Showing posts with label বিজ্ঞান. Show all posts
Showing posts with label বিজ্ঞান. Show all posts

Friday, September 18, 2020

ভবিষ্যৎ থাকবে ন্যানোটেকনেজির  হাতে!

ভবিষ্যৎ থাকবে ন্যানোটেকনেজির হাতে!

S.I Topic Name Details Date
1 Technology Nano Technology full details 18 September 2020
ন্যানোটেকনোলজি


ভবিষ্যৎ থাকবে ন্যানোটেকনেজির  হাতে!
আমরা হয়তো ধারণাও করতে পারবো না যে, আমাদের চোখ দেখতে পারে না এমন জিনিস পুরো পৃথিবী জুড়ে আছে। 
আর এই বিশ্বকে বলা হয় অাণুবীক্ষণিক বিশ্ব। 

এই আণুবীক্ষণিক বিশ্ব খুবই আকর্ষনীয় এবং মজাদার। সম্ভাবনার দুয়ার খুলে রাখা আছে এই আণুবীক্ষণিক বিশ্বে। 


বর্তমান সময় টেকনোলজির সময়। 

প্রতিনিয়তই কোনো না কোনো টেকনোলজি আমাদের হাতে আসছে।


এবার আসল কথায় আসা যাক।


ন্যানোটেকনোলজি আসলে কি?

ন্যানোটেকনোলজির সঙ্গা এভাবে দেওয়া যেতে পারে যে, ন্যানোটেকনোলজি বা ন্যানোপ্রযুক্তি হলো অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরীর জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।  

সংক্ষেপে একে ন্যানোটেক বলা হয় ।


আমেরিকার পদার্থ বিজ্ঞানী রিচার্ড ফেম্যান ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর "There’s plenty of room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানোটেকনলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।


১০০ ন্যানোমিটার থেকে ছোট পার্টিকেলে এই ন্যানোটেকনোলজি কাজ করে। 

যদিও ন্যানোটেকনোলজি ক্ষুদ্র আকারের পার্টিকেলের উপর কাজ করে কিন্তু ন্যানোটেকনোলজি দ্বারা তৈরিকৃত জিনিসের ক্ষমতা অনেক বেশি। 


ন্যানোটেক দ্বারা তৈরিকৃত জিনিসগুলো আকারে ছোট, ওজনে হালকা, দামে তুলনামূলক সস্তা হয়। 


ন্যানােটেকনলজি খুব ছােট্ট আকারের হয়ে থাকে , অর্থাৎ একটি মাত্রায় ১০০ ন্যানােমিটার থেকেও ছােট । 

আরও সহজ ভাবে বলে গেলে , ন্যানােমিটার থেকেও ছােট টেকনােলজিকে ন্যানােটেকনলজি বলে। 


ন্যানোটেকনলজি পদার্থকে আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করবার বিদ্যা।


আসলে এই ন্যানো কি?

একটি উদাহরণ দিলে ভালো হবে। আমরা যে কলম দিয়ে লিখি বা দাগ দেই।

আপনি কি জানেন আমরা কলম দিয়ে যে দাগ দেই তার প্রস্হ প্রায় মিলিয়ন ন্যানোমিটার?

তাহলে চিন্তা করুন ন্যানোটেকনোলজি কত ক্ষুদ্র পরিসরে কাজ করে। 

ন্যানো হলো পরিমাপের একক। 

এক মিটারের এক কোটি ভাগের এক ভাগকে বলা হয় এক ন্যানোমিটার। 

আর ন্যানোটেকনোলজি হলো বিজ্ঞানের অতি ক্ষুদ্র স্তরে একটা কিছু তৈরি করা। 

ভবিষ্যতে আমাদের এই পৃথিবী হতে যাচ্ছে ন্যানোটেকনোলজির রাজত্ব।

ন্যানোটেক কেন গুরুত্বপূর্ণ?


আমরা সকলেই জানি পৃথিবীর সব কিছু, মানুষ, গাছপালা,পরিবেশ,মহাকাশ সবকিছুই পরমাণু দিয়ে তৈরী। 

এই যে আমরা সুস্বাদু খাবার খাচ্ছি, সুন্দর প্রকৃতি দেখছি এগুলো সবই বাস্তবে কণা মাত্র। 

সবকিছুর মূলে রয়েছে কোটি কোটি পরমাণু। 

কিন্তু পরমাণু এত ছোট যা খালি চোখে দেখা যায় না। 


ন্যানো টেকনোলজিকে বাস্তবে রুপায়িত করা সম্ভব হয়েছে আইবিএমের তৈরী করা STM (Scanning Tunneling Microscope) যন্ত্রটির আবিষ্কারের ফলেই। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮০ সালে।


এই যন্ত্রটি এতই শক্তিশালী যে এটি দিয়ে অণুর গঠন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। 


এ যন্ত্রে একটি  ছোটখাটো পিঁপড়া দেখতে মনে হবে একটি বিশাল আকারের ডাইনোসরের মত।

বড় কথা হলো এই ন্যানোটেকনোজিতেই পদার্থের সবকিছু  বদলে দেওয়া সম্ভব। 

ভবিষ্যতে বিজ্ঞান আমাদের পৃথিবীকে নতুন আকার দিতে পারে এ ন্যানোটেকনোলজি দিয়েই। 

এটা অসম্ভব কিছু না। 

কারণ আমাদের বিজ্ঞান যেভাবে এগাচ্ছে তাতে এটা আশা করা যেতেই পারে।

ন্যানোটেক এর মাধ্যমে আমাদের জীবন কেমন হবে?

ন্যানোটেকনোজির মূল লক্ষই হচ্ছে মানুষের জীবনকে আরো সহজ করে তোলা।

সত্যি বলতে কি ন্যানোটেকনোলজি ইতিমধ্যেই আমাদের জীবনকে আরও সহজ করে দিয়েছে। 

কিভাবে? 

যেমনঃ 

ক.

মেডিসিন ( সুস্থ কোষগুলোকে কোনোপ্রকার ক্ষতি না করেই ক্যান্সার কোষকে হত্যা করে থাকে), 


খ.

কম্পিউটারিং (সুপার AI ব্যবহার করে কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরী করা হয়েছে)


গ.

যোগাযোগে ও মহাকাশযাত্রার অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে।


ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া লক্ষ করা যায়। 


i. উপর থেকে নিচে বা Top to Bottom

ii. নিচ থেকে উপরে বা Bottom to Top.


Top to Bottom বা উপর থেকে নিচ পদ্ধতিতে যেকোন জিনিসকে আরো ছোট আকার দেওয়া হয়। 

আর Bottom to Top হলো এর সম্পূর্ণ উল্টো অর্থাৎ ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্র আকারের জিনিস দিয়ে আরো বড় আকারের জিনিস তৈরি করা। 

আমরা বর্তমানে Top to Bottom প্রযুক্তিতে আছি।

ন্যানোটেকনোলজি মাধ্যমে অনেক কিছুই বদলে ফেলা সম্ভব। যেমনঃ যেকোন পদার্থের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক, বিদ্যুৎ ও চৌম্বক পরিবাহিকতা, রাসায়নিক বিক্রিয়াসহ অনেক কিছু। 

ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে পানিকে আর্সেনিক মুক্ত করা সম্ভব এবং সমুদ্রের লবণাক্ত পানি যেগুলা পানযোগ্য নয় সেগুলোর লবণাক্ততা দূর করে পানযোগ্য করা সম্ভব। 

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন,ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে সুপেয় পানির খুব অভাব দেখা দিবে। 

মানুষের প্রতিনিয়ত দূষণের  ফলে নদী নালা সব দূষিত হয়ে যাবে,পানির স্তর একেবারেই নিচে নেমে যাবে।

মানুষের মধ্যে দেখা দিবে নানা রোগবালাই।


ধারণা করা হচ্ছে  আমাদের খাদ্যাভাস বদলে দিবে এই ন্যানোটেক। 

খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে আরোও স্বাস্থ্যসম্মত করবে এই ন্যানোটেকনোলজি। 

 

আমি যদি বলি আমরা ন্যানোটেকনোজির ব্যবহার শুরু করেছি  অনেক আগে থেকেই, তাহলে কি আপনি বিশ্বাস করবেন?


একটু ভাবুন ত, আমরা যখন প্রথম কম্পিউটার আবিষ্কার করি তখন এর আকার কত বড় ছিল?

তখন কি কেউ চিন্তা করতে পেরেছিল একদিন এই কম্পিউটার মানুষের পকেটে থাকবে?

আপনি জানলে আরো অবাক হবেন যে, আগে ওই বিশাল কম্পিউটার দিয়ে সামান্য কিছু হিসাব করা যেত।


আমাদের প্রযুক্তিকে আরে শক্তিশালী ও ছোট করেছে এই ন্যানোটেকনোলজি।

আমাদের কম্পিউটারের যে প্রসেসর আছে সেটা হলো ন্যানোটেকনোলজির সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান।


ন্যানোটেকেনোলজির কারনে একটি কম্পিউটারের প্রসেসরে  প্রায় দুই বিলিয়ন ট্রানজিস্টর সহজেই এঁটে যায়। ভাবুন তাহলে আমরা কত দ্রুত আগাচ্ছি।


চলুন দেখি ন্যানোটেকনোলজির সুবিধাগুলো কি কিঃ


১. দূষিত বা লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণে ন্যানোম্যাটেরিয়ালসমুহ ব্যবহার করা যায়।


২. মেটাল অক্সাইড ন্যানো ওয়ারসমূহকে ক্যামিকাল সেন্সর হিসেবে ব্যবহার করা যায়।


৩. সেলফ অ্যাসেম্বম্লিং ক্ষমতা সম্পন্ন। 


৪. ইলেকট্রনিক বায়োসেন্সরসমূহের ফেব্রিকেশন করা যায়।


৫. পণ্যের ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ স্থায়িত্ব প্রদান করে।


ন্যানোপ্রযুক্তির অনেক ক্ষতিকর দিকও রেয়েছে।


১। ন্যানোটেকনোলজি হচ্ছে নতুন। তাই এর বর্তমানে গবেষণা ও প্রয়োগ অনেক ব্যয় সাপেক্ষ।

 

২।  এ প্রযুক্তির বহুল ব্যবহারের ফলে অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়বে।


৩। অনেক ন্যানোপ্রোডাক্ট মানুষের মস্তিষ্ক ও ফুসফুসের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। 


৪। ন্যানেপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মারাত্মক যুদ্ধাস্ত্র তৈরী করা সম্ভব বিধায় যুদ্ধক্ষেত্রে আরো ভয়াবহার আশঙ্কা করা হচ্ছে।


৫। ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যবহার অন্যান্য প্রাণীর জন্য মারাত্মক হতে পারে।


৬। এখানে কোন ভুল হলে তা মারাত্মক ক্ষতি করে ফেলতে পারে।



সুতরাং বলাই যায়, ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে রাজত্ব করবে ন্যানোটেকনোলজি।


Monday, September 14, 2020

ওয়াইম্যাক্স সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন

ওয়াইম্যাক্স সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন

S.I Topic Name Details Date
1 প্রযুক্তি Wimax সম্পর্কে আলোচনা 14 September 2020


Wimax সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট কোনটি?


তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির সাথে আমাদের ইন্টারনেটের গতি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ১-১০০ এমবিবিএস পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি পাওয়া যায়। 

বর্তমান সময়েরর সর্বাধুনিক উচ্চগতির ইন্টারনেট সার্ভিস হলো ওয়াইম্যাক্স(WiMAX)। এটি ১০-৬০ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে থাকে। 

ওয়াইম্যক্স এর পূর্ণ রুপ হলোঃ Worldwide Interoperability for Microwave access। এটি প্রচলিত তারযুক্ত প্রযুক্তির চেয়ে আলাদা,কারণ এর ইন্টারনেট সুবিধা পেতে কেন তারের প্রয়োজন হয় না। এটি একটি তারবিহীন প্রযুক্তি। 

ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার ডেটা আদান প্রদান ছাড়াও পৃথিবীর যেকোন দেশে কথা কম খরচে কথা বলা যায়। ওয়াইম্যাক্স সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। 

যথাঃ
i. Fixed Wimax
ii. Mobile wimax

ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে অনেকবেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বহুদূর এলাকা পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা পেয়ে থাকে।প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে ব্রডব্যান্ড সেবা কল্পনাও যেত না সেখানে ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়া হচ্ছে।। 

বিশেষ করে উচু নিচু পাহাড়ি এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা সম্ভব না সেখানে ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে খুব সহজে ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। 

Metropoliton Area Network টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহার করা হয়। 

ওয়াইম্যাক্স পদ্ধতিতে মূলত দুটি অংশ রয়েছে।

১. বেজ স্টেশনঃ 

এটি ইনডোর ও আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। বেজ স্টেশনগুলো একটি ওয়াইম্যাক্স হাবের সাথে যুক্ত থেকে নেটওয়ার্ক তৈরী করে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদান করে।

২. ওয়াইম্যাক্স রিসিভারঃ 

এর সঙ্গে একটি এন্টেনা থাকে এবং একে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করে দিতে হয়। এটির ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক কভারেজ এরিয়া ১০-৬০ কি.মি. পর্যন্ত হতে পারে। এর ফলে খুব অল্প সংখ্যক টাওয়ার স্থাপন করে বহুদূর পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

ওয়াইম্যাক্স এর কিছু বৈশিষ্ট্য জেনে নেওয়া যাকঃ

১। ওয়াইম্যাক্স 2-66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।

২। ডেটা স্থানান্তরের গতি ৮০ Mbps পর্যন্ত।

৩।কার্যকর এরিয়া ১০-৬০ কি.মি. পর্যন্ত।

৪। শক্তিশালী এনক্রিপশন থাকায় ডেটা নিরাপত্তা বেশি।

৫। ওয়াইম্যাক্স এর স্ট্যাডার্ড হলো IEEE 802.16। 

ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে কি কি সার্ভিস পাওয়া যায়?

১।ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটেকল(Voip)

২। ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন (Iptv)

৩। ওয়াইফাই এর হটস্পট। 

৪। মোবাইল টেলিফোন সার্ভিস।

৫। মোবাইল ইমার্জেন্সি রেসপন্স সার্ভিস।

৬। ফাইবার অপটিক ক্যাবলের বিকল্প পন্থা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

ওয়াইম্যাক্স এর সুবিধাঃ

১. একক একটি বেজ স্টেশনের মাধ্যমে হাজার হাজার ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেট সেবা দোওয়া যায়।

২. তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করা যায়। 

৩. এই নেটওয়ার্ক বাস্তবায়নে সময় খুব কম লাগে।

৪. প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সেবা দেওয়া যায়।

৫. ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে ওয়াইফাই হটস্পটে ইন্টারনেট সেবা দেওয়া যায়।

৬. নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান।

৭. বহনযোগ্য সংযোগ প্রদান করা যায়। 

৮. অন্যান্য নেটওয়ার্কের তুলনায় খরচ কম।

ওয়াইম্যাক্সের কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে।যা নিম্নরুপঃ

১। একই টাওয়ার অধিনে অনেক ব্যবহারকারী একই সাথে ইন্টারনেট ব্যবহার করায় ট্রাফিক সমস্যা দেখা দেয় এবং ব্যান্ডউইথ কমে যায়।

২। অধিক দূরত্বে সংযোগ প্রদানের জন্য লাইন অফ সাইটের প্রয়োজন হয়।

৩। ডেটা রেট ধীরগতি হয়ে যায়।

৪। খারাপ অাবহাওয়া যেমন ঝড় বৃষ্টির কারণে সিগন্যাল সমস্যা হয়।

৫। অন্যান্য ওয়ারলেস যন্ত্রপাতি বাধার সৃষ্টি করে।

৬। বেশি বিদ্যুৎের প্রয়োজন হয়।
৭। বাস্তবায়ন ও পরিচালনা ব্যয়বহুল।

Friday, August 28, 2020

ওয়্যারলেস এন্টেনা যেভাবে কাজ করেঃ

ওয়্যারলেস এন্টেনা যেভাবে কাজ করেঃ

S.I Topic Name Details Date
1 বিজ্ঞান এন্টেনা কিভাবে কাজ করে 28 August 2020

আজকে আমরা জানব ওয়্যারলেস এন্টেনা কিভাবে কাজ করে এ সম্পর্কেঃ 

 বেজ স্টেশনে প্রথমে সাউন্ড,পিকচার বা যেকোন ডেটাকে ক্যাপচার করে ইলেক্ট্রিকাল এনার্জিতে পরিণত করা হয়। এবার এই ইলেক্ট্রটিকাল এনার্জিকে বিশাল আকারের এন্টেনায় পাঠানো হয়, এন্টেমাতে এই এনার্জি এসে রেডিও তরঙ্গে একটি অদৃশ্য ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশনের সৃষ্টি করে। এখন এই রেডিও তরঙ্গ আলোর গতিতে ছুটে এসে তোমার ঘরে লাগানো রিসিভার এন্টেনায় এসে পৌছায়, এরপর রিসিভার এন্টেনাটি ঠিক উল্টো কাজ করে তথা এই তরঙ্গ থেকে ইলেকট্রনিক সিগনাল তৈরী করে আর এটি নির্দিষ্ট ডিভইসের(রেডিও,টেলিভিশন) কাছে পাঠিয়ে দেয়। এই সিগনালকে আবার উক্ত ডিভাইস প্রয়োজনীয় ডেটা, শব্দ বা ছবিতে পরিণত করে। 

ট্রান্সমিটার এবং রিসিভার এন্টেনা ডিজাইনের দিল থেকে অনেকটা একই রকমের হয়। কিন্তু দুটি দেখতে আলাদা হয়। যেমন যেটি বাড়িতে লাগানো সেটি দেখতে থালালর মতো আকৃতির হয়ে থাকে,যেটাকে ডিশ এন্টেনাও বলা হয়। আর ট্রান্সমিটার রেডিও, টিভি সেন্টারে থাকা একটি বিশাল আকারের ধাতব এন্টেনা হয়, যেটা প্রচন্ড শক্তিশালী সিগনাল তৈরী করে পৃথিবীর একপ্রান্ত আরেক প্রান্তে পাঠিয়ে দেয়। অনেকসময় ট্রান্সমিটার সিগনাল তৈরী করে স্যাটেলাইটে পাঠিয়ে দেয়, স্যাটেলাইট সেই সিগনালকে বুষ্ট করে আবার পৃথিবীতে থাকা এন্টেনার কাছে পাঠিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে স্যাটেলাইটি সিগনাল প্রতিফলক হিসেবে কাজ করে। 

Wednesday, August 26, 2020

মানুষের লালাগ্রন্থি এবং লালাগ্রন্থির কাজ।

মানুষের লালাগ্রন্থি এবং লালাগ্রন্থির কাজ।

Savilary gland


মানুষের মুখের অন্যতম দরকারি একটি উপাদান হলো লালা। তবে বেশিরভাগ মানুষই লালা সম্পর্কে   তেমন কিছুই জানে না।লালার সঙ্গ এভাবে বলা যেতে পারে যে, মানুষের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসকে লালা বা লালারস বলে। আপনি জানলে অবাক হবেন যে একজন সুস্থ মানুষ দৈনিক ১২০০-১৫০০ মিলি লালা নিঃসরণ করে। লালার কারণে মুখগহ্বরে সবসময় আম্লিক অবস্থা বিরাজ করে। এর pH হলো ৬.২-৭.৪।

আজকে আমরা লালাগ্রন্থি এবং লালার কাজ নিয়ে।মানুষের মুখের দুইপাশে ৩ জোড়া লালাগ্রন্থি আছে। এসব লালাগ্রন্থি থেকে প্রতিনিয়ত লালা উৎপন্ন হচ্ছে এবং নির্গত হচ্ছে। 

এ তিনজোড়া লালাগ্রন্থি হলো যথাক্রমে ১। প্যারোটিড গ্রন্থি ২। সাবম্যান্ডিবুলার গ্রন্থি ৩। সাবলিঙ্গুলয়া গ্রন্থি।


এদের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উল্লেখ করা হলোঃ

i. প্যারোটিড গ্রন্থি(Parotid gland): এটা হচ্ছে তিনটি লালাগ্রন্থির মধ্যে সবচেয়ে বড়টি। এর সংখ্যা দুটি। প্রতি কানের নিচে একটি করে অবস্থান করে। প্রতিটি গ্রন্থি থেকে একটি করে নালি বের হয়ে মুখগহ্বরে উন্মুক্ত হয়।


ii. সাবম্যান্ডিবুলার গ্রন্থি (Submandibular gland): এর সংখ্যা দুটি। নিম্ন চোয়ালের কৌনিক অঞ্চলের নিচে একটি করে সাবম্যান্ডিবুলার গ্রন্থি অবস্থিত। এ গ্রন্থির নালি জিহ্বার পাশে উন্মুক্ত হয়।


iii. সাবলিঙ্গুয়াল গ্রন্থি (Sublingual gland): জিহবার নিচে একজোড়া সাবলিঙ্গুয়াল গ্রন্থি অবস্থান করে। এদের নালি জিহ্বার নিচে ফ্রেনুলাম নামক বিশেষ নালির পাশে উন্মুক্ত হয়। 


 আরো পড়ুনঃ

পুরাতন ল্যাপটপ কিনার যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হয়।

★কমলো করোনা টেস্টর ফী।

ডাইনোসরের একটি ক্ষুদ্র আত্মীয়কে আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা।

আমাদের গ্যালক্সিতে রয়েছে ৩০ টিরও বেশি এলিয়েন সভ্যতা।

★ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে ক্যালিফোর্নিয়া।

A different kinds of protest

★50 most beautiful places in Bangladesh 

যেসব দেশে ফেসবুক নিষিদ্ধ। 

মানুষ কি ডাইনোসরের মত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

★ গেম অফ থ্রোনস নিয়ে বিষ্ময়কর কিছু তথ্য।

ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। 

★ ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ হলে যাবে।

★ ম্যাজিক মাশরুম পর্যবেক্ষণ করলো বিজ্ঞানীরা।


এবার জানা যাক লালায় কি কি উপাদান থাকেঃ

১। পানি

২। স্যালিভারি আ্যামাইলেজ

৩। সেডিয়াম, বাইকার্বোনেট,পটাশিয়াম, ক্লোরাইড, ফসফেট।

এছাড়া লালায় লাইসেজাইম নামক এনজাইম পাওয়া যায়। লালাগ্রন্থির ক্ষরণ শতকরা ৯৯.৫০ ভগ পানি এবং ০.৫০ ভাগ ইলেক্ট্রোলাইট এবং প্রোটিন ধারণ করে। 

এবার দেখে নেওয়া যাক লালার কাজ কীঃ

 লালা আমাদের জন্য অনেক প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। লালা যেসব কাজ করে থাকে।

i. লালার প্রায় ৯৯.৫% হলো পানি। খাদ্যের স্বাদ অনুভব এবং পরিপাকের সময় বিক্রিয়া ঘটানোর জন্য পানি খাদ্যকে নরম ও সিক্ত করে। পানি মুখগহ্বরের অভ্যন্তরকে অার্দ করে। ফলে খাদ্য চর্বন এবং গলাধঃকরণে সহায়ক হয়। জিহবায় অবস্থিত স্বাদকুড়িগুলো খাদ্যের স্বাদ গ্রহণের দায়ী। এসব স্বাদকুড়িগুলো শুকনো অবস্থায় কাজ করে না। লালায় এগুলো ভিজলে খাদ্যের স্বাদ গ্রহণের কাজটি সম্পন্ন করতে পারে।

ii. মুখ, জিহবা, ঠোট লালা দ্বাড়া সিক্ত থাকায় কথা  বলায় সুবিধা হয়।

iii. লালা খাদ্য চর্বন ও গলাধঃকরণে সহয়তা করে।

iv. লালায় অবস্থিত ক্লোরাইড স্যাভিলারি অ্যামাইলেজকে সক্রিয় করে।

v. লালায় অবস্থিত টায়ালিন এনজাইম রান্না করা স্টার্চের পকিস্যাকারাইডকে ভাঙ্গতে সহায়তা করে।

vi. লালা মুখের ভিতরে আম্লিক অবস্থা ৬.২-৭.৪ এর মধ্যে রেখে দাতের ক্ষয় রোধ করে।

vii. লালায় অবস্থিত লাইসেজাইম এনজাইম ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দাঁতকে রক্ষা করে।

viii. লালা সামগ্রিকভাবে মুখ অভ্যন্তর এবং দাত থেকে কোষীয় ও খাদ্যের ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করে এবং মুখের নরম অংশের সংবেদনশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

Wednesday, August 19, 2020

১৫ বছরের মধ্যেই দুইমেরুর সব বরফ গলে যাবে!

১৫ বছরের মধ্যেই দুইমেরুর সব বরফ গলে যাবে!

S.I Topic Name Details Date
1 বিজ্ঞান জলবায়ু 19 August 2020

বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি বিকাশের সাথে সাথে মানুষের কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ করেকগুন বৃদ্ধি পেয়েছে।যার প্রভাব ইতিমধ্যে আমাদের পরিবেশে পড়তে শুরু করেছে।এর প্রভাব কতটুকু ভয়াবহ তা বুঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আমাদের দুইমেরু পর্যবেক্ষণ।গত কয়েক বছরধরে মেরু অঞ্চলের বরফ অাশঙ্কাজনকভাবে গলছে।বৈশ্বিক উষ্ণায়নই এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী।

মেরু বরফ গলে যাওয়া


উন্নত জলবায়ু মডেলিং প্রযুক্তির  সাথে গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা কিছু দূঃখজনক বিষয় খুজে বের করেছে,আগামী ১৫ বছরের মধ্যেই আর্কটিকের সব বরফ গলে যাবে বলে তারা ধারণা করেছেন।

গবেষকদের একটি আন্তর্জাতিক দল এই অনুসন্ধানগুলি করেছে এবং যুক্তরাজ্য মেট অফিসের হ্যাডলি সেন্টারের জলবায়ু মডেলটির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, যা পৃথিবীর জলবায়ুর সঠিক প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম। 

তাদের উপসংহার ছিল যে তীব্র বসন্তের রৌদ্রের ফলে বরফ গলে  পুকুরগুলি তৈরি হয়েছিল এবং ভবিষ্যতের পরিস্থিতি অনুকরণে অতীত ফলাফলগুলি ব্যবহার করে সহজেই বুঝতে পারে ফলাফলগুলি ভীতিজনক ছিল - তারা বিশ্বাস করেন যে ২০৩৫ সালের মধ্যে আর্কটিকের সব বরফ  গলে যাবে।


"২০৩৫ সালের মধ্যে আর্কটিকের সব বরফ গলা আটকাতে আমাদের সকলকে কম কার্বন নিঃসরণের জন্য মনকে কেন্দ্রীভূত করতে হবে"

ডাঃ মারিয়া ভিট।


মেরু অঞ্চলের বরফগলা আটকানো এখন প্রায় অসম্ভব। তবে বরফ গলার গতিকে হ্রাশ করা যেতে পারে।এরজন্য আমাদের কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ কমাতে হবে।আমরা যত কম কার্বন নিঃসরণ করব আমাদের বৈশ্বিক উষ্ণায়ন তত আস্তে হবে,এরফলে মেরু অঞ্চলের বরফগলার হারও আস্তে আস্তে কমে যাবে।

Saturday, August 8, 2020

মানুষ কি ডাইনোসের মত বিলুপ্তির দিকে যাচ্ছে!

মানুষ কি ডাইনোসের মত বিলুপ্তির দিকে যাচ্ছে!

S.I Topic Name Details Date
1 বিজ্ঞান ডাইনোসর 6 July 2020
ডাইনোসরদের মত কি মানুষও বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে?


মানুষ কি ডাইনোসের মত বিলুপ্তির দিকে যাচ্ছে!

অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণের পরিমান বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান দ্রুত গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের ফলে মানুষ বিলুপ্তির পথে ডুবে যেতে পারে।

বর্তমানে আমরা, কোভিড -১৯ মোকাবেলার জন্য বিশ্বব্যাপী লড়াই করছি।
অ্যান্ড্রু গ্লিকসনের মতে, আমাদের ফোকাসটি ভুল জায়গায়।

গ্লিকসন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একজন আর্থ এবং প্যালিয়ো-জলবায়ু বিজ্ঞানী।

তাঁর গবেষণার উপর ভিত্তি করে বলেন," লক্ষণগুলি অশুভ এবং ডাইনোসর বিলুপ্তির মত আমাদের জন্যও একটি বড় বিপর্যয় আসন্ন হয়ে উঠছে"।

গ্লিকসন ইতিহাসের অন্যান্য বিষয়গুলি নিয়ে তাঁর গবেষণার উপর ভিত্তি করে বলেন যখন জনবসতি ঘটেছিল
এর মধ্যে রয়েছে ডায়নোসর যুগের সমাপ্তি -৬৬ মিলিয়ন বছর আগে, পাশাপাশি ৫৫ মিলিয়ন বছর পূর্বে আরও একটি বৃহত্তর বিলুপ্তির ঘটনা ঘটেছিল।

উভয় উদাহরণেই, গ্লিকসন বলেন সেখানে বিপর্যয়ের সময় কার্বন নিঃসরণ খুবই দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছিল।




গ্লিকসন বলেন,"আমার গবেষণাটি প্রমাণ করে যে কার্বন ডাই অক্সাইডের নির্গমনের বর্তমান বৃদ্ধির হার যেগুলি ডায়নোসরগুলিকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার ঘটনা সহ পূর্ববর্তী দুটি বৃহত্তর বিলুপ্তি ঘটানোর চেয়ে দ্রুততর হচ্ছে"।

ডাইনোসর বিলুপ্তির সময় ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে কি ঘটেছিল?

একটি গ্রহাণুর পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষ হয়, ফলস্বরূপ পাথুরে এবং আগুনে ১০,০০০ বছর সময়কালে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হয়। তখনও আজকের মতো, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বেড়েছিল এবং সমুদ্রের স্তর বেড়েছিল।

এরফলে মহাসাগরগুলিও অম্লীয় হয়ে পড়ে এবং প্রায় ৮০% প্রজাতি, ডাইনোসরগুলি সহ বিলুপ্ত হয়ে যায়।

দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটেছে ৫৫ মিলিয়ন বছর আগে। ১০০,০০০ বছরের সময়কালে তাপমাত্রা বেড়ে যায়।এটি কী কারণে ঘটেছে তা পুরোপুরি পরিষ্কার নয়, তবে ‘মিথেন বারপ’ হাইপোথিসিস নামে পরিচিত একটি তত্ত্ব এই ধারণাটি সামনে রেখেছিল যে আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণে সমুদ্রের পলল থেকে হঠাৎ মিথেন নিঃসরণ ঘটে, যা বহু প্রজাতির প্রাণহানি ঘটায়।

আজকের পরিবর্তনগুলো পূর্ববর্তী বিপর্যয়গুলোর সাথে একত্রিত করা।


অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে শিল্পযুগের আগে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা ৩০০ অংশ ছিল প্রতি
মিলিয়নে।

এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে, বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড ছিল মিলিয়ন প্রতি ৪১৪.১ অংশের স্তরে।

কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড অন্তর্ভুক্ত মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের স্তর প্রতি মিলিয়ন কার্বন ডাই অক্সাইডের প্রায় ৫০০ অংশে পৌঁছেছে।

গ্লিকসনের নিবন্ধ অনুসারে, “প্রতি বছর মিলিয়ন থেকে দুই থেকে তিন ভাগ হারে কার্বন ডাই অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করছে"।

তিনি বলেন,“জীবাশ্ম এবং জৈব পদার্থে সঞ্চিত কার্বন রেকর্ড ব্যবহার করে আমি স্থির করেছি যে বর্তমান কার্বন নির্গমন পৃথিবীর রেকর্ড করা ইতিহাসে একটি চরম ঘটনা হিসাবে চিহ্নিত, "।

আমার গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে বার্ষিক কার্বন-ডাই অক্সাইড নির্গমনগুলি ডাইনোসরগুলি (প্রতি বছরে প্রায় মিলিয়ন সিও 2 প্রায় 0.18 অংশ) নির্মূল করে গ্রহাণু প্রভাব পরে আর তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৫৫ মিলিয়ন বছর আগে (প্রতি মিলিয়ন সিও 2 প্রায় 0.11 অংশ) উভয়ের চেয়ে দ্রুততর বছর। "

তিনি প্রচুর বর্তমান ইভেন্টগুলিতেও ইঙ্গিত করেছেন যা তিনি বিশ্বাস করেন যে এটি প্রমাণ করে যে আমরা ভুল পথে চলেছি।

আরও কারণগুলি যা গ্লিকসন মনে করেন যে আমরা বিলুপ্তির দিকে এগিয়ে চলেছি:


- জাতিসংঘের হিসাবে এক মিলিয়ন প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতি বিলুপ্তির মুখে।
- পরবর্তী পূর্বাভাসের বরফ-বয়স ২০,০০০ বছর থেকে ৫০,০০০ বছর পর্যন্ত বেড়েছে।
- আর্কটিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং প্রধান বরফ গলছে।
- দুর্বল আর্টিক জেট স্ট্রিম।
- এক দশকে ৫৬ থেকে ১১১ কিলোমিটার হারে খুঁটির দিকে ক্রান্তীয় অঞ্চলের সম্প্রসারণ।
- ক্রান্তীয় এবং অতিরিক্ত ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় স্থানান্তর।

গ্লিকসন বিশ্বাস করেন যে গণ বিলুপ্তি এড়ানো যাবে। তবে কেবল নাটকীয়ভাবে কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ হ্রাস করার মাধ্যমে। এবং শুধুমাত্র বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণের জন্য প্রযুক্তি বিকাশ করে।

তবে তিনি এও সাবধান করে দিয়েছেন যে ‘বর্তমানের ট্রাজেক্টোরির উপর, মানবিক ক্রিয়াকলাপ পৃথিবীর বিশাল অংশকে জনবসতিহীন করার হুমকি দেয়। আমাদের নিজস্ব তৈরি একটি গ্রহের ট্র্যাজেডি। ’

উপ-মেরু অঞ্চল এবং আশ্রয়প্রাপ্ত পাহাড়ের উপত্যকাগুলি যেখানে শীতল পরিস্থিতি উদ্ভিদ এবং প্রাণীজোককে বাঁচতে দেয় যদি আমাদের গ্রহটি তার বর্তমান গন্তব্যটির দিকে অগ্রসর হয় তবে এটি মানুষের জন্য একমাত্র আবাসস্থল হয়ে উঠতে পারে।

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

Saturday, August 1, 2020

ডাইনোসরের একটি ক্ষুদ্র আত্মীয়কে আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা !

ডাইনোসরের একটি ক্ষুদ্র আত্মীয়কে আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা !

S.I Topic Name Details Date
1 বিজ্ঞান ডাইনোসর 1 August 2020




নতুন ডাইনোসর


বিজ্ঞানীরা ডাইনোসর এবং টেরোসরাসের একটি ক্ষুদ্র আত্মীয়কে আবিষ্কার করেছেন।

মাদাগাস্কারে পাওয়া জীবাশ্মগুলি নির্দেশ করে যে, ডাইনোসরদের পূর্বপুরুষেরা কোনও মানুষের হাতের তালুতে থাকার মত যথেষ্ট ছোট হতে পারে। যখন আমরা বেশিরভাগ ডাইনোসরগুলির কথা চিন্তা করি, তখন আমরা বড় আকারের পশুর কথা ভাবি, সম্ভবত একটি হাতির আকারের কয়েকগুণ বা তিমির থেকে বৃহত্তম থেকে বৃহত আকারের। উদাহরণস্বরূপ, টাইটানসোরদের ওজন ৯০ টন পর্যন্ত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। এবং যদিও আমরা জানি যে ছোট ডাইনোসরগুলির অস্তিত্ব ছিল, তবে কোনও ব্যক্তির হাতে একটি স্বাচ্ছন্দ্যে থাকার কথা চিন্তা করা অনেক লোকের কাছে অকল্পনীয় বলে মনে হতে পারে।
তবে এখন, ১৯৯৯ সালে মাদাগাস্কারে ট্রায়াসিক শিলায় (~ ২৭৭ মিলিয়ন বছর পূর্বে) আবিষ্কৃত কঙ্গোনাফোন জীবাশ্মের উপর অতিরিক্ত বিশ্লেষণের পরে, ডায়নোসরদের পূর্বপুরুষদের একসময় কেবল বড় বা ছোট ছিল বা ১০ সেন্টিমিটার সমান ছিল মনে করা হয়। ডায়নোসর এবং টেরোসরের পূর্বসূরীর নিকটে একটি নতুন বর্ণিত সরীসৃপ কঙ্গোনাফোন কেলির জীবন পুনরুদ্ধার, এর প্রাকৃতিক পরিবেশটি কী হত? 




মিনি ডাইনোসরটির পুরো নাম হ'ল "কঙ্গোনাফোন কেলি", বা 'ক্ষুদ্র বাগ স্লেয়ার' - প্রাচীন গ্রীক এবং মালাগাসি ভাষা উভয় থেকেই প্রাপ্ত।

 "যদিও ডাইনোসর এবং দৈত্যবাদ কার্যত সমার্থক,"এই ট্যাকন এবং সম্পর্কিত ফর্মগুলির প্রসঙ্গে ডাইনোসর এবং অন্যান্য আর্কোসরাসগুলিতে দেহের আকারের বিবর্তনের একটি বিশ্লেষণ প্রমাণ করে যে গোষ্ঠীর আদি-বিভাজনকারী সদস্যরা থাকতে পারে পূর্বে ভাবা চেয়ে ছোট ছিল, এবং এভিয়ান স্টেম বংশের গোড়ায় একটি গভীর মিনিয়েচারাইজেশন ঘটনা ঘটেছে। "

Get all kinds of latest news here.
Visit news2any.xyz   
 
যে জীবাশ্মগুলি পাওয়া গেছে, সেগুলি উভয়ই ডাইনোসর এবং উড়ন্ত টেরোসরাসের সাথে যুক্ত হয়েছে (বিশাল উড়ন্ত সরীসৃপ, যার ওজন ২৫০ কেজি পর্যন্ত ছিল), উভয়ই অর্নিথোডিরা গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত।

অরনিথোডিরাসের উৎস সম্পর্কে খুব কমই জানা যায়। তবে এই নতুন প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে যে উভয় টেরোসরাস এবং ডাইনোসরগুলির ত্বকে "ফাজ" উপস্থিতি তাদের সাথে একটি সাধারণ পূর্বপুরুষ - ‘কঙ্গোনাফোন কেলি’ বা ‘ক্ষুদ্র বাগ স্লেয়ার’ থাকার সাথে যুক্ত হতে পারে।
Written By: Anthony Mclennan

Get all kinds of latest news here.
Visit news2any.xyz   
Get all kinds of latest news here.
Visit news2any.xyz   
Get all kinds of latest news here.
Visit news2any.xyz   

Sunday, July 5, 2020

ফাইভ ডাইমেনশন পর্যবেক্ষন করলো বিজ্ঞানীরা!

ফাইভ ডাইমেনশন পর্যবেক্ষন করলো বিজ্ঞানীরা!

S.I Topic Name Details Date
1 বিজ্ঞান মহাকাশ 5 July 2020

কোয়ান্টাম 'ম্যাটারের পঞ্চম রাজ্য বা ফাইভ ডাইমেনশন ' প্রথমবারের জন্য স্পেসে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

বিইসি-র অস্তিত্বের পূর্বাভাস প্রায় এক শতাব্দী আগে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন এবং ভারতীয় গণিতবিদ সত্যেন্দ্র নাথ বোস দিয়েছিলেন।

Highlight 
টেরিস্ট্রিয়াল ল্যাবগুলিতে বিইসিগুলি সাধারণত কয়েক মুঠো মিলিসেকেন্ডে স্থায়ী হয়।
★সমীক্ষাটি পৃথিবীতে এবং আইএসএস-তে তৈরি বিইসি-র মধ্যে পার্থক্যও প্রকাশ করেছে
★বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে বিইসিগুলিতে রহস্যজনক ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র রয়েছে।

বৃহস্পতিবার গবেষণায় দেখা গেছে, বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো মহাকাশে পঞ্চম পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং অভূতপূর্ব অন্তর্দৃষ্টি দিয়েছিলেন যা কোয়ান্টাম মহাবিশ্বের সবচেয়ে জটিল বিষয়গুলির সমাধান করতে সহায়তা করতে পারে, বৃহস্পতিবার গবেষণায় দেখা গেছে।



বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেটস (বিইসি) - অস্তিত্বের পূর্বাভাসটি প্রায় এক শতাব্দী আগে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন এবং ভারতীয় গণিতবিদ সত্যেন্দ্র নাথ বোস দ্বারা তৈরি হয়েছিল - যখন নির্দিষ্ট উপাদানগুলির পরমাণুগুলি পরম শূন্যের নিকটে শীতল হয়ে যায় (0 কেলভিন, মাইনাস 273.15 সেলসিয়াস) )।

এই সময়ে, পরমাণুগুলি কোয়ান্টাম বৈশিষ্ট্যযুক্ত একটি একক সত্তায় পরিণত হয়, যেখানে প্রতিটি কণা পদার্থের তরঙ্গ হিসাবেও কাজ করে।
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট 

Friday, July 3, 2020

আমাদের গ্যালক্সিতে রয়েছে ৩০ টিরও বেশি এলিয়েন সভ্যতা!

আমাদের গ্যালক্সিতে রয়েছে ৩০ টিরও বেশি এলিয়েন সভ্যতা!

S.I Topic Name Details Date
1 বিজ্ঞান এলিয়েন 3 July 2020


এলিয়েন সভ্যতা


গবেষণা থেকে জানা গেছে আমাদের গ্যালাক্সিতে ৩০ টির ও বেশি  এলিয়েন সভ্যতা থাকতে পারে।

নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এক নতুন সমীক্ষা অনুসারে, পৃথিবীর বাইরের বুদ্ধিমান জীবনের সংখ্যা আমাদের প্রাথমিক অনুমানের চেয়েও আরও প্রচুর হতে পারে। সমীক্ষাটি অনুসারে আমাদের গ্যালাক্সিতে ৩০ টিরও বেশি এলিয়েন সভ্যতা থাকতে পারে।
Space image (Free image from Pixels)



গবেষক দলটি সন্দেহ করে যে, আমাদের গ্যালাক্সিতে "কমপক্ষে কয়েক ডজন" সক্রিয় সভ্যতা থাকতে পারে, এই ধারণার উপর ভিত্তি করে যে অন্যান্য গ্রহে বুদ্ধিমান জীবন গঠনে ৫ বিলিয়ন বছর সময় লাগে। এই সংখ্যাটি এলোমেলোভাবে বাছাই করা হয়নি, এটি প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছিলেন যে এইসময়ে পৃথিবীতে মানব সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল।
অধ্যয়নের শীর্ষস্থানীয় লেখক টম ওয়েস্টবি তাঁর গবেষণায় তৈরি অনুমানের প্রতি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী বলে মনে হয়।

“বুদ্ধিমান সভ্যতার সংখ্যা নির্ধারণের সর্বোত্তম পদ্ধতিটি জীবন সম্পর্কিত মূল্যবোধের অনুমানের উপর নির্ভর করে, যার দ্বারা এই জাতীয় বিষয়ে মতামতগুলি যথেষ্ট পরিমাণে পৃথক হয়। ওয়েস্টবি বলেছিলেন, আমাদের নতুন গবেষণা নতুন তথ্য ব্যবহার করে এই অনুমানগুলি সহজতর করে, আমাদের গ্যালাক্সিতে সভ্যতার সংখ্যার একটি অনুমান দেয়।


বিজ্ঞাপন 
www.mlrbd.com  
Real website for entertainment. 
Visit to get entertained.   


যাইহোক, দল স্বীকার করে যে কোনও গ্রহ বা সভ্যতার সাথে অনেকগুলি অজানা পরিবর্তনগুলি জড়িত রয়েছে যা এই সংখ্যাগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে যেমন গ্রহের বয়স এবং হোস্ট শুরুটি কীভাবে গঠিত হয়, পাশাপাশি একটি প্রজাতির গড় আয়ুও রয়েছে, যা ধ্রুবক না।
Space image (Free images from Pixels)

গবেষকরা লক্ষ করেছেন যে "এই জীবনের জন্য হোস্ট তারকারা সৌর ধরণের নক্ষত্র হওয়ার সম্ভাবনা খুব ছোট এবং বেশিরভাগই এম বামন হতে হবে, যা দীর্ঘ সময়ের জন্য জীবনকে হোস্ট করার পক্ষে যথেষ্ট স্থিতিশীল নাও হতে পারে । "
গবেষকরা বিশ্বাস করেন যে নিকটতম সম্ভাব্য এলিয়েন সভ্যতা প্রায় ১৭,০০০ আলোক-বছর দূরে থাকবে এবং আমাদের বর্তমান প্রযুক্তির সাথে তাদের যোগাযোগ করা অসম্ভব হবে। একটি আলোকবর্ষটি প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন মাইল সমতুল্য।

এই বছরের শুরুর দিকে প্রকাশিত অনুরূপ সমীক্ষায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল যে "মহাবিশ্ব জীবনের সাথে মিলিত হচ্ছে।"

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট। 

Wednesday, July 1, 2020

ম্যাজিক মাশরুম কিভাবে আপনার মস্তিষ্কের অহংকারকে প্রশমিত করে?

ম্যাজিক মাশরুম কিভাবে আপনার মস্তিষ্কের অহংকারকে প্রশমিত করে?

S.I Topic Name Details Date
1 বিজ্ঞান ম্যাজিক মাশরুম 1 Jun 020


ম্যাজিক মাশরুম


নতুন গবেষণায় ম্যাজিক মাশরুমের অসাধারণ একটি দিক উঠে এসেছে। 

নিউরোপসাইকফর্মাকোলজি জার্নালে গত মাসে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে সাইক্যাডেলিক অভিজ্ঞতাগুলি অহংকারকে দ্রবীভূত করতে পারে, যা সাইকেডেলিক অ্যাডভোকেটরা নামে কয়েক দশক ধরে বলে আসছেন। গবেষণায় গবেষকরা দেখেছিলেন যে কীভাবে সিলোসাইবিন মস্তিষ্কের গ্লুটামেট ক্রিয়াকলাপকে প্রভাবিত করে। 



 গ্রুটামেট কী?

গ্লুটামেট হ'ল মস্তিষ্কের সর্বাধিক সাধারণ নিউরোট্রান্সমিটার যা আত্ম-সম্মান এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যে ভূমিকা পালন করে বলে মনে করা হয়। 

গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যে সাইক্যাডেলিক অভিজ্ঞতার সময় গ্লুটামেটের স্তরগুলি ওঠানামা করে বলে মনে হয়েছিল। গবেষকরা স্বাস্থ্যবান সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীর মস্তিষ্ক নিরীক্ষণের জন্য চৌম্বকীয় অনুরণন ইমেজিং (এমআরআই) ব্যবহার করেছিলেন। অন্যান্য অনেক উল্লেখযোগ্য অনুসন্ধানের মধ্যে গবেষকরা পর্যবেক্ষণ করেছেন যে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন স্তরের গ্লুটামেটের সাথে সম্পর্কিত বলে মনে হয়। স

সমীক্ষায় লেখকরা লিখেছেন: “বিশ্লেষণগুলি ইঙ্গিত দেয় যে গ্লুটামেটে অঞ্চল নির্ভর পরিবর্তনগুলিও অহংকার বিলোপের বিভিন্ন মাত্রার সাথে সম্পর্কযুক্ত। [কর্টিকাল] গ্লুটামেটে পরিবর্তনগুলি যেখানে নেতিবাচকভাবে অভিজ্ঞ অহংকার বিলোপের শক্তিশালী ভবিষ্যদ্বাণী হিসাবে দেখা গেছে, হিপ্পোক্যাম্পাল গ্লুটামেটে পরিবর্তনগুলি ইতিবাচক অভিজ্ঞতা অহংকার বিলোপের ক্ষেত্রে অন্যতম ভবিষ্যদ্বাণী হিসাবে দেখা গেছে। " 

স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তারা অহংকারের একটি দ্রবীভূতকরণ লক্ষ্য করেছেন, তবে কীভাবে এটি গ্লুটামেট স্তরের সাথে যুক্ত রয়েছে তা এখনও তারা নিশ্চিত নয়। 

গবেষকরা পরামর্শ দিয়েছেন, "আমাদের উপাত্তগুলি এই হাইপোথিসিসে যুক্ত করে, যা পরামর্শ দেয় যে বিশেষত হিপোক্যাম্পাল গ্লুটামেটের পরিবর্তনগুলি (ধনাত্মক) অহংকার সংশ্লেষের অনুভূতিগুলির অন্তর্নিহিত অনুভূতির মূল মধ্যস্থতা হতে পারে।" 

সাইকোফার্মাকোলজি জার্নালে প্রকাশিত 2018 এর আগের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, সাইকোডেলিক্স মানুষকে কর্তৃত্বের প্রতি আরও প্রতিরোধী করে তুলেছে। তারা এই মাশরুম দ্বারা উৎসাহিত মনোরোগ অভিজ্ঞতাও মানুষ প্রকৃতির সাথে আরও সংযুক্ত হওয়ার কারণ ঘটেছে। এই উপসংহারগুলি সাইকেডেলিক ড্রাগ ব্যবহারকারীরা বহু বছরের ধরে ধরে থাকা তত্ত্বগুলির সাথে মেলে এবং সত্য যদি সত্য হয় তবে এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে সরকারী সত্তাগুলি কেন সাইকেলেডিক ড্রাগগুলি সম্পর্কে এত ভয় পান। আধুনিক সাইকিডেলিক যুগের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় টেরেন্স ম্যাককেনা এই পরিস্থিতির প্রকৃতিটি খুব ভালভাবেই বুঝতে পেরেছিলেন এবং সাইক্যাডেলিক শামানিজমের বিস্ময়কর বিষয়ে শ্রোতাদের সাথে কথা বলতে বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ করেছিলেন। 


তার এক বক্তৃতায় টেরেন্স এই মনস্তত্ত্বে তদন্তকে বেশ ভাল করে বলেছেন: “সমস্ত সংস্কৃতি সংস্কৃতি গেমের সাথে জড়িত এবং মনস্তাত্ত্বিকরা সংস্কৃতি গেমকে ছাড়িয়ে যায়, এবং আপনি জেরুজালেমের নাগরিক, টোকিও স্টকব্রোকার বা উপজাতি দ্বীপপুঞ্জী যখন আপনি সাইক্যাডেলিক পদার্থ গ্রহণ করেন তখন আপনার সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ হঠাৎ করে আপনার কাছে অনেক বেশি আপেক্ষিকভাবে প্রকাশিত হবে । এবং এটি রাজনৈতিক ডায়নামাইট। সাইকেল্ডিকরা কোনও সংস্কৃতি বা রাজনৈতিক ব্যবস্থার অনুমানকে চ্যালেঞ্জ করে এবং এটি তাদের প্রতিটি সংস্কৃতি বা রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য বিপজ্জনক করে তোলে। আপনারা জানেন যে, ফেসবুক, টুইটার এবং গুগলের মতো প্রযুক্তিগত জায়ান্ট (এছাড়াও ইউটিউব), ক্রমবর্ধমান সেন্সর তথ্য যা মূলধারার বর্ণনার সাথে খাপ খায় না। বাকস্বাধীনতা হ'ল মৌলিক মানবাধিকার হওয়া উচিত, তবে বর্তমান যুগে আপনাকে আর আপনার মতামত ভাগ করার অনুমতি নেই। ভাগ্যক্রমে, বিকল্প প্ল্যাটফর্মগুলি প্রদর্শিত হয় যা সেন্সর-মুক্ত। মাইন্ডস ডট কম এই প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে একটি। "

চিত্র ক্রেডিট: কিরিলভাসিলেভকম এবং সাববোটিনা

Tuesday, June 30, 2020

"O" গ্রুপের রক্ত ধারণকারী ব্যক্তিরা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ!

"O" গ্রুপের রক্ত ধারণকারী ব্যক্তিরা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ!

S.I Topic Name Details Date
1 বিজ্ঞান রক্তের গ্রুপ 30 Jun 2020


রক্তের গ্রুপ আলোচনা


আপনি কি জানেন ও গ্রুপের রক্ত ধারণকারী ব্যাক্তিরা সমাজের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ? 




প্রাচীন কাল থেকে আজ অবধি এই গ্রুপের রক্ত ধারণকারী লোকেরা যে কোনও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন এসেছে। রক্তের গ্রুপগুলোর মধ্যে  'ও' হলো আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রাথমিক রক্তের ধরণ, যারা ছিল ধূর্ত, আক্রমণাত্মক শিকারী। এটি প্রায়শই বিশ্বাস করা হয় যে তাদের স্বতন্ত্রতা এই সত্য থেকে আসে যে, আমাদের পূর্বপুরুষরা শিকারি ছিল যারা বেঁচে থাকতে সক্ষম হওয়ার জন্য পরিবেশটি পর্যবেক্ষণ ও নির্ভুলভাবে মূল্যায়ন করতে পেরেছিল।

এ গ্রুপের রক্ত ধারণকারী লোকেরা আশ্চর্যজনক গুণাবলীর অধিকারী, যেমন শক্তি এবং মনোনিবেশ করার ক্ষমতা, শক্তি, নেতৃত্বের জন্য প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য, উৎপাদনশীলতা এবং সক্রিয়তা। তাদের জেনেটিক উত্তরাধিকার তাদেরকে একটি শক্তিশালী, উৎপাদনশীল, দীর্ঘজীবন এবং আশাবাদী হওয়ার সুযোগ দেয়।

জাপানিরা এই রক্তের ধরণটিকে একটি নির্দিষ্ট ধরণের ব্যক্তিত্বের সাথে তুলনা করেন। এ রক্তের ধরণের লোকেরা প্রায়শই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, সংগঠিত, মনোনিবেশিত, দায়বদ্ধ, বিবেকবান এবং ব্যবহারিক হিসাবে বর্ণনা করা হয়। এটি বিশ্বাস করা হয় যে তারা আরও ভাল লজিস্টিয়ান এবং আরও ভাল দিকনির্দেশে সক্ষম হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ

পুরাতন ল্যাপটপ কিনার যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হয়।

কমলো করোনা টেস্টর ফী।

ডাইনোসরের একটি ক্ষুদ্র আত্মীয়কে আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা।

আমাদের গ্যালক্সিতে রয়েছে ৩০ টিরও বেশি এলিয়েন সভ্যতা।

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে ক্যালিফোর্নিয়া।

A different kinds of protest

50 most beautiful places in Bangladesh 



"ও" গ্রুপের রক্তের কিছু প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে। 

অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস বা উন্নত স্ট্রেসের মাত্রা, দুর্বল ডায়েট, ব্যায়ামের অভাব, তাদের ইনসুলিন প্রতিরোধের, থাইরয়েড গ্রন্থির নিম্ন ক্রিয়াকলাপ এবং স্থূলত্ব সহ প্রতিকূল বিপাকীয় প্রভাবগুলির প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তুলছে। যদি চাপের মধ্যে থাকে তবে তারা রাগান্বিত, হাইপারেটিভ এবং প্ররোচিত হতে পারে। অতিরিক্ত রাগ এবং হাইপার্যাকটিভিটির কারণে স্ট্রেস হতে পারে।


এই রক্তের ধরণের লোকেরা আলসার এবং থাইরয়েড কর্মহীনতার মতো নির্দিষ্ট কিছু রোগের শিকার হতে পারে। অন্যান্য রক্তের চেয়ে এদের পাকস্থলীর অ্যাসিড উচ্চ মাত্রায় থাকে, এর ফলে প্রায়শই পেটে জ্বালা ও পেটের আলসার হয়।

এছাড়াও, রক্ত ​​গ্রুপ ও এর সদস্যদের মধ্যে প্রায়শই থাইরয়েড হরমোন এবং অপর্যাপ্ত আয়োডিন থাকে, একটি রাসায়নিক উপাদান যার একমাত্র উদ্দেশ্য থাইরয়েড হরমোনগুলি নিয়ন্ত্রণ করা। এটি স্থূলত্ব, তরল ধরে রাখা এবং ক্লান্তির মতো অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

আপনি যদি এই গ্রুপের রক্তের অধিকারী হন তবে আপনার দৈনন্দিন জীবন ও স্বাস্থ্য বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস সরবরাহ করা হলো:


১। টেবিলে বসে সমস্ত খাবার, এমনকি স্ন্যাকস গ্রহণ করুন। সর্বদা আস্তে আস্তে চিবোন এবং শিথিল হন।

২। ক্যাফিন এবং অ্যালকোহল এড়াতে ভুলবেন না। ক্যাফিন বিশেষত ক্ষতিকারক হতে পারে কারণ অ্যাড্রেনালাইন এবং নোরড্রেনালাইন স্তর বাড়িয়ে তোলে।

৩। আপনার পুরো শরীরকে শিথিল করার জন্য, অনুশীলন করা গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য ও মানসিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ও গ্রুপের রক্তের ধরণী  সদস্যদের অন্য যে কোনও রক্তের চেয়ে শারীরিকভাবে সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন। সপ্তাহে তিন থেকে চার বার নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ প্রয়োজন।

৪। আপনার যদি অতিরিক্ত ওজন হয় তবে আপনার অনুশীলন করা দরকার। সেরা ফলাফলের জন্য, সপ্তাহে কমপক্ষে চারবার ত্রিশ থেকে চল্লিশ মিনিট ধরে এ্যারোবিক অনুশীলন করা উচিত।