Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts

Friday, September 18, 2020

ভবিষ্যৎ থাকবে ন্যানোটেকনেজির  হাতে!

ভবিষ্যৎ থাকবে ন্যানোটেকনেজির হাতে!

S.I Topic Name Details Date
1 Technology Nano Technology full details 18 September 2020
ন্যানোটেকনোলজি


ভবিষ্যৎ থাকবে ন্যানোটেকনেজির  হাতে!
আমরা হয়তো ধারণাও করতে পারবো না যে, আমাদের চোখ দেখতে পারে না এমন জিনিস পুরো পৃথিবী জুড়ে আছে। 
আর এই বিশ্বকে বলা হয় অাণুবীক্ষণিক বিশ্ব। 

এই আণুবীক্ষণিক বিশ্ব খুবই আকর্ষনীয় এবং মজাদার। সম্ভাবনার দুয়ার খুলে রাখা আছে এই আণুবীক্ষণিক বিশ্বে। 


বর্তমান সময় টেকনোলজির সময়। 

প্রতিনিয়তই কোনো না কোনো টেকনোলজি আমাদের হাতে আসছে।


এবার আসল কথায় আসা যাক।


ন্যানোটেকনোলজি আসলে কি?

ন্যানোটেকনোলজির সঙ্গা এভাবে দেওয়া যেতে পারে যে, ন্যানোটেকনোলজি বা ন্যানোপ্রযুক্তি হলো অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরীর জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।  

সংক্ষেপে একে ন্যানোটেক বলা হয় ।


আমেরিকার পদার্থ বিজ্ঞানী রিচার্ড ফেম্যান ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর "There’s plenty of room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানোটেকনলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।


১০০ ন্যানোমিটার থেকে ছোট পার্টিকেলে এই ন্যানোটেকনোলজি কাজ করে। 

যদিও ন্যানোটেকনোলজি ক্ষুদ্র আকারের পার্টিকেলের উপর কাজ করে কিন্তু ন্যানোটেকনোলজি দ্বারা তৈরিকৃত জিনিসের ক্ষমতা অনেক বেশি। 


ন্যানোটেক দ্বারা তৈরিকৃত জিনিসগুলো আকারে ছোট, ওজনে হালকা, দামে তুলনামূলক সস্তা হয়। 


ন্যানােটেকনলজি খুব ছােট্ট আকারের হয়ে থাকে , অর্থাৎ একটি মাত্রায় ১০০ ন্যানােমিটার থেকেও ছােট । 

আরও সহজ ভাবে বলে গেলে , ন্যানােমিটার থেকেও ছােট টেকনােলজিকে ন্যানােটেকনলজি বলে। 


ন্যানোটেকনলজি পদার্থকে আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করবার বিদ্যা।


আসলে এই ন্যানো কি?

একটি উদাহরণ দিলে ভালো হবে। আমরা যে কলম দিয়ে লিখি বা দাগ দেই।

আপনি কি জানেন আমরা কলম দিয়ে যে দাগ দেই তার প্রস্হ প্রায় মিলিয়ন ন্যানোমিটার?

তাহলে চিন্তা করুন ন্যানোটেকনোলজি কত ক্ষুদ্র পরিসরে কাজ করে। 

ন্যানো হলো পরিমাপের একক। 

এক মিটারের এক কোটি ভাগের এক ভাগকে বলা হয় এক ন্যানোমিটার। 

আর ন্যানোটেকনোলজি হলো বিজ্ঞানের অতি ক্ষুদ্র স্তরে একটা কিছু তৈরি করা। 

ভবিষ্যতে আমাদের এই পৃথিবী হতে যাচ্ছে ন্যানোটেকনোলজির রাজত্ব।

ন্যানোটেক কেন গুরুত্বপূর্ণ?


আমরা সকলেই জানি পৃথিবীর সব কিছু, মানুষ, গাছপালা,পরিবেশ,মহাকাশ সবকিছুই পরমাণু দিয়ে তৈরী। 

এই যে আমরা সুস্বাদু খাবার খাচ্ছি, সুন্দর প্রকৃতি দেখছি এগুলো সবই বাস্তবে কণা মাত্র। 

সবকিছুর মূলে রয়েছে কোটি কোটি পরমাণু। 

কিন্তু পরমাণু এত ছোট যা খালি চোখে দেখা যায় না। 


ন্যানো টেকনোলজিকে বাস্তবে রুপায়িত করা সম্ভব হয়েছে আইবিএমের তৈরী করা STM (Scanning Tunneling Microscope) যন্ত্রটির আবিষ্কারের ফলেই। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮০ সালে।


এই যন্ত্রটি এতই শক্তিশালী যে এটি দিয়ে অণুর গঠন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। 


এ যন্ত্রে একটি  ছোটখাটো পিঁপড়া দেখতে মনে হবে একটি বিশাল আকারের ডাইনোসরের মত।

বড় কথা হলো এই ন্যানোটেকনোজিতেই পদার্থের সবকিছু  বদলে দেওয়া সম্ভব। 

ভবিষ্যতে বিজ্ঞান আমাদের পৃথিবীকে নতুন আকার দিতে পারে এ ন্যানোটেকনোলজি দিয়েই। 

এটা অসম্ভব কিছু না। 

কারণ আমাদের বিজ্ঞান যেভাবে এগাচ্ছে তাতে এটা আশা করা যেতেই পারে।

ন্যানোটেক এর মাধ্যমে আমাদের জীবন কেমন হবে?

ন্যানোটেকনোজির মূল লক্ষই হচ্ছে মানুষের জীবনকে আরো সহজ করে তোলা।

সত্যি বলতে কি ন্যানোটেকনোলজি ইতিমধ্যেই আমাদের জীবনকে আরও সহজ করে দিয়েছে। 

কিভাবে? 

যেমনঃ 

ক.

মেডিসিন ( সুস্থ কোষগুলোকে কোনোপ্রকার ক্ষতি না করেই ক্যান্সার কোষকে হত্যা করে থাকে), 


খ.

কম্পিউটারিং (সুপার AI ব্যবহার করে কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরী করা হয়েছে)


গ.

যোগাযোগে ও মহাকাশযাত্রার অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে।


ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া লক্ষ করা যায়। 


i. উপর থেকে নিচে বা Top to Bottom

ii. নিচ থেকে উপরে বা Bottom to Top.


Top to Bottom বা উপর থেকে নিচ পদ্ধতিতে যেকোন জিনিসকে আরো ছোট আকার দেওয়া হয়। 

আর Bottom to Top হলো এর সম্পূর্ণ উল্টো অর্থাৎ ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্র আকারের জিনিস দিয়ে আরো বড় আকারের জিনিস তৈরি করা। 

আমরা বর্তমানে Top to Bottom প্রযুক্তিতে আছি।

ন্যানোটেকনোলজি মাধ্যমে অনেক কিছুই বদলে ফেলা সম্ভব। যেমনঃ যেকোন পদার্থের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক, বিদ্যুৎ ও চৌম্বক পরিবাহিকতা, রাসায়নিক বিক্রিয়াসহ অনেক কিছু। 

ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে পানিকে আর্সেনিক মুক্ত করা সম্ভব এবং সমুদ্রের লবণাক্ত পানি যেগুলা পানযোগ্য নয় সেগুলোর লবণাক্ততা দূর করে পানযোগ্য করা সম্ভব। 

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন,ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে সুপেয় পানির খুব অভাব দেখা দিবে। 

মানুষের প্রতিনিয়ত দূষণের  ফলে নদী নালা সব দূষিত হয়ে যাবে,পানির স্তর একেবারেই নিচে নেমে যাবে।

মানুষের মধ্যে দেখা দিবে নানা রোগবালাই।


ধারণা করা হচ্ছে  আমাদের খাদ্যাভাস বদলে দিবে এই ন্যানোটেক। 

খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে আরোও স্বাস্থ্যসম্মত করবে এই ন্যানোটেকনোলজি। 

 

আমি যদি বলি আমরা ন্যানোটেকনোজির ব্যবহার শুরু করেছি  অনেক আগে থেকেই, তাহলে কি আপনি বিশ্বাস করবেন?


একটু ভাবুন ত, আমরা যখন প্রথম কম্পিউটার আবিষ্কার করি তখন এর আকার কত বড় ছিল?

তখন কি কেউ চিন্তা করতে পেরেছিল একদিন এই কম্পিউটার মানুষের পকেটে থাকবে?

আপনি জানলে আরো অবাক হবেন যে, আগে ওই বিশাল কম্পিউটার দিয়ে সামান্য কিছু হিসাব করা যেত।


আমাদের প্রযুক্তিকে আরে শক্তিশালী ও ছোট করেছে এই ন্যানোটেকনোলজি।

আমাদের কম্পিউটারের যে প্রসেসর আছে সেটা হলো ন্যানোটেকনোলজির সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান।


ন্যানোটেকেনোলজির কারনে একটি কম্পিউটারের প্রসেসরে  প্রায় দুই বিলিয়ন ট্রানজিস্টর সহজেই এঁটে যায়। ভাবুন তাহলে আমরা কত দ্রুত আগাচ্ছি।


চলুন দেখি ন্যানোটেকনোলজির সুবিধাগুলো কি কিঃ


১. দূষিত বা লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণে ন্যানোম্যাটেরিয়ালসমুহ ব্যবহার করা যায়।


২. মেটাল অক্সাইড ন্যানো ওয়ারসমূহকে ক্যামিকাল সেন্সর হিসেবে ব্যবহার করা যায়।


৩. সেলফ অ্যাসেম্বম্লিং ক্ষমতা সম্পন্ন। 


৪. ইলেকট্রনিক বায়োসেন্সরসমূহের ফেব্রিকেশন করা যায়।


৫. পণ্যের ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ স্থায়িত্ব প্রদান করে।


ন্যানোপ্রযুক্তির অনেক ক্ষতিকর দিকও রেয়েছে।


১। ন্যানোটেকনোলজি হচ্ছে নতুন। তাই এর বর্তমানে গবেষণা ও প্রয়োগ অনেক ব্যয় সাপেক্ষ।

 

২।  এ প্রযুক্তির বহুল ব্যবহারের ফলে অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়বে।


৩। অনেক ন্যানোপ্রোডাক্ট মানুষের মস্তিষ্ক ও ফুসফুসের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। 


৪। ন্যানেপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মারাত্মক যুদ্ধাস্ত্র তৈরী করা সম্ভব বিধায় যুদ্ধক্ষেত্রে আরো ভয়াবহার আশঙ্কা করা হচ্ছে।


৫। ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যবহার অন্যান্য প্রাণীর জন্য মারাত্মক হতে পারে।


৬। এখানে কোন ভুল হলে তা মারাত্মক ক্ষতি করে ফেলতে পারে।



সুতরাং বলাই যায়, ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে রাজত্ব করবে ন্যানোটেকনোলজি।


Monday, September 14, 2020

ওয়াইম্যাক্স সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন

ওয়াইম্যাক্স সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন

S.I Topic Name Details Date
1 প্রযুক্তি Wimax সম্পর্কে আলোচনা 14 September 2020


Wimax সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট কোনটি?


তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির সাথে আমাদের ইন্টারনেটের গতি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ১-১০০ এমবিবিএস পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি পাওয়া যায়। 

বর্তমান সময়েরর সর্বাধুনিক উচ্চগতির ইন্টারনেট সার্ভিস হলো ওয়াইম্যাক্স(WiMAX)। এটি ১০-৬০ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে থাকে। 

ওয়াইম্যক্স এর পূর্ণ রুপ হলোঃ Worldwide Interoperability for Microwave access। এটি প্রচলিত তারযুক্ত প্রযুক্তির চেয়ে আলাদা,কারণ এর ইন্টারনেট সুবিধা পেতে কেন তারের প্রয়োজন হয় না। এটি একটি তারবিহীন প্রযুক্তি। 

ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার ডেটা আদান প্রদান ছাড়াও পৃথিবীর যেকোন দেশে কথা কম খরচে কথা বলা যায়। ওয়াইম্যাক্স সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। 

যথাঃ
i. Fixed Wimax
ii. Mobile wimax

ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে অনেকবেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বহুদূর এলাকা পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা পেয়ে থাকে।প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে ব্রডব্যান্ড সেবা কল্পনাও যেত না সেখানে ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়া হচ্ছে।। 

বিশেষ করে উচু নিচু পাহাড়ি এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা সম্ভব না সেখানে ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে খুব সহজে ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। 

Metropoliton Area Network টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহার করা হয়। 

ওয়াইম্যাক্স পদ্ধতিতে মূলত দুটি অংশ রয়েছে।

১. বেজ স্টেশনঃ 

এটি ইনডোর ও আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। বেজ স্টেশনগুলো একটি ওয়াইম্যাক্স হাবের সাথে যুক্ত থেকে নেটওয়ার্ক তৈরী করে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদান করে।

২. ওয়াইম্যাক্স রিসিভারঃ 

এর সঙ্গে একটি এন্টেনা থাকে এবং একে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করে দিতে হয়। এটির ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক কভারেজ এরিয়া ১০-৬০ কি.মি. পর্যন্ত হতে পারে। এর ফলে খুব অল্প সংখ্যক টাওয়ার স্থাপন করে বহুদূর পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

ওয়াইম্যাক্স এর কিছু বৈশিষ্ট্য জেনে নেওয়া যাকঃ

১। ওয়াইম্যাক্স 2-66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।

২। ডেটা স্থানান্তরের গতি ৮০ Mbps পর্যন্ত।

৩।কার্যকর এরিয়া ১০-৬০ কি.মি. পর্যন্ত।

৪। শক্তিশালী এনক্রিপশন থাকায় ডেটা নিরাপত্তা বেশি।

৫। ওয়াইম্যাক্স এর স্ট্যাডার্ড হলো IEEE 802.16। 

ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে কি কি সার্ভিস পাওয়া যায়?

১।ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটেকল(Voip)

২। ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন (Iptv)

৩। ওয়াইফাই এর হটস্পট। 

৪। মোবাইল টেলিফোন সার্ভিস।

৫। মোবাইল ইমার্জেন্সি রেসপন্স সার্ভিস।

৬। ফাইবার অপটিক ক্যাবলের বিকল্প পন্থা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

ওয়াইম্যাক্স এর সুবিধাঃ

১. একক একটি বেজ স্টেশনের মাধ্যমে হাজার হাজার ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেট সেবা দোওয়া যায়।

২. তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করা যায়। 

৩. এই নেটওয়ার্ক বাস্তবায়নে সময় খুব কম লাগে।

৪. প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সেবা দেওয়া যায়।

৫. ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে ওয়াইফাই হটস্পটে ইন্টারনেট সেবা দেওয়া যায়।

৬. নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান।

৭. বহনযোগ্য সংযোগ প্রদান করা যায়। 

৮. অন্যান্য নেটওয়ার্কের তুলনায় খরচ কম।

ওয়াইম্যাক্সের কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে।যা নিম্নরুপঃ

১। একই টাওয়ার অধিনে অনেক ব্যবহারকারী একই সাথে ইন্টারনেট ব্যবহার করায় ট্রাফিক সমস্যা দেখা দেয় এবং ব্যান্ডউইথ কমে যায়।

২। অধিক দূরত্বে সংযোগ প্রদানের জন্য লাইন অফ সাইটের প্রয়োজন হয়।

৩। ডেটা রেট ধীরগতি হয়ে যায়।

৪। খারাপ অাবহাওয়া যেমন ঝড় বৃষ্টির কারণে সিগন্যাল সমস্যা হয়।

৫। অন্যান্য ওয়ারলেস যন্ত্রপাতি বাধার সৃষ্টি করে।

৬। বেশি বিদ্যুৎের প্রয়োজন হয়।
৭। বাস্তবায়ন ও পরিচালনা ব্যয়বহুল।

Sunday, August 23, 2020

পুরাতন ল্যাপটপ কিনার আগে যেসব বিষয়ে নজর দিতে হবে

পুরাতন ল্যাপটপ কিনার আগে যেসব বিষয়ে নজর দিতে হবে

S.I Topic Name Details Date
1 প্রযুক্তি পুরাতন লেপটপ 23 August 2020
পুরাতন ল্যাপটপ কেনার আগে যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়


ল্যাপটপ বর্তমানে আমাদের কাজের সঙ্গী হয়ে যাচ্ছে। কাজের চাহিদা অনুযায়ী এর দামও রয়েছে। ভালো মানের ল্যাপটপ কিনতে হলে ৪০,০০০ হাজারের উপরে খরচ করতে হয়। তবে দেখা যায় অনেকের ইচ্ছা থাকলেও এত খরচে নতুন ল্যাপটপ নিতে পারে না।

এই ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপগুলো। কারণ আপনার পছন্দের ল্যাপটপটি পেতে পারেন আপনার সাধ্যের মধ্যেই।


এখানে উল্লেখ্য আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী ল্যাপটপ নতুন ল্যাপটপ খুজুন, কমের মধ্যেই এখন নতুন ল্যাপটপ পাওয়া যায়।


আরো পড়ুনঃ

পুরাতন ল্যাপটপ কিনার যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হয়।

কমলো করোনা টেস্টর ফী।

ডাইনোসরের একটি ক্ষুদ্র আত্মীয়কে আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা।

আমাদের গ্যালক্সিতে রয়েছে ৩০ টিরও বেশি এলিয়েন সভ্যতা।

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে ক্যালিফোর্নিয়া।

A different kinds of protest

50 most beautiful places in Bangladesh


পুরাতন ল্যাপটপ কিনার আগের যেসব বিষয়ে খেয়াল করবেনঃ

১.  কনফিগারেশন 

আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করতে চান তাহলে আপনার জন্য একরকম ল্যাপটপ লাগবে আবার আপনি গ্যামার হলে আরেক ল্যাপটপ অথবা আপনি স্টুডেন্ট হলে সেটা হবে আরেকরকম।

প্রথমে নিজের চাহিদা নির্ধারণ করুন।

তারপর ল্যাপটপটির র্যাম,প্রসেসর,জেনারেশন, প্রসেসরের জেনারেশন, গ্রাফিক্স কার্ড দেখে নিনি।

ওই ল্যাপটপটি গুগলে সার্চ করে তারসাথে মিলিয়ে দেখুন সব ঠিক আছে কিনা।

২. ডিসপ্লে 

ল্যাপটপের ডিসপ্লে ভালো করে দেখে নিন কোথাও ভাঙা আছে কিনা, ভালো হয় একটি ভিডিও প্লে করে দেখলে।

৩. ব্যাটারী ব্যাকাপ

পুরাতন ল্যাপটপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ব্যাটারী ব্যাকাপ থাকে না। তাই ল্যাপটপ কিনার আগে ব্যাটারী ব্যাকাপ পরীক্ষা করে নিন।

. ল্যাপটপের বাহ্যিক অবস্থা 

ল্যাপটপের কোথাও ভাঙা আছে কিনা দেখে নিন।

৫. পোর্টসকল

ল্যাপটপের সকল পোর্ট ভালো করে চ্যাক করে দেখে নিন সবগুলো ঠিক আছে কিনা।

৬. কিবোর্ড ও মাউস প্যাড

ল্যাপটপের কিবোর্ডের প্রতিটা বাটন করে দেখুন,ভালো হয় কতক্ষণ টাইপ করে দেখলে।

দেখেন মাউস প্যাড ভালো মতন কাজ করে কিনা।

৭. ল্যাপটপটি আগে কে ব্যবহার করেছে এবং সে কিধরনের কাজ করেছে তা যাচাই করে দেখুন।

৮. সবসময় চেষ্টা করবেন নিজেদের পরিচিত কারো কাছ থেকে ল্যাপটপ নেওয়ার জন্য।

৯. ল্যাপটপ কিনার আগে অবশ্যই সময় নিয়ে চালিয়ে দেখবেন, সাউন্ড কোয়ালিটি কেমন দেখতে পারেন, ব্রাইটনেস সম্পূর্ণ দিলে কেমন দেখায় সেটা দেখে নিবেন

১০। ল্যাপটপের পিছনের কভার খুলুন আর ভিতরে সব যন্ত্রপাতি দেখুন।

কোন ত্রুটিপূর্ণ কিছু চোখে পড়ে কিনা।

দেখুন পাখা ঠিকমত চলছে কিনা।

১১। ল্যাপটির র্যাম আপগ্রেড করা যাবে কিনা দেখুন।

১২। ssd লাগানো যাবে কিনা দেখুন।

১৩। ল্যাপটপের রিয়েল ডকুমেন্টস চান।   

সর্বপরি সম্ভব হলে পুরাতন ল্যাপটপ কিনা থেকে বিরত থাকুন।

কারণ কেউ সমস্যা ছাড়া কিছু বিক্রি করে না।

Sunday, July 5, 2020

ফাইভ ডাইমেনশন পর্যবেক্ষন করলো বিজ্ঞানীরা!

ফাইভ ডাইমেনশন পর্যবেক্ষন করলো বিজ্ঞানীরা!

S.I Topic Name Details Date
1 বিজ্ঞান মহাকাশ 5 July 2020

কোয়ান্টাম 'ম্যাটারের পঞ্চম রাজ্য বা ফাইভ ডাইমেনশন ' প্রথমবারের জন্য স্পেসে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

বিইসি-র অস্তিত্বের পূর্বাভাস প্রায় এক শতাব্দী আগে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন এবং ভারতীয় গণিতবিদ সত্যেন্দ্র নাথ বোস দিয়েছিলেন।

Highlight 
টেরিস্ট্রিয়াল ল্যাবগুলিতে বিইসিগুলি সাধারণত কয়েক মুঠো মিলিসেকেন্ডে স্থায়ী হয়।
★সমীক্ষাটি পৃথিবীতে এবং আইএসএস-তে তৈরি বিইসি-র মধ্যে পার্থক্যও প্রকাশ করেছে
★বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে বিইসিগুলিতে রহস্যজনক ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র রয়েছে।

বৃহস্পতিবার গবেষণায় দেখা গেছে, বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো মহাকাশে পঞ্চম পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং অভূতপূর্ব অন্তর্দৃষ্টি দিয়েছিলেন যা কোয়ান্টাম মহাবিশ্বের সবচেয়ে জটিল বিষয়গুলির সমাধান করতে সহায়তা করতে পারে, বৃহস্পতিবার গবেষণায় দেখা গেছে।



বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেটস (বিইসি) - অস্তিত্বের পূর্বাভাসটি প্রায় এক শতাব্দী আগে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন এবং ভারতীয় গণিতবিদ সত্যেন্দ্র নাথ বোস দ্বারা তৈরি হয়েছিল - যখন নির্দিষ্ট উপাদানগুলির পরমাণুগুলি পরম শূন্যের নিকটে শীতল হয়ে যায় (0 কেলভিন, মাইনাস 273.15 সেলসিয়াস) )।

এই সময়ে, পরমাণুগুলি কোয়ান্টাম বৈশিষ্ট্যযুক্ত একটি একক সত্তায় পরিণত হয়, যেখানে প্রতিটি কণা পদার্থের তরঙ্গ হিসাবেও কাজ করে।
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট 

Friday, July 3, 2020

আমাদের গ্যালক্সিতে রয়েছে ৩০ টিরও বেশি এলিয়েন সভ্যতা!

আমাদের গ্যালক্সিতে রয়েছে ৩০ টিরও বেশি এলিয়েন সভ্যতা!

S.I Topic Name Details Date
1 বিজ্ঞান এলিয়েন 3 July 2020


এলিয়েন সভ্যতা


গবেষণা থেকে জানা গেছে আমাদের গ্যালাক্সিতে ৩০ টির ও বেশি  এলিয়েন সভ্যতা থাকতে পারে।

নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এক নতুন সমীক্ষা অনুসারে, পৃথিবীর বাইরের বুদ্ধিমান জীবনের সংখ্যা আমাদের প্রাথমিক অনুমানের চেয়েও আরও প্রচুর হতে পারে। সমীক্ষাটি অনুসারে আমাদের গ্যালাক্সিতে ৩০ টিরও বেশি এলিয়েন সভ্যতা থাকতে পারে।
Space image (Free image from Pixels)



গবেষক দলটি সন্দেহ করে যে, আমাদের গ্যালাক্সিতে "কমপক্ষে কয়েক ডজন" সক্রিয় সভ্যতা থাকতে পারে, এই ধারণার উপর ভিত্তি করে যে অন্যান্য গ্রহে বুদ্ধিমান জীবন গঠনে ৫ বিলিয়ন বছর সময় লাগে। এই সংখ্যাটি এলোমেলোভাবে বাছাই করা হয়নি, এটি প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছিলেন যে এইসময়ে পৃথিবীতে মানব সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল।
অধ্যয়নের শীর্ষস্থানীয় লেখক টম ওয়েস্টবি তাঁর গবেষণায় তৈরি অনুমানের প্রতি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী বলে মনে হয়।

“বুদ্ধিমান সভ্যতার সংখ্যা নির্ধারণের সর্বোত্তম পদ্ধতিটি জীবন সম্পর্কিত মূল্যবোধের অনুমানের উপর নির্ভর করে, যার দ্বারা এই জাতীয় বিষয়ে মতামতগুলি যথেষ্ট পরিমাণে পৃথক হয়। ওয়েস্টবি বলেছিলেন, আমাদের নতুন গবেষণা নতুন তথ্য ব্যবহার করে এই অনুমানগুলি সহজতর করে, আমাদের গ্যালাক্সিতে সভ্যতার সংখ্যার একটি অনুমান দেয়।


বিজ্ঞাপন 
www.mlrbd.com  
Real website for entertainment. 
Visit to get entertained.   


যাইহোক, দল স্বীকার করে যে কোনও গ্রহ বা সভ্যতার সাথে অনেকগুলি অজানা পরিবর্তনগুলি জড়িত রয়েছে যা এই সংখ্যাগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে যেমন গ্রহের বয়স এবং হোস্ট শুরুটি কীভাবে গঠিত হয়, পাশাপাশি একটি প্রজাতির গড় আয়ুও রয়েছে, যা ধ্রুবক না।
Space image (Free images from Pixels)

গবেষকরা লক্ষ করেছেন যে "এই জীবনের জন্য হোস্ট তারকারা সৌর ধরণের নক্ষত্র হওয়ার সম্ভাবনা খুব ছোট এবং বেশিরভাগই এম বামন হতে হবে, যা দীর্ঘ সময়ের জন্য জীবনকে হোস্ট করার পক্ষে যথেষ্ট স্থিতিশীল নাও হতে পারে । "
গবেষকরা বিশ্বাস করেন যে নিকটতম সম্ভাব্য এলিয়েন সভ্যতা প্রায় ১৭,০০০ আলোক-বছর দূরে থাকবে এবং আমাদের বর্তমান প্রযুক্তির সাথে তাদের যোগাযোগ করা অসম্ভব হবে। একটি আলোকবর্ষটি প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন মাইল সমতুল্য।

এই বছরের শুরুর দিকে প্রকাশিত অনুরূপ সমীক্ষায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল যে "মহাবিশ্ব জীবনের সাথে মিলিত হচ্ছে।"

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট। 

Wednesday, July 1, 2020

ম্যাজিক মাশরুম কিভাবে আপনার মস্তিষ্কের অহংকারকে প্রশমিত করে?

ম্যাজিক মাশরুম কিভাবে আপনার মস্তিষ্কের অহংকারকে প্রশমিত করে?

S.I Topic Name Details Date
1 বিজ্ঞান ম্যাজিক মাশরুম 1 Jun 020


ম্যাজিক মাশরুম


নতুন গবেষণায় ম্যাজিক মাশরুমের অসাধারণ একটি দিক উঠে এসেছে। 

নিউরোপসাইকফর্মাকোলজি জার্নালে গত মাসে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে সাইক্যাডেলিক অভিজ্ঞতাগুলি অহংকারকে দ্রবীভূত করতে পারে, যা সাইকেডেলিক অ্যাডভোকেটরা নামে কয়েক দশক ধরে বলে আসছেন। গবেষণায় গবেষকরা দেখেছিলেন যে কীভাবে সিলোসাইবিন মস্তিষ্কের গ্লুটামেট ক্রিয়াকলাপকে প্রভাবিত করে। 



 গ্রুটামেট কী?

গ্লুটামেট হ'ল মস্তিষ্কের সর্বাধিক সাধারণ নিউরোট্রান্সমিটার যা আত্ম-সম্মান এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যে ভূমিকা পালন করে বলে মনে করা হয়। 

গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যে সাইক্যাডেলিক অভিজ্ঞতার সময় গ্লুটামেটের স্তরগুলি ওঠানামা করে বলে মনে হয়েছিল। গবেষকরা স্বাস্থ্যবান সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীর মস্তিষ্ক নিরীক্ষণের জন্য চৌম্বকীয় অনুরণন ইমেজিং (এমআরআই) ব্যবহার করেছিলেন। অন্যান্য অনেক উল্লেখযোগ্য অনুসন্ধানের মধ্যে গবেষকরা পর্যবেক্ষণ করেছেন যে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন স্তরের গ্লুটামেটের সাথে সম্পর্কিত বলে মনে হয়। স

সমীক্ষায় লেখকরা লিখেছেন: “বিশ্লেষণগুলি ইঙ্গিত দেয় যে গ্লুটামেটে অঞ্চল নির্ভর পরিবর্তনগুলিও অহংকার বিলোপের বিভিন্ন মাত্রার সাথে সম্পর্কযুক্ত। [কর্টিকাল] গ্লুটামেটে পরিবর্তনগুলি যেখানে নেতিবাচকভাবে অভিজ্ঞ অহংকার বিলোপের শক্তিশালী ভবিষ্যদ্বাণী হিসাবে দেখা গেছে, হিপ্পোক্যাম্পাল গ্লুটামেটে পরিবর্তনগুলি ইতিবাচক অভিজ্ঞতা অহংকার বিলোপের ক্ষেত্রে অন্যতম ভবিষ্যদ্বাণী হিসাবে দেখা গেছে। " 

স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তারা অহংকারের একটি দ্রবীভূতকরণ লক্ষ্য করেছেন, তবে কীভাবে এটি গ্লুটামেট স্তরের সাথে যুক্ত রয়েছে তা এখনও তারা নিশ্চিত নয়। 

গবেষকরা পরামর্শ দিয়েছেন, "আমাদের উপাত্তগুলি এই হাইপোথিসিসে যুক্ত করে, যা পরামর্শ দেয় যে বিশেষত হিপোক্যাম্পাল গ্লুটামেটের পরিবর্তনগুলি (ধনাত্মক) অহংকার সংশ্লেষের অনুভূতিগুলির অন্তর্নিহিত অনুভূতির মূল মধ্যস্থতা হতে পারে।" 

সাইকোফার্মাকোলজি জার্নালে প্রকাশিত 2018 এর আগের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, সাইকোডেলিক্স মানুষকে কর্তৃত্বের প্রতি আরও প্রতিরোধী করে তুলেছে। তারা এই মাশরুম দ্বারা উৎসাহিত মনোরোগ অভিজ্ঞতাও মানুষ প্রকৃতির সাথে আরও সংযুক্ত হওয়ার কারণ ঘটেছে। এই উপসংহারগুলি সাইকেডেলিক ড্রাগ ব্যবহারকারীরা বহু বছরের ধরে ধরে থাকা তত্ত্বগুলির সাথে মেলে এবং সত্য যদি সত্য হয় তবে এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে সরকারী সত্তাগুলি কেন সাইকেলেডিক ড্রাগগুলি সম্পর্কে এত ভয় পান। আধুনিক সাইকিডেলিক যুগের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় টেরেন্স ম্যাককেনা এই পরিস্থিতির প্রকৃতিটি খুব ভালভাবেই বুঝতে পেরেছিলেন এবং সাইক্যাডেলিক শামানিজমের বিস্ময়কর বিষয়ে শ্রোতাদের সাথে কথা বলতে বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ করেছিলেন। 


তার এক বক্তৃতায় টেরেন্স এই মনস্তত্ত্বে তদন্তকে বেশ ভাল করে বলেছেন: “সমস্ত সংস্কৃতি সংস্কৃতি গেমের সাথে জড়িত এবং মনস্তাত্ত্বিকরা সংস্কৃতি গেমকে ছাড়িয়ে যায়, এবং আপনি জেরুজালেমের নাগরিক, টোকিও স্টকব্রোকার বা উপজাতি দ্বীপপুঞ্জী যখন আপনি সাইক্যাডেলিক পদার্থ গ্রহণ করেন তখন আপনার সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ হঠাৎ করে আপনার কাছে অনেক বেশি আপেক্ষিকভাবে প্রকাশিত হবে । এবং এটি রাজনৈতিক ডায়নামাইট। সাইকেল্ডিকরা কোনও সংস্কৃতি বা রাজনৈতিক ব্যবস্থার অনুমানকে চ্যালেঞ্জ করে এবং এটি তাদের প্রতিটি সংস্কৃতি বা রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য বিপজ্জনক করে তোলে। আপনারা জানেন যে, ফেসবুক, টুইটার এবং গুগলের মতো প্রযুক্তিগত জায়ান্ট (এছাড়াও ইউটিউব), ক্রমবর্ধমান সেন্সর তথ্য যা মূলধারার বর্ণনার সাথে খাপ খায় না। বাকস্বাধীনতা হ'ল মৌলিক মানবাধিকার হওয়া উচিত, তবে বর্তমান যুগে আপনাকে আর আপনার মতামত ভাগ করার অনুমতি নেই। ভাগ্যক্রমে, বিকল্প প্ল্যাটফর্মগুলি প্রদর্শিত হয় যা সেন্সর-মুক্ত। মাইন্ডস ডট কম এই প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে একটি। "

চিত্র ক্রেডিট: কিরিলভাসিলেভকম এবং সাববোটিনা