Showing posts with label Seo. Show all posts
Showing posts with label Seo. Show all posts

Saturday, September 26, 2020

কিভাবে মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করা যা?

কিভাবে মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করা যা?

 মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস প্র্যাকটিস করুন সহজেই।

মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস


হ্যালো ফ্রেন্ডস আজকে আমরা দেখব কিভাবে আপনি মোবাইল দিয়েই সম্পূর্ণ অফ লাইনে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে পারবেন। 


হ্যা, আপনি ঠিকই শুনেছেন। আপনি আপনার এন্ড্রয়েড ফোনটি দিয়েই সম্পূর্ণ ফ্রিতে এ কাজটি করতে পারবেন। 


এজন্য আপনি শুধু আমার দেখানো স্টেপগুলো ফলো করুন।


তো চলুন শুরু করা যাকঃ


আপনার যা যা লাগবেঃ

Apps ২ টা।

১. Icode-Go ২. Icode Web

Wordpress জিপ ফাইল।



এপস দুটি আপনি প্লে স্টোরেই পেয়ে যাবেন সম্পূর্ণ  ফ্রিতে। প্রথমে এপস দুটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে ফেলুন। 

এরপর Wordpress.org সাইটে গিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ফাইলটি ডাউনলোড করুন। 


ডাউনলোডের কাজ শেষ এখন ডাটা অফ করে দিন।

 এখন দেখব আসল স্টেপ।

চলুন শুরু করি।


স্টেপ ১। Icode-Go এপস প্রবেশ করুন।পারমিশন দিন। একটু অপেক্ষা করুন। একটু সময় লাগবে।

একটু পর নিচের মত পেইজ দেখতে পারবেন।



স্টেপ ২। এবার কোন মেসেজ দেখালে Don’t show this এ টিক মার্ক দিয়ে ক্লোজ করে দিন। 

উপরের বামদিকে কোনায় থ্রিডটে ক্লিক করুন।



স্টেপ ৩। এরপর মাঝখানের থ্রিডটে ক্লিক করুন। 

এরপর নিচের মত দেখতে পাবেন। Install এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ৪। এরপর আপনাকে আরেক এপস নিয়ে যাবে সেখাবে Install এ ক্লিক করুন। কোন মেসেজ আসলে ক্লোজ করে দিন। এরপর আপনাকে একটু সময় অপেক্ষা করতে হবে। কিছু ফাইল ইন্সটল হবে। 



স্টেপ ৫। হয়ে গেলে আবার Icode-Go এপস এ যান,বামের থ্রিডটে ক্লিক করুন, এরপর মাঝখানের থ্রিডটে ক্লিক করুন। একটু নিচের দিকে স্ক্রল করুন। 

নিচের ছবির মত চেন্জ ভার্সন লেখায় ক্লিক করুন। 


স্টেপ ৬। এরপর Php 7.3.3 সিলেক্ট করুন এবং আপগ্রেড এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ৭। এরপর আরেকটু নিচের দিকে স্ক্রল করুন। নিচের ছবির মত Adminer লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৮। এরপর আপনাকে একটি ব্রাউজার সিলেক্ট করতে হবে। 

এরপর নিচের মত একটি পেইজ দেখতে পাবেন। 



স্টেপ ৮। এরপর লগইন এ ক্লিক করুন। 


স্টেপ ৯। নিচের ছবির মত Create a Database লেখায় ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১০। এরপর নিচের ছবির মত প্রথম ঘরে Wordpress এবং দ্বিতীয় ঘরে Ascii-bin সিলেক্ট করুন। এরপর সেভ এ করুন। এরপর নিচের মত দেখতে পাবেন। 



এরপর আপনার ফাইল ম্যানেজারে যান। আমরা যে প্রথমে একটি ওয়ার্ডপ্রেস জিপ ফাইল ডাউনলোড করেছিলাম ওইটা এখন এক্সট্রাক্ট করতে হবে।


এজন্য ওই ফাইল এ ক্লিক করে এক্সট্রাক্ট এ ক্লিক করে আপনার স্টোরেজের Icode- Go নামক ফোল্ডার এ যান, এরপর Data-files এ যান। এরপর www এ গিয়ে এক্সট্রাক্ট করুন। 


অথবা আপনি যে ফোল্ডারে ওয়ার্ডপ্রেস ফাইলটি ডাউনলোড করেছিলেন ওইখানেই এক্সটাক্ট করুন।

এরপর Wordpress ফোল্ডারের ভিতর থেকে সবগুলো ফাইল সিলেক্ট করে কাট করুন এবং Icode-Go ফোল্ডারের data-files এর ভিতরের www এর ভিতরে পেস্ট করুন। 

 এতটুকু করার পর বের হয়ে আসুন। আপনার যে ব্রাউজার দিয়ে ডাটাবেইজ বানিয়েছেন ওই ব্রাউজার আবার ওপেন করুন।






স্টেপ ১১। এরপর সার্চবারে টাইপ করুন localhost:8080

এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন। 



স্টেপ ১২। এরপর সাইট নেম, ইউজার নেম,পাসওয়ার্ড দিবেন, নিজের ইচ্ছেমত।

জিমেইল দিয়ে নিচের Install wordpress এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১৩। এরপর নিচের মত লগইন লেখায় ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১৪। ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড দিন, Log in এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১৫। Congratulations আপনি পেরেছেন। 



ভালোভাবে দেখার জন্য ডেক্সটপ মোড অন করে নিন।



ব্যাস হয়ে গেল কাজ।


এখন আপনি সহজেই অফলাইনে কাজ করতে পারবেন। 

সকল থিম প্লাগইন সব ব্যবহার করতে পারবেন কেন সমস্যা হবে না।


আশা করি বুঝতে পারছেন। 

কোন সমস্যা থাকলে অবশ্যই জানাবেন। 


ধন্যবাদ।

Friday, September 25, 2020

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিক।

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিক।

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিক। 

হ্যালো ফ্রেন্ডস, আশা কির সকলে ভালো আছেন।

গতপর্বে আমরা ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলাম। 

আজকে আমরা ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিক জানব।


যারা ইনফোগ্রাফিক কি এবং ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং পদ্ধতি সম্পর্কে জানেন না তারা আগের পোস্টটি পড়ে নিন।


ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং খুবই শক্তিশালী একটি লিংক বিল্ডিং পদ্ধতি। 

এ কাজটি একবার করতে পারলে অনেক চান্স আছে আমাদের সাইটটি র্যাংক করার। 


চলুন শুরু করি।

ইনফোগ্রাফিক তৈরীর আইডিয়ার জন্য আমরা BuzzSumo.com নামের একটি ওয়েবসাইটের হেল্প নিয়েছিলাম। 

এই সাইটেই আরো চমৎকার কিছু ফিচার রয়েছে, যা আমাদের কাজকে আরো সহজ করে দিবে।


এই সাইটে আপনি যেকোন টপিক লিখে সার্চ করলে অনেক রেজাল্ট পাবেন। এখান থেকে যেকোন রেজাল্টে ক্লিক করলেই দেখতে পাবেন কিরকম শেয়ার হয়েছে কনটেন্টটি।


অনেকে বলেছেন বাজসুমুতে একাউন্ট করতে পারে নাই।

চলুন দেখি এখানে কেমনে একাউন্ট তৈরী করা যায়।

প্রথমে এই লিংকে যান। নিচের মত একটি ওয়েবসাইট দেখতে পাবেন।



এরপর উপরের থ্রিডট মেনুতে ক্লিক করুন এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন।



এরপর Start free trial এ ক্লিক করুন। এরপর নিচের মত একটি পেইজ পাবেন।



এখন নাম, ইমেইল, পাসওয়ার্ড দিন। এরপর Start My Free Trial এ ক্লিক করুন।


ব্যাস হয়ে গেল। এরপর ফেসবুক বা ফোন নাম্বার দিয়ে ভেরিফাই করে নিন। 

Congratulations একাউন্ট হয়ে গেছে।


এরপর শুধু আপনার মেইল চেক করে ইমেইল ভেরিফাই করে নিন। 


এখন কিভাবে সার্চ করে আপনার টপিক বের করবেন?


কোন টপিক নিয়ে সার্চ করার জন্য নিচের মত অপশনে ক্লিক করে,আপনার টপিক লিখে সার্চ করবেন।


এরপর ছবিতে দেখানো যায়গা ক্লিক করে 24 hours সিলেক্ট করে দিবেন।

এতে করে গত ২৪ ঘন্টার রেজাল্ট শো করবে।



এখন দেখবো কিভাবে খুজে পাবেন কারা পোস্টটি শেয়ার করেছে?


এজন্য প্রথমে নিচের দেখানো যায়গায় ক্লিক করুন।



এরপর নিচের মত দেখতে পাবেন।এখন View Top sharers এ ক্লিল করুন। আপনি তাদের নামগুলো দেখতে পাবেন। 



আপনি চাইলে সরাসরি ওখান থেকেই মেসেজ করতে পারবেন। 


এখন আমরা ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর আরো একটি পদ্ধতি সম্পর্কে জানবো?


এ পদ্ধতিটি একটু জটিল তবে আপনি এতে সুপার শক্তিশালী লিংক পেতে পারেন।

এজন্য প্রথমেই আপনার টপিক নিয়ে গুগলে সার্চ করবেন। যে ওয়েবসাইটগুলো আসবে তাদের সাথে যোগাযোগ করে আপনার ইনফোগ্রাফিক তৈরী করেছেন এটা জানাতে চাইবেন।

তারা যদি আগ্রহ প্রকাশ করে তাহলে আপনার ইনফোগ্রাফিকটির লিংক তাদের দিবেন। 

এক্ষেত্রে অনেক চান্স আছে তাদের লিংক পাওয়ার।


এখন কথা হলো কিভাবে তাদের ইমেইল বা কনটাক্ট ডিটেইলস পাবেন?


আপনার হয়ত অনেকেই জানেন যেকোন ওয়েবসাইটে Contact Us নামের পেইজ থাকে।

সেখানে গেলেই মেইল দেওয়া থাকবে,সেটাতে মেইল করবেন।



এখন এক্ষেত্রে একটি সমস্যা আছে। আপনি ওখানে যে মেইল পাবেন সেটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের প্রধান মেইল হবে না। তাদের এমন আরো অনেক মেইল থাকবে।


এখন তাহলে আপনি কিভাবে বুঝবেন কোনটি আসল? 

বা কয়টি মেইল আছে তাদের?


এজন্য আপনার অনলাইন কিছু টুলসের সাহায্য নিতে পারি।

এরকম একটি টুলস হলো Hunter.io। এটি একটি ভালো ওয়েবসাইট। এখান থেকে আপনি সহজেই বের করতে পারবেন একটি সাইটে কয়টি মেইল রয়েছে।


এ সাইটটি ব্যবহার করার জন্য আপনাকে সাইন আপ করে নিতে হবে।

তারপর শুধু আপনার কাঙ্খিত ডোমেইন লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন কতগুলো মেইল রয়েছে তার লিস্ট। 


এখানে আরো একটি সমস্যা আছে, অনেক সময়ই দেখতে পারবেন তাদের ১০-২০ টি করে মেইল রয়েছে।

এখন আপনি কিভাবে বুঝবেন কোনটি আসল মেইল?

এক্ষেত্রে আমাদের সহায়তা করবে জিমেইল। 

আপনি শুধু ওই সাইট থেকে পাওয়া মেইলগুলো কপি করবেন। আর জিমেইল থেকে নেউ একটা মেইল কম্পোজ করবেন।

এরপর To তে আপনার কপি করা সকল মেইল পেস্ট করবেন। 

এরপর শুধু মেইলগুলোর উপর একটি একটি করে ক্লিক করবেন।তফাতটি আপনিই দেখতে পারবেন।

কারণ জিমেইলের একটি দারুণ ফিচার আছে।

এটি হলো আপনি যদি কোন জিমেইলের ওপর ক্লিক করেন সেটি রিয়েল হলে সেখানে একটি ছবি দেখতে পাবেন। এটিই হবে আসল মেইল।

আপনি নিশ্চিন্তে এই মেইলটি কপি করে নিতে পারেন। এবং এখানে যোগাযোগ করবেন।

এক্ষেত্রে আপনার চান্স থাকবে ৯৫% লিংক পাওয়ার।

ভাইয়া একটা কথা মনে রাখবেন কোন কাজই সহজ না এগুলোই এসইও।

আপনাকে একটু কষ্ট ত করতেই হবে।


যদি বুঝতে কোন সমস্যা হয় তাহলে জানাবেন।

ধন্যবাদ 

Thursday, September 24, 2020

কিভাবে একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ পেইজ বানাবেন তা দেখে নিন।

কিভাবে একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ পেইজ বানাবেন তা দেখে নিন।

কিভাবে একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ পেইজ বানাবেন তা দেখে নিন।



আপনার ব্লগ সাইট বা যেকোন সাইটেই সাইটম্যাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসইও তে সাইটম্যাপের গুরুত্ব অনেক।


আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সকলে ভালো আছে। 


আজকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে কথা বলবো, তা হলো কিভাবে সাইটম্যাপ যোগ করতে হয় বা কিভাবে সাইটম্যাপ পেইজ বানাতে হয়।


প্রথমেই বলে নেই, আজকে আপনি যে পদ্ধতিটি দেখতে যাচ্ছেব,এটিই হলো সাইটম্যাপ তৈরীর জন্য সবচেয়ে বেস্ট পদ্ধতি। কারণ আজকে আমরা একটি একটি অটোমেটিক সাইটম্যাপ যুক্ত করা পেইজ তৈরী করব। 

হ্যা, ঠিকই সকল কিছু অটোমেটিকলি এই পেইজে শো হবে আপনার কেন চিন্তা করতে হবে না।


তো চলুন শুরু করা যাক।


সাইটম্যাপ জিনিসটি আসলে কি এটা অনেকেই খুব ভালো মতই জানেন। 

যারা একদম নতুন তাদের জন্য হালকা করে একটু বলি।

সাইটম্যাপ হলো একটি সূচীপত্রের মত। 

আমরা আমাদের পাঠ্যবইয়ের শুরুতে যেরকম টেবিল অফ কন্টেন্ট বা সূচী দেখি না,ঠিক ওইরকমই হলো সাইটম্যাপ।

এটি হলো আপনার সাইটের একটি ম্যাপ।

কোন জায়গায় কি পোস্ট আছে, কি নতুন পোস্ট আছে,কতগুলো পোস্ট আছে সাইটে এখানে সব দেখাবে।

এখন গুগল বটগুলো যখন আপনার সাইটে আসবে তখন সে প্রথমে খুজবে সাইটম্যাপ কই।

সাইটম্যাপ পেইজ পেলে সে ওখান থেকেই ডাটা তৈরী গুগলে ইনডেক্স করবে।


তাহলে বুঝতেই পারছেন এটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ। 


এখন দেখাবো কিভাবে তেরী করবেন সাইটম্যাপ পেইজটি?


স্টেপ ১. প্রথমে আমপনার ব্লগার একাউন্টে লগইন করুন।


স্টেপ ২. এরপর আপনার সাইট সিলেক্ট করুন। 


স্টেপ ৩. এখন পেইজ অনশনে ক্লিক করুন।



স্টেপ ৪. New Page এ ক্লিক করুন।



স্টেপ ৫. পেইজ টাইটেল দিন Sitemap



স্টেপ ৬. টাইটেলের নিচে দেখুন নিচের মত পাবেন, সেখান থেকে Html view সিলেক্ট করুন।



এবার শুধু একটি কোড এড করবেন।

আর কোন কিছু করতে হবে না।

এখন নিচের এই কোডটি কপি করুনঃ

এই লিংকে

স্টেপ ৭. এবার পেইজটি পাবলিশ করুন। আর কিছু করতে হবে না। পাবলিশ হয়ে গেলে। নিচের স্টেপগুলো ফলো করুন।


পেইজটি পাবলিশ করা হয়ে গলেই কিন্তু সেটি আপনার সাইটে দেখাবে না। এর জন্য পেইজটিকে টিক মার্ক দিয়ে অন করে নিতে হবে লেআউট থেকে।


এটা কিভাবে করবেন দেখা যাকঃ


১. প্রথমে মেনু থেকে লেআউটে ক্লিক করুন।


২. এরপর লেআউটের মধ্যে কোথায় Pages লেখা আছে খুজুন। 


৩. লেআউট থেকে Pages লেখায় ক্লিক করুন।


৪. এরপর নিচের মত দেখতে পাবেন। 



৫. এখন বামপাশে দেখেন আপনার সাইটের সব পেইজ নাম দেওয়া আছে। আপনি যে পেইজটি শো করাবেন ওইটার ওপর টিক মার্ক দিন।

এক্ষেত্রে হবে Sitemap.

টিক মার্ক দিয়ে Save এ ক্লিক করুন।



Congratulations আপনি সফলভাবে পেইজটি এড করতে পেরেছেন। 


এখন আপনার সাইটটি ভিসিট করুন, দেখবেন Sitemap পেইজ শো করবে।


ধন্যবাদ। 

কেন সমস্যা হলে আমাদের জানাতে ভুলবেন না।

Wednesday, September 23, 2020

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং কিভাবে করতে হয় এবং লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিকঃ [Updated 2020]

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং কিভাবে করতে হয় এবং লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিকঃ [Updated 2020]

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং কিভাবে করতে হয় এবং লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিকঃ


ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং হলো এসইও এর হাই  স্ত্রেন্থ ব্যাকলিংকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এসইও এর ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। 

এ এসইও টেকনিকটি এখনো খুবই জনপ্রিয়। 


আপনারা যারা এসইও এর সাথে জড়িত অথবা রিয়েল লাইফেও এর ইনফোগ্রাফিক এর বিভিন্ন উদাহরণ দেখে থাকেন। তবে আমরা অনেকেই জানি না এটার নাম কি।


তো প্রথমেই আমাদের জানতে হবে ইনফোগ্রাফিক জিনিসটি আসলে কি?


বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত বা ডাটার একটি চিত্রগত উপস্থাপনকেই বলা হয় ইনফোগ্রাফিক। 

যেমন আমরা প্রায়ই দেখে থাকি বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা, বা পয়েন্টগুলো একটি ছবির মধ্যে লিখে প্রকাশ করে। সত্যি বলতে কি এটাই হচ্ছে ইনফোগ্রাফিক। 

তাই বলাই যায়, কোন তথ্য বা পয়েন্ট ছবি আকারে ডিজাইন করে উপস্থাপন করাই হলো ইনফোগ্রাফিক। 


এখন অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন ভাই এত লিংক বিল্ডিং পদ্ধতি থাকতে এটা কেন করতে যাব, কে আবার গ্রাফিকস ডিজাইন করতে যাবে?


ট্রাস্ট মি ব্রো, এটা অনেক আশাজনক একটি লিংক বিল্ডিং পদ্ধতি। কারণ ইন্টারনেটে এমন অনেক অনেক হাই ডোমেইন অথোরিটি যুক্ত সাইট আছে, যেগুলোতে আপনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ইনফোগ্রাফিক সাবমিট করতে পারবেন। 

এতে করে কি হবে?

এতে আপনি ট্রাফিক ও পাবেন এবং অধিকাংশ ইনফোগ্রাফিক সাইটে ইনফোগ্রাফিক সাবমিট করার সাথে সাথে আপনার নিজের সাইট দেওয়ার সুযোগ প্রদান করে থাকে। 

তো এতে করে আপনি ট্রাফিকও পেলেন সাথে একটি হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পেলেন। 

এবং এর আরো একটি ফলাফল আছে, তা হলো আপনার ইনফোগ্রাফিক যদি খুব ভালো হয় তাহলে মানুষ সেটি শেয়ার করবে। 

এবং অধিকাংশ মানুষই কে এটি বানিয়েছে সেটি লিখে দিবে তাই এতে আপনার লিংকটিও শেয়ার হচ্ছে ট্রাফিক ও আসছে।

মূলত একারণেই এটি এত জনপ্রিয় একটি লিংক বিল্ডিং পদ্ধতি। 

এখন ত বুঝতে পারছেন এটি কেন এত প্রয়োজনীয়। 


এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন ভাই আমি ত গ্রাফিকস ডিজাইন জানি না তাহলে আমি এটা ডিজাইন করবো কেমনে?


ভাইয়া, এটা করতে আপনার একজন প্রফেশনাল গ্রাফিকস ডিজাইন জানতে হবে এমনটা নয়। আপনি ইউটিউবে কয়েকটি ভিডিও দেখলে নিজেই ইনফোগ্রাফিক বানাতে পারবেন। 

তবে এখানে একটি কথা আছে, আপনি যেহেতু এক্সপার্ট না তাই স্বভাবতই আপনার ডিজাইনও তেমন হাই কোয়ালিটি হবে না।

তাহলে আপনিই বলুন ত, আপনার ডিজাইনই যদি ভালো আকর্ষণীয় না হয় তাহলে কে আপনার ইনফোগ্রাফিক শেয়ার করতে যাবে বা দেখতে চাইবে?

তাই আপনাকে অবশ্যই একজন এক্সপার্টের সহায়তা নিতে হবে। 

এক্ষেত্রে আপনি মার্কেটপ্লেসে দেখতে পারেন। আপনি ফাইবারে গিয়ে ইনফোগ্রাফিক লিখে সার্চ করলেই অনেক গিগ পাবেন। 

আপনি ২০-৫০ ডলার দিয়ে ভালো মানের একটি ইনফোগ্রাফিক তৈরী করে নিতে পারেন।

এখানে আপনি এমন গিগও পাবেন যেগুলোতে মাত্র ৫-১০ ডলারে ইনফোগ্রাফিক করার অফার দিবে, সেগুলো আবার নিতে যাবেন না তাহলে পস্তাবেন। ওগুলা খুবই বেসিক লেভেলের ডিজাইন  হবে। 

আমাদের রিকমেন্ডেশন হলো নতুন হলে ২০-৪০ ডলার দিয়ে তৈরী করুন।

এছাড়া আমাদের দেশের অনেক গ্রাফিকস ডিজাইনার আছে। যাদের দিয়ে ৫০০-১০০০ টাকা দিয়েই অনেক ভালো মানের ইনফোগ্রাফিক তৈরী করে নিতে পারবেন।


এখন কথা হলো আপনি কোন টপিকের উপর ইনফোগ্রাফিক তৈরী করবেন?

বা ইনফোগ্রাফিক তৈরীর টপিকস পাবেন কি করে?


ইনফোগ্রাফিক তৈরীর জন্য আপনাকে অবশ্যই বর্তমানে যে টপিকসটি ট্রেন্ডিং চলতেছে সেটি নিয়ে কাজ করতে হবে। 

এখন কোন বিষয়টি ট্রেন্ডিং আছে এটা জানার জন্য আমরা এই সাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করবো।

এই সাইটে যেকোন টপিক সার্চ করে দেখতে পারেন, এখানে লক্ষ লক্ষ টপিকস আছে। এই সাইটটির অন্যতম একটি সুবিধা হলো এখান থেকে আপনি জানতে পারবেন এই টপিকটির উপর জনগণের রেসপন্স কেমন, কিরকম শেয়ার হচ্ছে সোশাল মিডিয়াগুলোতে।

এমনকি কোন কোন ব্যাক্তি বা প্রোফাইল থেকে এটি শেয়ার হচ্ছে তাও দেখতে পারবেন।


এখন বলতে পারেন এসব ইনফোগ্রাফিক আমি কোথায় সাবমিট করবো?


ইন্টারনেটে হাজার হাজার ইনফোগ্রাফিক সাবমিট সাইট রয়েছে। আপনি একটু সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। 

আপনি গুগলে এইটা লিখে সার্চ করবেন "Best info-graphic submit website working in 2020"


সার্চ রেজাল্ট থেকে যেকোন একটি ওয়েবসাইটে গিয়েই দেখে নিতে পারবেন কোন কোন সাইট এখনো কাজ করছে।

ইনফোগ্রাফিক সাবমিট কিভাবে করবেন?

ইনফোগ্রাফিক সাবমিট করা খুবই সহজ। আপনাকে প্রথমে একটি ইনফোগ্রাফিক তৈরী করতে হবে।

তারপর সেটি আপানার সাইটে আপলোড করে এর লিংকটি কপি করে নিবেন। এরপর কোন ইনফোগ্রাফিক সাইটে গিয়ে সাবমিটে ইনফোগ্রাফিকে ক্লিক করবেন।

এরপর নাম, ইমেইল, আপনার তৈরী করা ওই ইনফোগ্রাফিক লিংকটি দিবেন।

নিচে কারটেসিতে আপনার সাইট লিংক দিবেন।

ব্যাস হয়ে গেল। ওইসব সাইটের এডমিনরা চেক করেই আপনার ইনফোগ্রাফিকটি পাবলিশ করে দিবে। 

এখানে জেনে রাখুন আপনার ইনফোগ্রাফিকটির পাবলিশ হলে অবশ্যই এর সাথে আপনার সাইট যুক্ত করবে তারা।

তো পেয়ে গেলেন একটি হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক। 


ইনফোগ্রাফিক সাবমিট করে লিংক বিল্ডিং অন্যতম জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। 

আপনার তৈরীকৃত ইনফোগ্রাফিক কিভাবে মানুষের কাছে সহজে পৌছে দিবেন সেটা নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখব।


তো এই ছিল ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর খুটিনাটি সব কিছু।


ধন্যবাদ। 

ভালো থাকবেন। 

Tuesday, September 22, 2020

আর্টিকেল রাইটিং সম্পর্কে মানুষের করা কমন ১৫ টি প্রশ্ন?

আর্টিকেল রাইটিং সম্পর্কে মানুষের করা কমন ১৫ টি প্রশ্ন?

আর্টিকেল রাইটিং সম্পর্কে মানুষের করা কমন ১৫ টি প্রশ্ন?

Article writing tips bangla 2021


আর্টিকেল রাইটিং নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু জানতে চায়। মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন থাকে। প্রায় প্রতিটি রাইটারের মনেই এমন কিছু প্রশ্ন জাগে।

চলুন আজকে এরকম কিছু প্রশ্ন ও উত্তর দেখে নেই।


১. আর্টিকেল লেখার সময় আমার আসল নাম ব্যবহার করা কি ভাল?

অবশ্যই! এই সেক্টরে একজন দক্ষ ব্যাক্তি হিসাবে আপনার নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আপনি অবশ্যই চাইবেন আপনার পাঠকরা আপনার লেখা পড়ে খুশি হওয়ার পর আপনার নামটি মনে রাখুক।


২. আমি কীভাবে আর্টিকেল একটি সিরিজ আকারে জমা  দিতে পারি?

যদি আপনি প্রায়শই সিরিজ আকারে আর্টিকেল তৈরি করেন, তবে প্রতিটি আর্টিকেলকে সর্বদা স্বতন্ত্র আর্টিকেল হিসাবে একা রাখা উচিত। 

আপনি এই সিরিজের অন্যান্য আর্টিকেলগুলো উল্লেখ করতে পারেন, তবে আপনার আর্টিকেলটি কেন বিশ্রীভাবে শুরু বা শেষ হচ্ছে তা ভেবে পাঠকরা যেন তাদের মাথা চুলকাতে শুরু না করে আবার।


৩. একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা গ্রহণযোগ্য?

আর্টিকেল জমা দেওয়ার সাইটে একটির বেশি অ্যাকাউন্ট তৈরি করার কোনও কারণ নেই। 

বিকল্প লেখকের নাম যুক্ত করার জন্য একটি জায়গা থাকবে যাতে আপনি অন্য লেখকদের মধ্যে থেকে আপনার আর্টিকেলগুলো আলাদা রাখতে পারেন। 

একাধিক একাউন্ট থাকা আপনার আসল লক্ষ বা উদ্দেশ্যকে নষ্ট করে। 


৪. আমার প্রোফাইলের সাথে কি আমার কোন ছবি যোগ করা দরকার?

আপনার প্রকাশিত প্রতিটি আর্টিকেলে আপনার লেখকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, তাই আমরা আপনার অ্যাকাউন্টে নিজের ছবি যুক্ত করে আপনার মুখ বা নামটি উন্নত করার পরামর্শ দিচ্ছি। আপনার একটি ছবি আপনাকে মানুষের সামনে পরিচিত করে তুলতে পারে।

বিশ্বকে দেখিয়ে দিন আপনি কে এবং আপনি আপনার আর্টিকেলটি সবার সাথে ভাগ করে নিতে কতটা আনন্দিত!


৫. আমি কি আর্টিকেলে অন্য কোন পেইজ বা সাইটের লিংক যুক্ত করতে পারি?


আপনি আপনার পাঠকদের সব খুটিনাটি বিষয় জানাতে চাইবেন। তাই একটি আর্টিকেলে কখনো সবকিছু নিয়ে আলেচনা করা যায় না। তো আপনি চাইলে আপনার পাঠকদের ভালো কোন পেইজ বা সাইটে রেফার করতে পারেন যেখানে ওই বিষয়টি সম্পর্কে ভালো আলোচনা করা হয়েছে।


৬. যেকোন আর্টিকেলকে কত শব্দের মধ্যে হতে হয়?


আসলে এরকম কোন বাধ্যবাধকতা নেই। তবে আপনি যদি একটি বিষয়ে ১০০-২০০ শব্দের মধ্যে কোন আর্টিকেল লিখেন তবে সেখানে কিন্তু আপনার পাঠককে সবকিছু জানাতে পারবেন না। আপনার পাঠক সুম্পূর্ন ধারনা পাচ্ছে না বিষয়টি সম্পর্কে। 

আবার আপনি এমন আর্টিকেল লিখলেন যেটা পড়তে পড়তে সারাদিন চলে যাবে সেটাও পাঠকগণ পড়বে না। সেটা যতই কোয়ালিটি আর্টিকেল হোক না কারো এত ধৈর্য নেই।

এক্ষেত্রে আপনি আপনার আর্টিকেলকে খুব ছোটও করবেন আবার খুব বড়ও করবেন না।

এক্ষেত্রে আপনি ৫০০-৭০০ শব্দের মধ্যে রাখতে পারেন।

এটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।


৭. আমি কি আমার আর্টিকেলের সাথে ছবি যুক্ত করতে পারি?

আপনি যদি আপনার নিবন্ধের সাথে কোন চিত্র অন্তর্ভুক্ত করতে চান, তবে আর্টিকেলে ছবি যুক্ত করার পরিবর্তে একটি লিঙ্কে চিত্রটি উপস্থাপন করুন। 

আপনি আপনার পাঠককে যে লিংকে পাঠাচ্ছেন সেখানে যেন আবার কোয়ালিটি থাকে।

আমরা কোনও পৃষ্ঠাতে ছবি বা গ্রাফের সাথে কঠোরভাবে লিঙ্ক করার পরামর্শ দিই না। এটিকে আসল বিষয়বস্তু না করে বোনাস উপাদান হিসেবে তৈরি করুন।


৮. আমার কি আমার আর্টিকেলে বিভিন্ন কিওয়ার্ড  ব্যবহার করা উচিত?


আপনার আর্টিকেলে অত্যাধিক কীওয়ার্ড বা অনুরূপ কীওয়ার্ডের ভিন্নতা থাকা উচিত নয়। 

কারণ সেগুলো পাঠকদের জন্য বিভ্রান্তিকর হতে পারে। অতিরিক্ত কীওয়ার্ডের প্রকরণের ফলে আপনার আর্টিকেলটি কীওয়ার্ড-ঘন হয়ে উঠতে পারে। 

যেটা অনেকের কাছেই বিরক্তির লাগবে।


৯. আমি কি কোন আর্টিকেল স্পিনার ব্যবহার করে বানানো কনটেন্ট সাবমিট করতে পারবো?


কোনভাবেই না! এগুলো কোনভাবেই আসল না, এগুলোর ব্যাকরণ খুব খারাপভাবে থাকে এবং একজন বিশেষজ্ঞ লেখক হিসাবে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে দিতে পারে। 

কোনও ধরণের সফ্টওয়্যার ব্যবহার করবেন না যা আপনার জন্য কনটেন্ট তৈরি করে দিবে। 


১০. আমার আর্টিকেলে কয়টি লিঙ্ক যুক্ত করা উচিত?


থাম্বের একটি সাধারণ নিয়ম হিসাবে, আপনার আর্টিকেলে ২ টি নিজস্ব-পরিবেশনকারী যুক্ত করতে পারবেন। এই লিঙ্কগুলির জন্য সেরা স্থানটি আপনার রিসোর্স বক্সে রয়েছে। 

একটি স্ব-পরিবেশন লিঙ্কটি এমন একটি ওয়েবসাইট হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় যা আপনার নিজের মালিকানাধীন, নিয়ন্ত্রণ করা বা এতে নিযুক্ত আগ্রহ রয়েছে।


১১. আমি কি কোন এফিলিয়েট লিংক যুক্ত করতে পারি?


আপনি যদি আপনার আর্টিকেলে কোন এফিলিয়েট লিংক যুক্ত করতে চান তাহলে অবশ্যই সেটিকে টপ লেভেলের ডোমেইন থাকতে হবে এবং এফিলিয়েট সাইটটির মালিক আপনাকে হতে হবে।

যদি আপনার লিঙ্কটিতে এলোমেলো অনুমোদিত কোড এবং নম্বর থাকে তবে এটি অনেক পাঠককে সরিয়ে ফেলবে। এতে করে আপনার ইমেজ আরো নষ্ট হবে।


১২. আমি কি আমার আর্টিকেলল নিজেকে প্রচার করতে পারি?


আপনি যদি আপনার আর্টিকেলের বডিতে কোন প্রচারমূলক সামগ্রী বা লেখা যুক্ত করেন, আপনি আপনার পরিষেবাদি সরবরাহ করতে খুব দ্রুত করছেন। 

এটি অনেকাংশেই আপনার পাঠককে জোর করা হবে।

আপনার পাঠকদের আপনাকে খুজে বের করার সুযোগ দিন।


১৩. আমি আমার রিসোর্স বক্সে কোন ধরণের তথ্য সরবরাহ করব?

আপনার আর্টিকেলের রিসোর্স বক্সটি আপনার নিজের সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ যুক্ত করার জায়গা। এটিতে আপনার কোম্পানির নাম, যোগাযোগের বিশদ এবং আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্কগুলি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে যা আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে।


১৪. আমি একাধিক সাইটে একই কনটেন্ট প্রকাশ করতে পারি?


অবশ্যই! আমরা আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট এবং একাধিক আর্টিকেল জমা দেওয়ার সাইটগুলিতে আপনার কনটেন্ট ব্যবহার করতে উৎসাহিত করি। যাইহোক, আপনার লেখকের নাম মেলা প্রয়োজন এবং আর্টিকেলের সাথে স্পষ্টভাবে সংযুক্ত করা উচিত।


১৫. আমি কীভাবে আমার আর্টিকেলগুলোর পর্যালোচনা পেতে পারি?

আপনার জমা দেওয়া আর্টিকেলটি খসড়া হওয়া উচিত, ত্রুটিমুক্ত এবং 100% ইউনিক কনটেন্ট হতে হবে। তবে আপনি যদি দ্রুত অনুমোদনের সময়ের নিশ্চয়তা নিতে চান তবে আপনার আর্টিকেলগুলল লাইনের সামনে রাখার জন্য আপনি প্রিমিয়াম সদস্যতা কিনতে পারেন।


আজকে আমরা অনেককিছুই জানলাম। আশা করি আপনাদের অনেক ভুল ধারণ ভেঙ্গেছে।

কোন সমস্যা থাকলে আমাদের জানাতে পারেন।

ধন্যবাদ