তে আস্তে এভাবেই অগি এন্ড দা ককরোসেস এর গল্পটি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে যায়।


এ গল্পটির ১০০% যে সত্য তা কিন্তু না।

এ গল্পটির সত্যতা ৫০/৫০


যাই হোক।

আমার কাছেই এ গল্পটিই সবচেয়ে ভালো মনে হয়েছে।


আশা করি আপনাদের কাছেও ভালো লেগেছে।


এরকম আরো ইন্টারেস্টিং টপিক সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথেই থাকুন। 


ধন্যবাদ।

Monday, October 26, 2020

কম বাজেটের বেস্ট ফোন এখনি দেখে নিন।

কম বাজেটের বেস্ট ফোন এখনি দেখে নিন।

আপনার ফোন কেনার বাজেট যদি ৮০০০ হয় তাহলে আপনার জন্য এই পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

Best phone in 8000 taka



কারণ এ পোস্টে এমন একটি মোবাইল ফেন নিয়ে আজকে কথা বলবো যার ফিচারগুলো দেখলে আপনি চমকে উঠবেন।

তো চলুন শুরু করা যাক।


ইনফিনিক্স মোবাইল ব্র্যান্ডের নাম হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কম বাজেটে সর্বাধুনিক ফিচার দেওয়ার জন্য যারা বিখ্যাত।


আমাদের আজকের ফোনটি হলো Infinix Smart 2 pro. যার বর্তমান বাজার মূল্য ৮,০০০ টাকা।


এখন কথা হলো এ মোবাইল ছাড়াও ত আরো অনেক ফোন বাজারে রয়েছে তাহলে ওগুলা নিয়ে কথা বলছি না কেন। 

কারণ আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এ ফোনটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করেছি।



স্বভাবতই একটি ডিভাইস দীর্ঘদিন চালালে এর ভালো, খারাপ দিক সহজেই ধরে ফেলা যায়।


চলুন এর ব্যাসিক ফিচারসমূহ দেখে আছিঃ

S.ITopic NameDetailsDate
1Mobile ReviewInfinix Smart 2 Pro14 September 2020
2Android8.1Oreo
3Network4G,3G2G
4Bettery3050Mah
5Display1440*720
6CameraBack 13+2MFront 8M
7CPU1.5Ghz
8GPU570Mhz
9Ram2GB
9Rom16GB
10SensorFingerprintFacelock
10Video720p





দীর্ঘদিন ফোনটি ব্যবহার করে যে সমস্যাটা পেয়েছি তা হলো ব্যাটারি ব্যাকআপ। এর ব্যাটারি ব্যাকআপ আসলেই কম। একবার চার্জ দিলে ৩ ঘন্টা ব্যাকাপ দেয়।এছাড়া আর একটি সমস্যা হলো এর আপডেট আসা। প্রতিমাসে আপডেট আসায় দেখা যায় অনেক আপডেটে ফোন স্লো করে দেয়।

এছাড়া এ ফোনের আর কোন সমস্যা নেই।
ব্যবহার করে খুব মজা পাবেন।    

★★★


Sunday, September 27, 2020

ডট কম ডোমেইন মাত্র ৮৪ টাকায়ঃ সবচেয়ে কমদামে ডট কম ডোমেইন।

ডট কম ডোমেইন মাত্র ৮৪ টাকায়ঃ সবচেয়ে কমদামে ডট কম ডোমেইন।

ডট কম ডোমেইন মাত্র ৮৪ টাকায়ঃ সবচেয়ে কমদামে ডট কম ডোমেইন। 

dot com domain offer 2020-2021


হ্যালো ফ্রেন্ডস, আশা করি সকলে ভালো আছেন।

আজকে আমি দেখাবো কিভাবে সবচেয়ে কমদামে একটি ডট কম ডোমেইন নিবেন।
ডোমেইনটি নিতে আপনার মোট ৮৪ টাকা খরচ হবে। 


তো চলুন দেখে নিই কিভাবে সবচেয়ে কমদামে একটি ডট কম ডোমেইন নিবেন। 


স্টেপ ১। প্রথমে এই in.godaddy.com যান। নিচে গিয়ে ছবির দেখানো যায়গায় Usd বানিয়ে দিন।




স্টেপ ২। আপনার কাঙ্খিত ডোমেইন নাম লিখে সার্চ করুন।


স্টেপ ৩। এরপর Add to cart এ ক্লিক করুন।



স্টেপ ৪। এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন।  ডোমেইন year এ 1 year সিলেক্ট করে দিন। 



স্টেপ ৫। ডোমেইনের নিচে যদি কোন কিছু লিখা থাকে ওইগুলা সব ডিলেট করে দিন। 

এরপর নিচের মত Continue to cart এ ক্লিক করুন।



স্টেপ ৬। এরপর নিচের পেইজের মত দেখতে পাবেন। এমন না আসলে একটু অপেক্ষা করুন চবার Sign up করতে যাবেন না। 



স্টেপ ৭। এরপর নিচের মত দুই জায়গায় No thanks সিলেক্ট করে দিন। 



স্টেপ ৮। এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন। 

এরপর Have a promo code লিখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৯। GDD99COM1 প্রোমো কোডটি দিন। Apply এ ক্লিক করুন।

ব্যাস হয়ে গেল। 



স্টেপ ১০। এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন। দেখুন আগে কত ডলার ছিল আর এখন কত ডলার হয়েছে।



স্টেপ ১১। Check out লেখায় ক্লিক করুন।


স্টেপ ১২। ইমেইল পাসওয়ার্ড দিয়ে Create account এ ক্লিক করুন। 



এরপরে যা যা করতে হয় অগুলো আপনারা নিজেরাই পাবেন আশা করি।


এরপরও যদি না পারেন তাহলে যোগাযোগ করতে ভুলবেন না।

এছাড়া যে জায়গায় আটকে পড়বেন সাথে সাথে আমাদের জানাবেন।


এভাবেই আপনি খুব অল্প টাকায় একটি ডট কম ডোমেইন পেয়ে যাবেন।

বাংলাদেশে ডলারের দাম পরিবর্তনশীল তবে ৮০-৮০ টাকা প্রতি ডলার লেনদেন হয়।


এখন অনেকেই প্রশ্ন করেন,  ভাই Godday নাকি কিছুদিন পর ডোমেইন ডিজেবল করে দেয়?


কথাটির কিছুটা সত্যতা রয়েছে। 

একটা কথা মনে রাখবেন কেন কোম্পানিই চায় না তাদের মার্কেট নষ্ট হোক।

আমাদের বাঙালিদের মধ্যে কিছু লোভি মানুষের জন্য এইরকম  হয়ে থাকে।

তারা এক ক্রেডিট কার্ড বা পেপাল দিয়ে ১০০-৫০০ ডোমেইন কিনে বেশি দামে বিক্রি করে। এ বিষয়টি নিশ্চয়ই এ কোম্পানি ভালোভাবে নিবে না। একারণে এদের ডোমেইন সাসপেন্ড হয়ে যায়।

এছাড়া অনেকে দেখা যায় ডোমেইন নিয়ে অনেক অবৈধ সাইট তৈরী করে। যেমনঃ জুয়া, টরেন্ট মুভি, ১৮+ সাইট এসব। এসব ক্ষেত্রে ১০০% ডোমেইন সাসপেন্ড হয়ে যায়।

এখন আপনি যদি নিজের জন্য এবং ভালো ব্লগিং এর উদ্দেশ্যে ডোমেইন নেন তাহলে নির্ধিদায় নিতে পারেন। আপনার কাজের কোন সমস্যা হবে না।


তো এই ছিল আজকের জন্য। 


কোন সমস্যা থাকলে জানাতে ভুলবেন না। 


ধন্যবাদ।

★★★
মানুষের মুখমন্ডলের ছবি কীভাবে আঁকবেন:

আপনি কি ৪ বছরের বাচ্চাদের মতো আঁকছেন? 
যাই হোক,
এটা কোন ব্যাপার না। এই কোর্সের শেষে আপনি একটি সম্পূর্ণ ফটোরিয়ালিকাল প্রতিকৃতি আঁকতে সক্ষম হবেন। 
মাথার কাঠামো, এর অনুপাতগুলি, দৃষ্টিকোণটি কীভাবে আঁকতে হবে এবং কীভাবে একটি শক্ত থ্রিডি চেহারা পেতে আপনার অঙ্কনকে শেড করবেন।

সে সম্পর্কে আপনারও দৃঢ় ধারণা থাকতে হবে। এছাড়াও আপনি কীভাবে মুখের ভাবগুলি, বিভিন্ন আবেগ বা অনুভূতি চিত্রিত করতে হয় তা শিখবেন। 

আপনি কী আঁকতে সক্ষম তা দেখে  আপনার বন্ধুরা এবং পরিবার বিস্মিত হবে। 
আমার সাথে কিছু মজা করুন এবং এই কোর্সটি এখনই শুরু করুন।

আপনি ৪ বছরের বাচ্চাদের মতো প্রতিকৃতি আঁকেন? সমস্যা নেই. আপনি কয়েক দিনের মধ্যে এটি বেশ দ্রুত পরিবর্তন করতে পারবেন।

ধাপে ধাপে কীভাবে প্রতিকৃতি বা ছবি আঁকবেন তা আমি আপনাকে দেখাব। 

এই অনলাইন ছবি অঙ্কন কোর্সের শেষে আপনার অঙ্কন দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি একটি পেন্সিল দিয়ে একটি বাস্তবসম্মত প্রতিকৃতি আঁকতে সক্ষম হবেন।

আপনার একটি দৃঢ় ধারণা তৈরী হবে।

★ মাথার গঠন

★ মাথার অনুপাত

★ কীভাবে দৃষ্টিকোণে মুখ আঁকবেন

★ কীভাবে বিভিন্ন মুখের বৈশিষ্ট্যগুলি আঁকবেন (চোখ, নাক, কান এবং মুখ)

★ এবং কীভাবে আপনার অঙ্কনকে শেড করবেন গভীরতা তৈরি করতে এবং একটি দৃঢ় 3D চেহারা পাবেন।

এছাড়াও আপনি মুখের ভাবগুলি, বিভিন্ন আবেগ বা অনুভূতিগুলি কীভাবে চিত্রিত করতে হয় তা শিখবেন।

আগের অঙ্কন জ্ঞান বা বিশেষ অঙ্কন সরঞ্জামের প্রয়োজন নেই।

আমি প্রোক্রেট অঙ্কন এবং পেইন্টিং অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে অ্যাপল পেন্সিল দিয়ে আইপ্যাডে আঁকছি, তবে আপনি একটি সাধারণ অনুলিপি কাগজ, একটি পেন্সিল এবং একটি ইরেজারটি  দিয়েই কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। 

আপনি যদি আমার নির্দেশাবলী অনুসরণ করেন এবং এই কোর্সটি সহ অঙ্কন অনুশীলনগুলি করেন তবে আপনার বন্ধুরা এবং পরিবার শীঘ্রই অবাক হয়ে যাবেন যে আপনি কীরকম আকর্ষণীশ ছবি আঁকতে সক্ষম।

সো চলুন কিছু মজার সময় কাটানো যাক। 
এখনই এই প্রতিকৃতি অঙ্কন কোর্সে ভর্তি হন।

এই কোর্সটি কার জন্য:

১. শিক্ষার্থীরা "কীভাবে মুখমন্ডলের ছবি আঁকবেন" শেখার বিষয়ে আগ্রহী

এই কোর্সে আপনি কী শিখবেন:

<> যে কোনও কোণ থেকে কীভাবে মাথা বা মুখমণ্ডল আঁকবেন

<> চোখ, নাক, কান, মুখ আঁকুন

<> বাস্তব প্রতিকৃতি অঙ্কন করতে পারবেন। 

<> মুখের ভাবগুলি [ হাসি, কান্না, কষ্ট ] আকতে পারবেন। 
ধন্যবাদ 

Saturday, September 26, 2020

কিভাবে মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করা যা?

কিভাবে মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করা যা?

 মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস প্র্যাকটিস করুন সহজেই।

মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস


হ্যালো ফ্রেন্ডস আজকে আমরা দেখব কিভাবে আপনি মোবাইল দিয়েই সম্পূর্ণ অফ লাইনে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে পারবেন। 


হ্যা, আপনি ঠিকই শুনেছেন। আপনি আপনার এন্ড্রয়েড ফোনটি দিয়েই সম্পূর্ণ ফ্রিতে এ কাজটি করতে পারবেন। 


এজন্য আপনি শুধু আমার দেখানো স্টেপগুলো ফলো করুন।


তো চলুন শুরু করা যাকঃ


আপনার যা যা লাগবেঃ

Apps ২ টা।

১. Icode-Go ২. Icode Web

Wordpress জিপ ফাইল।



এপস দুটি আপনি প্লে স্টোরেই পেয়ে যাবেন সম্পূর্ণ  ফ্রিতে। প্রথমে এপস দুটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে ফেলুন। 

এরপর Wordpress.org সাইটে গিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ফাইলটি ডাউনলোড করুন। 


ডাউনলোডের কাজ শেষ এখন ডাটা অফ করে দিন।

 এখন দেখব আসল স্টেপ।

চলুন শুরু করি।


স্টেপ ১। Icode-Go এপস প্রবেশ করুন।পারমিশন দিন। একটু অপেক্ষা করুন। একটু সময় লাগবে।

একটু পর নিচের মত পেইজ দেখতে পারবেন।



স্টেপ ২। এবার কোন মেসেজ দেখালে Don’t show this এ টিক মার্ক দিয়ে ক্লোজ করে দিন। 

উপরের বামদিকে কোনায় থ্রিডটে ক্লিক করুন।



স্টেপ ৩। এরপর মাঝখানের থ্রিডটে ক্লিক করুন। 

এরপর নিচের মত দেখতে পাবেন। Install এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ৪। এরপর আপনাকে আরেক এপস নিয়ে যাবে সেখাবে Install এ ক্লিক করুন। কোন মেসেজ আসলে ক্লোজ করে দিন। এরপর আপনাকে একটু সময় অপেক্ষা করতে হবে। কিছু ফাইল ইন্সটল হবে। 



স্টেপ ৫। হয়ে গেলে আবার Icode-Go এপস এ যান,বামের থ্রিডটে ক্লিক করুন, এরপর মাঝখানের থ্রিডটে ক্লিক করুন। একটু নিচের দিকে স্ক্রল করুন। 

নিচের ছবির মত চেন্জ ভার্সন লেখায় ক্লিক করুন। 


স্টেপ ৬। এরপর Php 7.3.3 সিলেক্ট করুন এবং আপগ্রেড এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ৭। এরপর আরেকটু নিচের দিকে স্ক্রল করুন। নিচের ছবির মত Adminer লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৮। এরপর আপনাকে একটি ব্রাউজার সিলেক্ট করতে হবে। 

এরপর নিচের মত একটি পেইজ দেখতে পাবেন। 



স্টেপ ৮। এরপর লগইন এ ক্লিক করুন। 


স্টেপ ৯। নিচের ছবির মত Create a Database লেখায় ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১০। এরপর নিচের ছবির মত প্রথম ঘরে Wordpress এবং দ্বিতীয় ঘরে Ascii-bin সিলেক্ট করুন। এরপর সেভ এ করুন। এরপর নিচের মত দেখতে পাবেন। 



এরপর আপনার ফাইল ম্যানেজারে যান। আমরা যে প্রথমে একটি ওয়ার্ডপ্রেস জিপ ফাইল ডাউনলোড করেছিলাম ওইটা এখন এক্সট্রাক্ট করতে হবে।


এজন্য ওই ফাইল এ ক্লিক করে এক্সট্রাক্ট এ ক্লিক করে আপনার স্টোরেজের Icode- Go নামক ফোল্ডার এ যান, এরপর Data-files এ যান। এরপর www এ গিয়ে এক্সট্রাক্ট করুন। 


অথবা আপনি যে ফোল্ডারে ওয়ার্ডপ্রেস ফাইলটি ডাউনলোড করেছিলেন ওইখানেই এক্সটাক্ট করুন।

এরপর Wordpress ফোল্ডারের ভিতর থেকে সবগুলো ফাইল সিলেক্ট করে কাট করুন এবং Icode-Go ফোল্ডারের data-files এর ভিতরের www এর ভিতরে পেস্ট করুন। 

 এতটুকু করার পর বের হয়ে আসুন। আপনার যে ব্রাউজার দিয়ে ডাটাবেইজ বানিয়েছেন ওই ব্রাউজার আবার ওপেন করুন।






স্টেপ ১১। এরপর সার্চবারে টাইপ করুন localhost:8080

এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন। 



স্টেপ ১২। এরপর সাইট নেম, ইউজার নেম,পাসওয়ার্ড দিবেন, নিজের ইচ্ছেমত।

জিমেইল দিয়ে নিচের Install wordpress এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১৩। এরপর নিচের মত লগইন লেখায় ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১৪। ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড দিন, Log in এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১৫। Congratulations আপনি পেরেছেন। 



ভালোভাবে দেখার জন্য ডেক্সটপ মোড অন করে নিন।



ব্যাস হয়ে গেল কাজ।


এখন আপনি সহজেই অফলাইনে কাজ করতে পারবেন। 

সকল থিম প্লাগইন সব ব্যবহার করতে পারবেন কেন সমস্যা হবে না।


আশা করি বুঝতে পারছেন। 

কোন সমস্যা থাকলে অবশ্যই জানাবেন। 


ধন্যবাদ।

Thursday, September 24, 2020

কিভাবে একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ পেইজ বানাবেন তা দেখে নিন।

কিভাবে একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ পেইজ বানাবেন তা দেখে নিন।

কিভাবে একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ পেইজ বানাবেন তা দেখে নিন।



আপনার ব্লগ সাইট বা যেকোন সাইটেই সাইটম্যাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসইও তে সাইটম্যাপের গুরুত্ব অনেক।


আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সকলে ভালো আছে। 


আজকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে কথা বলবো, তা হলো কিভাবে সাইটম্যাপ যোগ করতে হয় বা কিভাবে সাইটম্যাপ পেইজ বানাতে হয়।


প্রথমেই বলে নেই, আজকে আপনি যে পদ্ধতিটি দেখতে যাচ্ছেব,এটিই হলো সাইটম্যাপ তৈরীর জন্য সবচেয়ে বেস্ট পদ্ধতি। কারণ আজকে আমরা একটি একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ যুক্ত করা পেইজ তৈরী করব। 

হ্যা, ঠিকই সকল কিছু অটোমেটিকলি এই পেইজে শো হবে আপনার কেন চিন্তা করতে হবে না।


তো চলুন শুরু করা যাক।


সাইটম্যাপ জিনিসটি আসলে কি এটা অনেকেই খুব ভালো মতই জানেন। 

যারা একদম নতুন তাদের জন্য হালকা করে একটু বলি।

সাইটম্যাপ হলো একটি সূচীপত্রের মত। 

আমরা আমাদের পাঠ্যবইয়ের শুরুতে যেরকম টেবিল অফ কন্টেন্ট বা সূচী দেখি না,ঠিক ওইরকমই হলো সাইটম্যাপ।

এটি হলো আপনার সাইটের একটি ম্যাপ।

কোন জায়গায় কি পোস্ট আছে, কি নতুন পোস্ট আছে,কতগুলো পোস্ট আছে সাইটে এখানে সব দেখাবে।

এখন গুগল বটগুলো যখন আপনার সাইটে আসবে তখন সে প্রথমে খুজবে সাইটম্যাপ কই।

সাইটম্যাপ পেইজ পেলে সে ওখান থেকেই ডাটা তৈরী গুগলে ইনডেক্স করবে।


তাহলে বুঝতেই পারছেন এটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ। 


এখন দেখাবো কিভাবে তেরী করবেন সাইটম্যাপ পেইজটি?


স্টেপ ১. প্রথমে আমপনার ব্লগার একাউন্টে লগইন করুন।


স্টেপ ২. এরপর আপনার সাইট সিলেক্ট করুন। 


স্টেপ ৩. এখন পেইজ অনশনে ক্লিক করুন।



স্টেপ ৪. New Page এ ক্লিক করুন।



স্টেপ ৫. পেইজ টাইটেল দিন Sitemap



স্টেপ ৬. টাইটেলের নিচে দেখুন নিচের মত পাবেন, সেখান থেকে Html view সিলেক্ট করুন।



এবার শুধু একটি কোড এড করবেন।

আর কোন কিছু করতে হবে না।

এখন নিচের এই কোডটি কপি করুনঃ

এই লিংকে

স্টেপ ৭. এবার পেইজটি পাবলিশ করুন। আর কিছু করতে হবে না। পাবলিশ হয়ে গেলে। নিচের স্টেপগুলো ফলো করুন।


পেইজটি পাবলিশ করা হয়ে গলেই কিন্তু সেটি আপনার সাইটে দেখাবে না। এর জন্য পেইজটিকে টিক মার্ক দিয়ে অন করে নিতে হবে লেআউট থেকে।


এটা কিভাবে করবেন দেখা যাকঃ


১. প্রথমে মেনু থেকে লেআউটে ক্লিক করুন।


২. এরপর লেআউটের মধ্যে কোথায় Pages লেখা আছে খুজুন। 


৩. লেআউট থেকে Pages লেখায় ক্লিক করুন।


৪. এরপর নিচের মত দেখতে পাবেন। 



৫. এখন বামপাশে দেখেন আপনার সাইটের সব পেইজ নাম দেওয়া আছে। আপনি যে পেইজটি শো করাবেন ওইটার ওপর টিক মার্ক দিন।

এক্ষেত্রে হবে Sitemap.

টিক মার্ক দিয়ে Save এ ক্লিক করুন।



Congratulations আপনি সফলভাবে পেইজটি এড করতে পেরেছেন। 


এখন আপনার সাইটটি ভিসিট করুন, দেখবেন Sitemap পেইজ শো করবে।


ধন্যবাদ। 

কেন সমস্যা হলে আমাদের জানাতে ভুলবেন না।

Wednesday, September 23, 2020

ফ্রিতে কিভাবে ভিসা কার্ড নেওয়া যায়?

ফ্রিতে কিভাবে ভিসা কার্ড নেওয়া যায়?

ফ্রিতে ভিসা কার্ড নিয়ে নিন!

হ্যালো ফ্রেন্ডস। আশা করি সকলে ভালো আছেন। 

আজকে আমরা দেখব কিভাবে একটি ফ্রি ভিসা কার্ড পাবেন। হ্যা ঠিকই পড়েছেন একদম ফ্রিতে একটি ভিসা কার্ড কিভাবে পাবেন সেটা দেখাবো।


যারা ভিসা কার্ড কি জানেন না তারা পোস্টটি পড়ে নিন।


ভিসা কার্ড সবার কাছেই খুবই দরকারী একটি জিনিস। তবে আমাদের দেশে এটা পাওয়ার জন্য অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।

আমার দেখানো স্টেপগুলো অবলম্বন করলে আপনিও ফ্রীতে একটি ভিসা কার্ড পেয়ে যাবেন।

যা দিয়ে অনলাইন কেটাকাটা,পেমেন্ট সব কিছু করতে পারবেন।


এটি যেহেতু এত গুরুত্বপূর্ণ তাই আপনি নিশ্চই দেশের কোন ব্যাংক থেকে এটি ফ্রিতে নিতে পারবেন না। ভিসা কার্ড ফ্রিতে নেওয়ার একমাত্র উপায় হলো ইন্টারনেট। ফ্রিতে ভিসা কার্ড নেওয়ার জন্য আমরা ইন্টারনেটের সহায়তা নিব। 

ইন্টারনেট কিভাবে ফ্রিতে ভিসা কার্ড দিবে?


ইন্টারনেটে এমন অনেক কোম্পানি আছে  যারা মাঝে মধ্যে ফ্রী কার্ড দেওয়ার অফার করে। আমরা এরকমই একটি কোম্পানিকে কাজে লাগিয়ে ফ্রি একটি ভিসা কার্ড নিয়ে নিব। 


চলুন শুরু করা যাকঃ


স্টেপ ১. প্রথমে এই সাইটে যান।


স্টেপ ২. আপনার সাইটটি ডেস্কটপ মোড অন করল নিন।



স্টেপ ৩. এরপর নিচের মত একটি পেইজ পাবেন। ডানপাশে উপরের দিকে দেখেন লেখা আছে সাইন আপ। সাইন আপ লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৪. এরপর নিচের মত একটি পেইজ আসবে।  

ফর্মটি পূরণ করুন। নাম,মেইল,পাসওয়ার্ড দিবেন।

পরে টিক মার্ক দিয়ে দিন। এরপর রেজিস্ট্রার লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৫. তারপর নিচের ছবির মত একটি পেইজ পাবেন। সেখানে তীর চিহ্ন দিয়ে দেখিয়েছি, Order New Card লেখায় ক্লিক করুন। 

এছাড়াও আপনি অন্যভাবে কাজটি করতে পারেন। আপনি যে মেইলটি দিয়েছিলেন সেটি ওপেন করুন দেখবেন। একটি মেইল গেছে। সেখানে get new card লেখায় ক্লিক করলেও একই রকম হবে।



স্টেপ ৬. এরপর নিচের মত একটি পেইজ পাবেন। সেখানে Get Now লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৭. আপনি কার্ডটি নিতে পেরেছেন Congratulations!


স্টেপ ৮. এখন আপনাকে কার্ডটি একটিভ করতে হবে। 

কার্ডটি একটিভ করার জন্য আপনাকে কিছু ডলার ডিপোজিট করতে হবে। 

ভয় পাবেন না। আপনার কেন টাকাই কেটে নিবে না। এটি আপনার মেইন ব্যালেন্সে থাকবে। আপনি চাইলে একটিভ করার সাথে সাথে ডলার ব্যবহার করে ফেলতে পারবেন কেন সমস্যা নেই। এটি শুধুমাত্র কার্ডটি একটিভ করার জন্য করতে হবে। 


স্টেপ ৯. ডিপোজিট করার জন্য আপনি বিটকয়েন, লাইটকয়েন, পারফেক্ট মানি, মাস্টার কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। 

বিটকয়েনে পেমেন্ট করাই সহজ। আপনি শুধু ওখান থেকে এড্রেসটি কপি করুন এবং আপনার একাউন্ট থেকে সেন্ড করে দিন। 

বিটকয়েনে পেমেন্ট করতে হলে আপনাকে মিনিমাম ১১ ডলার ডিপোজিট করতে হবে। 



এই সাইট থেকে আপনি চাইলে আরে দুটি প্লেন নিতে পারেন। ৫ ডলার এবং ১২ ডলারের আরো দুটি প্ল্যান আছে। যেগুলে আপনাকে আরো অনেক ভালে সুবিধা প্রধান করবে। 


এই সাইট কি বিশ্বস্ত? 

ইন্টারনেটে কোন কিছু সম্পর্কে গ্যারান্টি দিয়ে কিছু বলা যায় না। তবে এ সাইটটি অনেক দিন ধরেই মাঠে আছে। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো আপনি ত আর এখানে ১০০০ ডলার ডিপোজিট করতে যাচ্ছেন না। কিছু পরিমাণ পেমেন্ট করবেন তাহলেই আর কোন ভয় থাকবে না। আপনি ডোমেইন কিনতে চান তাহলে এরকম কার্ড ব্যবহার করতে পারেন,কারণ আপনি খুব বেশি পরিমাণ টাকা পেমেন্ট করবেন না।


আমি রিকমেন্ড করবো বেশি টাকা ডিপোজিট করবেন না, কম টাকাই করেন। এটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।


কোন সমস্যা থাকলে জানাতে ভুলবেন না। 

ভালো থাকবেন। এরকম আরো ইন্টারেস্টিং টপিক সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।


ধন্যবাদ।

Monday, September 21, 2020

কিভাবে আপনার জন্য সেরা ফোনটি সিলেক্ট করবেন?

কিভাবে আপনার জন্য সেরা ফোনটি সিলেক্ট করবেন?

কিভাবে আপনার জন্য সেরা ফোনটি সিলেক্ট করবেন?


বর্তমানে মোবাইল ফোন হয়ে গেছে আমাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধু। মোবাইল ছাড়া এখন আর কাউকে পাওয়া যায় না। এর অবশ্য কারণও রয়েছে। 

আমাদের পড়াশোনা, হিসাব-নিকাশ, চলাচল, বিভিন্ন তথ্য জানা এক কথায় আমাদের জীবনকে আরো সহজ করে দিয়েছে মোবাইল ফোন। আস্তে আস্তে এটি আমাদের জীবনেরই একটি অংশ হয়ে যাচ্ছে। 


আমরা প্রায় সবাই মোবাইল ফোন কেনার সময় অনেক চিন্তায় পড়ে যাই, কারণ মোবাইল কিনতে গেলে দেখা যায় সবগুলোই পছন্দ হয়। 

কোনটি যে আমার জন্য উপযুক্ত বা কোনটি আমি ব্যবহার করব এটা সিলেক্ট করতে অনেক চিন্তায়  পড়ে যায় অনেকে।


আজকে আমরা দেখব কিভাবে আপনি নিজের জন্য বেস্ট ফোনটি নিবেন?
বা কিভাবে বুঝবেন কোনটি আপনার জন্য বেস্ট ফোন হবে?


১. নিজের মনকে ফলো করুনঃ মোবাইলটি আপনার একান্ত ব্যক্তিগত হবে। আপনি নিজে মোবাইলটি ব্যবহার করবেন। তাই আপনার নিজের কেমন ফোন দরকার সেটা আপনাকে ছাড়া আর কেউ ভালো জানে না। 

তাই নিজের মনকে বুঝুন। নিজের মনকে প্রশ্ন করুন আসলেই আমার কি দরকার? আমার কোন ফোনটির প্রতি টান অনুভব হচ্ছে? 


২. আপনার প্রয়োজনীয়তা বুঝুনঃ আপনি যে ফোনটি নিবেন সেটি দিয়ে কি কাজ করবেন? কতঘন্টা সময় ব্যায় করবেন?  আপনি কি গেম খেলবেন?  নাকি শুধু নেট ব্রাউজিং করবেন?

এককথায় আপনার নিজের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী মোবাইল নিন।

আরো পড়ুনঃ★যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মানুষ কি ডাইনোসরের মত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

★ গেম অফ থ্রোনস নিয়ে বিষ্ময়কর কিছু তথ্য।

ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। 

★ ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ হলে যাবে।

★ ম্যাজিক মাশরুম পর্যবেক্ষণ করলো বিজ্ঞানীরা।


৩. প্রসেসরঃ আপনি যদি একজন গেমার হন বা মোবাইল দিয়ে গেম খেলবেন ভাবছেন তাহলে অবশ্যই ফোনের প্রসেসর দেখে ফোন নি। 

গেমার হলে আপনার সর্বপ্রথম ফোনের প্রসেসর দেখতে হবে। কারণ প্রসেসর লো হলে গেম খেলে মজা পাবেন না।

আবার আপনি শুধু বিনোদনের জন্য ফোনটি নিচ্ছেন তো আপনি ফোনের ভিডিও পারফরম্যান্স দেখে নিন,ক্যামেরা দেখে নিন।

৪. বাজেটঃ মোবাইল কেনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনার নিজের বাজেট। এখন আপনার বাজেট যদি কম

হয় তাহলে তো আর আপনি আইফোন নিতে পারবেন না তাইন?

তাই নিজের বাজেট খেয়াল রাখুন, বাজেট অনুযায়ী মোবাইল খুজুন। লক্ষ করুন আপনার বাজের মধ্যে কোন কোম্পানির ফোনটি সবচেয়ে বেশি ফিচারযুক্ত। যে কোম্পানির ফোনটি আপনার চাহিদা পূরণ করতে পারবে সেটিই নিন। 


৫. নেটওয়ার্কঃ এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেপ। অনেক ফোন আছে যেগুলো হয়ত ৩জি সাপোর্টেট। তবে এখন তো সব জায়গায় হচ্ছে ফোরজি। 

তো আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না আপনার ফোনটি ব্যাকডেটেট হোক। তো আপনি যে বছরেরই ফোনটি কিনেন সবসময় খোজন নিয়ে নিবেন এখন কোন নেটওয়ার্ক চলছে।


৬. ব্যাটারিঃ একটি ফোন কিনলে আপনার অবশ্যই  ব্যাটারি ব্যাকআপ কতটুকু দেয় এটা জেনে নিতে হবে।

একটা কথা জেনে রাখুন আপনার ফোনে যদি চার্জই না থাকে বা কম থাকে তাহলে আপনার ফোন যতই ভালো হোক না কেন মজা পাবেন না।

তাই অবশ্যই ব্যাটারি ব্যাকআপ সম্পর্কে খোজ নিবেন।


৭. ডিসপ্লেঃ ফোন কিনার আগে অবশ্যই ডিসপ্লে খুব ভালো করে দেখবেন। কারণ অনেক বেশি দামের ফোনেও অনেক সময় ভালো ডিসপ্লে থাকে। 

ডিসপ্লে ভালো না থাকলে কিন্তু কোন শান্তি পাবেন না। চাই হোক আপনি গেমের জন্যই নেন বা বিনোদন বা নেট ব্রাউজিং এর জন্য নেন।


পরিশেষে বলি ফোন কিনার সময় শুধু ব্রেন্ড খুজবেন না তাহলে ধরা খাবেন। 

কারণ ভালো ব্রেন্ডের ফোনগুলোই গোপনে কিছু একটা দূর্বপ্রতা লাগিয়ে দেয়। যেমন অনেক কোম্পানির ফেন পাবেন যেগুলায় পিছনের ফিঙ্গার প্রিন্ট আছে তারপরও আপনি এগুলা দিয়ে ছবি তুলতে পারবেন না। তো এ বিষয়গুলো অবশ্যই জিজ্ঞেস করে নিবেন।


পারসোনালি একটি উপদেশ দেই, যে ফোনটিই কিনেন না কেন ইউটিউবে এর পারফরম্যান্স দেখে নিন,দীর্ঘদিন যারা ব্যবহার করছে তাদের রিভিউ দেখে নিন।

Thanks


★★★★★


আমি প্রচুর ব্যবহারকারীদের অভিযোগ করতে দেখছি যে তাদের এই দক্ষতাগুলি অনুশীলনের জন্য বাস্তব জীবনের প্রকল্প নেই।


সুতরাং আমি এই দ্রুত ৯০ মিনিটের প্রকল্পটি তৈরি করেছি যেখানে আপনি দুটি বড় বাস্তব জীবনের অ্যাপ্লিকেশনগুলির মধ্যে একটি সংযোগ তৈরি করে আপনার পাইথন দক্ষতা ব্যবহার করতে পারেন।


আমরা শেষ এফএম এর সাথে শীর্ষস্থানীয় ট্রেন্ডিংয়ের গানগুলি ব্যবহার করব এবং তারপরে স্পটফাইমে একটি প্লেলিস্ট তৈরি করব এবং এটিকে নতুন প্লেলিস্টে যুক্ত করব।


আমি জানি আপনি হয়ত ভাবছেন আপনাকে অনেক অনেক লাইন কোড লিখতে হবে তবে ভয় পাবেন না আমি বলছি মাত্র ৭০ লাইনের মত কোডেই আমরা কাজগুলো করে ফেলব। তাও সেগুলো বেসিক ডিক্লেয়ারেশন হবে।


তাহলে আপনি এখানে কি শিখবেন? আচ্ছা আমাকে এটা ভেঙে বলতে দিন।


★ পাইথনের সাথে কীভাবে REST এপিআই ব্যবহার করবেন তা শিখবেন।


★ কীভাবে আরইএসটি এবং পাইথন ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনগুলির সাথে সংযোগ স্থাপন করতে হয় তা শিখবেন। 


★ কীভাবে JSON এর প্রতিক্রিয়াগুলি ডিকোড করতে হয় এবং পড়তে হয় এবং সেগুলির মাধ্যমে পার্স করুন।


★ কীভাবে স্পটিফাইয়ের REST এপিআই ব্যবহার করবেন।


★ আপনার বাস্তব ওয়ার্ল্ড অ্যাপ্লিকেশনটিতে কীভাবে ডেটা পরিবর্তন করা যায়।


★ এবং শেষ কিন্তু ইজারা নয় আপনি নিজের জীবনবৃত্তান্তে দেখানোর জন্য একটি দুর্দান্ত প্রকল্পের সাথে শেষ করবেন।


কেবল এটিই নয়, আমি আরও বেশি কার্যকারিতা যুক্ত করার এবং এটিকে আরও ইন্টারেক্টিভ এবং মজাদার করার জন্য কাজ করছি।


এটি কেবল শুরু, আমরা এইভাবে প্রচুর পরিমাণে কাজ করতে পারি।



Sunday, September 20, 2020

মাস্টার কার্ড কি: কীভাবে মাস্টার কার্ড পাবেন? [Updated 2020]

মাস্টার কার্ড কি: কীভাবে মাস্টার কার্ড পাবেন? [Updated 2020]

মাস্টার কার্ড কি: কীভাবে মাস্টার কার্ড পাবেন? [Updated 2020]

মাস্টার কার্ড কি?


আমরা সবাই একটি নাম প্রায় সব জায়গাতেই শুনতে পাই তা হলো মাস্টার কার্ড। আপনাদের অনেকের মনে হয়ত প্রশ্নও জেগেছে মাস্টার কার্ড কি? এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন।

আবার অনেকেই হয়ত মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয় তা জানেন না। যদি আপনি না জেনে থাকেন মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয় তাহলে এ পোস্টটি আপনার জন্যই। 


আগে জেনে নি মাস্টার কার্ড কি?


মাস্টার কার্ড হলো একটি ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি। যারা সারাবিশ্বে ইন্টারন্যাশনাল লেনদেন সুবিধা প্রদান করে থাকে। তারা মানুষের দেনদেনকে সহজ করতে মাস্টার কার্ড নামের একটি সেবা চালু করেছে। এর মাধ্যমে আপনি সকল ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে পারবেন।  


আপনি যদি কোন বিদেশি কোম্পানি থেকে ডোমেইন হোস্টিং কিনতে চান বা Aliexpress, Alibaba থেকে কোন প্রোডাক্ট কিনতে চান তাহলে আপনাকে ডলার পেমেন্ট করতে হবে।

এখানে অবশ্যই আপনি বিকাশ,রকেট ব্যবহার করতে পারবেন না। এজন্য আপনার ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি লাগবে। আপনার এমন কোন মাধ্যমের সহায়তা নিতে হবে যারা ইন্টারন্যাশনালি পেমেন্ট সুবিধা প্রদান করে থাকে। এখানে কাজে আসে মাস্টার কার্ড।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন মাস্টার কার্ড কি?


এখন বলি মাস্টার কার্ড কিভাবে পাবেন?


ইন্টারনেটে অনেকে আর্টিকেলে দেখে থাকবেন তারা বলেছে বাংলাদেশের লোকাল ব্যাংকগুলো থেকে মাস্টার কার্ড নিতে হলে আপনাকে কোটিপতি হতে হবে।

তবে একটা কথা জেনে রাখুন এসব পুরোনো প্রবাদ এখন আর চলে না। মাস্টার কার্ড অন্যতম প্রয়োজনীয় একটি কার্ড। তাই বাংলাদেশের প্রায় সকল ব্যাংকই এখন এটি প্রদান করে থাকে।

এজন্য আপনাকে কোটিপতি হতে হবে না।


বাংলাদেশের লোকাল ব্যাংকগুলো(EbL, জনতা,সোনালি আরো আছে) দুই ধরনের কার্ড দিয়ে থাকে।

একটি হলো লোকাল মাস্টার আরেকটি হলো ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড।


লোকাল মাস্টার কার্ড দিয়ে আপনি যদি শুধু দেশের অভ্যন্তরেই লেনদেন করতে পারবেন। এগুলো ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি সাপোর্ট করে না।


আপনি ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল কার্ডটি নিতে হবে।

এটি আপনাকে ডলার পেমেন্ট করার সুবিধা দিবে। এর মাধ্যমে যেকোন ধরনের অনলাইন কেনাকাটা করতে পারবেন।


আরো পড়ুনঃ★যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মানুষ কি ডাইনোসরের মত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

★ গেম অফ থ্রোনস নিয়ে বিষ্ময়কর কিছু তথ্য।

ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। 

★ ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ হলে যাবে।

★ ম্যাজিক মাশরুম পর্যবেক্ষণ করলো বিজ্ঞানীরা।


দেশে থেকেই মাস্টার কার্ড নেওয়ার জন্য কি করবেন?
বা মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয়?


চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে মাস্টার কার্ড নিবেনঃ


১. মাস্টার কার্ড নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই লোকাল কেন ব্যাংকে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে আপনার চাহিদা জানাতে হবে। তারাই সকল ধাপ বলে দিবে।

 প্রথমে আপনাকে একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে।

এজন্য লাগবে NID কার্ড, ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। আপনি যদি ইন্টারন্যাশনাল কারেন্সি যুক্ত মাস্টার কার্ড নিতে চান,মানে এমন কার্ড নিতে চান যা দিয়ে অনলাইনে সকল কেনাকাটা করবেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই একটি ভিসা করতে হবে।

আপনার যদি ভিসা না থাকে তাহলে কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল কার্ড পাবেন না।

ভিসা জমা দিলেই তারা একটি আপনাকে ডলার ইনডোজ করে দিবে।


এখন আপনি চাইলে অনলাইনেও মাস্টার কার্ড অর্ডার করতে পারেন। 


চলুন দেখি কিভাবে অনলাইনে মাস্টার কার্ড অর্ডার করবেন? 
বা অনলাইনে কিভাবে মাস্টারকার্ড পাবেন?


অনলাইনে এমন অনেক সাইট আছে যারা মাস্টার কার্ড দিয়ে থাকে। তবে সবাই কিন্তু আমাদের দেশে সার্ভিস দিবে না। আপনি অনলাইনে মাস্টার কার্ড অর্ডার করলেও একটি প্লাসটিক কার্ড পেতে চাইবেন। 


তাই এত হাবিজাবি সাইট না বলে একটা সাইট বলছি। যারাই শুধুমাত্র বাংলাদেশে কার্ড দিয়ে থাকে। আর কোন কোম্পানি বাংলাদেশে কার্ড পাঠায় না।


এটি হচ্ছে পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড।


পেওনিয়ার হলো একটি ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি যারা বিশ্বব্যাপি মাস্টার কার্ড প্রদান করে থাকে।

যেকেউ চাইলে শর্ত পূরণের মাধ্যমে তাদের কার্ডটি নিতে পারে। তারা বিশ্বস্ততার সাথে সারাবিশ্বে সেবা দিয়ে আসছে। 


এ কার্ডটি নেওয়ার জন্য যেসব জিনিাগুলো লাগবে।

১. ব্যাংকের হিসাব নম্বর (যেকোন লোকাল ব্যাংক)

১. NiD card

২. ১০০ ডলার ডেপোজিট।


ভয় পাবেন না, ১০০ ডলার ডিপোজিট মানে এই না যে এ কার্ডের জন্য আপনার ১০০ ডলার খরচ করতে হবে। এ ১০০ ডলার আপনার একাউন্টে থাকবে। এবং কার্ড অর্ডার করা হয়ে গেলেই আপনি টাকা তুলে ফেলতে পারবেন। বা এই টাকা দিয়েই অনলাইনে কেনাকাটা শুরু করে দিতে পারবেন। 

১০০ ডলার ডিপোজিট শুধুমাত্র কার্ডটি সচল লরা বা পাওয়ার জন্য।


এখন আপনি কিভাবে ১০০ ডলার ডিপোজিট করবেন?

এজন্য আপনি যদি কোন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে থাকেন সেখান থেকে পেমেন্ট সরাসরি পেওনিয়ার একাউন্টে নিলেই হয়ে যাবে। অথবা যারা অনলাইনে কাজ করে তাদের সহায়তাও নিতে পারেন। তারা আপনার একাউন্টে ১০০ ডলার ডিপোজিট করে দিবে আপনি তাদের ১০০ ডলার সমমূল্যের টাকা দিয়ে দিবে।

আপনার ত লস নাই। টাকা ত থাকবেই।


চলুন দেখে নেই পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড কিভাবে নিবেন?
বা পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড কিভাবে নিতে হয়?


১. মাস্টার কার্ড পাওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে Payoneer ওয়েবসাইটে গিয়ে নতুন একাউন্ট খুলতে হবে।

একাউন্ট খুলার জন্য একটি ইমেইল লাগবে।


২৷ একাউন্ট খুলা হয়ে গেলে,একাউন্টে লগইন করে ডিপোজিট করবেন।


৩। পরবর্তীতে কার্ড অর্ডার করে আপনার ঠিকানা দিবেন। কার্ডটি আপনার নিকটস্থ পোস্ট অফিসে আসবে। কার্ডটি আসতে ১-২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। নিয়মিত পোস্ট অফিসে যোগাযোগ রাখবেন।


পৃথিবী দিন দিন আপডেট হচ্ছে। এখন কেনাকাটা আর এক শহরে সীমাবদ্ধ নেই। দেশ ছাড়িয়ে বাইরের দেশের প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রোডাক্ট কেনার প্রয়োজন হয়। মাস্টার কার্ড হয়ে উঠেছে আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গি।


বিষয়গুলে আপনার কাছে জটিল মনে হলে ইউটিউবে ভিডিও দেখতে পারেন। অনেক ভিডিও আছে।


ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য।