Friday, October 9, 2020

Temple Run game story | Real Story updated

Temple Run game story | Real Story updated



Temple Run : একসময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি গেম ছিল এটি। মনে হয় এমন কেন মানুষ নেই যে এগেমটি খেলে নি। 

গেমটি খেলার পর অনেকের মনেই হয়ত প্রশ্ন জেগেছিল এ গেমটির কাহিনি কি সত্যি?

টেম্পল রান গেমের কাহিনি কি আসল?

এর সত্যতা আছে কি?


আজকের এই পোস্টে আমরা এই বিষয়গুলো নিয়েই কথা বলবো।

তো চলুন শুরু করা যাক।


টেম্পল রান গেমের কাহিনি কি আসল? 

উত্তরঃ হ্যা, এ গেমটি একটি আসল কাহিনিকে ভিত্তি করে তৈরী করা হয়েছে।


১৯৯০ সালের ব্রাজিলের আমাজন জঙ্গল থেকে একটি লোক বাইরে বেরিয়ে আসে।

স্থানীয় লোকজন লোকটির অবস্থা খুবই খারাপ দেখে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

কিছুদিন চিকিৎসার পর লোকটির সেন্স ফিরে আসে।

এরপর তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় তার অবস্থা এরকম হলো কিভাবে তখন সে সব ঘটনা খুলে বলে।

সে সবাইকে বলে কিভাবে সে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছে।

লোকটি বলে তার নাম জনাথন গ্রেক। তিনি আমেরিকার নাগরিক এবং তিনি এখানে বেড়াতে এসেছিলেন। 

তিনি পেশায় একজন প্রত্নতাত্ত্বিকবিদ।

তিনি তার কিছু বন্ধুদের সাথে আমাজন জঙ্গলে এসেছিল একটি মন্দির খুজতে।

কিছুদিন অনেক খোজাখুজির পর তারা এ মন্দির খুজে পায়।

বুঝতেই পারছেন তারা অবশ্যই আমাজনের একদম নির্জন কোন অংশে চলে গিয়েছিল। 

তো তারা মন্দির খুজে পাওয়ার পর সেখানে যাওয়ার পর সেখানকার আধিবাসীরা তাদের উপর হামলা করে। তাদের বন্দী বানিয়ে ফেলে।

এরপর তারা পরিবেশটি খুব ভালোভাবে লক্ষ করে দেখে।

তারা দেখতে পায় সেখানকার আধিবাসীরা আসলে আমাদের সাধারণ মানুষদের মত না। তারা দেখতেও একটু অন্যরকম আর মানুষ থেকে বড়।

এর থেকেও আরো একটি ইন্টারেস্টিং বিষয় তারা সেখানে দেখতে পায়।

তারা বানর, গড়িলার মত কিছু প্রাণী সেখানে দেখতে পায়।

তবে তারা বানর, গড়িলার মত দেখতে হলেও তাদের সাইজ ছিল বিশাল।

বিশাল সাইজের জন্য তারা এগুলো দেখে ভয় পেয়ে যায়। 

এরপর তাদের বন্দী বানিয়ে আরে ভিতরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

কিছুদিন যাওয়ার পর তারা আরো জানতে পারে এসব আধিবাসীরা এলডোরাডে নামকর একটি মূর্তিকে পূজো করে।

মূর্তিটি সম্পূর্ণ গোলাকার এবং সোনার তৈরী।
প্রতিদিন এরা পূজে করার জন্য একজনকরে মানুষকল বলি দেয়।

এভাবে প্রতিদিন বন্দীকৃত মানুষদের এক একজন করে শেষ হতে থাকে।
এরকমভাবে তার টিমের সকলে মারা যায়। 

এরপর এক আদিবাসীর জনের উপর মায়া হয়। সে জনকে সাহায্য করতে চায় তবে একটি শর্তে।

আদিবাসীর শর্ত হচ্ছে এখান থেকে পালাবার সময় জনকে এলডোরাডো মূর্তিটি চুরি করে নিয়ে যেতে হবে।
ওই মূর্তিটি না থাকলে আদিবাসীরা আর কোন মানুষ হত্যা করবে না।

কিছুদিন পর ওই আদিবাসীর সহযোগিতায় জন এলডোরাডো মূর্তিটি চুরি করে পালিয়ে যায়।
কিন্তু মূর্তিটি চুরি করার সাথে সাথে বিশাল আকৃতির গড়িলা বা দানব জনকে ধাওয়া করা শুরু করে।

মূলত এরা মূর্তিটি রক্ষা করার জন্যই এখানে ছিল।
জন অনেক কষ্টে পালাতে থাকে।
কিন্তু এই গড়িলা কিছুতেই তার পিছু ছাড়ে না।

এভাবে জন টানা ২১ দিন ধরে পালাতে থাকে।

জন অনেক কষ্টে জঙ্গল পেরিয়ে শহরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই ওই দানব আকৃতির গরিলাগুলো পিছু করা বাদ দেয়। আর জন বেচে যায়।

এসব কথাগুলো জন সবাইকে বলার পর কেউ তার কথা বিশ্বাস করেনি। 
কিন্তু পরে জন যখন তার ব্যাগ থেকে ওই স্বর্ণের মূর্তি সবাইকে দেখায় তখন অনেকেই তাকে বিশ্বাস করে।

মূর্তিটি বর্তমানে ব্রাজিলের একটি জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

এরপর জনের এই কাহিনি সারাবিশ্বে জড়িয়ে পড়ে।
যার ফলে ২০০৬ সালে একটি গেমিং কোম্পানি তার কাহিনির উপর ভিত্তি একটি গেম চালু করে।
তারা দীর্ঘ চার বছর এটি তৈরী করে এবং ২০১১ সালে প্রকাশ করে।

এ গেমে এক ব্যক্তি এই একটি মূর্তি চুরি করে এবং তার পিছনে ধাওয়া করে একটি গরিলা আর এ গরিলার থেকে বাচতে হয় খেলোয়াড়দের। 
গেমটি টেম্পল রান নাম দিয়ে রিলিজ করা হয়।
রিলিজ করার সাথে এটি চরম জনপ্রিয় হয়ে উঠে। 
যদিও এর কোন এন্ডিং নেই।
এমনকি আমি নিজেও এর চরম ভক্ত ছিলাম একসময়।

গেমটির আরো কয়েকটি আপডেট রিলিজ করা হয়। যেমন টেম্পল রান ২,৩,৪,৫। 
এখনও প্রচুর লোক এই গেম খেলে।
আর এটি ভবিষ্যতেও খেলবে।

আশা করি আজকের পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে।
এরকম আরো ইন্টারেস্টিং টপিক সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথেই থাকুন। 

ধন্যবাদ 

Rea es:
শেয়ার করুন

0 coment rios: