Showing posts with label Review. Show all posts
Showing posts with label Review. Show all posts

Monday, September 21, 2020

ভাইকিংস টিভি সিরিজের সেরা কিছু চরিত্র

ভাইকিংস টিভি সিরিজের সেরা কিছু চরিত্র

 ভাইকিংস টিভি সিরিজের আমার কাছে সেরা চরিত্র

vikings review bangla


ভাইকিংস হলো একটি হলিউড টিভি সিরিজ। যা ২০১৩ সালে প্রথম রিলিস হয়। ভাইকিংস টিভি সিরিজটি রিলিজ হওয়ার সাথে সাথে চরম জনপ্রিয় হয়ে উঠে। 


ভাইকিংস টিভি সিরিজটির সেরা ১০ টি চরিত্র বর্ণনা করবো।


১. রেগনার লথব্রোকঃ 

ভাইকিংস টিভি সিরিজটির সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র হলো রেগনার। 

এক কথায় ভাইকিংস টিভি সিরিজটিই জনপ্রিয়তা পেয়েছে ওনার জন্য। রেগনারের কথা বলার ভঙ্গি, আর ফাইটিং স্কিল মুগ্ধ করেছিল দর্শকদের। 

রেগনার লথব্রোক একজন আগ্রাসী, ভাইকিংস। যে সবসময় বিশ্বাস করত তাদের বসবাস করা অঞ্চল উত্তর ব্যাতীতও আরো অনেক দেশ রয়েছে।

সে সবসময় সাগর পাড়ি দিয়ে পশ্চিমে যেতে চাইত।

কিন্তু তার কাজে বাগরা দিত তাদের কিং। যেকিনা কখনো বিশ্বাস করত না পশ্চিমে কিছু আছে বলে।

তাই নিজের জাহাজগুলো এ যাত্রায় ইনভেস্ট করতে রাজি ছিল না সে।

কিন্তু রেগনার তার স্বপ্নকে মনে প্রাণে বিশ্বাস কর। এডভেঞ্চারের আশায় সে গোপেন একটি নৌকা বানায়।

এরপর তার অনুগন কয়েকজনকে নিয়ে পাড়ি দেয় পশ্চিমে। রেগনার সফলভাবে পশ্চিমে পৌছাতে পারে। এখান থেকেই শুরু হয় রেগনারের যাত্রা। যা তাকে ইংল্যান্ড,পেরিস পর্যন্ত নিয়ে যায়। 

পশ্চিমে ইংল্যান্ড আবিষ্কারের পর রেগনারের খেতি সারা উত্তরে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর একের পর এক সফল অভিযান চালায় সে।

ভাইকিংস টিভি সিরিজের দর্শকরা কখনো চায় নি কিং রেগনার হারিয়ে যাক। কিং রেগনারের মৃত্যুর পর ভাইকিংস টিভি সিরিজ অনেকটাই থেমে যায়।

এরপর টিভি সিরিজটির মোর ঘোরায় রেগনারের ছেলে বিয়ার্ন আয়রন সাইড।  


২. বিয়ার্ন আয়রনসাইডঃ

ভাইকিংস টিভি সিরিজের আমার দ্বিতীয় প্রিয় চরিত্র হলো বিয়ার্ন। নিজের পিতার মতই সাহসি, আগ্রাসী বিয়ার্ন হয়ে ওঠে অন্যতম সেরা ভাইকিংস।

সে তার পিতাকেও ছাড়িয়ে যায় এবং আবিষ্কার করে আরববিশ্ব।

তার এ আবিষ্কার এবং যুদ্ধের দক্ষতা তাকে খুব জনপ্রিয় করে তোলে।

লোকেরা তাকে বিয়ার্ন আয়রনসাইড উপাধি দেয়।

বিয়ার্ন চরিত্রটি খুবই শক্তিশালী একটি চরিত্র হিসেবে থেকে যায় শেষ পর্যন্ত।


৩. লাগাথাঃ ভাইকিংস টিভি সিরিজের সবচেয়ে শক্তিশালী মহিলা চরিত্র হলো লগাথা। 

এমনকি সিরিজ দুনিয়ায়তেও অন্যতম সেরা চরিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয় লাগাথাকে।

লাগাথা হলো রেগনার লথব্রোকের প্রথম স্ত্রী এবং বিয়ার্নের মা।

লাগাথাকে পৃথিবীর সেরা সিল্ড মেকার বলা হয়। 

তার জীবনে সবসময় লড়াই করে যায় সে।

অন্যতম শক্তিশালী একটি চরিত্র। 


৪. অার্থেস্টোনঃ দা প্রিস্ট নামে পরিচিত। রেগনারের সফলতার অন্যতম কান্ডারি হলো অার্থেস্টোন। 

রেগনার লথব্রোক তার প্রথম পশ্চিম অভিজানের সময় তাকে ধরে নিয়ে আসে দাস হিসেবে। পরবর্তীতে তাকে স্বাধীন করে দেয়। 

কিন্তু আর্থেস্টোন সারাজীবন রেগনারের অনুগত থাকে। রেগনার তাকে খুব ভালোবাসত। 

অার্থেস্টোনই রেগনারকে বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে জানায়। 


৫. রোলোঃ রেগনার লথব্রোকের ভাই হলো রোলো।

 একজন সাহসী,শক্তিশালী, আগ্রাসী ভাইকিংস।

ভাইকিংস টিভি সিরিজের অন্যতম সেরা যোদ্ধা। 

তবে সেই ভাইকিংস টিভি সিরিজের অন্যতম ঘৃণ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। 

যার বিশ্বাসঘাতকতার জন্য অনেককিছুই উলট পালট হয়ে যায়। 


আরো পড়ুনঃ★যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মানুষ কি ডাইনোসরের মত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

★ গেম অফ থ্রোনস নিয়ে বিষ্ময়কর কিছু তথ্য।

ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। 

★ ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ হলে যাবে।

★ ম্যাজিক মাশরুম পর্যবেক্ষণ করলো বিজ্ঞানীরা।


৬. ফ্লোকিঃ ফ্লোকি দা বোর্ড বিল্ডার নামে পরিচিত। 

অত্যন্ত ধর্মপ্রিয়,একজন ইঞ্জিনিয়ার হলো ফ্লোকি।

যে বোর্ড বানানোর জন্য বিখ্যাত। রেগনারের প্রথম বোর্ডটিও সেই বানায়।

 তারা বানানো বোর্ডগুলো গতি ও ডিজাইনের দিক সবচেয়ে সেরা হয়। 

ফ্লোকির অসাধারণ বুদ্ধি ছিল,সে প্রকৃতিতে কাজে লাগাতে পারত। 


৭. আইভারঃ একজন পঙ্গু। আইভার দা বোনলেস নামে পরিচিত। রেগনারের ছেলেদের মধ্যে সবচেয়ে  বেশি হিংস্র হলো আইভার। 

অনেকে তাকে পাগল ও বলে। ভাইকিংস টিভি সিরিজের সবচেয়ে ঘৃণিত চরিত্র হলো আইভার। তার জন্যই মূলত উত্তরে সিভিল ওয়্যার শুরু হয়ে যায়।

তবে শেষপর্যন্ত সেই বেচে থাকে।


৮.  উবারঃ রেগনারের দ্বিতীয় ঘরের বড় ছেলে উবার। একদম পিতার মত দেখতে। বুদ্ধি শক্তিও যদ্ধে পারদর্শী।

ভাইকিংস টিভি সিরিজটি পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় একটি টিভি সিরিজ। এ সিরিজ আপনাকে অন্য এক ধরনের ফিলিংস দিবে। 

আপনি যদি একজন ব্যাটেল বা যুদ্ধ নিয়ে মুভি দেখতে পছন্দ করেন তাহলে এ সিরিজটি আপনার অবশ্যই দেখা উচিত। কারণ এখানে আপনি যা পাবেন সবই এক্সট্রিম লেভেলের।

ধন্যবাদ।              

Thursday, September 17, 2020

Too good at goodbye লিরিক্স

Too good at goodbye লিরিক্স

S.I Topic Name Details Date
1 Songs Lyrics Too Good At goodbye Lyrics 17 September 2020


তুমি অবশ্যই ভাবছো যে আমি বোকা,


তুমি অবশ্যই ভাবছো যে আমি গাধা,


তুমি অবশ্যই ভাবছো যে আমি এটির জন্য নতুন,


তবে আমি এই সব আগেও দেখেছি,


আমি তোমাকে কখনই আমার কাছে যেতে দেব না,


যদিও তুমি আমার কাছে সব,


'যতবারই আমি খুলি, এটি ব্যথা দেয়,


তাই আমি কখনই তোমার খুব কাছে আসব না,


এমনকি যখন আমি তোমার সব,


যদিওবা তুমি আমাকে ছেড়ে যাও এবং এমনকি আমাকে ময়লায় ফেলে যাও,


তবে যতবার তুমি আমাকে আঘাত করবে, ততই আমি কাঁদব এবং যতবার তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে, 


তত দ্রুত এই অশ্রুগুলি শুকিয়ে যাবে এবং যতবার তুমি বাইরে বেরিয়ে যাও, ততবার আমি তোমাকে কম ভালবাসি, বাবু, আমরা কোনও সুযোগে দাঁড়াচ্ছি না, 


এটি দুঃখজনক হলেও সত্য। 


আমি বিদায় নিতে খুব ভাল (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


আমি বিদায় খুব ভাল (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


আমি জানি তুমি আমাকে হৃদয়হীন ভাবছো, 


আমি জানি তুমি আমাকে ঠান্ডা ভাবছো,


আমি শুধু আমার নিরীহতা রক্ষা করছি,


আমি শুধু আমার আত্মাকে রক্ষা করছি,


আমি তোমাকে কখনই আমার কাছে যেতে দেব না,


যদিও তুমি আমার কাছে সবচেয়ে বেশি মূল্যবান,


'যতবার আমি খুলি, এটি ব্যথা দেয়,


তাই আমি কখনই তোমাকে আমার খুব কাছে আসতে দিবনা,


তাই আমি কখনই তোমার খুব কাছে আসব না,


এমনকি যখন আমি তোমার সব,


যদিওবা তুমি আমাকে ছেড়ে যাও এবং এমনকি আমাকে ময়লায় ফেলে যাও,


তবে যতবার তুমি আমাকে আঘাত করবে, 


ততই আমি কাঁদব এবং যতবার তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে, 


তত দ্রুত এই অশ্রুগুলি শুকিয়ে যাবে এবং যতবার তুমি বাইরে বেরিয়ে যাও,


ততবার আমি তোমাকে কম ভালবাসি, বাবু, আমরা কোনও সুযোগে দাঁড়াচ্ছি না, 


এটি দুঃখজনক হলেও সত্য।  


আমি বিদায় নিতে খুব ভাল (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


আমি বিদায় খুব ভাল (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল)


তুমি আমাকে কাঁদতে দেখবে এমন কোনও উপায় নেই (কোনওভাবেই তুমি আমাকে কাঁদতে দেখবে না) 


আমি বিদায় খুব ভাল (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


না না, না, না, না, না (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


না না না না না, না, না (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল আছি) (কোনওভাবেই আপনি আমাকে কাঁদতে দেখবেন না) (আমি বিদায় নিতে খুব ভাল) 


'যতবার তুমি আমাকে আঘাত করো, কারণ আমি কাঁদছি তত কম এবং যতবার তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে, 


তত দ্রুত এই অশ্রুগুলি শুকিয়ে যাবে এবং যতবার তুমি বাইরে বেরিয়ে যাও, 


আমি তোমাকে তত কম ভালবাসি, 

বাবু আমরা কোনও সুযোগে দাঁড়াচ্ছি না, 


এটি দুঃখজনক হলেও সত্য আমি বিদায় খুব ভাল।


★★★


Monday, September 14, 2020

ইনফিনিক্স স্মার্ট ২ প্রো মোবাইলের রিভিউ।

ইনফিনিক্স স্মার্ট ২ প্রো মোবাইলের রিভিউ।

আপনার ফোন কেনার বাজেট যদি ৮০০০ হয় তাহলে আপনার জন্য এই পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

Best phone in 8000 taka


কারণ এ পোস্টে এমন একটি মোবাইল ফেন নিয়ে আজকে কথা বলবো যার ফিচারগুলো দেখলে আপনি চমকে উঠবেন।

তো চলুন শুরু করা যাক।


ইনফিনিক্স মোবাইল ব্র্যান্ডের নাম হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কম বাজেটে সর্বাধুনিক ফিচার দেওয়ার জন্য যারা বিখ্যাত।


আমাদের আজকের ফোনটি হলো Infinix Smart 2 pro. যার বর্তমান বাজার মূল্য ৮,০০০ টাকা।


এখন কথা হলো এ মোবাইল ছাড়াও ত আরো অনেক ফোন বাজারে রয়েছে তাহলে ওগুলা নিয়ে কথা বলছি না কেন। 

কারণ আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এ ফোনটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করেছি।



স্বভাবতই একটি ডিভাইস দীর্ঘদিন চালালে এর ভালো, খারাপ দিক সহজেই ধরে ফেলা যায়।


চলুন এর ব্যাসিক ফিচারসমূহ দেখে আছিঃ

S.I Topic Name Details Date
1 Mobile Review Infinix Smart 2 Pro 14 September 2020
2 Android 8.1 Oreo
3 Network 4G,3G 2G
4 Bettery 3050Mah
5 Display 1440*720
6 Camera Back 13+2M Front 8M
7 CPU 1.5Ghz
8 GPU 570Mhz
9 Ram 2GB
9 Rom 16GB
10 Sensor Fingerprint Facelock
10 Video 720p




দীর্ঘদিন ফোনটি ব্যবহার করে যে সমস্যাটা পেয়েছি তা হলো ব্যাটারি ব্যাকআপ। এর ব্যাটারি ব্যাকআপ আসলেই কম। একবার চার্জ দিলে ৩ ঘন্টা ব্যাকাপ দেয়।এছাড়া আর একটি সমস্যা হলো এর আপডেট আসা। প্রতিমাসে আপডেট আসায় দেখা যায় অনেক আপডেটে ফোন স্লো করে দেয়।

এছাড়া এ ফোনের আর কোন সমস্যা নেই।
ব্যবহার করে খুব মজা পাবেন।    

Sunday, September 13, 2020

গেম অফ থ্রোনসের সেরা ১০ চরিত্র

গেম অফ থ্রোনসের সেরা ১০ চরিত্র

S.I Topic Name Details Date
1 Game of Thrones My Top 10 favourite character in Got 13 September 2020

My Top 10 Characters In Game of Thrones--(Spoiler Alert)

1.John Snow : 

নিঃসার্থ এক মানুষ। পুরা সোই সম্ভবত একমাত্র চরিত্র যার কোনো লোভ ছিলো না আইরন থ্রোনের।কিন্তু খুব ইচ্ছে ছিলো জনকে আইরন থ্রোনে বসতে দেখার জন্য।কিন্তু এইচবিও শেষ সিজনে আসে সব খায়ে দিলো ।সে যে একজন টারগেরিয়ান এইটা পর্যন্ত সবাই জানতে পারলো না।শেষে আসে যেই লাউ সেই কদু।

2. Arya Stark:

প্রথম থেকেই পছন্দের চরিত্র।আর ধীরে ধীরে আরো প্রিয় হয়ে উঠা।ওয়াল্ডার ফ্রেকে মারা মূহুর্তটা একটা সেরা মুহূর্ত হয়ে থাকবে ।আর D&D শুরু থেকেই ঠিক করে রেখেছিল আরিয়ার হাতেই হবে নাইট কিংয়ের মৃত্যু।সো তে তার ডেভেলপমেন্ট টাও ওই রকম ছিলো।কিন্তু সেই শেষ সিজনে এসে আবার নষ্ট করলো সব..খুব চাচ্ছিলাম যে সারসির মৃত্যু আরিয়ার হাতেই হোক..কিন্তু তা আর হলো কি!!

3.Tyrion Lannister aka The Little Lion :

সবচেয়ে প্রিয় ক্যারেক্টর মেবি পুরা সো তেই।প্রথম সিজন থেকেই ভালো লাগা শুরু।তারপর যত সিজন গড়ালো তত ভালো লাগা বাড়তে থাকলো।আর সিজন ৬,৭ থেকে রীতিমতো প্রিয় চরিত্র হয়েই গেলো।শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও সবচেয়ে যোগ্য ল্যানিস্টার এবং সবচেয়ে বুন্ধিমান ল্যানিস্টের ।

4.Jaime Lannister - 

প্রথম সিজনে ঘৃনা।দ্বিতীয় তার শাস্তি পাওয়া দেখে প্রসান্তি লাভ।তৃতীয় সিজনে সমবেদনা। চতুর্থ সিজনে তাকে বোঝা।পঞ্চম সিজনে জেইমিকে ভালোলাগা।ষষ্ট সিজনে আরেকটু আর সপ্তম সিজনে ভালোবাসা।কিন্তু এইচবিও জেইমিকেও পারফেক্ট এন্ডিং দিতে পারলো না


5.Theon Geryjoy -

সবথেকে ওয়েল রিটেন ক্যারেক্টার পুরা সো তে ....একজন সন্দেহে ভোগা স্টার্কদের বন্দী..থিওন গ্রেজয় হয়ে উঠার চেষ্টা এবং নিজের লোকদের দ্বারাই প্রতারণার শিকার..র‍্যামজির অত্যাচারে রিক হিসাবে নিজেকে ভাবা..নিজের চোখের সামনে সান্সার সতিত্ব ভাংগার দৃশ্য..নিজের পৌরষত্ব হারানো..অত্যাচারে জর্জরিত হতে হতে নিজেকে চিনতে শেখা..নিজের ভুল বুঝতে পারা..এরপর সান্সাকে বাচানো..আর সবশেষে ব্রানের জন্য নিজের শেষ বিন্দু পর্যন্ত লড়ে যাওয়া ..একজন থিওন গ্রেজয়

6.Ramsey Bolton -

একটা চরিত্রকে কতটা ঘৃনা করা যায়??আবার একই সাথে ভালোও লাগা যায়??গেম ওফ থ্রোন্সের জোকার..প্রথম দেখাতেই আর মৃত্যু কামনা করে এসেছি..ঘৃনার মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া এক চরিত্র যে নিজের উদ্দেশ্য পূরনের জন্য যা কিছু করতে পারে..আর এখানে এই চরিত্রের সার্থকতা..একজন পূর্নাঙ্গ খলচরিত্র যাকে সবাই ঘৃনা করবে।

7.The Hound- 

আরেকটা ওয়েল রিটেন ক্যারেক্টার। প্রথম দেখায় ঘৃনা..তারপর ধীরে ধীরে ভালো লাগা..আর সবশেষে একটা পারফেক্ট পরিসমাপ্তি।

8.Sansa Stark -

প্রথম দেখায় একটা নিরীহ মেয়ে যে শুধু নিজের কথা চিন্তা করে..প্রথম সিজন শেষ করার পর ঘৃনার মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল এই চরিত্রটি।তারপর ধীরে ধীরে অত্যাচার সহ্য করতে করতে সান্সা স্টার্ক হয়ে উঠা..এই একমাত্র চরিত্র যে জফ্রি ও রামজি দুইজনের অত্যাচার সহ্য করেছে।একজন নিরীহ মেয়ে থেকে রাজনীতিবীদ..আর সবশেষে Queen In The North..

9.Cersi Lannister - 

একজন পারফেক্ট পলিটিশিয়ান..যে নিজের পরিবারের জন্য সব করতে পারে।এই কারনেউ চরিত্রটি অন্যতম পছন্দ..একরোখা স্বভাবের কারনে..এন্ডিংটা ভালো পাইলে তাকে আরো উপরে রাখতে পারতাম..কিন্তু D&D তা হইতে দিলো না..

10.Edward "Ned" Stark -

শুধুমাত্র একসিজনে যে ইমপ্যাক্ট ফালায়ে গেছে তাই ভোলার মতো না।গটের সবচেয়ে শক্তিশালী চরিত্রের মধ্য একজন..Man of Word..

আপনারাও আপনাদের মতামত জানিয়ের দিন।

★★★


Saturday, September 12, 2020

আজকে ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস মুভির পল ওয়ালকারের জন্মদিন

আজকে ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস মুভির পল ওয়ালকারের জন্মদিন

S.I Topic Name Details Date
1 Birthday Paul Walker's Birthday 12 September 2020

A Legend Once Said That, "If One Day Speed Kills Me,Do Not Cry Because I Was Smiling".

পল ওয়ালকার


বলছিলাম Paul Walker এর কথা। নামটা হয়তোবা অনেকেই শুনেছেন। তার পুরো নাম 'Paul William Walker IV'. আমেরিকান এই মানুষটির জন্ম আজকের এই দিনে ১৯৭৩ সালে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার গ্লেইনডেইলে। পিতার নাম "Paul William Walker lll" এবং মায়ের নাম "Cheryl Walker".

ছোটবেলা থেকেই তার অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল। মাএ ২ বছর বয়সে টিভিতে বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয়ের পথচলা শুরু। ১২ বছর বয়সের মধ্যেই " Highway To Heaven", "Who's The Boss?", "The Young And The Restless", "Touched By An Angel" টিভি সিরিজে অভিনয় করেন এই তারকা। 

টিভি সিরিজের অভিনয়ে তার প্রতিভার জন্য পরবর্তীতে সে মুভিতেও অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে যায়। মাএ ১৪ বছর বয়সে "Monster In The Closet" মুভিতে অভিনয় করেন পল।

১৯৯১ সালে St.Valley's Village Christian School থেকে গ্রেজুয়েশন শেষ করে এবং পরবর্তীতে অভিনয়েই তার ক্যারিয়ার এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

১৯৯৮ সালে "Meet The Deedless" মুভিতে প্রথম লিড রোলে অভিনয় করেন পল। এই মুভির পর থেকে তার পরিচিতি বাড়তে থাকে। পরবর্তীতে সে "Pleasantville" এবং "The Skulls" মুভিতে অভিনয় করেন। তবে তার জনপ্রিয়তা বেশি বাড়ে ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত "Fast And Furious" মুভিতে 'Brain O'Conner' এর চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। মুভিটি বক্স অফিসে সুপারহিট হয়। পরবর্তীতে "Fast And Furious" ফ্রেনচাইজের বেশ কয়েকটি মুভিতে অভিনয় করেন পল ওয়াকার,যার সবগুলোই সারা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাড়া ফেলে।

"Fast And Furious" ফ্রেনচাইজ ছাড়াও পল "Into The Blue", " She's All That", "Eight Below", "Varsity Blues", "Timeline", "Noel", "Running Scared", " Takers", "Vehicle 19", " Pawn Shop Chornicles", "Flags Of Our Fathers", "Stories USA"-সহ আরো বেশ কিছু মুভিতে অভিনয় করেন।

"Fast And Furious" ফ্রেনচাইজের মুভিগুলোর মধ্যে গাড়ি চালানোর বেশির ভাগ স্টান্ট পল ওয়াকার নিজে করেছেন।কারণ পল বাস্তব জীবনেও গাড়ি চালানোর ব্যাপারে বেশ অভিজ্ঞ ছিলেন।

ব্যাক্তিগত জীবনে পল "Rebecca Soteros" কে ডেট করলেও বিয়ে করা হয়ে উঠেনি। তাদের ঘরে "Meadowrain Walker" নামে একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।

নিজের অভিনয়ের মাধ্যমে এই মানুষটি কোটি কোটি মানুষের মনে জায়গা করে নেয়। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের শেষ নেই। ২০১৩ সালের ৩০ শে নভেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লেরিটার ভেলেনসিয়াতে এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এই বিখ্যাত অভিনেতা। তার সাথে থাকা সেই সময় তার এক বন্ধুও একই জায়গায় প্রাণ হারায়।

পল মারা যাওয়ার সময় সে "Fast And Furious 7" মুভির অভিনয়ে ব্যাস্ত ছিলেন। শুটিং শেষ না হওয়ায় পরবর্তীতে তার দুই ভাই "Caleb Walker" এবং "Cody Walker" কে দিয়ে পলের বডি ডাবল করিয়ে শুটিং শেষ করা হয়।

"Fast And Furious 7" মুভিটি ২০১৫ সালে মুক্তি পায় যেটি পলকে ডেডিকেট করা হয়। তার মৃত্যুর পর "Fast And Furious 7" বাদেও "Hours" এবং "Brick Mensions" নামে আরো দুটি মুভি মুক্তি পায় যেগুলোর শুটিং পল বেঁচে থাকতেই শেষ করে যায়

"Fast And Furious" ফ্রেনচাইজের মুভি গুলোতে অভিনয় করার সময় পলের সাথে "Vin Diesel" এর ভালো বন্ধুত্ব হয়ে ওঠে। পলের মৃত্যুর পরে "Vin Diesel" পলের স্মরনার্থে তার মেয়ের নাম "Pauline" রাখে।

তাছাড়াও তার মৃত্যুর পরে তাকে ডেডিকেট করে "Wiz Khalifa" একটি গান লিখেন যা "Fast And Furious 7" মুভির শেষে আমরা দেখতে পায়।

মাএ ৪০ বছর বয়সের জীবনে আমাদের অনেক কিছুই উপহার দিয়ে গেছেন এই মানুষটি। অভিনয় করেছেন ৩০ মতো মুভিতে ও টিভি সিরিয়ালে। অর্জন করেছেন বেশ কয়েকটি পুরষ্কার।

যদি আমাকে আমার প্রিয় অভিনেতাদের নাম বলতে দেওয়া হয় তবে পল অবশ্যই উপরের দিকে থাকবে। আমার মতে "Fast And Furious" ফ্রেনচাইজ কখনোই "Paul Walker" ছাড়া পূর্ণ হবে না। আজ বেঁচে থাকলে আরো অনেক ভালো ভালো মুভি আমাদের উপহার দিতো বলে আমি মনে করি।

আজ পল বেঁচে না থাকলেও কোটি কোটি মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে সে।কারণ কিংবদন্তিরা কখনোই মরে না। সব শেষে "Wiz Khalifa"র কন্ঠে গাওয়া গানের দুটো লাইন বলতে চায়-

'It’s Been A Long Day Without You, My Friend. And I'll Tell You All About It When I See You Again'.

'We Have Come A Long Way From Where You Began. Oh, I'll Tell You All Abou It When I See You Again. When I See You Again'.

' # Happy Birthday Paul'

' # Paul William Walker lll'.

' # We Will Miss You Paul'.

Tuesday, September 8, 2020

মুভি রিভিউঃ Cepernaum

মুভি রিভিউঃ Cepernaum

অসাধারণ একটি অাফগানি মুভি ।

S.I Topic Name Details Date
1 Movie review Cepernaum Movie review in bangla 13 September 2020
2 Genre Drama 2018
3 IMDb 8.4 Personal Rating 9

আরবিতে আগে কিছু সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা থাকলেও ধারনা ছিলনা আরবিতে ধর্মীয় সিনেমার বাইরেও এধরণের অসাধারণ সামজিক সমস্যামূলক সিনেমা বানানো হয়। অবশ্য পূর্বে দেখা “আল আসাদুল সাহরা” বা মরুসিংহ সিনেমাটি ধর্মীয় না হলেও তাতে যথেষ্ট ধর্মীয় আবহ ছিল। তাই এই সিনেমাটি দেখা ছিল নতুন অভিজ্ঞতা।

Capernaum শব্দটি আরবি আর হিব্রু উভয় ভাষাতেই ব্যাবহৃত হয়। আরবিতে এর উচ্চারণ কাপারনাউম আর হিব্রুতে কেফেরনাউম। এর সোজা অর্থ করলে দাড়ায় বিশৃঙ্খলা। সিনেমার নামই আপনাকে সিনেমার পঠভূমি বলে দেবে। সিনেমাতে চিত্রায়ীত কাহিনীটি বিশৃঙ্খলার। 

জেইন আল হাজ মাত্র ১১ বছর বয়সী শিশু ,কিন্তু সমাজের অবিচার আর বৈষম্য তাকে পরিণত করছে প্রপ্তবয়ষ্কে। তার থেকে তার শৈশব কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সিনেমায় দেখা যায় প্রথমেই একজনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা চেষ্টার জন্য ৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছে জেইন। আদালতে জেইনের করা একটি মামলার শুনানি চলছে।মামলার অভিযুক্ত জেইনের বাবা আর মা। জেইনকে বিচারপতি যখন জিজ্ঞাসা করে “তোমার অভিযোগ কী বাব মায়ের বিরুদ্ধে?” জেইনের উত্তর ছিল,” আমাকে পৃথিবীতে আনাই তাদের অপরাধ।“ আলাদত ,বিচারপতি আর দর্শকের কৌতূহল জাগিয়ে এরপর জেইন বর্ণনা করে তার গল্প।

সিনেমাটি সামাজিক ন্যায়বিচারের অনুপস্থিতিকে খুব সহজ সরল ভাবে উপস্থাপন করেছে। সিনেমায় ব্যাবহৃত শব্দগুলো আমাদের বিবেককে নাড়া দিতে বাধ্য।আমাদের সামাজিকতার খোলসে থাকা অন্যায়কে তুলে ধরেছে সিনেমাটি। সিনেমার মূল চরিত্র জেইন আল হাজ। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিরিয় রিফিউজি জেইন আল রেফাইয়া। তার অসাধারণ অভিনয় কখনই বুঝতে দেবে না এটা একটা সিনেমা। দেখে মনে হতেই পারে কোন বস্তিবাসী শিশুর কর্মকান্ডের ওপর ডকুমেন্টারি দেখছেন। সিনেমার আরেকটি চরিত্র যার অভিনয় আমাকে অভিভূত করেছে সেটা হলো “ইয়োনাস” নামক এক কৃষ্ণাঙ্গ দেড় বছরের শিশুর অভিনয়। আমি ভাবতে বাধ্য হয়েছি মুখে কথা ফোটে নি এমন শিশুকে পরিচালক নাদিনা লাবাকি কিভাবে এতো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করলেন।

এক কথায় অসাধারণ শিক্ষণীয় সিনেমা। 2019 সালে বিদেশী ভাষা ক্যাটাগরিতে অস্কার পাওয়ার কারণ অনুধাবন করতে মোটেই কষ্ট হয়নি।

Sunday, August 23, 2020

পুরাতন ল্যাপটপ কিনার আগে যেসব বিষয়ে নজর দিতে হবে

পুরাতন ল্যাপটপ কিনার আগে যেসব বিষয়ে নজর দিতে হবে

S.I Topic Name Details Date
1 প্রযুক্তি পুরাতন লেপটপ 23 August 2020
পুরাতন ল্যাপটপ কেনার আগে যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়


ল্যাপটপ বর্তমানে আমাদের কাজের সঙ্গী হয়ে যাচ্ছে। কাজের চাহিদা অনুযায়ী এর দামও রয়েছে। ভালো মানের ল্যাপটপ কিনতে হলে ৪০,০০০ হাজারের উপরে খরচ করতে হয়। তবে দেখা যায় অনেকের ইচ্ছা থাকলেও এত খরচে নতুন ল্যাপটপ নিতে পারে না।

এই ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপগুলো। কারণ আপনার পছন্দের ল্যাপটপটি পেতে পারেন আপনার সাধ্যের মধ্যেই।


এখানে উল্লেখ্য আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী ল্যাপটপ নতুন ল্যাপটপ খুজুন, কমের মধ্যেই এখন নতুন ল্যাপটপ পাওয়া যায়।


আরো পড়ুনঃ

পুরাতন ল্যাপটপ কিনার যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হয়।

কমলো করোনা টেস্টর ফী।

ডাইনোসরের একটি ক্ষুদ্র আত্মীয়কে আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা।

আমাদের গ্যালক্সিতে রয়েছে ৩০ টিরও বেশি এলিয়েন সভ্যতা।

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে ক্যালিফোর্নিয়া।

A different kinds of protest

50 most beautiful places in Bangladesh


পুরাতন ল্যাপটপ কিনার আগের যেসব বিষয়ে খেয়াল করবেনঃ

১.  কনফিগারেশন 

আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করতে চান তাহলে আপনার জন্য একরকম ল্যাপটপ লাগবে আবার আপনি গ্যামার হলে আরেক ল্যাপটপ অথবা আপনি স্টুডেন্ট হলে সেটা হবে আরেকরকম।

প্রথমে নিজের চাহিদা নির্ধারণ করুন।

তারপর ল্যাপটপটির র্যাম,প্রসেসর,জেনারেশন, প্রসেসরের জেনারেশন, গ্রাফিক্স কার্ড দেখে নিনি।

ওই ল্যাপটপটি গুগলে সার্চ করে তারসাথে মিলিয়ে দেখুন সব ঠিক আছে কিনা।

২. ডিসপ্লে 

ল্যাপটপের ডিসপ্লে ভালো করে দেখে নিন কোথাও ভাঙা আছে কিনা, ভালো হয় একটি ভিডিও প্লে করে দেখলে।

৩. ব্যাটারী ব্যাকাপ

পুরাতন ল্যাপটপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ব্যাটারী ব্যাকাপ থাকে না। তাই ল্যাপটপ কিনার আগে ব্যাটারী ব্যাকাপ পরীক্ষা করে নিন।

. ল্যাপটপের বাহ্যিক অবস্থা 

ল্যাপটপের কোথাও ভাঙা আছে কিনা দেখে নিন।

৫. পোর্টসকল

ল্যাপটপের সকল পোর্ট ভালো করে চ্যাক করে দেখে নিন সবগুলো ঠিক আছে কিনা।

৬. কিবোর্ড ও মাউস প্যাড

ল্যাপটপের কিবোর্ডের প্রতিটা বাটন করে দেখুন,ভালো হয় কতক্ষণ টাইপ করে দেখলে।

দেখেন মাউস প্যাড ভালো মতন কাজ করে কিনা।

৭. ল্যাপটপটি আগে কে ব্যবহার করেছে এবং সে কিধরনের কাজ করেছে তা যাচাই করে দেখুন।

৮. সবসময় চেষ্টা করবেন নিজেদের পরিচিত কারো কাছ থেকে ল্যাপটপ নেওয়ার জন্য।

৯. ল্যাপটপ কিনার আগে অবশ্যই সময় নিয়ে চালিয়ে দেখবেন, সাউন্ড কোয়ালিটি কেমন দেখতে পারেন, ব্রাইটনেস সম্পূর্ণ দিলে কেমন দেখায় সেটা দেখে নিবেন

১০। ল্যাপটপের পিছনের কভার খুলুন আর ভিতরে সব যন্ত্রপাতি দেখুন।

কোন ত্রুটিপূর্ণ কিছু চোখে পড়ে কিনা।

দেখুন পাখা ঠিকমত চলছে কিনা।

১১। ল্যাপটির র্যাম আপগ্রেড করা যাবে কিনা দেখুন।

১২। ssd লাগানো যাবে কিনা দেখুন।

১৩। ল্যাপটপের রিয়েল ডকুমেন্টস চান।   

সর্বপরি সম্ভব হলে পুরাতন ল্যাপটপ কিনা থেকে বিরত থাকুন।

কারণ কেউ সমস্যা ছাড়া কিছু বিক্রি করে না।

Friday, August 14, 2020

গেম অফ থ্রোনস সম্পর্কে ১০ টি বিষ্ময়কর ঘটনা।

গেম অফ থ্রোনস সম্পর্কে ১০ টি বিষ্ময়কর ঘটনা।

পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় টিভি সিরিজের সম্পর্কে  কিছু তথ্য জেনে নিন।
Game of thrones tv series


গেম ওফ থ্রোনস হলো অন্যতম জনপ্রিয় একটি টিভি সিরিজ। এ সিরিজটি জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে অনেক কঠিন পরিশ্রম রয়েছে।সিরিজটি তৈরী করতে অনেক রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
চলুন এ সিরিজ তৈরী সম্পর্কে কিছু বিষ্ময়কর তথ্য জানা যাক।

১। গেম অফ থ্রোনসে পুরো সিরিজ জুড়ে ২০,০০০ মোমবাতি ব্যবহার করা হয়েছে।
২। দি লং নাইটের পর্বটি তৈরী করতে ৫৬ দিন সময় লেগেছিল।
৩। পৃথিবীর ১৫০ টির বেশি দেশে এটি সম্প্রচারিত হয়ছিল।
৪। সিরিজে ব্যবহৃত অস্ত্রের পরিমাণ দেড় টনেরও বেশি।
৫। পুরো ৮ সিজনে ৫২ ব্যাগের বেশি কাগজের বরছফ ব্যবহার করা হয়েছিল। 
৬।পুরো ৮ সিজনে ১৩ হাজার পাউন্ড রাবার ব্যবহার করা হয়েছিল।
৭। সিরিজের সময় ১৩০০ এর বেশি বর্ম সৈন্যরা ব্যবহার করেছে।
৮। গেম অফ থ্রোনস ৩ টি মহাদেশ এবং ১৩ টি দেশে শুট করা হয়েছে।
৯।টুইটারে ৫মিলিয়ন #Gameofthrones হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে রেকর্ড করা হয়েছিল।
১০। গেম অফ থ্রোনস পৃথিবীর অন্যতম বেশি অবৈধভাবে আপলোড করা সিরিজ।
এর ডাউনলোড সংখ্যা ১৫ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে।