Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
Showing posts with label বিনোদন. Show all posts

Friday, October 9, 2020

Temple Run game story | Real Story updated

Temple Run game story | Real Story updated

Temple Run game story | Real Story updated



Temple Run : একসময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি গেম ছিল এটি। মনে হয় এমন কেন মানুষ নেই যে এগেমটি খেলে নি। 

গেমটি খেলার পর অনেকের মনেই হয়ত প্রশ্ন জেগেছিল এ গেমটির কাহিনি কি সত্যি?

টেম্পল রান গেমের কাহিনি কি আসল?

এর সত্যতা আছে কি?


আজকের এই পোস্টে আমরা এই বিষয়গুলো নিয়েই কথা বলবো।

তো চলুন শুরু করা যাক।


টেম্পল রান গেমের কাহিনি কি আসল? 

উত্তরঃ হ্যা, এ গেমটি একটি আসল কাহিনিকে ভিত্তি করে তৈরী করা হয়েছে।


১৯৯০ সালের ব্রাজিলের আমাজন জঙ্গল থেকে একটি লোক বাইরে বেরিয়ে আসে।

স্থানীয় লোকজন লোকটির অবস্থা খুবই খারাপ দেখে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

কিছুদিন চিকিৎসার পর লোকটির সেন্স ফিরে আসে।

এরপর তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় তার অবস্থা এরকম হলো কিভাবে তখন সে সব ঘটনা খুলে বলে।

সে সবাইকে বলে কিভাবে সে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছে।

লোকটি বলে তার নাম জনাথন গ্রেক। তিনি আমেরিকার নাগরিক এবং তিনি এখানে বেড়াতে এসেছিলেন। 

তিনি পেশায় একজন প্রত্নতাত্ত্বিকবিদ।

তিনি তার কিছু বন্ধুদের সাথে আমাজন জঙ্গলে এসেছিল একটি মন্দির খুজতে।

কিছুদিন অনেক খোজাখুজির পর তারা এ মন্দির খুজে পায়।

বুঝতেই পারছেন তারা অবশ্যই আমাজনের একদম নির্জন কোন অংশে চলে গিয়েছিল। 

তো তারা মন্দির খুজে পাওয়ার পর সেখানে যাওয়ার পর সেখানকার আধিবাসীরা তাদের উপর হামলা করে। তাদের বন্দী বানিয়ে ফেলে।

এরপর তারা পরিবেশটি খুব ভালোভাবে লক্ষ করে দেখে।

তারা দেখতে পায় সেখানকার আধিবাসীরা আসলে আমাদের সাধারণ মানুষদের মত না। তারা দেখতেও একটু অন্যরকম আর মানুষ থেকে বড়।

এর থেকেও আরো একটি ইন্টারেস্টিং বিষয় তারা সেখানে দেখতে পায়।

তারা বানর, গড়িলার মত কিছু প্রাণী সেখানে দেখতে পায়।

তবে তারা বানর, গড়িলার মত দেখতে হলেও তাদের সাইজ ছিল বিশাল।

বিশাল সাইজের জন্য তারা এগুলো দেখে ভয় পেয়ে যায়। 

এরপর তাদের বন্দী বানিয়ে আরে ভিতরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

কিছুদিন যাওয়ার পর তারা আরো জানতে পারে এসব আধিবাসীরা এলডোরাডে নামকর একটি মূর্তিকে পূজো করে।

মূর্তিটি সম্পূর্ণ গোলাকার এবং সোনার তৈরী।
প্রতিদিন এরা পূজে করার জন্য একজনকরে মানুষকল বলি দেয়।

এভাবে প্রতিদিন বন্দীকৃত মানুষদের এক একজন করে শেষ হতে থাকে।
এরকমভাবে তার টিমের সকলে মারা যায়। 

এরপর এক আদিবাসীর জনের উপর মায়া হয়। সে জনকে সাহায্য করতে চায় তবে একটি শর্তে।

আদিবাসীর শর্ত হচ্ছে এখান থেকে পালাবার সময় জনকে এলডোরাডো মূর্তিটি চুরি করে নিয়ে যেতে হবে।
ওই মূর্তিটি না থাকলে আদিবাসীরা আর কোন মানুষ হত্যা করবে না।

কিছুদিন পর ওই আদিবাসীর সহযোগিতায় জন এলডোরাডো মূর্তিটি চুরি করে পালিয়ে যায়।
কিন্তু মূর্তিটি চুরি করার সাথে সাথে বিশাল আকৃতির গড়িলা বা দানব জনকে ধাওয়া করা শুরু করে।

মূলত এরা মূর্তিটি রক্ষা করার জন্যই এখানে ছিল।
জন অনেক কষ্টে পালাতে থাকে।
কিন্তু এই গড়িলা কিছুতেই তার পিছু ছাড়ে না।

এভাবে জন টানা ২১ দিন ধরে পালাতে থাকে।

জন অনেক কষ্টে জঙ্গল পেরিয়ে শহরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই ওই দানব আকৃতির গরিলাগুলো পিছু করা বাদ দেয়। আর জন বেচে যায়।

এসব কথাগুলো জন সবাইকে বলার পর কেউ তার কথা বিশ্বাস করেনি। 
কিন্তু পরে জন যখন তার ব্যাগ থেকে ওই স্বর্ণের মূর্তি সবাইকে দেখায় তখন অনেকেই তাকে বিশ্বাস করে।

মূর্তিটি বর্তমানে ব্রাজিলের একটি জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

এরপর জনের এই কাহিনি সারাবিশ্বে জড়িয়ে পড়ে।
যার ফলে ২০০৬ সালে একটি গেমিং কোম্পানি তার কাহিনির উপর ভিত্তি একটি গেম চালু করে।
তারা দীর্ঘ চার বছর এটি তৈরী করে এবং ২০১১ সালে প্রকাশ করে।

এ গেমে এক ব্যক্তি এই একটি মূর্তি চুরি করে এবং তার পিছনে ধাওয়া করে একটি গরিলা আর এ গরিলার থেকে বাচতে হয় খেলোয়াড়দের। 
গেমটি টেম্পল রান নাম দিয়ে রিলিজ করা হয়।
রিলিজ করার সাথে এটি চরম জনপ্রিয় হয়ে উঠে। 
যদিও এর কোন এন্ডিং নেই।
এমনকি আমি নিজেও এর চরম ভক্ত ছিলাম একসময়।

গেমটির আরো কয়েকটি আপডেট রিলিজ করা হয়। যেমন টেম্পল রান ২,৩,৪,৫। 
এখনও প্রচুর লোক এই গেম খেলে।
আর এটি ভবিষ্যতেও খেলবে।

আশা করি আজকের পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে।
এরকম আরো ইন্টারেস্টিং টপিক সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথেই থাকুন। 

ধন্যবাদ 

Thursday, October 8, 2020

যে গেমগুলোর শেষ দেখার সৌভাগ্য খুব মানুষের হয়েছে। যে গেমের শেষ নাই

যে গেমগুলোর শেষ দেখার সৌভাগ্য খুব মানুষের হয়েছে। যে গেমের শেষ নাই

Endless Game


গেমিং হলো বর্তমান যুগের বিনোদনের অন্যতম একটি মাধ্যম। এ যুগের ছেলেমেয়েরা গেম খেলতে বসলে কখন যে সময় চলে যায় টেরই পায় না। 

তবে এমন অনেক গেম রয়েছে যেগুলোর শেষ খুজে পেয়েছেন খুবই কম মানুষই।

বেশির ভাগ মানুষই এ গেমগুলোর শেষ দেখতে পারেন নি।

তো আজকে আমরা কথা বলবো এমন কিছু গেম নিয়ে যেগুলোর শেষ দেখা সম্ভব হয় নি।


চলুন শুরু করা যাক।


Flappy Bird: এ গেমটি আসলে একটি ভিয়েতবামি গেম। ভিয়েতনামের একজন গেম ডেভেলপার গেমটি বানিয়েছিল।

জং ইউ এন নামের একজন গেম ডিজাইনার এবং ডেভেলপার গেমটি বানিয়েছিল। 

একটা সময় এই অতিসাধারণ গেমটি পুরে দুনিয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠে। 

এবং সারাবিশ্বের গেমারদের পুরো পাগল করে দিয়েছিল এ গেমটি। 

গেমটির স্রষ্টা শুরুতেই গেমটির নাম ফ্ল্যাপ ফ্ল্যাপ রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু ওই নামে আগেই অন্য একজন গেম বানিয়ে ফেলেছিল।

তাই সে গেমটির নাম রাখে ফ্ল্যাপি বার্ড।

গেমটি বেনাতে ওনার মাত্র কিছুদিন সময় লেগেছিল। 

কিন্তু গেমটি যে বিশ্বজুড়ে এত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে তা তিনি কল্পনাও করতে পারেন নাই।

এটি এখন পর্যন্ত গেমটি বিশ্বজুড়ে ৫০+ মিলিয়ন ডাউনলোড হয়েছে।

যখন গেমটি ভাইরাল হয়েছিল তখন সব সোশাল মিডিয়ায় এটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

গেমটির এটি বিশেষ দিক হলো এটি আপনার ধৈর্যের পরীক্ষা নিবে।

মানুষের ধৈর্যের মাত্রা পরীক্ষা করার জন্যই গেমটি বানানো হয়েছিল।

মানুষ বার বার মারা গেলেও জেদ করে গেমটি ছেড়ে যায় না।

অনেক ইউজার গেমটি শেষ করার জন্য রাতদিন, মাসব্যাপি কঠোর পরিশ্রম করেছে। 

এর শেষে কি আছে তা জানার জন্য মানুষ মরিয়া হয়ে উঠেছিল।

তবে যারা এটি শেষ করতে পেরেছিল তাদের শেষ দৃশ্যটা অনেকটাই হতভম্ব করেছিল।

যখন গেমের ৯৯৯ স্কোর পূর্ণ হয়ে যায় তখন ঘটনা আরেক ঘটনা।

৯৯৯ স্কোর হওয়ার পর ফ্ল্যাপি বার্ডের সামনে সুপার মারিও এসে উদয় হয়।



আর গেমটি ওখানেই শেষ হয়ে যায়।

তাহলে একবার ভাবুন ওই বেচারার কথা যে এতদিন ধরে কষ্ট করছিল গেমটি শেষ করার জন্য 😂

বিষয়টা তার কাছে কেমন লেগেছিল ভাবতে পারছেন?😶


Pek Man: আরো একটি খুবই জনপ্রিয় গেম হলো প্যাক ম্যান।

এটি আসলে একটি জাপানিজ গেম।

জাপানিজ গেম কোম্পানি নেম কো ১৯৮০ সালে পাবলিশ করে।

এটি খুবই সহজ একটি গেম।

যেখানে একজন প্লেয়ারকে লেভেলে থাকা সব ডটস খেতে হয়।

আবার প্যাক ম্যানকে মারা জন্য সেখানে আছে এনিমি বা আমরা বাঙালিরা নাম দিয়েছিলাম ভূত ম্যান😂

প্যাক ম্যানকে আবার এদের থেকে বেচে থাকতে হয়।

গেমের প্রতিটা লেভেল পার হওয়ার সাথে এটি আরো কঠিন হয়।

প্রায় সকল প্লেয়ারই গেমটি সম্পর্কে বলে থাকে গেমটি ৭০-৮০ লেভেল পর্যন্ত একটু সহজই হয়ে থাকে।

কিন্তু এরপর ভূতেরা খুব দ্রুত মুভ করে।

অনেক গ্যামারই মনে করেন প্যাক ম্যানে ২৫৫ টি লেভেল রয়েছে।

কিন্তু একজন এক্সপার্ট এ অসম্ভব কাজটি সম্পন্ন করতে পেরেছিল। 

তিনি গেমের ২৫৫ লেভেল পার করতে সক্ষম হয়েছিলেন।


আর সে লেভেল ২৫৬ এ তে পৌছে গিয়েছিল। 

কিন্তু দূঃখের কথা হলো যখন সে ২৫৬ লেভেলে পেছায় তখন সে দেখতে পায় সেখানে কিছু প্রোগ্রামিং মিসটেক রয়েছে।

কিন্তু বিলি নামের এই ব্যাক্তি এই লেভেলটিও পার করতে সক্ষম হয়েছিলেন। 

আর যখম সে ২৫৬ পার করে তখন সে আবার সে লেভেল ১ এ চলে আসে।

কিন্তু এবার লেভেল ১ এর ভূতগুলে অনেক দ্রুত মুভ করছিল।

সে আবার লেভেলগুলে শেষ করে। 

যখন বিলি আবার সব লেভেল শেষ করে ফেলে তখন হঠাৎ করে গেমের স্ক্রীণ কালে হয়ে যায় এবং গেমটি আবার নতুন করে শুরু করতে বলে।



আসলে কেউ এরকম কোন এন্ডিং দেখতে চায় নি😂

Subway Surfers: 

সাবওয়ে সারফারস ২০১২ সালে সাইবো আর কিলো নামের দুটি কোম্পানি পাবলিশ করেছিল।

পাবলিশ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই এটি ভাইরাল হয়ে যায়।

গেমটি একদম সহজ তাই যে কেউ গেমটি খেলে ঘন্টার পর ঘন্টা পার দিতে পারে।

গেমটিতে একটি প্লেয়ার থাকে যে পুলিশের কাছ থেকে পালাতে থাকে এবং তাকে কয়েন কালেক্ট করতে হয়।

পালাতে পালাতে সামনে আসা বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করতে হয়।

সবার ত মনে করে সাবওয়ে সারফারস গেমের কোন শেষ নেই।

তবে যদি টেকনিকালি দেখেন তাহলে বুঝবেন এটিরও শেষ আছে।

কারণ প্রতিটি গেমেই একটি লিমিটেড মেমোরি থাকে।

যদিও প্রতিটি ডেভেলপার বলে থাকে তাদের গেম এন্ডলেস।

কিন্তু বাস্তবতা হলো মেমোরির লিমিটেশনের কারনে কোন গেমই এন্ডলেস হতে পারে না।

যদি কোন গেম কখনো শেষ না হয় বা কেউ যদি একটানা খেলতে থাকে তাহলে একটা সময় আসবে যখন সে আর গেমটি খেলতে পারবে না।

কারণ অ্যাপটি কখনো আনলিমিটেড মেমোরি ধরে রাখতে পারবে না।

যার ফলে সার্ভার ক্রাশ করবে।

তাই সাবওয়ে সারফারস ও ক্রাশ করবে।


তাই বলাই যায় এটিরও শেষ রয়েছে। 


Duck Hunt:

এটি এমন একটি গেম যা ৯০ এর দশকের ছেলেমেয়েরাই বেশি খেলেছে।

গেমটি তখন খুবই জনপ্রিয় ছিল।

গেমটির মোট ৩৮+ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল।

এ গেমে প্লেয়ারের কাছে একটি বন্দুক থাকে।যেখানে সে স্কিনে ওড়ে যাওয়া পাখির উপর নিশানা করে।

পাখিগুলোকে একটি কুকুর ঘাসের ভিতর থেকে তাড়িয়ে উড়িয়ে দেয়।

যদি নিশানা ঠিকঠাক থাকে তখন কুকুরটা মৃত হাসগুলোকে ঘাসের মধ্যে থেকে উঠিয়ে দেখিয়ে থাকে।

যখন নিশানা মিস হয়ে যায় তখন কুকুরটি ঘাস থেকে উঠে হেসে টিটকেরি মারতে থাকে।

গেমটি খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল এবং এর ডেভেলপার অনেক অর্থ কামিয়েছি এর মাধ্যমে। 

এত জনপ্রিয় হলে ৯৯% মানুষই এর এন্ডিং জানে না। 

সত্যি বলতে কি এর এন্ডিং ও মানুষকে হতাশ করেছিল।

যারা গেমটির ৯৯ লেভেল পার করতে পেরেছিল তারা আকাশ থেকে অনেকগুলো হাস পড়তে দেখতে পায়।

যেগুলোর উপর নিশানা লাগানো অসম্ভব হয়ে যায়।

যখন হাসগুলো উড়ে চলে যায় তখন কুকুরটা হাসতে হাসতে টিটকেরী মারতে থাকে।😂

T-Rex: এটি খুবই আলাদা একটি গেম।



আপনি যদি ক্রোম বাউজার ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনি এটিকে চিনবেন।

ক্রোম বাউজার দিয়ে নেট ব্রাউজিং করতে গেলে হঠাৎ যদি নেট চলে যায় তাহলে ছোট্ট একটা ডাউনোসরের ছবি আসে এবং নিচে কিছু কারণ লিখা থাকে। 

এখন থেকেই মূলত গেমটি শুরু।

এখন আপনি যদি ওই ডাইনোসরের উপর ক্লিক করেন তাহলে গেমটি শুরু হয়ে যাবে। 

আর পিসিতে গেম শুরু করতে হলে কি বোর্ডের স্পেস বাটনে চাপ দিতে হয়।

গেমটি খেলা খুবই সহজ।

ক্রোমের ডেভেলপারদের কথা হচ্ছে যেন তাদের ইউজাররা কোন ইন্টারনেট ছাড়াই গেমটি খেলতে পারে।

গেমটি ২০১৮ সালে ২৭০ মিলিয়ন মানুষ খেলেছিল।

গেমটি ম্যানেজ করতে ক্রোমের ডেভেলপারদের একটি টিম বানাতে হয়েছিল।

গেমটি দেখে এন্ডলেস মনে হলেও

এ গেমটিরও একটি এন্ডিং আছে।

তবে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয় হচ্ছে 

এর এন্ডিং দেখার জন্য আমরা কেউই বেচে থাকবো না।

গেমটির ডেভেলপারদের কথা হচ্ছে গেমটি অনেক কঠিনকাভে ডিজাইন করা হয়েছে। 

তাদের মতে গেমটি শেষ করতে ১ কোটি ৭০ লক্ষ বছর লেগে যাবে।😂



কি বলেন তাহলে এন্ডিং দেখতে চান নাকি😂


আশা করি আজকের পোস্টটি ভালো লেগেছে। 

এরকরম আরো ইন্টারেস্টিং বিষয় সম্পর্কে জানতে নিয়মিত ভিসিট করুন।


ধন্যবাদ

Thursday, October 1, 2020

পাবজি গেম নিয়ে যত কথা

পাবজি গেম নিয়ে যত কথা

পাবজি গেম নিয়ে যত কথা



পাবজি, পাবজি, পাবজি।

যেখানেই যাবেন ছেলেমেয়েদের দেখবেন এই গেমটি খেলতে।

বর্তমানে এটি এতই জনপ্রিয় হয়ে গেছে যে টিভি চ্যানেলগুলোও এর বিজ্ঞাপন প্রচার করে।


আজকে আমরা পাবজি গেম সম্পর্কে কিছু নতুন তথ্য জানবো,যেগুলো অনেক পাবজি প্লেয়ারও জানে না।

আজকের এই পোস্টটি পাবলি লাভারদের কাছে খুব ভালো লাগবে।


চলুন শুরু করা যাকঃ


পাবজি আসলে কি?


পাবজি হলো একটি অনলাইন ভিডিও গেম।

যাকে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় গেমই বলা যায়।

পাবজি গেমটির এন্ড্রয়েড, ম্যাক, উইন্ডোজ, আইওএস ইত্যাদি আরো অনেক ভার্সন রয়েছে।

তবে পাবজি গেমটি সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়েছে মোবাইল ভার্সন মুক্তির পর থেকে।

বর্তমানে পাবজি গেমটি মোট ডাউনলোড করা হয়েছে 100M এর বেশিবার।

মূলত ২০১৭ সালেই পাবজি গেমটি অফসিয়ালি মুক্তি দেওয়া হয়। এটি ছিল উইন্ডোজ ভার্সন। 

এরপর বিভিন্ন ডিভাইসের জন্য মুক্তি দেওয়া হয়।


অনেকে প্রশ্ন ভাই, পাবজি গেমের আবিষ্কারক কে?

পাবজি গেমটির আবিষ্কারক হলে একজন আইরিশ ব্যক্তি।

যিনি পেশায় ছিলেন একজন ফটোগ্রাফার এবং ওয়েব ডেভেলপার। 

তার নাম হলো ব্রেন্ডন গ্রিন।

এখানে উল্লেখ্য তিনি কোন গেম ডেভেলপার ছিলেন না।


পাবজি গেমের কনসেপ্ট কোথা থেকে এসেছে?

২০০০ সালে ব্যাটেল রয়াল নামে একটি জাপানি মুভি প্রকাশিত হয়, এ মুভি থেকেই নেওয়া হয় পাবজির কনসেপ্ট। 

এ মুভির কনসেপ্ট ছিল কিছু মানুষকে একটি নির্জন দ্বীপে ছেড়ে দেওয়া হয়, সেখান থেকে তাদের একজন মাত্র বেচে ফিরতে পারবে বলে জানানো হয়।

এবং তাদের বলা হয় একে অপরকে মেরে ফেলতে।

শেষপর্যন্ত যে টিকে থাকতে পারবে সেই বেঁচে যাবে।


একই কনসেপ্টে ২০১২ সালে আরো একটি হলিউড মুভি বের হয়। এর নাম ছিল The Hunger Game. 

এটি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠে।


ব্রেন্ডন গ্রিন চেয়েছিলেন এরকম একটি গেম বানাতে। তবে তিনি ত গেম ডেভেলপার ছিলেন না। তবে সৌভাগ্যক্রমে তার সাথে পরিচয় হয় দক্ষিন কোরিয়ার ভিডিও গেম কোম্পানি ব্লোহোলের গেম ডিজাইনার এবং ডেভেলপার চ্যাং হ্যান কিমের। 

এরপর তারা একত্রে মিলে আরো সদস্যদের সহযোগিতায় তৈরী করে ফেলবেন আজকের সবচেয়ে জনপ্রিয় গেন পাবজি মোবাইল। 


অনেক পাবজি প্লেয়ার জানে না পাবজির ফুল মেনিং কি?


PUBG এর ফুল হলোঃ Player Unknown Battle Ground. 

পাবজিতে আপনি ত শুধু নিজের টিমের প্লেয়ারদেরকেই চিনেন আর বাকিরা ত সবাই অপরিচিত। একারণেই নাম দেওয়া হয় Player unknown. 


পাবজির এত জনপ্রিয়তার কারণ কি?


পাবজি গেম এ আপনাকে নিজের আইকিউ লেভেলের পুরো প্রয়োগ ঘটাতে হবে। আপনার নিজস্ব বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে সফল হতে হবে। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি একটি চ্যালেন্জের মত হয়। আর মানুষ ত চ্যালেন্জ গ্রহণ করতে খুব ভালোবাসে।


উন্নত গ্রাফিকস পাবজির জনপ্রিয়তার একটি কারণ। দিন দিন এর গ্রাফিক্স আরো উন্নত হচ্ছে। 


বিশ্বের সকল আধুনিক অস্ত্রের ব্যবহার। গেমটিতে আপনি অনেক অস্ত্র পাবেন যেগুলো আমাদের বাস্তব জগতের আধুনিক অস্ত্রের মত হুবহু দেখতে।

এটিও জনপ্রিয়তার একটি কারণ হতে পারে।


পাবজি গেম খেলার সময় সবাই টান টান উত্তেজনা  অনুভব করে। কারণ এটি অনেকটা বাস্তবজীবনের মতই।


নিজের প্রোফাইল রেংকিংও পাবজির জনপ্রিয়তার কারণ হতে পারে। 

পাবজিতে যে যত ভালো খেলোয়াড় তার প্রোফাইল রেংকিংও তত বেশি। নিজের প্রোফাইল রেংকিং এর জন্যও অনেকে কঠিন পরিশ্রম করে।


এছাড়া গেমটি খেলা খুবই সহজ, কিছুক্ষণের মধ্যেই খেলা শিখে ফেলা যায়। তাই এটি দিন দিন আরো জনপ্রিয় হচ্ছে।


চিকেন ডিনার?


পাবজির প্রতিটি প্লেয়ারই চায় চিকেন ডিনার পেতে।

তবে চিকেন ডিনারের রহস্যটি কি জানেন?

অনেক আগে ১৯৩০ সালের দিকে চীনের অর্থনৈতিক সংকটকালে জুয়া খেলায় জিতলে রাতে চিকেন দিয়ে খাবার দেওয়া হত,  এখান থেকেই মূলত এসেছে চিকেন ডিনার।

তবে এখন পাবজিতে একে অপরের সাথে লড়াইয়ে জিতলে দেওয়া হয় চিকেন ডিনার। 


পাবজি গেম দিন দিন আরো জনপ্রিয় হচ্ছে। 

গেমটিতেও দিন দিন নতুন নতুন ফিচার যুক্ত হচ্ছে। 

পাবজি গেমটি যেমন খুব আনন্দের তেমনি এর কিছু খারাপ দিকও রয়েছে।


পাবজি গেম খেলা শুরু করলে একধরনের আসক্তি চলে আসে। এবং এটি দিন দিন বাড়তে থাকে। দেখা যায় নেশার মত হয়ে উঠে। গেম না খেললে রাতে ঘুম হয় না, কাজে মন বসে না।


পাবজিতে একটানা তাকিয়ে থাকতে থাকতে অনেকের চোখের সমস্যা হয়।


পড়াশোনারও অনেক ক্ষতি হয়। পাবজি গেমে অবসর সময় কাটানের জন্য তৈরী করা হলেও ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা বাদ দিয়ে এটির পিছনে লেগে থাকে।


অনেকে আছে যারা টাকা দিয়ে বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল কিনে, সহজে খেলার জন্য যা অর্থের অপচয়।


তাই আমরা পাবজি খেলবো শুধুমাত্র অবসর সময়ের জন্য।

মনে রাখতে হবে এটা একটি গেম। গেম খেলে জীবন চলবে না।

গেম হলো বিনোদনের অংশ।


আশা করি পোস্টটি ভালো লেগেছে।

ধন্যবাদ। 

এরকরম আরো পোস্ট পেতে আমাদোর সাইটে নিয়মিত ভিসিট করুন।

Monday, September 21, 2020

ভাইকিংস টিভি সিরিজের সেরা কিছু চরিত্র

ভাইকিংস টিভি সিরিজের সেরা কিছু চরিত্র

 ভাইকিংস টিভি সিরিজের আমার কাছে সেরা চরিত্র

vikings review bangla


ভাইকিংস হলো একটি হলিউড টিভি সিরিজ। যা ২০১৩ সালে প্রথম রিলিস হয়। ভাইকিংস টিভি সিরিজটি রিলিজ হওয়ার সাথে সাথে চরম জনপ্রিয় হয়ে উঠে। 


ভাইকিংস টিভি সিরিজটির সেরা ১০ টি চরিত্র বর্ণনা করবো।


১. রেগনার লথব্রোকঃ 

ভাইকিংস টিভি সিরিজটির সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র হলো রেগনার। 

এক কথায় ভাইকিংস টিভি সিরিজটিই জনপ্রিয়তা পেয়েছে ওনার জন্য। রেগনারের কথা বলার ভঙ্গি, আর ফাইটিং স্কিল মুগ্ধ করেছিল দর্শকদের। 

রেগনার লথব্রোক একজন আগ্রাসী, ভাইকিংস। যে সবসময় বিশ্বাস করত তাদের বসবাস করা অঞ্চল উত্তর ব্যাতীতও আরো অনেক দেশ রয়েছে।

সে সবসময় সাগর পাড়ি দিয়ে পশ্চিমে যেতে চাইত।

কিন্তু তার কাজে বাগরা দিত তাদের কিং। যেকিনা কখনো বিশ্বাস করত না পশ্চিমে কিছু আছে বলে।

তাই নিজের জাহাজগুলো এ যাত্রায় ইনভেস্ট করতে রাজি ছিল না সে।

কিন্তু রেগনার তার স্বপ্নকে মনে প্রাণে বিশ্বাস কর। এডভেঞ্চারের আশায় সে গোপেন একটি নৌকা বানায়।

এরপর তার অনুগন কয়েকজনকে নিয়ে পাড়ি দেয় পশ্চিমে। রেগনার সফলভাবে পশ্চিমে পৌছাতে পারে। এখান থেকেই শুরু হয় রেগনারের যাত্রা। যা তাকে ইংল্যান্ড,পেরিস পর্যন্ত নিয়ে যায়। 

পশ্চিমে ইংল্যান্ড আবিষ্কারের পর রেগনারের খেতি সারা উত্তরে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর একের পর এক সফল অভিযান চালায় সে।

ভাইকিংস টিভি সিরিজের দর্শকরা কখনো চায় নি কিং রেগনার হারিয়ে যাক। কিং রেগনারের মৃত্যুর পর ভাইকিংস টিভি সিরিজ অনেকটাই থেমে যায়।

এরপর টিভি সিরিজটির মোর ঘোরায় রেগনারের ছেলে বিয়ার্ন আয়রন সাইড।  


২. বিয়ার্ন আয়রনসাইডঃ

ভাইকিংস টিভি সিরিজের আমার দ্বিতীয় প্রিয় চরিত্র হলো বিয়ার্ন। নিজের পিতার মতই সাহসি, আগ্রাসী বিয়ার্ন হয়ে ওঠে অন্যতম সেরা ভাইকিংস।

সে তার পিতাকেও ছাড়িয়ে যায় এবং আবিষ্কার করে আরববিশ্ব।

তার এ আবিষ্কার এবং যুদ্ধের দক্ষতা তাকে খুব জনপ্রিয় করে তোলে।

লোকেরা তাকে বিয়ার্ন আয়রনসাইড উপাধি দেয়।

বিয়ার্ন চরিত্রটি খুবই শক্তিশালী একটি চরিত্র হিসেবে থেকে যায় শেষ পর্যন্ত।


৩. লাগাথাঃ ভাইকিংস টিভি সিরিজের সবচেয়ে শক্তিশালী মহিলা চরিত্র হলো লগাথা। 

এমনকি সিরিজ দুনিয়ায়তেও অন্যতম সেরা চরিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয় লাগাথাকে।

লাগাথা হলো রেগনার লথব্রোকের প্রথম স্ত্রী এবং বিয়ার্নের মা।

লাগাথাকে পৃথিবীর সেরা সিল্ড মেকার বলা হয়। 

তার জীবনে সবসময় লড়াই করে যায় সে।

অন্যতম শক্তিশালী একটি চরিত্র। 


৪. অার্থেস্টোনঃ দা প্রিস্ট নামে পরিচিত। রেগনারের সফলতার অন্যতম কান্ডারি হলো অার্থেস্টোন। 

রেগনার লথব্রোক তার প্রথম পশ্চিম অভিজানের সময় তাকে ধরে নিয়ে আসে দাস হিসেবে। পরবর্তীতে তাকে স্বাধীন করে দেয়। 

কিন্তু আর্থেস্টোন সারাজীবন রেগনারের অনুগত থাকে। রেগনার তাকে খুব ভালোবাসত। 

অার্থেস্টোনই রেগনারকে বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে জানায়। 


৫. রোলোঃ রেগনার লথব্রোকের ভাই হলো রোলো।

 একজন সাহসী,শক্তিশালী, আগ্রাসী ভাইকিংস।

ভাইকিংস টিভি সিরিজের অন্যতম সেরা যোদ্ধা। 

তবে সেই ভাইকিংস টিভি সিরিজের অন্যতম ঘৃণ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। 

যার বিশ্বাসঘাতকতার জন্য অনেককিছুই উলট পালট হয়ে যায়। 


আরো পড়ুনঃ★যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মানুষ কি ডাইনোসরের মত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

★ গেম অফ থ্রোনস নিয়ে বিষ্ময়কর কিছু তথ্য।

ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। 

★ ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ হলে যাবে।

★ ম্যাজিক মাশরুম পর্যবেক্ষণ করলো বিজ্ঞানীরা।


৬. ফ্লোকিঃ ফ্লোকি দা বোর্ড বিল্ডার নামে পরিচিত। 

অত্যন্ত ধর্মপ্রিয়,একজন ইঞ্জিনিয়ার হলো ফ্লোকি।

যে বোর্ড বানানোর জন্য বিখ্যাত। রেগনারের প্রথম বোর্ডটিও সেই বানায়।

 তারা বানানো বোর্ডগুলো গতি ও ডিজাইনের দিক সবচেয়ে সেরা হয়। 

ফ্লোকির অসাধারণ বুদ্ধি ছিল,সে প্রকৃতিতে কাজে লাগাতে পারত। 


৭. আইভারঃ একজন পঙ্গু। আইভার দা বোনলেস নামে পরিচিত। রেগনারের ছেলেদের মধ্যে সবচেয়ে  বেশি হিংস্র হলো আইভার। 

অনেকে তাকে পাগল ও বলে। ভাইকিংস টিভি সিরিজের সবচেয়ে ঘৃণিত চরিত্র হলো আইভার। তার জন্যই মূলত উত্তরে সিভিল ওয়্যার শুরু হয়ে যায়।

তবে শেষপর্যন্ত সেই বেচে থাকে।


৮.  উবারঃ রেগনারের দ্বিতীয় ঘরের বড় ছেলে উবার। একদম পিতার মত দেখতে। বুদ্ধি শক্তিও যদ্ধে পারদর্শী।

ভাইকিংস টিভি সিরিজটি পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় একটি টিভি সিরিজ। এ সিরিজ আপনাকে অন্য এক ধরনের ফিলিংস দিবে। 

আপনি যদি একজন ব্যাটেল বা যুদ্ধ নিয়ে মুভি দেখতে পছন্দ করেন তাহলে এ সিরিজটি আপনার অবশ্যই দেখা উচিত। কারণ এখানে আপনি যা পাবেন সবই এক্সট্রিম লেভেলের।

ধন্যবাদ।              

Saturday, August 22, 2020

যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ  দেখে নিন

যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ দেখে নিন

S.I Topic Name Details Date
1 প্রযুক্তি ফেসবুক নিষিদ্ধ 3 July 2020
কোন কোন দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ



যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ  

ফেসবুক বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।প্রতিনিয়ত এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে।সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ফেসবুকের ভুমিকা অনেক।


তবে পৃথিবীতে এমন কয়েকটি দেশ আছে যেখানে ফেসবুক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। 


১। উত্তর কোরিয়া 


২৫ মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ উত্তর কোরিয়ায় ফেসবুক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। 

নিজেদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আপোষহীন দেশ উত্তর কোরিয়া।ফেসবুক নিষিদ্ধ সেখানে।এমনকি নিজেদের নিরাপত্তার জন্য তারা ইন্টারনেটও সীমিত করে দিয়েছে।

হয়ত দেশের তথ্য পাচার রোধের জন্যই তাদের এ ব্যবস্থা।তবে তাদের নিজস্ব কিছু যোগাযোগ মাধ্যম রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে তারা যোগাযোগ করে থাকে।

উত্তর কোরিয়ার অনেক জায়গার সাধারণ মানুষের  জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার নিষিদ্ধ রয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উং এর সময়ে ফেসবুক নিষিদ্ধ করা হয় যা এখন পর্যন্ত বলবত রয়েছে।


আরো পড়ুনঃ

পুরাতন ল্যাপটপ কিনার যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হয়।

কমলো করোনা টেস্টর ফী।

ডাইনোসরের একটি ক্ষুদ্র আত্মীয়কে আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা।

আমাদের গ্যালক্সিতে রয়েছে ৩০ টিরও বেশি এলিয়েন সভ্যতা।

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে ক্যালিফোর্নিয়া।

A different kinds of protest

50 most beautiful places in Bangladesh 



২। চীন


১.৩ বিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ চায়নাতে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

চীন হলো এমন এক রাষ্ট্র যেখানে ফেসবুকের উপর সবেচেয়ে বেশি কড়াকড়ি করা হয়।

চীনে ফেসবুক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এমনকি কেউ অন্য মাধ্যমে একসেস করতে চাইলেও তাকে কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হয়।

চীন সবসময় বলে এসেছে তাদের নিরাপত্তার জন্য তারা ফেসবুককে হুমকি মনে করে।

চীনে বর্তমানে অসংখ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তৈরী হয়েছে।চীনারা তাদের নিজস্ব মাধ্যমেই যোগাযোগ করে থাকে।


৩।ইরান


৮৩ মিলিয়ন জনসংখ্যার জনসংখ্যার দেশ ইরানে ফেসবুক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। 

মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ হলো ইরান। ইরান তাদের সকল কার্যক্রম অন্যদেশের নজরদারি থেকে রক্ষার জন্য চেষ্টা করে।

এমনকি সেখানে তথ্য পাচার রোধের জন্য মাঝেমধ্যেই ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করে হয় সাধারণ মানুষের থেকে।

ইরান বাইরের দেশ থেকে নিজেদের সব তথ্য রক্ষা করতেই মূলত ফেসবুক নিষিদ্ধ করেছে।কারণ ফেসবুকের মাধ্যমে যেকেউ তথ্য পাচারের সাথে জড়িয়ে যেতে পারে। যার নজরদারি করাও অনেক কঠিন হত।তাই তারা ফেসবুক নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া ইরানের অন্যতম বড় শত্রু ইসরায়েলের সাইবার আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য তারা এমন করেছে। এরপরও ইসরায়েলের গবেষণাগারগুলোতে ইসরায়েলের হ্যাকাররা আক্রমণ করে থেকে মাঝেমধ্যেই।একারণে ইরান নিজেদের অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক তৈরীর চেষ্টায় রয়েছে।


৪। সিরিয়া


১৮ মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ সিরিয়াতেও ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মুসলিম প্রধান দেশ হওয়ায় অনেক আগে থেকে এখানে ফেসবুক নিষিদ্ধ।