সর্বশেষ

Friday, October 30, 2020

Oggy কার্টুনের সত্য ঘটনা। Real Story of Oggy cartoon

Oggy কার্টুনের সত্য ঘটনা। Real Story of Oggy cartoon

Oggy কার্টুনের সত্য ঘটনা। Real Story of Oggy cartoon


হ্যালো বন্ধুরা।

আশা করি সকলে ভালো আছেন।


আজকে আমরা খুবই ইন্টারেস্টিং একটি কার্টুনের সত্য ঘটনা সম্পর্কে জানব।


আমরা সকলেই Oggy and the cockroaches কার্টুনের নাম শুনেছি।

খুবই মজার একটি কার্টুন ছিল এটি।


কিন্তু আমরা অনেকেই হয়ত জানি না এই কার্টুনটি আসলে সত্যি ঘটনার উপর নির্মিত।


হ্যা ঠিকই শুনেছেন। 

ওগি কার্টুনের একটি রিয়েল স্টোরি রয়েছে।


তো চলুন জানি কি সেই ঘটনা।


ঘটনাটি এরকম ১৯০০ সালের দিকে ফ্রান্সের একটি ছেলে নাম রাফেল স্কুল শেষে বাড়ির দিকে ফিরছিল।

রাফেল অনেক ধণী পরিবারের ছেলে ছিল।

হঠাৎ রাফেল রাস্তার পাশে একটি বক্স দেখতে পায়।

সে বক্সটির কাছে গিয়ে দেখে সেটার ভিতর রয়েছে দুটি বিড়াল ছানা।

ছানাদুটি খুবই অদ্ভুত ছিল।

এদের একটি ছিল গাঢ় নীল বর্ণের এবং আরেকটি ছিল গাঢ় সবুজ বর্ণের।

বিড়ালের বাচ্চাদুটি খাবারের জন্য মেও মেও করছিল।

সেখানে অনেক লোক ছিল কিন্তু কেউ এদের সাহায্য করেনি।

রাফেলের খুব মায়া হয় এবং সে বিড়াল ছানাদুটিকে তার বাসায় নিয়ে আসে।

রাফেলের মা বাবা বিড়াল ছানা দুটিকে বাসায় রাখতে দিতে চায় নি।

তবে রাফেলের জোরাজোরিতে তারা রাখতে দেয়।


এরপর রাফেল নীল রংয়ের বিড়ালটির নাম রাখে ওগী এবং সবুজটির নাম রাখে জ্যাক।

বিড়াল ছানা দুটি একে অপরের থেকে অনেক আলাদা ছিল।

যেমম অগি ছিল অলস। শুধু ঘুমাত। 

আরামে থাকত সবসময়।

আর জ্যাক ছিল খুবই উগ্র। 

জ্যাক সারাদিন বাইরে বাইরে ঘুরত আর অন্য বিড়ালদের সাথে মারামারি করত।

রাফেলদের বাসায় পাশের বাসাতেই ছিল আরেকটি কুকুর। যেটির সাথে অগির খুব ঝগড়া লাগত। এবং অগির ক্ষেত্রে সবচেয়ে অদ্ভুত একটি বিষয় ছিল অগী বিড়াল হওয়া সত্ত্বেও ইদুরকে খুবই ভয় পেত।

এবং তেলােপোকাকে খুবই ঘৃনা করত। সে সবসময় এদের পিছু নিত।

এটা দেখে রাফেল খুুশি হয়। সে বাজারে গিয়ে কয়েকটি তেলাপোকা খেলনা কিনে নিয়ে আসে।

রাফেলের সেরকম কোন বন্ধু ছিল না।

সে সবসময় অগির সাথেই থাকত।

আর অগি ওই খেলনা তেলাপোকাগুলোর সাথে মারামারি করত।

এসব দেখে রাফেল খুবই মজা পেত।

এগুলা দেখতে দেখতে রাফেল নিজের মনের মধ্যে কিছু গল্প লিখে ফেলেছিল। অগি কি করত, কিভাবে মজা নিত এসব কাহিনি সে ডায়রিতে লিখে রাখত।

রাফেল তাদের মা বাবাকেও এ গল্পগুলে শোনাত।

তার মা-বাবা ও এ গল্পগুলো শুনত আর হাসত।

কারণ গল্পগুলো খুবই ফানি ছিল।

তো এভাবেই চলছিল রাফেলের সুখের দিনগুলো।


কিন্তু রাফেল জানত তার জীবনে সামনে একটি অন্ধকার রয়েছে।

প্রতিদিনের মত রাফেল ওগির সাথে খেলাধুলা করতেছিল।

খেলতে খেলতে রাফেল ভুল করে তেলাপেকার খেলনাগুলোকে রাস্তার দিকে ছুড়ে মারে।

ওগি তেলাপেকাগুলেকে ধরতে রাস্তায় চলে যায়।

রাস্তা দিয়ে ওইসমসয় আসছিল একটি বড় ট্রাক।

ট্রাইভার অগিকে খেয়াল করেনা। অগির উপর দিয়েই চালিয়ে দেয়।

এরপর ওগি ওইখানেই মারা যায়।

এ ঘটনার পর রাফেল খুবই কষ্ট পায় এবং মর্মাহত হয়ে পড়ে।

এমনকি সে অসুস্থ ও হয়ে যায়।

রাফেলকে অনেক ডাক্তার দেখানো হয়, অনেক খেলনা কিনে দেওয়া হয়। এমনকি নতুন বিড়ালও এনে দেওয়া হয়।

কিন্তু রাফেলের অবস্থার কোন পরিবর্তন হয় না।

কারণ রাফেল কখনো ওগিকে ভুলতে পারে নি।

রাফেল নিজেকে অগির মৃত্যুর জন্য দায়ি মনে করত।

তো বন্ধুরা রাফেল এ মানসিক কষ্ট আর নিতে পারছিল না।

তাই সে একদিন রাস্তার মাঝে চলে গিয়ে ট্রাকের নিচে প্রাণ দিয়ে দেয়।

এবং এ গল্পটি ফ্রান্সে অনেক পরিচিত হয়ে যায়।

অনেক মিডিয়ায় সংবাদটি প্রকাশ করা হয়।

একটি বিড়ালের জন্য একটি ছেলের আত্মহত্যা। 

অনেক নিউজ পেপারের লোকেরা তার মা-বাবার কাছে আসত।

রাফেলের মা-বাবা রাফেলের বলা গল্পগুলো তাদের শোনাত।

এরপর এ গল্পটি ফ্রান্সে আরো বিখ্যাত হতে শুরু করে।

গল্পটি এত বিখ্যাত হওয়ার জন্য জিলাম এবং অনান্য কোম্পানিরা এর উপর কার্টুন তৈরী করে।

এবং তারা সফলও হয়।

কারণ অগি তখন ফ্রান্সের সকল শিশুদের পছন্দের জিনিস ছিল।


এবং আস্তে আস্তে এভাবেই অগি এন্ড দা ককরোসেস এর গল্পটি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে যায়।


এ গল্পটির ১০০% যে সত্য তা কিন্তু না।

এ গল্পটির সত্যতা ৫০/৫০


যাই হোক।

আমার কাছেই এ গল্পটিই সবচেয়ে ভালো মনে হয়েছে।


আশা করি আপনাদের কাছেও ভালো লেগেছে।


এরকম আরো ইন্টারেস্টিং টপিক সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথেই থাকুন। 


ধন্যবাদ।

Monday, October 26, 2020

কম বাজেটের বেস্ট ফোন এখনি দেখে নিন।

কম বাজেটের বেস্ট ফোন এখনি দেখে নিন।

আপনার ফোন কেনার বাজেট যদি ৮০০০ হয় তাহলে আপনার জন্য এই পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

Best phone in 8000 taka



কারণ এ পোস্টে এমন একটি মোবাইল ফেন নিয়ে আজকে কথা বলবো যার ফিচারগুলো দেখলে আপনি চমকে উঠবেন।

তো চলুন শুরু করা যাক।


ইনফিনিক্স মোবাইল ব্র্যান্ডের নাম হয়তো অনেকেই শুনেছেন। কম বাজেটে সর্বাধুনিক ফিচার দেওয়ার জন্য যারা বিখ্যাত।


আমাদের আজকের ফোনটি হলো Infinix Smart 2 pro. যার বর্তমান বাজার মূল্য ৮,০০০ টাকা।


এখন কথা হলো এ মোবাইল ছাড়াও ত আরো অনেক ফোন বাজারে রয়েছে তাহলে ওগুলা নিয়ে কথা বলছি না কেন। 

কারণ আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এ ফোনটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করেছি।



স্বভাবতই একটি ডিভাইস দীর্ঘদিন চালালে এর ভালো, খারাপ দিক সহজেই ধরে ফেলা যায়।


চলুন এর ব্যাসিক ফিচারসমূহ দেখে আছিঃ

S.ITopic NameDetailsDate
1Mobile ReviewInfinix Smart 2 Pro14 September 2020
2Android8.1Oreo
3Network4G,3G2G
4Bettery3050Mah
5Display1440*720
6CameraBack 13+2MFront 8M
7CPU1.5Ghz
8GPU570Mhz
9Ram2GB
9Rom16GB
10SensorFingerprintFacelock
10Video720p





দীর্ঘদিন ফোনটি ব্যবহার করে যে সমস্যাটা পেয়েছি তা হলো ব্যাটারি ব্যাকআপ। এর ব্যাটারি ব্যাকআপ আসলেই কম। একবার চার্জ দিলে ৩ ঘন্টা ব্যাকাপ দেয়।এছাড়া আর একটি সমস্যা হলো এর আপডেট আসা। প্রতিমাসে আপডেট আসায় দেখা যায় অনেক আপডেটে ফোন স্লো করে দেয়।

এছাড়া এ ফোনের আর কোন সমস্যা নেই।
ব্যবহার করে খুব মজা পাবেন।    

★★★


Saturday, October 10, 2020

সাবওয়ে সার্ফার গেমের ঘটনা কি সত্য?

সাবওয়ে সার্ফার গেমের ঘটনা কি সত্য?

সাবওয়ে সার্ফার গেমের ঘটনা কি সত্য?

হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি সকলে ভালো আছেন।



আজকে আমরা আরো একটি গেমের সত্য ঘটনা সম্পর্কে আলোচনা করব।

আমাদের মধ্যে এমন কাউকে খুজে পাওয়া যাবে না যারা এই গেমটি খেলে নি।

এটি খুবই জনপ্রিয় একটি গেম ছিল।


তো চলুন শুরু করা যাক।


সাবওয়ে সার্ফারঃ সাবওয়ে সার্ফার হলে একটি রানার গেম যা কিলো এবং সাইবো ডেভেলপমেন্ট করেছিল। এটি মূলত একটি এন্ডলেস গেম।

এর কোন শেষ নেই।

গেমটি এন্ড্রয়েড, আইওএস, কিন্ডল, উইন্ডোজ ভার্সনেও রয়েছে।


ইতিহাসঃ 

সবাওয়ে সার্ফার গেমটি রিলিজ হওয়ার পর ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে।

এরপর আমেরিকার একটি টিভি চ্যানেলে গেমটির তৈরীকারক জ্যাকব মূলার ও সিমন মূলারকে ডাকা হয় এবং তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয় এ গেম তৈরী পিছনের কাহিনি। 

এরপর এই দুই ভাই বলতে শুরু করে তাদের করা পরিশ্রম ও ত্যাগ ও সফলতার কাহিনি। 

লেখাপড়া শেষ করার পর কিলো নামে তারা একটি কোম্পানি চালু করে।

কোম্পানিটি গেম তৈরী করত।

তারা ২০০০-২০১২ সাল পর্যন্ত ৫০ টি গেম তৈরী করে। কিন্তু তারা তেমন কোন সফলতা পায় না।

ফলে তারা দিন দিন হতাশ হয়ে পড়ে আর সাথে সাথে বাড়তে থাকে ঋণের বোঝা।

এরপর এই ভাইদের মাথায় একটি আইডিয়া আসে।

তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া একটি সত্য ঘটনার উপর তারা গেম তৈরী করার সিদ্ধান্ত নেয়।

কিন্তু তাদের হাতে টাকা ছিল না। তাই তারা বাড়ি, জমিজমা সব বিক্রি করে আরো কিছু টাকা ধার করে গেমটির প্রকাশে কাজ শুরু করে।

এরপর ২০১২ সালে তারা গেমটি রিলিজ করে।


এ গেমটি বের হওয়ার পর এটি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এই দুইভাই গেমটি থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন ইনকাম করে। 


প্রেক্ষাপটঃ

টিভি চ্যানেলে ইন্টারভিউ দেওয়ার সময় যখন তাদের জিঙ্গাসা করা হয় তাদের এ গেমের কাহিনি কি আসল?

এ গেম তৈরীর পিছনে তারা কি কোন বাস্তব ঘটনা থেকে অনুপ্রানিত হয়েছিল?


তখন এ দুই খুবই ইমোশনাল হয়ে পড়ে।

তারা পুরে ঘটনা বলতে শুরু করে।


এই দুইভাই যখন ছোট ছিল তখন তারা আমেরিকার এটলান্টিক শহরে একটি বস্তিতে বসবাস করত। 

এবং এই বস্তির পেছনেই ছিল একটি রেল স্টেশন।

এই দুই ভাই ও তার বন্ধুরা স্কুল থেকে পালিয়ে বসত এবং এখানে খেলাধুলা করত।

সেসময় আমেরিকার ওয়াল গ্রিফ্টিং আর্ট বা দেয়ালে অংকন করা খুবই জনপ্রিয় ছিল।

এই দুইভাই ও তার বন্ধুরা ওই রেল স্টেশনে থাকা রেলগুলোর উপর স্প্রে দিয়ে ছবি আকত।


ট্রেন স্টেশনের দারোয়ান যখন এসব দেখত তখন তাদের ধড়তে ধাওয়া করত। ট্রেন স্টেশনের দারোয়ান আংকেলগুলো খুবই ভালো ছিল, যদি কখনো কাউকে ধরতে পারত তাহলে ওনার এদের ধরে নিয়ে স্কুলে রেখে আসত।


এ বিষয়টি ওই জায়গায় একটি খেলার মত হয়ে গিয়েছিল।

যারা ওই দারোয়ানদের হাত থেকে বেচে যেতে পারত, ধরা খেত না তারা হত বিজয়ী, আর যারা ধরা খেত তারা হত লুজার।😀


এভাবেই একদিন ওই দুইভাই ট্রেনে ছবি আকতে ছিল। ট্রেনের দারোয়ান আংকেল এটি দেখতে পায় এবং তাদের ধাওয়া করে।

এই দুইভাই দরোয়ানকে দেখতে পেয়ে রেলওয়ে ট্র্যাকে দৌড়াতে থাকে।

দারোয়ান তাদের পিছন পিছন আসতে থাকে।

এরপর ওই রেলওয়ে ট্র্যাক দিয়ে একটি রেল আসতে শুরু করে।

এই দুইভাই যখন রেলের সাথে ধাক্কা খাবে এমন সময় ওই দারোয়ান এই দুইভাইকে বাচিয়ে দেয়।

কিন্তু এদের বাঁচানোর সময় দারোয়ান আংকেলটি রেলগাড়ীতে ধাক্কা খায় এবং মারা যায়।


এই ঘটনা এই দুইভাইয়ের মনে খুবই আঘাত হানে।

এর কিছুদিন পর তারা এ শহর ত্যাগ করে চলে যায়।

এরপর ২০১২ সালে এ গল্পটির উপর ভিত্তি করে সাবওয়ে সার্ফার নামে একটি গেম তৈরী করে।


এ গল্পটি ওই ইন্টারভিউয়ে বলার সময় ওই দুইভাই কান্না করতে থাকে।

এরকম একটি সুন্দর গেমের পিছনেও এত কঠিন,  দূঃখজনক কাহিনি থাকতে পারে তা ভাবাও মুশকিল।


বন্ধুরা যেকোন মুভি, নাটক, গেম তৈরীর পিছনে আগে আইডিয়া লাগে। এই আইডিয়া আমরা আমাদের বাস্তব জিবন থেকেই গ্রহণ করি।


সাবওয়ে সার্ফার একটি সফল গেম।

এটি ১০০ মিলিয়নের উপরে ডাউনলোড হয়েছে।


একসময় এটি আমার খুবই পছন্দের একটি গেম ছিল।


আশা করি আজকের লেখাটি সবার ভালো লেগেছে।

এরকম আরো ইন্টারেস্টিং  টপিক সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথেই থাকুন। 


ধন্যবাদ।

Friday, October 9, 2020

Temple Run game story | Real Story updated

Temple Run game story | Real Story updated

Temple Run game story | Real Story updated



Temple Run : একসময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি গেম ছিল এটি। মনে হয় এমন কেন মানুষ নেই যে এগেমটি খেলে নি। 

গেমটি খেলার পর অনেকের মনেই হয়ত প্রশ্ন জেগেছিল এ গেমটির কাহিনি কি সত্যি?

টেম্পল রান গেমের কাহিনি কি আসল?

এর সত্যতা আছে কি?


আজকের এই পোস্টে আমরা এই বিষয়গুলো নিয়েই কথা বলবো।

তো চলুন শুরু করা যাক।


টেম্পল রান গেমের কাহিনি কি আসল? 

উত্তরঃ হ্যা, এ গেমটি একটি আসল কাহিনিকে ভিত্তি করে তৈরী করা হয়েছে।


১৯৯০ সালের ব্রাজিলের আমাজন জঙ্গল থেকে একটি লোক বাইরে বেরিয়ে আসে।

স্থানীয় লোকজন লোকটির অবস্থা খুবই খারাপ দেখে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

কিছুদিন চিকিৎসার পর লোকটির সেন্স ফিরে আসে।

এরপর তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় তার অবস্থা এরকম হলো কিভাবে তখন সে সব ঘটনা খুলে বলে।

সে সবাইকে বলে কিভাবে সে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছে।

লোকটি বলে তার নাম জনাথন গ্রেক। তিনি আমেরিকার নাগরিক এবং তিনি এখানে বেড়াতে এসেছিলেন। 

তিনি পেশায় একজন প্রত্নতাত্ত্বিকবিদ।

তিনি তার কিছু বন্ধুদের সাথে আমাজন জঙ্গলে এসেছিল একটি মন্দির খুজতে।

কিছুদিন অনেক খোজাখুজির পর তারা এ মন্দির খুজে পায়।

বুঝতেই পারছেন তারা অবশ্যই আমাজনের একদম নির্জন কোন অংশে চলে গিয়েছিল। 

তো তারা মন্দির খুজে পাওয়ার পর সেখানে যাওয়ার পর সেখানকার আধিবাসীরা তাদের উপর হামলা করে। তাদের বন্দী বানিয়ে ফেলে।

এরপর তারা পরিবেশটি খুব ভালোভাবে লক্ষ করে দেখে।

তারা দেখতে পায় সেখানকার আধিবাসীরা আসলে আমাদের সাধারণ মানুষদের মত না। তারা দেখতেও একটু অন্যরকম আর মানুষ থেকে বড়।

এর থেকেও আরো একটি ইন্টারেস্টিং বিষয় তারা সেখানে দেখতে পায়।

তারা বানর, গড়িলার মত কিছু প্রাণী সেখানে দেখতে পায়।

তবে তারা বানর, গড়িলার মত দেখতে হলেও তাদের সাইজ ছিল বিশাল।

বিশাল সাইজের জন্য তারা এগুলো দেখে ভয় পেয়ে যায়। 

এরপর তাদের বন্দী বানিয়ে আরে ভিতরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

কিছুদিন যাওয়ার পর তারা আরো জানতে পারে এসব আধিবাসীরা এলডোরাডে নামকর একটি মূর্তিকে পূজো করে।

মূর্তিটি সম্পূর্ণ গোলাকার এবং সোনার তৈরী।
প্রতিদিন এরা পূজে করার জন্য একজনকরে মানুষকল বলি দেয়।

এভাবে প্রতিদিন বন্দীকৃত মানুষদের এক একজন করে শেষ হতে থাকে।
এরকমভাবে তার টিমের সকলে মারা যায়। 

এরপর এক আদিবাসীর জনের উপর মায়া হয়। সে জনকে সাহায্য করতে চায় তবে একটি শর্তে।

আদিবাসীর শর্ত হচ্ছে এখান থেকে পালাবার সময় জনকে এলডোরাডো মূর্তিটি চুরি করে নিয়ে যেতে হবে।
ওই মূর্তিটি না থাকলে আদিবাসীরা আর কোন মানুষ হত্যা করবে না।

কিছুদিন পর ওই আদিবাসীর সহযোগিতায় জন এলডোরাডো মূর্তিটি চুরি করে পালিয়ে যায়।
কিন্তু মূর্তিটি চুরি করার সাথে সাথে বিশাল আকৃতির গড়িলা বা দানব জনকে ধাওয়া করা শুরু করে।

মূলত এরা মূর্তিটি রক্ষা করার জন্যই এখানে ছিল।
জন অনেক কষ্টে পালাতে থাকে।
কিন্তু এই গড়িলা কিছুতেই তার পিছু ছাড়ে না।

এভাবে জন টানা ২১ দিন ধরে পালাতে থাকে।

জন অনেক কষ্টে জঙ্গল পেরিয়ে শহরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই ওই দানব আকৃতির গরিলাগুলো পিছু করা বাদ দেয়। আর জন বেচে যায়।

এসব কথাগুলো জন সবাইকে বলার পর কেউ তার কথা বিশ্বাস করেনি। 
কিন্তু পরে জন যখন তার ব্যাগ থেকে ওই স্বর্ণের মূর্তি সবাইকে দেখায় তখন অনেকেই তাকে বিশ্বাস করে।

মূর্তিটি বর্তমানে ব্রাজিলের একটি জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

এরপর জনের এই কাহিনি সারাবিশ্বে জড়িয়ে পড়ে।
যার ফলে ২০০৬ সালে একটি গেমিং কোম্পানি তার কাহিনির উপর ভিত্তি একটি গেম চালু করে।
তারা দীর্ঘ চার বছর এটি তৈরী করে এবং ২০১১ সালে প্রকাশ করে।

এ গেমে এক ব্যক্তি এই একটি মূর্তি চুরি করে এবং তার পিছনে ধাওয়া করে একটি গরিলা আর এ গরিলার থেকে বাচতে হয় খেলোয়াড়দের। 
গেমটি টেম্পল রান নাম দিয়ে রিলিজ করা হয়।
রিলিজ করার সাথে এটি চরম জনপ্রিয় হয়ে উঠে। 
যদিও এর কোন এন্ডিং নেই।
এমনকি আমি নিজেও এর চরম ভক্ত ছিলাম একসময়।

গেমটির আরো কয়েকটি আপডেট রিলিজ করা হয়। যেমন টেম্পল রান ২,৩,৪,৫। 
এখনও প্রচুর লোক এই গেম খেলে।
আর এটি ভবিষ্যতেও খেলবে।

আশা করি আজকের পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে।
এরকম আরো ইন্টারেস্টিং টপিক সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথেই থাকুন। 

ধন্যবাদ 

Thursday, October 8, 2020

যে গেমগুলোর শেষ দেখার সৌভাগ্য খুব মানুষের হয়েছে। যে গেমের শেষ নাই

যে গেমগুলোর শেষ দেখার সৌভাগ্য খুব মানুষের হয়েছে। যে গেমের শেষ নাই

Endless Game


গেমিং হলো বর্তমান যুগের বিনোদনের অন্যতম একটি মাধ্যম। এ যুগের ছেলেমেয়েরা গেম খেলতে বসলে কখন যে সময় চলে যায় টেরই পায় না। 

তবে এমন অনেক গেম রয়েছে যেগুলোর শেষ খুজে পেয়েছেন খুবই কম মানুষই।

বেশির ভাগ মানুষই এ গেমগুলোর শেষ দেখতে পারেন নি।

তো আজকে আমরা কথা বলবো এমন কিছু গেম নিয়ে যেগুলোর শেষ দেখা সম্ভব হয় নি।


চলুন শুরু করা যাক।


Flappy Bird: এ গেমটি আসলে একটি ভিয়েতবামি গেম। ভিয়েতনামের একজন গেম ডেভেলপার গেমটি বানিয়েছিল।

জং ইউ এন নামের একজন গেম ডিজাইনার এবং ডেভেলপার গেমটি বানিয়েছিল। 

একটা সময় এই অতিসাধারণ গেমটি পুরে দুনিয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠে। 

এবং সারাবিশ্বের গেমারদের পুরো পাগল করে দিয়েছিল এ গেমটি। 

গেমটির স্রষ্টা শুরুতেই গেমটির নাম ফ্ল্যাপ ফ্ল্যাপ রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু ওই নামে আগেই অন্য একজন গেম বানিয়ে ফেলেছিল।

তাই সে গেমটির নাম রাখে ফ্ল্যাপি বার্ড।

গেমটি বেনাতে ওনার মাত্র কিছুদিন সময় লেগেছিল। 

কিন্তু গেমটি যে বিশ্বজুড়ে এত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে তা তিনি কল্পনাও করতে পারেন নাই।

এটি এখন পর্যন্ত গেমটি বিশ্বজুড়ে ৫০+ মিলিয়ন ডাউনলোড হয়েছে।

যখন গেমটি ভাইরাল হয়েছিল তখন সব সোশাল মিডিয়ায় এটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

গেমটির এটি বিশেষ দিক হলো এটি আপনার ধৈর্যের পরীক্ষা নিবে।

মানুষের ধৈর্যের মাত্রা পরীক্ষা করার জন্যই গেমটি বানানো হয়েছিল।

মানুষ বার বার মারা গেলেও জেদ করে গেমটি ছেড়ে যায় না।

অনেক ইউজার গেমটি শেষ করার জন্য রাতদিন, মাসব্যাপি কঠোর পরিশ্রম করেছে। 

এর শেষে কি আছে তা জানার জন্য মানুষ মরিয়া হয়ে উঠেছিল।

তবে যারা এটি শেষ করতে পেরেছিল তাদের শেষ দৃশ্যটা অনেকটাই হতভম্ব করেছিল।

যখন গেমের ৯৯৯ স্কোর পূর্ণ হয়ে যায় তখন ঘটনা আরেক ঘটনা।

৯৯৯ স্কোর হওয়ার পর ফ্ল্যাপি বার্ডের সামনে সুপার মারিও এসে উদয় হয়।



আর গেমটি ওখানেই শেষ হয়ে যায়।

তাহলে একবার ভাবুন ওই বেচারার কথা যে এতদিন ধরে কষ্ট করছিল গেমটি শেষ করার জন্য 😂

বিষয়টা তার কাছে কেমন লেগেছিল ভাবতে পারছেন?😶


Pek Man: আরো একটি খুবই জনপ্রিয় গেম হলো প্যাক ম্যান।

এটি আসলে একটি জাপানিজ গেম।

জাপানিজ গেম কোম্পানি নেম কো ১৯৮০ সালে পাবলিশ করে।

এটি খুবই সহজ একটি গেম।

যেখানে একজন প্লেয়ারকে লেভেলে থাকা সব ডটস খেতে হয়।

আবার প্যাক ম্যানকে মারা জন্য সেখানে আছে এনিমি বা আমরা বাঙালিরা নাম দিয়েছিলাম ভূত ম্যান😂

প্যাক ম্যানকে আবার এদের থেকে বেচে থাকতে হয়।

গেমের প্রতিটা লেভেল পার হওয়ার সাথে এটি আরো কঠিন হয়।

প্রায় সকল প্লেয়ারই গেমটি সম্পর্কে বলে থাকে গেমটি ৭০-৮০ লেভেল পর্যন্ত একটু সহজই হয়ে থাকে।

কিন্তু এরপর ভূতেরা খুব দ্রুত মুভ করে।

অনেক গ্যামারই মনে করেন প্যাক ম্যানে ২৫৫ টি লেভেল রয়েছে।

কিন্তু একজন এক্সপার্ট এ অসম্ভব কাজটি সম্পন্ন করতে পেরেছিল। 

তিনি গেমের ২৫৫ লেভেল পার করতে সক্ষম হয়েছিলেন।


আর সে লেভেল ২৫৬ এ তে পৌছে গিয়েছিল। 

কিন্তু দূঃখের কথা হলো যখন সে ২৫৬ লেভেলে পেছায় তখন সে দেখতে পায় সেখানে কিছু প্রোগ্রামিং মিসটেক রয়েছে।

কিন্তু বিলি নামের এই ব্যাক্তি এই লেভেলটিও পার করতে সক্ষম হয়েছিলেন। 

আর যখম সে ২৫৬ পার করে তখন সে আবার সে লেভেল ১ এ চলে আসে।

কিন্তু এবার লেভেল ১ এর ভূতগুলে অনেক দ্রুত মুভ করছিল।

সে আবার লেভেলগুলে শেষ করে। 

যখন বিলি আবার সব লেভেল শেষ করে ফেলে তখন হঠাৎ করে গেমের স্ক্রীণ কালে হয়ে যায় এবং গেমটি আবার নতুন করে শুরু করতে বলে।



আসলে কেউ এরকম কোন এন্ডিং দেখতে চায় নি😂

Subway Surfers: 

সাবওয়ে সারফারস ২০১২ সালে সাইবো আর কিলো নামের দুটি কোম্পানি পাবলিশ করেছিল।

পাবলিশ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই এটি ভাইরাল হয়ে যায়।

গেমটি একদম সহজ তাই যে কেউ গেমটি খেলে ঘন্টার পর ঘন্টা পার দিতে পারে।

গেমটিতে একটি প্লেয়ার থাকে যে পুলিশের কাছ থেকে পালাতে থাকে এবং তাকে কয়েন কালেক্ট করতে হয়।

পালাতে পালাতে সামনে আসা বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করতে হয়।

সবার ত মনে করে সাবওয়ে সারফারস গেমের কোন শেষ নেই।

তবে যদি টেকনিকালি দেখেন তাহলে বুঝবেন এটিরও শেষ আছে।

কারণ প্রতিটি গেমেই একটি লিমিটেড মেমোরি থাকে।

যদিও প্রতিটি ডেভেলপার বলে থাকে তাদের গেম এন্ডলেস।

কিন্তু বাস্তবতা হলো মেমোরির লিমিটেশনের কারনে কোন গেমই এন্ডলেস হতে পারে না।

যদি কোন গেম কখনো শেষ না হয় বা কেউ যদি একটানা খেলতে থাকে তাহলে একটা সময় আসবে যখন সে আর গেমটি খেলতে পারবে না।

কারণ অ্যাপটি কখনো আনলিমিটেড মেমোরি ধরে রাখতে পারবে না।

যার ফলে সার্ভার ক্রাশ করবে।

তাই সাবওয়ে সারফারস ও ক্রাশ করবে।


তাই বলাই যায় এটিরও শেষ রয়েছে। 


Duck Hunt:

এটি এমন একটি গেম যা ৯০ এর দশকের ছেলেমেয়েরাই বেশি খেলেছে।

গেমটি তখন খুবই জনপ্রিয় ছিল।

গেমটির মোট ৩৮+ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল।

এ গেমে প্লেয়ারের কাছে একটি বন্দুক থাকে।যেখানে সে স্কিনে ওড়ে যাওয়া পাখির উপর নিশানা করে।

পাখিগুলোকে একটি কুকুর ঘাসের ভিতর থেকে তাড়িয়ে উড়িয়ে দেয়।

যদি নিশানা ঠিকঠাক থাকে তখন কুকুরটা মৃত হাসগুলোকে ঘাসের মধ্যে থেকে উঠিয়ে দেখিয়ে থাকে।

যখন নিশানা মিস হয়ে যায় তখন কুকুরটি ঘাস থেকে উঠে হেসে টিটকেরি মারতে থাকে।

গেমটি খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল এবং এর ডেভেলপার অনেক অর্থ কামিয়েছি এর মাধ্যমে। 

এত জনপ্রিয় হলে ৯৯% মানুষই এর এন্ডিং জানে না। 

সত্যি বলতে কি এর এন্ডিং ও মানুষকে হতাশ করেছিল।

যারা গেমটির ৯৯ লেভেল পার করতে পেরেছিল তারা আকাশ থেকে অনেকগুলো হাস পড়তে দেখতে পায়।

যেগুলোর উপর নিশানা লাগানো অসম্ভব হয়ে যায়।

যখন হাসগুলো উড়ে চলে যায় তখন কুকুরটা হাসতে হাসতে টিটকেরী মারতে থাকে।😂

T-Rex: এটি খুবই আলাদা একটি গেম।



আপনি যদি ক্রোম বাউজার ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনি এটিকে চিনবেন।

ক্রোম বাউজার দিয়ে নেট ব্রাউজিং করতে গেলে হঠাৎ যদি নেট চলে যায় তাহলে ছোট্ট একটা ডাউনোসরের ছবি আসে এবং নিচে কিছু কারণ লিখা থাকে। 

এখন থেকেই মূলত গেমটি শুরু।

এখন আপনি যদি ওই ডাইনোসরের উপর ক্লিক করেন তাহলে গেমটি শুরু হয়ে যাবে। 

আর পিসিতে গেম শুরু করতে হলে কি বোর্ডের স্পেস বাটনে চাপ দিতে হয়।

গেমটি খেলা খুবই সহজ।

ক্রোমের ডেভেলপারদের কথা হচ্ছে যেন তাদের ইউজাররা কোন ইন্টারনেট ছাড়াই গেমটি খেলতে পারে।

গেমটি ২০১৮ সালে ২৭০ মিলিয়ন মানুষ খেলেছিল।

গেমটি ম্যানেজ করতে ক্রোমের ডেভেলপারদের একটি টিম বানাতে হয়েছিল।

গেমটি দেখে এন্ডলেস মনে হলেও

এ গেমটিরও একটি এন্ডিং আছে।

তবে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয় হচ্ছে 

এর এন্ডিং দেখার জন্য আমরা কেউই বেচে থাকবো না।

গেমটির ডেভেলপারদের কথা হচ্ছে গেমটি অনেক কঠিনকাভে ডিজাইন করা হয়েছে। 

তাদের মতে গেমটি শেষ করতে ১ কোটি ৭০ লক্ষ বছর লেগে যাবে।😂



কি বলেন তাহলে এন্ডিং দেখতে চান নাকি😂


আশা করি আজকের পোস্টটি ভালো লেগেছে। 

এরকরম আরো ইন্টারেস্টিং বিষয় সম্পর্কে জানতে নিয়মিত ভিসিট করুন।


ধন্যবাদ

Thursday, October 1, 2020

পাবজি গেম নিয়ে যত কথা

পাবজি গেম নিয়ে যত কথা

পাবজি গেম নিয়ে যত কথা



পাবজি, পাবজি, পাবজি।

যেখানেই যাবেন ছেলেমেয়েদের দেখবেন এই গেমটি খেলতে।

বর্তমানে এটি এতই জনপ্রিয় হয়ে গেছে যে টিভি চ্যানেলগুলোও এর বিজ্ঞাপন প্রচার করে।


আজকে আমরা পাবজি গেম সম্পর্কে কিছু নতুন তথ্য জানবো,যেগুলো অনেক পাবজি প্লেয়ারও জানে না।

আজকের এই পোস্টটি পাবলি লাভারদের কাছে খুব ভালো লাগবে।


চলুন শুরু করা যাকঃ


পাবজি আসলে কি?


পাবজি হলো একটি অনলাইন ভিডিও গেম।

যাকে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় গেমই বলা যায়।

পাবজি গেমটির এন্ড্রয়েড, ম্যাক, উইন্ডোজ, আইওএস ইত্যাদি আরো অনেক ভার্সন রয়েছে।

তবে পাবজি গেমটি সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়েছে মোবাইল ভার্সন মুক্তির পর থেকে।

বর্তমানে পাবজি গেমটি মোট ডাউনলোড করা হয়েছে 100M এর বেশিবার।

মূলত ২০১৭ সালেই পাবজি গেমটি অফসিয়ালি মুক্তি দেওয়া হয়। এটি ছিল উইন্ডোজ ভার্সন। 

এরপর বিভিন্ন ডিভাইসের জন্য মুক্তি দেওয়া হয়।


অনেকে প্রশ্ন ভাই, পাবজি গেমের আবিষ্কারক কে?

পাবজি গেমটির আবিষ্কারক হলে একজন আইরিশ ব্যক্তি।

যিনি পেশায় ছিলেন একজন ফটোগ্রাফার এবং ওয়েব ডেভেলপার। 

তার নাম হলো ব্রেন্ডন গ্রিন।

এখানে উল্লেখ্য তিনি কোন গেম ডেভেলপার ছিলেন না।


পাবজি গেমের কনসেপ্ট কোথা থেকে এসেছে?

২০০০ সালে ব্যাটেল রয়াল নামে একটি জাপানি মুভি প্রকাশিত হয়, এ মুভি থেকেই নেওয়া হয় পাবজির কনসেপ্ট। 

এ মুভির কনসেপ্ট ছিল কিছু মানুষকে একটি নির্জন দ্বীপে ছেড়ে দেওয়া হয়, সেখান থেকে তাদের একজন মাত্র বেচে ফিরতে পারবে বলে জানানো হয়।

এবং তাদের বলা হয় একে অপরকে মেরে ফেলতে।

শেষপর্যন্ত যে টিকে থাকতে পারবে সেই বেঁচে যাবে।


একই কনসেপ্টে ২০১২ সালে আরো একটি হলিউড মুভি বের হয়। এর নাম ছিল The Hunger Game. 

এটি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠে।


ব্রেন্ডন গ্রিন চেয়েছিলেন এরকম একটি গেম বানাতে। তবে তিনি ত গেম ডেভেলপার ছিলেন না। তবে সৌভাগ্যক্রমে তার সাথে পরিচয় হয় দক্ষিন কোরিয়ার ভিডিও গেম কোম্পানি ব্লোহোলের গেম ডিজাইনার এবং ডেভেলপার চ্যাং হ্যান কিমের। 

এরপর তারা একত্রে মিলে আরো সদস্যদের সহযোগিতায় তৈরী করে ফেলবেন আজকের সবচেয়ে জনপ্রিয় গেন পাবজি মোবাইল। 


অনেক পাবজি প্লেয়ার জানে না পাবজির ফুল মেনিং কি?


PUBG এর ফুল হলোঃ Player Unknown Battle Ground. 

পাবজিতে আপনি ত শুধু নিজের টিমের প্লেয়ারদেরকেই চিনেন আর বাকিরা ত সবাই অপরিচিত। একারণেই নাম দেওয়া হয় Player unknown. 


পাবজির এত জনপ্রিয়তার কারণ কি?


পাবজি গেম এ আপনাকে নিজের আইকিউ লেভেলের পুরো প্রয়োগ ঘটাতে হবে। আপনার নিজস্ব বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে সফল হতে হবে। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি একটি চ্যালেন্জের মত হয়। আর মানুষ ত চ্যালেন্জ গ্রহণ করতে খুব ভালোবাসে।


উন্নত গ্রাফিকস পাবজির জনপ্রিয়তার একটি কারণ। দিন দিন এর গ্রাফিক্স আরো উন্নত হচ্ছে। 


বিশ্বের সকল আধুনিক অস্ত্রের ব্যবহার। গেমটিতে আপনি অনেক অস্ত্র পাবেন যেগুলো আমাদের বাস্তব জগতের আধুনিক অস্ত্রের মত হুবহু দেখতে।

এটিও জনপ্রিয়তার একটি কারণ হতে পারে।


পাবজি গেম খেলার সময় সবাই টান টান উত্তেজনা  অনুভব করে। কারণ এটি অনেকটা বাস্তবজীবনের মতই।


নিজের প্রোফাইল রেংকিংও পাবজির জনপ্রিয়তার কারণ হতে পারে। 

পাবজিতে যে যত ভালো খেলোয়াড় তার প্রোফাইল রেংকিংও তত বেশি। নিজের প্রোফাইল রেংকিং এর জন্যও অনেকে কঠিন পরিশ্রম করে।


এছাড়া গেমটি খেলা খুবই সহজ, কিছুক্ষণের মধ্যেই খেলা শিখে ফেলা যায়। তাই এটি দিন দিন আরো জনপ্রিয় হচ্ছে।


চিকেন ডিনার?


পাবজির প্রতিটি প্লেয়ারই চায় চিকেন ডিনার পেতে।

তবে চিকেন ডিনারের রহস্যটি কি জানেন?

অনেক আগে ১৯৩০ সালের দিকে চীনের অর্থনৈতিক সংকটকালে জুয়া খেলায় জিতলে রাতে চিকেন দিয়ে খাবার দেওয়া হত,  এখান থেকেই মূলত এসেছে চিকেন ডিনার।

তবে এখন পাবজিতে একে অপরের সাথে লড়াইয়ে জিতলে দেওয়া হয় চিকেন ডিনার। 


পাবজি গেম দিন দিন আরো জনপ্রিয় হচ্ছে। 

গেমটিতেও দিন দিন নতুন নতুন ফিচার যুক্ত হচ্ছে। 

পাবজি গেমটি যেমন খুব আনন্দের তেমনি এর কিছু খারাপ দিকও রয়েছে।


পাবজি গেম খেলা শুরু করলে একধরনের আসক্তি চলে আসে। এবং এটি দিন দিন বাড়তে থাকে। দেখা যায় নেশার মত হয়ে উঠে। গেম না খেললে রাতে ঘুম হয় না, কাজে মন বসে না।


পাবজিতে একটানা তাকিয়ে থাকতে থাকতে অনেকের চোখের সমস্যা হয়।


পড়াশোনারও অনেক ক্ষতি হয়। পাবজি গেমে অবসর সময় কাটানের জন্য তৈরী করা হলেও ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা বাদ দিয়ে এটির পিছনে লেগে থাকে।


অনেকে আছে যারা টাকা দিয়ে বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল কিনে, সহজে খেলার জন্য যা অর্থের অপচয়।


তাই আমরা পাবজি খেলবো শুধুমাত্র অবসর সময়ের জন্য।

মনে রাখতে হবে এটা একটি গেম। গেম খেলে জীবন চলবে না।

গেম হলো বিনোদনের অংশ।


আশা করি পোস্টটি ভালো লেগেছে।

ধন্যবাদ। 

এরকরম আরো পোস্ট পেতে আমাদোর সাইটে নিয়মিত ভিসিট করুন।

Sunday, September 27, 2020

ডট কম ডোমেইন মাত্র ৮৪ টাকায়ঃ সবচেয়ে কমদামে ডট কম ডোমেইন।

ডট কম ডোমেইন মাত্র ৮৪ টাকায়ঃ সবচেয়ে কমদামে ডট কম ডোমেইন।

ডট কম ডোমেইন মাত্র ৮৪ টাকায়ঃ সবচেয়ে কমদামে ডট কম ডোমেইন। 

dot com domain offer 2020-2021


হ্যালো ফ্রেন্ডস, আশা করি সকলে ভালো আছেন।

আজকে আমি দেখাবো কিভাবে সবচেয়ে কমদামে একটি ডট কম ডোমেইন নিবেন।
ডোমেইনটি নিতে আপনার মোট ৮৪ টাকা খরচ হবে। 


তো চলুন দেখে নিই কিভাবে সবচেয়ে কমদামে একটি ডট কম ডোমেইন নিবেন। 


স্টেপ ১। প্রথমে এই in.godaddy.com যান। নিচে গিয়ে ছবির দেখানো যায়গায় Usd বানিয়ে দিন।




স্টেপ ২। আপনার কাঙ্খিত ডোমেইন নাম লিখে সার্চ করুন।


স্টেপ ৩। এরপর Add to cart এ ক্লিক করুন।



স্টেপ ৪। এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন।  ডোমেইন year এ 1 year সিলেক্ট করে দিন। 



স্টেপ ৫। ডোমেইনের নিচে যদি কোন কিছু লিখা থাকে ওইগুলা সব ডিলেট করে দিন। 

এরপর নিচের মত Continue to cart এ ক্লিক করুন।



স্টেপ ৬। এরপর নিচের পেইজের মত দেখতে পাবেন। এমন না আসলে একটু অপেক্ষা করুন চবার Sign up করতে যাবেন না। 



স্টেপ ৭। এরপর নিচের মত দুই জায়গায় No thanks সিলেক্ট করে দিন। 



স্টেপ ৮। এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন। 

এরপর Have a promo code লিখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৯। GDD99COM1 প্রোমো কোডটি দিন। Apply এ ক্লিক করুন।

ব্যাস হয়ে গেল। 



স্টেপ ১০। এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন। দেখুন আগে কত ডলার ছিল আর এখন কত ডলার হয়েছে।



স্টেপ ১১। Check out লেখায় ক্লিক করুন।


স্টেপ ১২। ইমেইল পাসওয়ার্ড দিয়ে Create account এ ক্লিক করুন। 



এরপরে যা যা করতে হয় অগুলো আপনারা নিজেরাই পাবেন আশা করি।


এরপরও যদি না পারেন তাহলে যোগাযোগ করতে ভুলবেন না।

এছাড়া যে জায়গায় আটকে পড়বেন সাথে সাথে আমাদের জানাবেন।


এভাবেই আপনি খুব অল্প টাকায় একটি ডট কম ডোমেইন পেয়ে যাবেন।

বাংলাদেশে ডলারের দাম পরিবর্তনশীল তবে ৮০-৮০ টাকা প্রতি ডলার লেনদেন হয়।


এখন অনেকেই প্রশ্ন করেন,  ভাই Godday নাকি কিছুদিন পর ডোমেইন ডিজেবল করে দেয়?


কথাটির কিছুটা সত্যতা রয়েছে। 

একটা কথা মনে রাখবেন কেন কোম্পানিই চায় না তাদের মার্কেট নষ্ট হোক।

আমাদের বাঙালিদের মধ্যে কিছু লোভি মানুষের জন্য এইরকম  হয়ে থাকে।

তারা এক ক্রেডিট কার্ড বা পেপাল দিয়ে ১০০-৫০০ ডোমেইন কিনে বেশি দামে বিক্রি করে। এ বিষয়টি নিশ্চয়ই এ কোম্পানি ভালোভাবে নিবে না। একারণে এদের ডোমেইন সাসপেন্ড হয়ে যায়।

এছাড়া অনেকে দেখা যায় ডোমেইন নিয়ে অনেক অবৈধ সাইট তৈরী করে। যেমনঃ জুয়া, টরেন্ট মুভি, ১৮+ সাইট এসব। এসব ক্ষেত্রে ১০০% ডোমেইন সাসপেন্ড হয়ে যায়।

এখন আপনি যদি নিজের জন্য এবং ভালো ব্লগিং এর উদ্দেশ্যে ডোমেইন নেন তাহলে নির্ধিদায় নিতে পারেন। আপনার কাজের কোন সমস্যা হবে না।


তো এই ছিল আজকের জন্য। 


কোন সমস্যা থাকলে জানাতে ভুলবেন না। 


ধন্যবাদ।

★★★
মানুষের মুখমন্ডলের ছবি কীভাবে আঁকবেন:

আপনি কি ৪ বছরের বাচ্চাদের মতো আঁকছেন? 
যাই হোক,
এটা কোন ব্যাপার না। এই কোর্সের শেষে আপনি একটি সম্পূর্ণ ফটোরিয়ালিকাল প্রতিকৃতি আঁকতে সক্ষম হবেন। 
মাথার কাঠামো, এর অনুপাতগুলি, দৃষ্টিকোণটি কীভাবে আঁকতে হবে এবং কীভাবে একটি শক্ত থ্রিডি চেহারা পেতে আপনার অঙ্কনকে শেড করবেন।

সে সম্পর্কে আপনারও দৃঢ় ধারণা থাকতে হবে। এছাড়াও আপনি কীভাবে মুখের ভাবগুলি, বিভিন্ন আবেগ বা অনুভূতি চিত্রিত করতে হয় তা শিখবেন। 

আপনি কী আঁকতে সক্ষম তা দেখে  আপনার বন্ধুরা এবং পরিবার বিস্মিত হবে। 
আমার সাথে কিছু মজা করুন এবং এই কোর্সটি এখনই শুরু করুন।

আপনি ৪ বছরের বাচ্চাদের মতো প্রতিকৃতি আঁকেন? সমস্যা নেই. আপনি কয়েক দিনের মধ্যে এটি বেশ দ্রুত পরিবর্তন করতে পারবেন।

ধাপে ধাপে কীভাবে প্রতিকৃতি বা ছবি আঁকবেন তা আমি আপনাকে দেখাব। 

এই অনলাইন ছবি অঙ্কন কোর্সের শেষে আপনার অঙ্কন দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি একটি পেন্সিল দিয়ে একটি বাস্তবসম্মত প্রতিকৃতি আঁকতে সক্ষম হবেন।

আপনার একটি দৃঢ় ধারণা তৈরী হবে।

★ মাথার গঠন

★ মাথার অনুপাত

★ কীভাবে দৃষ্টিকোণে মুখ আঁকবেন

★ কীভাবে বিভিন্ন মুখের বৈশিষ্ট্যগুলি আঁকবেন (চোখ, নাক, কান এবং মুখ)

★ এবং কীভাবে আপনার অঙ্কনকে শেড করবেন গভীরতা তৈরি করতে এবং একটি দৃঢ় 3D চেহারা পাবেন।

এছাড়াও আপনি মুখের ভাবগুলি, বিভিন্ন আবেগ বা অনুভূতিগুলি কীভাবে চিত্রিত করতে হয় তা শিখবেন।

আগের অঙ্কন জ্ঞান বা বিশেষ অঙ্কন সরঞ্জামের প্রয়োজন নেই।

আমি প্রোক্রেট অঙ্কন এবং পেইন্টিং অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে অ্যাপল পেন্সিল দিয়ে আইপ্যাডে আঁকছি, তবে আপনি একটি সাধারণ অনুলিপি কাগজ, একটি পেন্সিল এবং একটি ইরেজারটি  দিয়েই কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। 

আপনি যদি আমার নির্দেশাবলী অনুসরণ করেন এবং এই কোর্সটি সহ অঙ্কন অনুশীলনগুলি করেন তবে আপনার বন্ধুরা এবং পরিবার শীঘ্রই অবাক হয়ে যাবেন যে আপনি কীরকম আকর্ষণীশ ছবি আঁকতে সক্ষম।

সো চলুন কিছু মজার সময় কাটানো যাক। 
এখনই এই প্রতিকৃতি অঙ্কন কোর্সে ভর্তি হন।

এই কোর্সটি কার জন্য:

১. শিক্ষার্থীরা "কীভাবে মুখমন্ডলের ছবি আঁকবেন" শেখার বিষয়ে আগ্রহী

এই কোর্সে আপনি কী শিখবেন:

<> যে কোনও কোণ থেকে কীভাবে মাথা বা মুখমণ্ডল আঁকবেন

<> চোখ, নাক, কান, মুখ আঁকুন

<> বাস্তব প্রতিকৃতি অঙ্কন করতে পারবেন। 

<> মুখের ভাবগুলি [ হাসি, কান্না, কষ্ট ] আকতে পারবেন। 
ধন্যবাদ 

Saturday, September 26, 2020

কিভাবে মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করা যা?

কিভাবে মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করা যা?

 মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস প্র্যাকটিস করুন সহজেই।

মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস


হ্যালো ফ্রেন্ডস আজকে আমরা দেখব কিভাবে আপনি মোবাইল দিয়েই সম্পূর্ণ অফ লাইনে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে পারবেন। 


হ্যা, আপনি ঠিকই শুনেছেন। আপনি আপনার এন্ড্রয়েড ফোনটি দিয়েই সম্পূর্ণ ফ্রিতে এ কাজটি করতে পারবেন। 


এজন্য আপনি শুধু আমার দেখানো স্টেপগুলো ফলো করুন।


তো চলুন শুরু করা যাকঃ


আপনার যা যা লাগবেঃ

Apps ২ টা।

১. Icode-Go ২. Icode Web

Wordpress জিপ ফাইল।



এপস দুটি আপনি প্লে স্টোরেই পেয়ে যাবেন সম্পূর্ণ  ফ্রিতে। প্রথমে এপস দুটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে ফেলুন। 

এরপর Wordpress.org সাইটে গিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ফাইলটি ডাউনলোড করুন। 


ডাউনলোডের কাজ শেষ এখন ডাটা অফ করে দিন।

 এখন দেখব আসল স্টেপ।

চলুন শুরু করি।


স্টেপ ১। Icode-Go এপস প্রবেশ করুন।পারমিশন দিন। একটু অপেক্ষা করুন। একটু সময় লাগবে।

একটু পর নিচের মত পেইজ দেখতে পারবেন।



স্টেপ ২। এবার কোন মেসেজ দেখালে Don’t show this এ টিক মার্ক দিয়ে ক্লোজ করে দিন। 

উপরের বামদিকে কোনায় থ্রিডটে ক্লিক করুন।



স্টেপ ৩। এরপর মাঝখানের থ্রিডটে ক্লিক করুন। 

এরপর নিচের মত দেখতে পাবেন। Install এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ৪। এরপর আপনাকে আরেক এপস নিয়ে যাবে সেখাবে Install এ ক্লিক করুন। কোন মেসেজ আসলে ক্লোজ করে দিন। এরপর আপনাকে একটু সময় অপেক্ষা করতে হবে। কিছু ফাইল ইন্সটল হবে। 



স্টেপ ৫। হয়ে গেলে আবার Icode-Go এপস এ যান,বামের থ্রিডটে ক্লিক করুন, এরপর মাঝখানের থ্রিডটে ক্লিক করুন। একটু নিচের দিকে স্ক্রল করুন। 

নিচের ছবির মত চেন্জ ভার্সন লেখায় ক্লিক করুন। 


স্টেপ ৬। এরপর Php 7.3.3 সিলেক্ট করুন এবং আপগ্রেড এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ৭। এরপর আরেকটু নিচের দিকে স্ক্রল করুন। নিচের ছবির মত Adminer লেখায় ক্লিক করুন।



স্টেপ ৮। এরপর আপনাকে একটি ব্রাউজার সিলেক্ট করতে হবে। 

এরপর নিচের মত একটি পেইজ দেখতে পাবেন। 



স্টেপ ৮। এরপর লগইন এ ক্লিক করুন। 


স্টেপ ৯। নিচের ছবির মত Create a Database লেখায় ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১০। এরপর নিচের ছবির মত প্রথম ঘরে Wordpress এবং দ্বিতীয় ঘরে Ascii-bin সিলেক্ট করুন। এরপর সেভ এ করুন। এরপর নিচের মত দেখতে পাবেন। 



এরপর আপনার ফাইল ম্যানেজারে যান। আমরা যে প্রথমে একটি ওয়ার্ডপ্রেস জিপ ফাইল ডাউনলোড করেছিলাম ওইটা এখন এক্সট্রাক্ট করতে হবে।


এজন্য ওই ফাইল এ ক্লিক করে এক্সট্রাক্ট এ ক্লিক করে আপনার স্টোরেজের Icode- Go নামক ফোল্ডার এ যান, এরপর Data-files এ যান। এরপর www এ গিয়ে এক্সট্রাক্ট করুন। 


অথবা আপনি যে ফোল্ডারে ওয়ার্ডপ্রেস ফাইলটি ডাউনলোড করেছিলেন ওইখানেই এক্সটাক্ট করুন।

এরপর Wordpress ফোল্ডারের ভিতর থেকে সবগুলো ফাইল সিলেক্ট করে কাট করুন এবং Icode-Go ফোল্ডারের data-files এর ভিতরের www এর ভিতরে পেস্ট করুন। 

 এতটুকু করার পর বের হয়ে আসুন। আপনার যে ব্রাউজার দিয়ে ডাটাবেইজ বানিয়েছেন ওই ব্রাউজার আবার ওপেন করুন।






স্টেপ ১১। এরপর সার্চবারে টাইপ করুন localhost:8080

এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন। 



স্টেপ ১২। এরপর সাইট নেম, ইউজার নেম,পাসওয়ার্ড দিবেন, নিজের ইচ্ছেমত।

জিমেইল দিয়ে নিচের Install wordpress এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১৩। এরপর নিচের মত লগইন লেখায় ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১৪। ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড দিন, Log in এ ক্লিক করুন। 



স্টেপ ১৫। Congratulations আপনি পেরেছেন। 



ভালোভাবে দেখার জন্য ডেক্সটপ মোড অন করে নিন।



ব্যাস হয়ে গেল কাজ।


এখন আপনি সহজেই অফলাইনে কাজ করতে পারবেন। 

সকল থিম প্লাগইন সব ব্যবহার করতে পারবেন কেন সমস্যা হবে না।


আশা করি বুঝতে পারছেন। 

কোন সমস্যা থাকলে অবশ্যই জানাবেন। 


ধন্যবাদ।

Friday, September 25, 2020

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিক।

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিক।

ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিক। 

হ্যালো ফ্রেন্ডস, আশা কির সকলে ভালো আছেন।

গতপর্বে আমরা ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলাম। 

আজকে আমরা ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর কিছু টেকনিক জানব।


যারা ইনফোগ্রাফিক কি এবং ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং পদ্ধতি সম্পর্কে জানেন না তারা আগের পোস্টটি পড়ে নিন।


ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং খুবই শক্তিশালী একটি লিংক বিল্ডিং পদ্ধতি। 

এ কাজটি একবার করতে পারলে অনেক চান্স আছে আমাদের সাইটটি র্যাংক করার। 


চলুন শুরু করি।

ইনফোগ্রাফিক তৈরীর আইডিয়ার জন্য আমরা BuzzSumo.com নামের একটি ওয়েবসাইটের হেল্প নিয়েছিলাম। 

এই সাইটেই আরো চমৎকার কিছু ফিচার রয়েছে, যা আমাদের কাজকে আরো সহজ করে দিবে।


এই সাইটে আপনি যেকোন টপিক লিখে সার্চ করলে অনেক রেজাল্ট পাবেন। এখান থেকে যেকোন রেজাল্টে ক্লিক করলেই দেখতে পাবেন কিরকম শেয়ার হয়েছে কনটেন্টটি।


অনেকে বলেছেন বাজসুমুতে একাউন্ট করতে পারে নাই।

চলুন দেখি এখানে কেমনে একাউন্ট তৈরী করা যায়।

প্রথমে এই লিংকে যান। নিচের মত একটি ওয়েবসাইট দেখতে পাবেন।



এরপর উপরের থ্রিডট মেনুতে ক্লিক করুন এরপর নিচের মত পেইজ দেখতে পাবেন।



এরপর Start free trial এ ক্লিক করুন। এরপর নিচের মত একটি পেইজ পাবেন।



এখন নাম, ইমেইল, পাসওয়ার্ড দিন। এরপর Start My Free Trial এ ক্লিক করুন।


ব্যাস হয়ে গেল। এরপর ফেসবুক বা ফোন নাম্বার দিয়ে ভেরিফাই করে নিন। 

Congratulations একাউন্ট হয়ে গেছে।


এরপর শুধু আপনার মেইল চেক করে ইমেইল ভেরিফাই করে নিন। 


এখন কিভাবে সার্চ করে আপনার টপিক বের করবেন?


কোন টপিক নিয়ে সার্চ করার জন্য নিচের মত অপশনে ক্লিক করে,আপনার টপিক লিখে সার্চ করবেন।


এরপর ছবিতে দেখানো যায়গা ক্লিক করে 24 hours সিলেক্ট করে দিবেন।

এতে করে গত ২৪ ঘন্টার রেজাল্ট শো করবে।



এখন দেখবো কিভাবে খুজে পাবেন কারা পোস্টটি শেয়ার করেছে?


এজন্য প্রথমে নিচের দেখানো যায়গায় ক্লিক করুন।



এরপর নিচের মত দেখতে পাবেন।এখন View Top sharers এ ক্লিল করুন। আপনি তাদের নামগুলো দেখতে পাবেন। 



আপনি চাইলে সরাসরি ওখান থেকেই মেসেজ করতে পারবেন। 


এখন আমরা ইনফোগ্রাফিক লিংক বিল্ডিং এর আরো একটি পদ্ধতি সম্পর্কে জানবো?


এ পদ্ধতিটি একটু জটিল তবে আপনি এতে সুপার শক্তিশালী লিংক পেতে পারেন।

এজন্য প্রথমেই আপনার টপিক নিয়ে গুগলে সার্চ করবেন। যে ওয়েবসাইটগুলো আসবে তাদের সাথে যোগাযোগ করে আপনার ইনফোগ্রাফিক তৈরী করেছেন এটা জানাতে চাইবেন।

তারা যদি আগ্রহ প্রকাশ করে তাহলে আপনার ইনফোগ্রাফিকটির লিংক তাদের দিবেন। 

এক্ষেত্রে অনেক চান্স আছে তাদের লিংক পাওয়ার।


এখন কথা হলো কিভাবে তাদের ইমেইল বা কনটাক্ট ডিটেইলস পাবেন?


আপনার হয়ত অনেকেই জানেন যেকোন ওয়েবসাইটে Contact Us নামের পেইজ থাকে।

সেখানে গেলেই মেইল দেওয়া থাকবে,সেটাতে মেইল করবেন।



এখন এক্ষেত্রে একটি সমস্যা আছে। আপনি ওখানে যে মেইল পাবেন সেটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের প্রধান মেইল হবে না। তাদের এমন আরো অনেক মেইল থাকবে।


এখন তাহলে আপনি কিভাবে বুঝবেন কোনটি আসল? 

বা কয়টি মেইল আছে তাদের?


এজন্য আপনার অনলাইন কিছু টুলসের সাহায্য নিতে পারি।

এরকম একটি টুলস হলো Hunter.io। এটি একটি ভালো ওয়েবসাইট। এখান থেকে আপনি সহজেই বের করতে পারবেন একটি সাইটে কয়টি মেইল রয়েছে।


এ সাইটটি ব্যবহার করার জন্য আপনাকে সাইন আপ করে নিতে হবে।

তারপর শুধু আপনার কাঙ্খিত ডোমেইন লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন কতগুলো মেইল রয়েছে তার লিস্ট। 


এখানে আরো একটি সমস্যা আছে, অনেক সময়ই দেখতে পারবেন তাদের ১০-২০ টি করে মেইল রয়েছে।

এখন আপনি কিভাবে বুঝবেন কোনটি আসল মেইল?

এক্ষেত্রে আমাদের সহায়তা করবে জিমেইল। 

আপনি শুধু ওই সাইট থেকে পাওয়া মেইলগুলো কপি করবেন। আর জিমেইল থেকে নেউ একটা মেইল কম্পোজ করবেন।

এরপর To তে আপনার কপি করা সকল মেইল পেস্ট করবেন। 

এরপর শুধু মেইলগুলোর উপর একটি একটি করে ক্লিক করবেন।তফাতটি আপনিই দেখতে পারবেন।

কারণ জিমেইলের একটি দারুণ ফিচার আছে।

এটি হলো আপনি যদি কোন জিমেইলের ওপর ক্লিক করেন সেটি রিয়েল হলে সেখানে একটি ছবি দেখতে পাবেন। এটিই হবে আসল মেইল।

আপনি নিশ্চিন্তে এই মেইলটি কপি করে নিতে পারেন। এবং এখানে যোগাযোগ করবেন।

এক্ষেত্রে আপনার চান্স থাকবে ৯৫% লিংক পাওয়ার।

ভাইয়া একটা কথা মনে রাখবেন কোন কাজই সহজ না এগুলোই এসইও।

আপনাকে একটু কষ্ট ত করতেই হবে।


যদি বুঝতে কোন সমস্যা হয় তাহলে জানাবেন।

ধন্যবাদ